পাকিস্তানী জঙ্গিগোষ্ঠী জয়শী মোহাম্মদ বাংলাদেশে সনাতন (হিন্দু) ধর্মালম্বীদের তীর্থ স্থান চট্রগ্রামের সীতাকুন্ডে চন্দ্রনাথ পাহাড়ে মসজিদ তৈরী করতে চায়।
যদিও বাংলাদেশ এবংপাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী কয়েক বছর আগ থেকেই পরিকল্পনা করে আসছিল হামলা করে হিন্দু ধর্মালম্বীদের পবিত্র এই স্থাপনাটি ভেঙ্গ ফেলতে। দুর্গম পাহাড় এবং সবসময় সরকারী নিরাপত্তা থাকায় এতদিন নাপাড়লেও এখন কিন্তু যেকোন উপায়ে এই পবিত্র স্থানে মসজিদ নির্মানের পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়ে গেছে।
এর দায়িত্ব নিয়েছেন পাকিস্তানী জঙ্গিগোষ্টী জয়শী মোহাম্মদ, লস্করী তৈয়বা ও আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএসএর-এর বাংলাদেশের এজেন্ট চট্রগ্রামের জঙ্গিনেতা হারুন ইজহারের পুত্র মুফতি ইজহারুল ইসলাম।
ইউনূস আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল উল্টে দিয়েছেন – পাওলো কাসাকা
এই মুফতি ইজহারুল ইসলামের মাদ্রসা থেকে কয়েকবারই দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অস্ত্র এবং প্রশিক্ষনকালীন সময় তার বেশ কয়েকজন সহযোগীকে প্রেফতার করে। এই হারুন ইজহারও এতদিন কারাগারে আটক ছিল। ২০২৪ এর ৫ আগষ্টের পর বর্তমান সরকার একাধিক মামলার আসামী ইজহারকে মুক্তিদেয়। এর পর কয়েকজন উপদেষ্টার সাথে তার গোপন মিটিংএর খবর প্রকাশিত হয়। আবারও আলোচনায় আসে এই মুফতি ইজহার।
প্রতিদিন তীর্থ পালনে দেশ বিদেশের হাজার হাজার পূন্যার্থী মনের বাসনা পূরনের আশায় থীর্ত করতে আসেন শীতাকুন্ডের চন্দ্রনাথ মন্দিরে। উপমহাদেশে হিন্দু ধর্মালম্বীদের তীর্থ স্থান হলো-গয়াকাশি-মধুরা বৃন্দাবন এবং চন্দ্রনাথ। গায়া-কাশি-মথুরা বৃন্দাবনের অবস্থান ভারতে হলেও চন্দ্রনাথের অবস্থান বাংলাদেশে। হাজার হাজার বছর ধরে হিন্দু পূন্যার্থীরা এসব পবিত্র স্থানে পূন্য লাভের আশায় তীর্থ করে আসছেন। এই পাহাড়টি হিন্দু ধর্মালম্বীদের পূন্যস্তান হিসেবে চিহ্নিত।
এই বিষয়টি তার নিজস্ব ফেস বুক আইডিতে তুলে ধরেছেন বাংলাদেশের এক জঙ্গিনেতা যিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জমিয়তুল মোজাহিদিন (জেমবি)-র এক সদস্য। তার এম. এম. সাইফুল ইসলাম নামের ফেস বুকের বক্তব্য কোন ধরনের পরিবর্তন পরিবর্ধন ছাড়াই হুবহু তুলে ধরা হলোঃ——–
সীতাকুন্ড পর্বতের চূড়ায় মসজিদ ৯০% কনফার্ম।
আলহামদুলিল্লাহ্
বিস্তারিতঃ আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন গতকাল সীতাকুন্ড পর্বতে উঠেছিলাম, চন্দ্রনাথ পাহাড়ের চূড়ায় উঠে সুন্দর দৃশ্য দেখতে কার না ভালো লাগে বলুন??
আমিও তার ব্যতিক্রম নই,এরপর পর্বতে ওঠা,
প্রথমে অনেকেই বলেছিলো হুজুর আপনার এই মোটা শরীর নিয়ে উঠতে পারবেন না, তবে আমি প্রথমেই বলেছি যদি ১ দিন সময়ও লাগে আমি চূড়ায় উঠেই ছাড়বো, প্রয়োজনে মাঝে মাঝে বিশ্রাম করবো। যেই কথা সেই কাজ।
উঠতে উঠতে উপরে উঠলাম, তবে উপরে উঠার পর, যখন নামাজ পড়ার বিষয়ে কথা বললাম, সাফ জানিয়ে দিলো,তাদের পবিত্র ভূমিতে নামাজ পড়তে দিবে না এমনকি গত ২ বছর পূর্বে আজান দেওয়ার জন্য ২ জনকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছিলো তা শুনিয়ে ভয় দিলো।
বিষয়টি খুব খুবই গয়রাতে লাগলো। এরপর এক একজন পর্যটককে নামাজের বিষয়ে বললে, সকলের একটাই আফসোস, যদি আমাদের জন্য একটি নামাজের জায়গা থাকতো,তাহলে আমাদের নামাজ ক্বাজা হতো না। পাহাড়ে উঠে মনোরম দৃশ্য দেখলাম এরপর পাহাড় থেকে নামলাম ঠিকই,কিন্তু কোন ভাবে মনে শান্তি পাচ্ছিলাম না।
শুধু আফসোস করতেছিলাম, ৯৩% মুসলমানের দেশে, পাহাড়ের চূড়ায় পাশাপাশি ২টি মন্দির থাকতে পারে, আর আমরা সালার ভাড়াটিয়া, মসজিদ তো দূরের কথা নামাজ পড়ার অনুমতি পাই না হাটহাজারী মাদ্রাসায় গেলাম,ছাত্রদের সাথে সাক্ষাৎ করলাম, রাতের খানাও শেষ করলাম,মাগার মাথা থেকে কোন ভাবেই নামাজের বিষয়টি ভুলতে পারলাম। ছাত্রদেরকে সাথে নিয়ে পরামর্শ করলাম কি করা যায়.? পরামর্শে সকলে শায়েখ Harun Izhar সাহেবের সাথে কথা বলতে বললেন, সাথে সাথে এ্যাকশন
ফজর নামাজের পর,হাটহাজারী থেকে সোজা, শায়েখের মাদ্রাসায়। আলহামদুলিল্লাহ্ ছুম্মা আলহামদুলিল্লাহ্ , শায়েখ মাদ্রাসায় আসার সাথে সাথে সর্বপ্রথম Ashraf Ali Adnan ভাই সরাসরি শায়েখের সাথে সাক্ষাৎ করালেন, হুজুর ইনি মুফতি সাইফুল ইসলাম তার জুতার ফ্যাক্টরি রয়েছে খুব ভালো জুতা বনায়,আমিও ব্যবহার করি, শায়েখ ব্যবসায়ী শুনে খুব খুশী হলেন দোয়া করলেন, আলেম ব্যবসায়ী অনেক প্রয়োজন।
আমি পিছনে পিছনে যাচ্ছিলাম,
