মার্কিন বিমানবাহী রণতরী জেরাল্ড আর. ফোর্ড, যেটি ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি অভিযানে মোতায়েন ছিল, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য শনিবার ক্রোয়েশিয়ার অ্যাড্রিয়াটিক বন্দর স্প্লিটে নোঙর করেছে।
আমেরিকার সবচেয়ে নতুন এবং বিশ্বের বৃহত্তম রণতরী ফোর্ড, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-র সমর্থনে লোহিত সাগরে কর্মরত ছিল। এমন সময় ১২ই মার্চ এর প্রধান লন্ড্রি রুমে একটি অসামরিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, যাতে তিনজন নাবিক আহত হন।
সেই সময়ে একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, প্রায় ২০০ জন নাবিককে ধোঁয়াজনিত সমস্যার জন্য চিকিৎসাও দেওয়া হয়েছিল। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক ঘণ্টা সময় লেগেছিল এবং এর ফলে প্রায় ১০০টি শোবার জায়গা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
যুদ্ধজাহাজটি নয় মাস ধরে মোতায়েন রয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে আসার আগে ক্যারিবিয়ানে ভেনিজুয়েলার বিরুদ্ধে অভিযানেও অংশ নিয়েছিল।
মোতায়েন থাকাকালীন এটি জল সরবরাহ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থা সংক্রান্ত সমস্যায় জর্জরিত ছিল, যার ফলে প্রায় ৬৫০টি শৌচাগার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ফোর্ড জাহাজটি গ্রিক দ্বীপ ক্রিটের সৌদা উপসাগরে সাময়িকভাবে থেমেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাটো মিত্র ক্রোয়েশিয়ার সরকার এই সপ্তাহের শুরুতে এর আগমনের অনুমোদন দিয়েছে।
ক্রোয়েশিয়ায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এক বিবৃতিতে বলেছে, “এই সফরকালে ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড যুক্তরাষ্ট্র ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যকার শক্তিশালী ও দীর্ঘস্থায়ী মৈত্রী পুনঃনিশ্চিত করতে স্থানীয় কর্মকর্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের আতিথেয়তা প্রদান করবে।”
৫,০০০-এরও বেশি নাবিক দ্বারা পরিচালিত এই বিমানবাহী রণতরীটিতে এফ-১৮ সুপার হর্নেটের মতো যুদ্ধবিমানসহ ৭৫টিরও বেশি সামরিক বিমান রয়েছে এবং আকাশপথের চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও দিকনির্দেশের জন্য এতে একটি অত্যাধুনিক রাডার ব্যবস্থা রয়েছে।







