শায়েখ একটি তাকাজা নিয়ে এসেছিলাম,বলবো?? বলো বলো…. এরপর হুজুরকে গতকালের পূর্ণ গঠনা খুলে বললাম, এবং বললাম ওখানে একটি নামাজের জায়গা প্রয়োজন। হুজুর সাথে সাথে বললেন মাওলানা সুন্দর তাকাজা নিয়ে এসেছেন। সুন্দর উদ্যোগ,তবে মসজিদ করতে তো অর্থের যোগান লাগবে। অকপটে বললাম শায়েখ টাকার ব্যবস্থা আমি করবো। শুনার সাথে সাথে বললেন, এখানে মসজিদ করা আমার দায়িত্ব। আপনি টাকার ব্যবস্থা করেন,আমাকেও আর্থিক সহযোগী হিসাবে রাইখেন ইনশাআল্লাহ্ বাকি টাকর ব্যবস্থা আপনি করুন। আগামীকালই প্রশাসনের সাথে কথা বলে ফাইনাল করতেছি, মসজিদ অবশ্যই হবে ইনশাআল্লাহ্ মন্দিরের পাশে না হোক,আশপাশে হবেই ইনশাআল্লাহ্। মন্দির থেকে সামান্য নিচে, বটবৃক্ষের গোড়ায় মসজিদ হবে ইনশাআল্লাহ শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য ধন্যবাদ। উদ্যোগটি ভালো লাগলে পোস্টটি সেয়ার করে দিবেন।
নীচে বিভিন্ন জনের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরা হলোঃ ——
আমার বাড়ির পাশে এই চন্দ্রনাথ পাহাড়। আশেপাশের মুসলিম বসতি বাড়াইতে বাড়াইতে রেল লাইনের ওইপারে নিয়া গেসে হিন্দুদের। ১৫-২০ বার উঠসি এই পাহাড়ে৷ এটা এই দেশে হিন্দুদের অন্যতম তীর্থস্থান। এই জায়গায় গেলে আপনি ফিল করবেন ডাইভার্সিটি কী জিনিস। একই দেশ একই ভূমি। অথচ দুটো ভিন্ন ধর্মের মানুষ সহাবস্থান করছে। তাদের রীতিনীতি দেখবেন, চূড়ায় মন্দিরটা দেখবেন, পথে যেতে পাহাড়েও একটা বিরুপাক্ষ ছোট মন্দির দেখবেন। চিন্তা করবেন যে অদ্ভুত এক দুনিয়া। প্রতিটা মানুষের বিশ্বাস আলাদা। আমরা সবাই সেইম না। এই বৈচিত্র্যই সুন্দর। আপনার নামাজ পরতে হইলে বিকালে ৩০ মিনিট আগে নেমে নিচে বাজারের মসজিদে যাবেন। তাইলে মাগরিবের নামাজ ধরতে পারবেন। না সেটা করবেন না আপনারা। আজকে যদি ওরা যাইয়া বলে ওরা বাইতুল মোকারমের পাশে একটা মন্দির বানাইতে চায়। তখন ভালো লাগবে আপনার? এতো হাস্যকর লজিক কই পান, আপনারা বলে ভাড়াটিয়া। এই দেশ ৯৩% মুসলিমের দেশ। মসজিদের নগরী ঢাকা, এই দেশেই। বিশ্বে প্রথম ৫ টি দেশ যেখানে সবচেয়ে বেশি মসজিদ আছে সেই র্যাংকে আমরা তৃতীয়। আর আপনি বলেন আপনি ভাড়াটিয়া। বুদ্ধি একদম হাটুর তলায়। ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চার মতো কথা বলেন আপনারা। ধর্মের জ্ঞান নিতে নিতে সাধারণ জ্ঞান (কমন সেন্স) নেওয়া ভুলে গেসেন।
আমেরিকাতে মসজিদ অনেক কম তাই পার্কিং লট, ফুটপাতে নামায পড়া হয়। ভাবতেসি সব জায়গায় একটা করে মসজিদ বানানোর তাকাজা নিয়ে হাটহাজারি যাওয়া দরকার। ফাইযলামি যা শুরু করসেন আপনারা বেশীদিন টিকবেন নাহ ইন শা আল্লাহ। ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানো একটা বড় ব্যবসা বোঝা যাচ্ছে।
- Reply
আমরা সীতাকুণ্ড বাসী দীর্ঘদিন হিন্দু মুসলিম সুন্দর ভাবে বসবাস করতেছি ২-৩ বছর ধরে আপানারা দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করতেছেন। আমাদের ইসলাম ধর্মে এসব করার শিক্ষা কোথাও দেয় নাই। আমাদের নবী বলেছেন অন্যর ধর্মের প্রতি সহনশীল হতে। যার ধর্ম তাকে পালন করতে দিতে। আশা করি দাঙ্গা লাগলে দাঙ্গা সামাল দিবেন। আশাবাদী আমার হিন্দু ভাইবোন দাঙ্গা করবেন না কারণ আমরা অনেক বছর যাবৎ হিন্দু মুসলিম একসাথে আছি কেউ কারো ধর্মে জামেলা করে নাই কখনো। আর হিন্দু ভাই বোন দয়া করে কমেন্টে জামেলা করবেন না এটা সুন্দর আলোচনা করে ঠিক করা হবে যা কোন ধর্মে যেন পরবর্তী জামেলা না হয়। আমরা হিন্দু মুসলিম একি প্লেটে খাওয়া মানুষ। পূর্বে ও কখনো হিন্দু ধর্ম নিয়ে জামেলা হয়নি সামনে ও হবে না।
- Reply
- Edited
এখানে M M Saiful Islam ভাইয়ের পোষ্টে দেখলাম,অনেক হিন্দু মুসলিম আইডি ব্যবহার করে উলটা পালটা কমেন্ট করতেছে, আর বিধর্মি যেগুলো আছে তাদের কথা তো বলাই লাগেনা, কী পরিমানে গালাগালি করতেছে, আমার কমেন্টেও খালি রাখেনাই, আমি সাইফুল ভাইকে বলবো, আপনি এগিয়ে যান, ইনশাআল্লাহ আল্লাহ আমাদের সহায় হবেন। আল্লাহর জমিনে আল্লাহকে সেজদা দেওয়ার জন্য, সেখানে একটা মসজিদ নির্মাণ করা কতটা প্রয়োজন, তা তাদের কয়েকটা কমেন্ট পড়ে আরও বুঝতে পারলাম।খেতে দিয়েছে বলে তারা ঘুমাতে চেয়েছে, একটু ঘুমের সুযোগ দেওয়াতে পুরো ঘরটাই নিজের দাবী করছে নাফরমানের দল।
- 8h
- Reply
- Edited
চন্দ্রনাথ পাহাড় প্রায় ১৪০০ ফুট উঁচু, যা মূলত হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান। তাদের মন্দির থাকার কারণেই উপরে উঠার সিঁড়ি ও অবকাঠামো তৈরি হয়েছে। যদি মন্দির না থাকত, তাহলে হয়তো আজকের মতো এতদূর ভ্রমণের ব্যবস্থা থাকতই না। মুসলমানরা উপরে মূলত ভ্রমণ বা প্রকৃতি দেখার জন্য যায়, নামাজ পড়ার জন্য নয়।
ইসলামি দৃষ্টিতে নামাজ পড়ার জন্য আলাদা মসজিদ জরুরি নয়। রাসূল ﷺ বলেছেন, পৃথিবী আমার জন্য পবিত্র ও মসজিদ বানানো হয়েছে। (বুখারি, মুসলিম)। অর্থাৎ, নামাজের সময় হলে পাহাড়ের যেকোনো পবিত্র জায়গায়ই এককভাবে বা কয়েকজন মিলে নামাজ আদায় করা যায়।
আরেকটা বাস্তব দিক হলো ধরুন সেখানে জোহর বা আসরের সময় ইমামসহ জামাত হতে পারে, কিন্তু ফজর, মাগরিব আর এশার মতো ওয়াক্তে তো পাহাড়ের চূড়ায় কেউ থাকে না। তখন ইমাম সাহেবকেই একা নামাজ পড়তে হবে। ফলে মসজিদ বানানো হলেও সেটা নিয়মিত সক্রিয় থাকবে না। সমতল ভূমিতে থাকা মসজিদগুলোই ফাঁকা পড়ে থাকে, ১৪০০ ফুট উপরে প্রতিদিন নামাজ পড়তে যাওয়া আরও অবাস্তব।
আরো বাস্তবতা হলো সেখানে চাকরি বা খেদমতের জন্য ইমামই খুজে পাওয়া মুশকিল হবে।
তারপর আছে পানির অভাব চূড়ায় অজুর জন্য পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা নেই, যারা যায় তারা সাধারণত নিচ থেকে পানি নিয়ে ওঠে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা বা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের অজু নিশ্চিত করা খুবই কঠিন। উপরন্তু পাহাড়ের উপরে খাবার, বাজার বা বসবাসের কোনো সুবিধাও নেই। মানুষ দিনের বেলা ঘুরতে যায়, সন্ধ্যার আগেই নেমে আসে।
সবকিছু বিবেচনায় দেখা যায়, চন্দ্রনাথ পাহাড়ের চূড়ায় মসজিদ নির্মাণ ইসলামি দৃষ্টিতেও জরুরি নয়, বাস্তবসম্মতও নয়। বরং মুসলমানদের প্রয়োজন থাকলে পাহাড়ের নিচে বা নিকটবর্তী এলাকায় মসজিদ থাকা-ই সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত, শান্তিপূর্ণ ও ইসলামসম্মত সমাধান।
(আমি জানি এই কমেন্ট দেখে অনেকেই আমাকে সুশিল বলবেন ঘিলু নেই মাথা মোটা ইত্যাদি এগুলো শুনে শুনে আমার অভ্যাস হয়ে গেছে সো প্লিজ আপনার মতামত ভিন্ন হতেই পারে গালাগালি করা কাওকে কষ্ট দিয়ে কথা বলা মুসলিমদের কাজ নয় এগুলা করবেন না।)
- 4h
- Reply
তোমাগোরে কি পাগলে পু ট কি মারে নাকি তোমাগো আক্কলের উপ্রে কুত্তায় মুতে? তোমার এই টা কি ইসলামিক রাষ্ট্র? মুসলিম রাষ্ট্র আর ইসলামি রাষ্ট্রের পার্থক্য বুঝ? আরেক জনের বউ তোমাগো পছন্দ হইলে তারে নিয়া রিসোর্টে চইলা যাও। আরেক জনের ইবাদতের জায়গা তোমাগো পছন্দ হইলে সেইখানে নিজেরা মসজিদ বানাইতে চাও। কেন তোমাগো লাইগা কি আল্লাহর দুনিয়ায় বেডির অভাব পরে নাকি মসজিদ বানানোর জায়গার অভাব পড়ে?
আওয়ামীলীগ মুজিবরে চিপায়া তিতা বানাইছে আর তোমারা ইসলামরে চিপায়া তিতা বানাইতাছ। কি বালের পড়া লেখা কইরা মুফতী হইছ তুমি? আল্লাহ কইছে তোমরা মানুষকে হেকমতের সাথে আমার পথে ডাকো। আর তোমরা তো হেকমত দেখাইবা দূরের কথা উল্টা সবার পুট কিতে আঙুল দিতাছ। আল্লাহর দোহাই লাগে দেশে ধর্মীয় দাঙ্গা লাগায়ো না। হেকমতের সাথে মানুষরে দ্বীনের পথে ডাকো।
- 16h
- Reply
মাগরিব, এশা ও ফজর এই তিন ওয়াক্ত মসজিদ আবাদ রাখবে কে? নির্জন মসজিদে কপোত-কপতিরা প্রেমলীলায় লিপ্ত হলে তাদের থেকে মসজিদ পবিত্র রাখার জিম্মাদারি নিবে কে?এগুলোর ব্যবস্থা না করে মসজিদ নির্মাণ শুধু আবেগি কাজই হবে না, বরং শরীয়তের অবমাননার দ্বারও খোলা হবে।
- 17h
- Reply
১. সীতাকুন্ড পাহাড়ে মসজিদ স্থাপন জরুরী এবং উপযুক্ত মনে করি না। যতদূর জানলাম, ওটা হিন্দুদের তীর্থস্থান। ভূমির মালিকানা ভিন্ন বিষয়। সাম্প্রদায়িক দা’ঙ্গা হতে পারে এ কারণে।আগে মু’তাবার আলেমদের মতামত নিন। এরপরে সিদ্ধান্ত নিন।
২. মসজিদ স্থাপন করলে সেখানে নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখতে হবে। সাধারণ পর্যটকদের জীবনের নিরাপত্তা কমে আসবে। ওখানে হিন্দুদের বসবাস রয়েছে। তাই তাদের মন্দিরের প্রয়োজন। আপনি বিধর্মীদের তীর্থস্থানে গিয়ে মসজিদ নির্মাণের প্রস্তাব তুলতে পারেন না। ওমর রাযিয়াল্লাহু আনহু এর সিরিয়া বিজয় পরবর্তী সফরের কাহিনী পড়ুন।
৩. ব্যবসায় সৎ থাকতে চাইলে এধরণের সাম্প্রদায়িক দা’ঙ্গা উ’স্কে দেয়া থেকে বিরত থাকুন। এমনিতে অভিযোগের শেষ নেই! তারওপরে এসব করলে নিজেদেরকেই বরং সংকুচিত করা হবে। মসজিদ স্থাপনে আপনার ইখলাস নিয়েও প্রশ্ন উঠবে। এরপরে যে ধরাটা খাবেন, তাতে ব্যবসাও শেষ হয়ে যাবে।
৪. শাইখ হারুন ইজহার যদি পরামর্শ দিয়েও থাকেন; তবুও তিনি নিজে বার্তা দেয়ার আগে তা প্রকাশ করা অনুচিত। যেহেতু বিষয়টি সেনসেটিভ। শাইখের কোন অডিও-ভিডিও কিংবা লিখিত কোন বার্তা এ পর্যন্ত নজরে এলো না। আপনি সত্য ও সৎ হয়ে থাকলেও আপনাকে ধা’ন্দাবাজ বলতে ইচ্ছে করছে। শেষ পর্যন্ত সফল হবেন না জেনেও এ কাজে হাত দেয়ার কারণে।
তাছাড়া লাগাতার পোস্টের পর পোস্টই বলে দিচ্ছে আপনি কতটুকু সৎ!
- 5h
- Reply
সেখানে তো কোনো বসতি নেই, কেন মসজিদ বানাতে চান? আলীকদমের পাহাড়ে প্রচুর মসজিদ করা যাবে, চন্দ্রনাথের চেয়ে ভালো ভিউ পাবেন, সেখানে করেন।
নাকি গ্যাঞ্জাম করা আপনার উদ্দেশ্য?
- 17h
- Reply
এক হুজুর উদ্যোগ নিছে চন্দ্রনাথ পাহাড়ের চূড়ায় মসজিদ বানাবে।কমেন্ট বক্সে মাশাআল্লাহ , আলহামদুলিল্লাহ তে ভরা। অথচ এরা কেউ বাস্তবতা জানেই না। মসজিদ বানানো খুবই ভালো কাজ কিন্তু যেই জায়গা চুজ করছে এটা নিয়ে বিশাল ক্যাচাল লেগে যাওয়ার সমুহ সম্ভাবনা আছে। কারন জায়গাটা হিন্দুধর্মাবলম্বিদের তীর্থস্থান। শত শত বছর ধরে তারা সেখানে তাদের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালন করে আসছেন। আবার ধরেন যুক্তির খাতিরে মানলাম সে মসজিদ বানাবে। কিন্তু পাহাড়ের উপরে ত জনবসতি নাই। সেই মসজিদে ফজর মাগরিব এবং এশার ওয়াক্তে একটা পিপাড়াও পাওয়া যাবেনা। আবার ওজু করার জন্য পানিরও ব্যবস্থা খুবই টাফ। তারমানে এখানে এই পুতের উদ্দেশ্য অন্যকিছু। মসজিদ বানানো টা যাস্ট একটা উদ্দেশ্য মাত্র। সে অন্য ধান্ধায় আছে। যেকোনো সুস্থ্য মস্তিষ্কের মানুষ কখনই অন্য ধর্মের তীর্থস্থানে ভিন্ন ধর্মের স্থাপনা সমর্থন করবেনা।
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ অতি উত্তম উদ্যেগনিয়েছেন, আল্লাহ তায়ালা কবুল করুক।
- 16h
- Reply
আপনাদের অনেক ধর্মীয় জ্ঞান, কিন্তু কাণ্ডজ্ঞান নাই।
শতশত বছর ধরে হিন্দুদের তীর্থস্থান হিসাবে পরিচিত এক পাহাড়ের উপরে আপনার মসজিদ বানানোর খায়েশ হয়েছে, আবার একটুখানি ভিক্টিম সাজলেন তারপর সেটার জন্য বাহাবা পেতে ফেসবুক পোস্ট করেছেন। এই সুবিশাল ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলাম ধর্মের প্রচার নিয়ে যারা এসেছিলেন তারা যদি আপনাদের মতো এরকম কূপমণ্ডূক গর্দভ হতো তাহলে অবস্থা টা কি হতো! শতশত মানুষ ইসলামের ছায়াতলে এসেছে শুধু এর মাহাত্ম্য, উদারতা এবং শান্তির সুবাতাস দেখে। আর আপনারা দিনদিন ধর্মকে একটা জুলুমের হাতিয়ার করে তুলতেছেন। ভারতের উগ্রবাদী নিকৃষ্ট গেরুয়া বাহিনীর সাথে আপনাদের মন মানসিকতার খুব একটা পার্থক্য আমি দেখতেছি না।
- 15h
- Reply
মাশাআল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ
- 17h
- Reply
আলহামদু লিল্লাহ অনেক সুন্দর একটা উদ্যোগ নিয়েছেন।
আল্লাহ্ আপনার এই সুন্দর উদ্যোগকে কবুল করুন।
আমীন
- 19h
- Reply
Top fan
মাশাআল্লাহ,,
আলহামদুলিল্লাহ ভালো উদ্দেগ আল্লাহ পাক আপনাদের কে কবুল করুক, আমীন।।
- 16h
- Reply
মক্কা মদিনায় যদি এমন হয় কখনো? সেখানে যদি কাবার পাশে মন্দির করে? তাই অন্যের ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত দিবেন না।
- 15h
- Reply
- Edited
আলহামদুলিল্লাহ আর্থিক সহযোগিতা আমরাও করবো ইনশাআল্লাহ
- 21h
- Reply
আর্থিক সহযোগিতায় আমাদেরকেও রাইখেন
- 21h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 15h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 13h
- Reply
প্রয়োজনে আপনি ফেজবুকে পোস্ট করলে সবাই শরীক হবে ইনশাআল্লাহ
- 18h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ, ভালো উদ্যোগ নিয়েছেন জাজাকাল্লাহ খাইরান প্রিয় মুহতারাম
- 20h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 19h
- Reply
আল্লাহ কবুল করুন
- 20h
- Reply
কিছু মাথা মোটা আপনার পোস্ট দেখে গতকাল দেখলাম কমেন্ট করেছিলো যে এই সব ফাল্তু কাজে নাক গলান কেন
নামাজের স্থান বানানো এটা কারো কারো কাছে ফাল্তু মনে হলো
সেই সব মাথা মোটাদেরকে কি বলা উচিত সবাই বলে জান
- 21h
- Reply
মাশাআল্লাহ। আল্লাহ এই উদ্যোগকে সফলতা দান করুক।
- 20h
- Reply
আর্থিক সহযোগিতার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি ইনশাআল্লাহ
- 20h
- Reply
মাশাল্লাহ আল্লাহ কবুল করুক “আমিন ”
- 20h
- Reply
জি মাশাল্লাহ সুন্দর উদ্যোগ
এবং শায়েখ সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবেন এ আশ্বাস দিয়েছেন।
- 21h
- Reply
মা শা আল্লাহ। ভাল্লাগছে ভাই। তবে তায়াম্মুম করে এক পাশে নামাযটা পড়ে নিতেন!
- 21h
- Reply
আমিও শরিক হতে চাই
- 15h
- Reply
মাশা-আল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ, ভাই অনেক ভালো লাগলো এমন পোস্ট পড়ে,
- 20h
- Reply
M Rajon ·
আলহামদুলিল্লাহ
- 21h
- Reply
আপনি আল্লাহর নামে শুরু করে দেন…পাহাড় কারো সম্পত্তি না এটা সরকারি সম্পত্তি এখানে হিন্দুদের যেমন অধিকার রয়েছে তেমনি মুসলিমদের অধিকার রয়েছে।
- 2h
- Reply
উনি কাজ হাতে নিলে অবশ্যই হবে ইনশাআল্লাহ
- 16h
- Reply
ভাই আমরাও মহৎ কাজের সহযোগী হবো ইনশাআল্লাহ
- 20h
- Reply
খুবই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছেন!
- 5h
- Reply
মাশাআল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তায়ালা কবুল করুন আমীন
- 20h
- Reply
মাশাআল্লাহ
- 20h
- Reply
নামাজ আদায় করার জন্য মসজিদ কি বাধ্যতামূলক? নামাজের ওয়াক্তের সময় শুধুমাত্র একটি জায়নামাজ বিছিয়ে কি নামাজ আদায় করা যায়না?
- 24m
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 11h
- Reply
মাশাআল্লাহ
আল্লাহ তাআলা কবুল করুক
- 20h
- Reply
ভাইজান মক্তবের আপডেট কি .??
- 21h
- Reply
নামাজ পড়তে কে বাধা দিবে ভাই?
- 13h
- Reply
- Edited
আলহামদুলিল্লাহ
- 7h
- Reply
হাসান মাহমুদ দেখেন কিছু ডোনেশন দেওয়া যায় কিনা। Sobrata Kumar Pritam Dey
- 14h
- Reply
- Edited
ওদিকে ইহুদিরা থার্ড টেম্পল বানানোর কথা বললে কান্না শুরু হয়ে যাবে(২)
- 13h
- Reply
বাংলাদেশের একজন মুসলিমও হিন্দু বিদ্বেষী নাই কিন্তু বাংলাদেশের অধিকাংশ হিন্দু ইসলাম বিদ্বেষী। এর প্রমাণ হচ্ছে এই পোস্টের হা হা রিয়েক্ট। এখানে মুসলিমদের নামাজের জায়গা হবে এতে হিন্দুদের কি সমস্যা থাকতে পারে আমার জানা নাই। কতোটা মেন্টাল হলে তারা এই পোস্টেও হা হা রিয়েক্ট দিতে পারে। আসলে এদের বাংলাদেশে বসবাসই অনুপযোগী।
- 14h
- Reply
স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে আপনাদের।।। পুরো পাহাড়টি মন্দির দিয়ে ভরা।
আপনাদের মত নিকৃষ্ট ব্যক্তি নেতৃত্ব জাতি এই পৃথিবীতে নাই।। এই হলো নবীর বান্দা
- 14h
- Reply
কত হীনমন্যতা নিয়ে বেঁচে আছে এদেশের মুসলিমগ ধর্মাবলম্বীরা।অবশ্য সবাই একরকম না।
পাশাপাশি দুটি মন্দির একটা মসজিদ থাকলে সমস্যা কোথায়,,কত ছোটো লোকের পরিচয়,,,অথচ হিন্দুরা কখনো পাশাপাশি দুটি মসজিদ থাকলে সেখানে একটি মন্দির এর কথা বলে না। সমস্যাটা হিন্দুদের মধ্যেই যে তারা সেখানে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের প্রবেশ করতে দে।
- 13h
- Reply
মাশাল্লাহ, আল্লাহ আপনাদের উদ্যোগ আরো বাড়িয়ে দিন,
- 18h
- Reply
আল্লাহ কবুল করুন
- 20h
- Reply
আল্লাহ পাক কবুল করেন। আমীন।
শুধু একটি পাহাড়ে নয় পর্যায়ক্রমে প্রত্যেকটি পাহাড়ে করার হিম্মত করেন ইনশাআল্লাহ আল্লাহ পাক তার বান্দাদের প্রস্তুত করে দিবেন।
- 20h
- Reply
মাশাল্লাহ
- 21h
- Reply
আপনার এই উদ্যোগকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কবুল করুক আমিন
- 17h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 20h
- Reply
মাশাআল্লাহ চমৎকার উদ্যোগ।
- 18h
- Reply
মাশাল্লাহ আল্লাহ কবুল করুন
- 15h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 18h
- Reply
এটি আরও গভীরভাবে ভাবা দরকার।সময় এখন নয়।নির্বাচন পরবর্তী হলে সম্ভবত ভালো হবে।নচেৎ এটি অন্যদিকে মোড় নেবে।দেখা যাবে ভালোর পরিবর্তে অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটে গেছে।
- 5h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 19h
- Reply
মাশাআল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ।
- 20h
- Reply
মাশাআল্লাহ। আল্লাহ এই উদ্যোগকে সফলতা দান করুন।
- 19h
- Reply
꧁༒𓆰Barakallhu Fikum༒꧂
- 20h
- Reply
মাশাআল্লাহ আল্লাহ আপনাদের এই মহান উদ্বেগে সফলকাম করুন
- 19h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 15h
- Reply
Alhamdulillah
- 16h
- Reply
আল্লাহ আপনাদের হেদায়েত দিক।
- 10h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 19h
- Reply
মা শা আল্লাহ
- 14h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ অসাধারণ উদ্যোগ, আল্লাহ কবুল ফরমান
- 21h
- Reply
মাশা-আল্লাহ
- 16h
- Reply
আল্লাহ তাআলা সহজ করুন
- 5h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 20h
- Reply
জাযাকাল্লাহ
- 19h
- Reply
পাহাড়ের উপরে কি মানুষের জনবসতি আছে?
সেখানে ফজরের ওয়াক্তে নামাজের মুসল্লি কে হবে?
এছাড়া সেটা হিন্দু ভাইদের তীর্থস্থান
বহুবছর ধরে সেটা পালন করে আসছে
কোন সুস্থ মুসলমান সেখানে মসজিদ বানানোর কথাও চিন্তা করবে না
আপনাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে ক্যাচাল লাগানো
- 15h
- Reply
মাশা-আল্লাহ অনেক সুন্দর উদ্যােগ নিয়েছেন,,আল্লাহ তায়ালা আপনার হিম্মত কে বাড়িয়ে দিন,,আমিন
- 21h
- Reply
- Edited
আলহামদুলিল্লাহ।
সুন্দর এবং মহৎ উদ্যোগ।
- 20h
- Reply
আল্লাহ কবুল করুন
- 20h
- Reply
আমরা সহযোগী হবো ইনশাআল্লাহ ভাই এগিয়ে যান
- 21h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 20h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 20h
- Reply
আল্লাহ কবুল করুন
- 21h
- Reply
মাশাআল্লাহ
- 19h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 20h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 21h
- Reply
এতো সুন্দর কাজে আমি ও শরিক থাকবো ইনশা আল্লাহ
- 18h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 21h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
মহান আল্লাহ তায়ালা কবুল করুক
- 18h
- Reply
Alhamdulillah
- 19h
- Reply
মাশাআল্লাহ।
আল্লাহ তাআলা কবুল করুন।
- 20h
- Reply
মাশা-আল্লাহ
- 20h
- Reply
যদি সীতাকুণ্ডের ঐ পর্বতে হিন্দুদের তীর্থস্থান হয়ে থাকে সেখানে মসজিদ করাটা কোনোভাবেই সমর্থন করিনা।
সমাজে শান্তি বিনষ্ট হয় এমন কোনো কাজই করা যাবেনা। মসজিদ তৈরি করবে ঐখানের স্থানীয় বাসিন্দা যাদের সেখানে বসবাস। সেখানে মুসলিম না থাকলে আগে ইসলাম প্রচার করে তাদের মুসলিম বানান।
- 16h
- Reply
- Edited
মাশাআল্লাহ
- 21h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 21h
- Reply
ইনশাআল্লাহ
- 21h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 19h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 20h
- Reply
মা শা আল্লাহ
- 6h
- Reply
মসজিদ মন্দির গড়ে ওঠে ইবাদত আর পুজোর প্রয়োজনে, পাহাড়ে মসজিদ নির্মাণে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াবে তারা মূলত ইসলামফোব
- 6m
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 21h
- Reply
আল্লাহ সহজ করুন
- 21h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 16h
- Reply
মাশাআল্লাহ আল্লাহ তায়ালা আপনার দিনি খেদমত কে কবুল করেন
- 21h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ সুন্দর উদ্যোগ
- 21h
- Reply
একটি অপ্রয়োজনীয় ও অতি আবেগী উদ্যোগ ভাই। এই উদ্যোগের লেজ ধরে কবে আবার চন্দ্রনাথ পাহাড়ের নাম বদলানোর উদ্যোগ বা হইচই শুরু হয় আল্লাহ মালুম।
বিদ্যমান মসজিদগুলোতে ফজর জামাত যেন পরিপূর্ণ হয় সেই উদ্যোগ নেন, ভ্রমণকালীন নামায আদায়ের জন্য মন্দিরের আশপাশে মসজিদ নির্মাণের বিলাসিতা বাদ দিয়ে।
মুসল্লীদের সংখ্যা বাড়ানো এবং মুসল্লীদের কুয়ালিটি বাড়ানো বেশি জরুরী, মসজিদের সংখ্যা বাড়ানোর চেয়ে।
- 13h
- Reply
- Edited
আল্লাহ কবুল করুন
- 3h
- Reply
তাদের পাছায় আগুন দরে গেছে
- 6h
- Reply
আল্লাহ কবুল করুন
- 21h
- Reply
মাশাআল্লাহ ভাই
- 21h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 6h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 21h
- Reply
মাশাআল্লাহ
আল্লাহ তায়ালা আপনাকে দিনের অনেক বড় বড় খেদমত দান করুক।
- 21h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
জাযাকাল্লাহ মুহতারাম
- 20h
- Reply
আল্লাহ কবুল করুন
- 15h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
মাশাল্লাহ দৃঢ় উদ্যোগ আর ধৈর্যের ফল সত্যিই অনুপ্রেরণামূলক। পাহাড়ের চূড়ায় নামাজের জায়গা হবে শুনে খুব ভালো লাগলো। আল্লাহ সহজ করুন এবং বরকত দিন এই প্রকল্পে।
- 19h
- Reply
- Edited
আলহামদুলিল্লাহ
- 21h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ।
- 6h
- Reply
মাশাআল্লাহ চমৎকার উদ্যোগ
পাশে থাকব ইনশাআল্লাহ
- 21h
- Reply
আল্লাহ তায়ালা কবুল করুন আমীন
- 21h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ, মাশাল্লাহ, আল্লাহ কবুল করুক।
- 21h
- Reply
মাশা-আল্লাহ।
- 9m
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 21h
- Reply
Alhamdulillah
- 21h
- Reply
মাশাআল্লাহ
- 20h
- Reply
Majhar Muhammad তুমি কি মনে করে হা হা দিলা?
- 12h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 21h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 19h
- Reply
আল্লাহ কবুল করুন
আমাদেরকেও শরীক রাখার অনুরোধ রইলো ভাই
- 21h
- Reply
- Edited
আলহামদুলিল্লাহ
- 21h
- Reply
আল্লাহ সব কিছু সহজ করুন আমিন
- 21h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 21h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 21h
- Reply
- 7h
- Reply
আল্লাহ তাআলা কবুল করুন
- 21h
- Reply
আল্লাহ পাক যেনো সকল খেদমত কবুল করেন।
- 20h
- Reply
এইসব ভারতীয় উগ্রবাদী হিন্দুদের থেকে ধার করা জিনিস। আরেকজনের পবিত্র স্থানে গিয়ে মাস্তানি দেখানো।
- 15h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 21h
- Reply
বাংলাদেশে এমন আরও অসংখ্য পাহাড়ের চূড়া আছে, অসংখ্য ঝর্ণা আছে, অসংখ্য গুহা আছে যেখানে মসজিদ নেই । কিন্তু সেগুলো বাদ দিয়ে বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম তীর্থস্থান সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথেই কেন মসজিদ বানাতে হবে সেটা আমরা বুঝি । ৫ ওয়াক্ত নামাজের মাঝে যেই সময় থাকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাতে অনায়াসে উপরে উঠে নিচে নেমে নিচের অসংখ্য মসজিদগুলোতে নামাজ আদায় করতে পারা সম্ভব । কিন্তু আপনারা তো আবার যুক্তিতর্কের ঊর্ধ্বে । ১ লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার পাঁচশত সত্তর বর্গমাইলের পুরোটাই লাগবে আপনাদের । এগুলো স্রেফ অন্য ধর্মের উপর জুলুম ছাড়া কিছুই না । যার গোড়ার ভিত্তি হিংসা আর দখলদারিত্বের উপর । আগে মসজিদ ছিলো কাঁচা, ঈমানদার ছিল পাকা, এখন দশ হাত পরপর মসজিদ ঠিকই হইছে, তার চেয়েও বেশি গতিতে দুর্নীতিবাজ, খুনী, লুটপাটকারী, ধর্ষক, সুদখোর হয়েছে ।
- 14h
- Reply
আবেগী মুসলমান!
সমতলে কি সালাত আদায় করার জন্য যথেষ্ট মসজিদ সেখানে নেই? আপনার এইসব পোষ্টে আবেগীদের জন্য হিন্দু মুসলিম দাংগা লাগবে।
ওই পাহাড় এর নিচ থেকে উপরে উঠার সময় আশেপাশে কি দেখাযায় না যে এইটা সনাতনীদের পার্থনার স্থান রয়েছে। কি কারনে আপনাদের এত চুলকানি?
নিজ পরিবার, নিজ এলাকা তে ধর্মীয় জ্ঞান দিয়ে তাদের কে মসজিদ এ পাঠানোর কাজ টা করেন।
- 15h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 21h
- Reply
oita hindu der tirthosthan,okhane keno moshjid banaben? ekhon jodi shahjalal er majar pahar er churay hoito,ar manush okhane mondir banate chaito,apnara diten?
- 15h
- Reply
আল্লাহ তায়ালা যেন আপনার এই উদ্যেগ কবুল করে নেন
আমিন
- 21h
- Reply
ইনশাআল্লাহ আল্লাহ আপনাদেরকে দুনিয়াতে একটা মসজিদের বিনিময়ে জান্নাতে হাজারটা বাড়ির মালিক করে দিন আমিন
- 19h
- Reply
এই মসজিদ নির্মাণ একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হবে। মন্দিরের নামে পুরো পাহাড় হিন্দুরা দখল করে রেখেছে।
- 19h
- Reply
মাশাআল্লাহ চমৎকার উদ্যোগ
- 21h
- Reply
- Edited
আপনাকে এই জন্য rsএর সাঈদুরের চেয়ে ভালো লাগে
উম্মাহ দরদি একটা গুন আছে আপনার মধ্যে
আল্লাহ তাআলা কবুল করুন
- 20h
- Reply
৯০ % কথাটা এতো সহজ না৷ আগে প্রশাসনিক অনুমতি আসুক, বাকিটা পরে জানায়েন।
- 15h
- Reply
নামাজ আদায় করার জন্য সীতাকুণ্ড বাজারে অনেক সুন্দর সুন্দর মাসজিদ আছে মূল উদ্দেশ্য নামাজ পড়া না। মূল উদ্দেশ্য খুব কৌশলে অন্যের ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর আঘাত হানা। আজকে আপনারা তাদের ধর্মীয় তীর্থস্থানে মসজিদ নির্মাণ করতে চাইতেসেন কারণ আপ্নারা এইদেশে সংখ্যায় বেশি কাল যদি ইন্ডিয়াতে এমন কোন সিদ্ধান্ত নেয় তখন তো কান্নাকাটি শুরু করে দিবেন আর অশ্রাব্য গালাগালি শুরু করে দিবেন।
- 14h
- Reply
- Edited
১২০০ বছর ধরে যেই পাহাড়ের চূড়ায় হিন্দুদের পূজা অর্চনা হচ্ছে সেই পাহাড়েই কেন মসজিদ করতে হবে। সেই পাহাড়ে ১০০ ভাগ হিন্দুদের বসবাস।
পাহাড়ে উঠতেই কিন্তু পথে ৩ টি মসজিদ রয়েছে, এছড়া ইকো পার্কেও নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে।
লাকুম দিন উকুম ওয়ালিয়াদিন আয়াতের মাধ্যমে ধর্ম নিয়ে চুলকানি বন্ধ করতে কোরানের নির্দেশ অমান্য করছি কি না।
চন্দ্রনাথের আসে পাশে অন্তত ২০ টি পাহাড় আছে সেই পাহাড়ের চূড়ায় মসজিদ স্থাপন করেন আমি ডোনেট করবো।
গ্রুপ ট্যুরে মসজিদ দেখতেও আসতে পারি তবে মধুর মসজিদ নিয়ে ক্যাচাল কইরেন না।
এমনিতেই দেশের অবস্থা ভালো না, আরেকটা ক্যাচাল লাগায়েন না।
- 12h
- Reply
আলহামদুলিল্লাহ
- 21h
- Reply
৯৩% মুসলিমের দেশে মন্দির থাকাটাই ঠিক না।
- 16h
- Reply
Top fan
আলহামদুলিল্লাহ
- 20h
- Reply
So let me understand this. These people had holy land where they worship their god. And you are building over their holy land, eradicating their worship in favor of yours?
Please answer: How is this different from what is being done to Palestinians?
- 14h
- Reply
এগুলো প্রচার না করাই উত্তম হবে। বেশি প্রচার হলে নানান ষড়যন্ত্র করতে পারে। তাই নির্মান হয়ে গেলে তখন প্রচার করা উচিত।
- 3h
- Reply
যারা ফেসবুক চালায় তাদের ঈমান আকিদা এমনিতেই দূর্বল।ইসলাম শান্তির ধর্ম।একজন প্রকৃত আলেম ইসলাম ধর্ম প্রচারে ভূমিকা নেন আর একজন লেবাসধারী অজ্ঞতা দিয়ে ধর্মকে জটিল করেন।।
আল্লাহ তাআলা যেকোনো অশান্তি সৃষ্টিকারী থেকে ধর্ম ও দেশকে সুরক্ষিত রাখুন।।
- 7h
- Reply
এই শায়েশ কে দিয়ে অনেক কিছুই সম্ভব যদি আমাদের ওলামায়ে কেরাম ওনার পিছনে লাগা বন্ধ করতেন
- 21h
- Reply
Top fan
কমেন্টগুলো দেখতেছি, আর কিছু সুশীলদের কথা ভাবছি যে, তাদের মাথায় কি কোন ঘিলু নেই?
- 7h
- Reply
just dhose probe.
allah ei dhosiye felben just wait and see!
- 12h
- Reply
Apni ekta pure brainless
- 2h
- Reply
I don’t understand one thing—why does a mosque have to be built right at the top of the mountain? In everything, your group of people seems to be doing democratic religion spamming. If you say it’s for the convenience of tourists, well, travelers already have specific rituals for praying while on the move. So why did you have to put it right next to a temple? You could have easily arranged a place for tourists to pray at the nearest spot instead. Are you trying to spread Islam, or are you trying to create something new? I highly doubt your intentions….
- 11h
- Reply
যেই পাহাড়ে গেলে আপনার নামায কাযা হয় ,পড়তে পারেন না ,সেই পাহাড়ে যেতে হবে কেন? আপনি যদি কোনো মন্দির দর্শন করতে যান ,সেখানে ওয়াক্ত হলে মন্দিরের ভেতর নামায পড়তে পারবেন? চন্দ্রনাথ পাহাড় তাদের কাছে এমনই পবিত্র।
তাছাড়া আপনি গিয়ে হিন্দুদের পবিত্র স্থানে মসজিদ বানাবেন, নামায পড়বেন ,সেখানে কোনো কট্টর মুসল্লি গিয়ে ঝামেলা সৃষ্টি করবেনা ,দখলদ্বারিত্ব করবে না এমন কোনো গ্যারান্টি দিতে পারবেন? কিছু একটা হলেই মসজিদ বানিয়ে দখল করা, দাংগা বাধানোর চিন্তা থেকে বেড়িয়ে আসুন, মানুষকে শান্তিতে থাকতে দিন।আপনাদের এসকল কর্মকান্ডে ইসলাম ধর্মের অসম্মান হয়। আর অন্যের ধর্মকে অসম্মান করে , ক্ষতি করে নিজের ধর্ম পালনের কথা ইসলাম কখনোই বলে না। ৯৮% মুসলমানদের দেশে ২% অন্য ধর্মের লোকেদের একটু শান্তিতে ধর্ম পালন করতে দেন ভাই।ওদের খুব অল্প জায়গাতেই হয়ে যায়, সেখানে গিয়েও মসজিদ বানানোর দরকার তো নাই।
- 13h
- Reply
যেখানে সেখানে কাবিল দারী করে হুদায় সীতাকুণ্ডে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা করিয়েন না। আপনি নামাজ পড়ার জায়গা চাইলে অনেক মসজিদ আছে। আপনার পাহাড়ে উঠে কেন পড়তে হবে?? সীতাকুণ্ডের মানুষ চাই না সেটা আপনারা টুরিস্ট হয়ে কেন এতো কথা বলতাছেন। ৯৩% মুসলিমের দেশ বলে ক্ষমতার অপব্যবহার করবেন না।আমি সীতাকুন্ডের চন্দ্রনাথ এরিয়ার বাসিন্দা। আপনার এই উদ্যেগ আপনার কাছে রাখেন ভাই কষ্ট করে।
- 14h
- Reply
- Edited
What is mental illness? Use your critical thinking and reasoning to answer it based on this paragraph?
- 1h
- Reply
জেরুজালেম দখল হইলে আবার মোনিং করা শুরু করবে
- 14h
- Reply
এত জায়গা থাকতে চন্দ্রনাথ পাহাড়ের চুড়ায় কেন করতে হবে? সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর জন্য? এত পাহাড় থাকতে হিন্দুদের মন্দির যেখানে আছে সেখানে কেন গুতাগুতি করতে হবে? পাহাড়ে যদি মসজিদ চান চন্দ্রনাথ বীরুপাক্ষ ছাড়া ও অনেক পাহাড় আছে ওখানে যান।
- 14h
- Reply
- Edited
বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় সৌন্দর্য এই ছবিটি লক্ষ্য করলে বুঝা যায়, এইটা হাটহাজারী মাদ্রাসার বড় মসজিদ, এবং এর পাশে হিন্দু ধর্মের একটি মন্দির। হিন্দু মুসলিমে যদিও সব সময় একটা বিরোধ লেগেই থাকে, তবে আমি মনে করি সবকিছু পজেটিবলি নিয়ে আমরা এক ধর্মের লোক অন্য ধর্মের লোকদের মতামতকে সম্মান করে চললে আমাদের দেশ টা শান্তিতে থাকবে।নিজেরা ঠিক থাকলপ দেশটা অন্তত বহিঃশত্রুর আগ্রাসন থেকে রক্ষা পাবে। আর আমাদের দেশের হিন্দু ধর্মের যেসব ভাইয়েরা ভারত পছন্দ করেন, যাদের কাছে দেশপ্রেম অপেক্ষা ভারতপ্রেম বেশি, তাদেরকে এই কমেন্ট এভয়েড করার অনুরোধ।
- 5h
- Reply
আপনারা ধর্মতেও দখলবাজী খাটান। আপনার আল্লাহ কি বলেছেন,দখলবাজী করে আমাকে প্রতিষ্ঠা করো। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
- 1h
- Reply
- Edited
নামাজের ওয়াক্তে পাহাড়ের নিচের বাজারে নামাজ পড়ে নিয়ে তারপর পাহাড়ে উঠলেই তো হয়। এরকম তো অনেক সময়ই করি আমরা।
ওখানে যদি হিন্দু ধর্মাবলম্বী দের তীর্থ স্থান হয়, তবে সেখানে মসজিদ করতে যাওয়ার কী দরকার! নামাজের সময় কি ঢাক ঢোল বাজাতে পারবে তারা!! আর সেখানে রেগুলার নামাজ পড়াবে কে / পড়বে কে? সেখানে মানুষ কত সময়ের জন্য থাকে যে সেখানেই নামাজ পড়তে হবে!! তার চেয়ে পাহাড়ের নিচে একটা মসজিদ করলেই তো হয় (যদি না থাকে)।
ভারতের মত হিন্দু-মুসলিম ধর্ম চর্চা নিয়ে বিতর্কিত কাজকর্ম থেকে বিরত থাকা উচিত।
- 8h
- Reply
- Edited
আমার মুসলিম ভাইদের কাছে অনুরোধ করবো আপনারা আর সামপ্রদায়িক দাঙ্গা লাগাবেন না, এই স্থান সনাতন ধর্মালম্বীদের ( আমাদের) তীর্থস্থান যুগ যুগ ধরে আমরা এই তীর্থ স্থানে প্রতি বছর সারা বাংলাদেশ কিংবা দেশের বাহির থেকেও যাওয়া হয়, আপনারা এই হীন কাজটি করবেন না দয়াকরে। আশাকরি আপনারা অন্যের ধর্মস্থানে নিজেদের ধর্মীয় কিছু করার চিন্তা করবেন না।। আমরা বিশ্বাস করি ইসলাম শান্তির ধর্ম। তাদের আদর্শ কখনো খারাপ হতে পারেনা।































































