বাংলাদেশে হিন্দু নিধন, ধর্মীয় সংখ্যালঘু নির্জাতন ও সনাতন ধর্মীয় নেতা চিম্ময় প্রভুর মুক্তির দাবীতে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট হাউজ অব কমন্সের সামনে প্রতিবাদ র্যালী করেছে ‘‘সেকুলার বাংলাদেশ মুভমেন্ট ’’ নামের লন্ডন ভিত্তিক একটি মানবাধিকার সংগঠন।
১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ বুধবার লন্ডন সময় দুপুর ১২টায় ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সামনে ব্রিটেনের বিভিন্ন প্রান্থ থেকে শতাধিক প্রতিবাদকারী সমবেত হয়ে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের হত্যা ও চিম্ময় প্রভুর মুক্তির দাবীতে শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত করে তুলে পার্লামেন্ট স্কয়ার। এসময় প্রতিবাদকারীরা বাংলাদেশে হিন্দু হত্যা বন্ধে ‘‘স্টপ কিলিং হিন্দু‘‘ “ষ্টপ কিলিং জার্লানিষ্ট‘‘ ষ্টপ কিলিং ফ্রিডম ফাইটার,- উই ওয়ান্ট জাষ্ট্রিজ ইত্যাদি শ্লোগান দেয়।
প্রতিবাদ র্যালীর মুখপাত্র কাউন্সিলার পুষ্পিতা গুপ্তার সঞ্চালনায় সমাবেশে ব্রিটিশ সরকারের হস্থক্ষেপ কামনা করে বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী সৈয়দ এনামুল ইসলাম। স্বরুপ শ্যাম, জ্ঞান গুপ্তা, অতিশ সাহা, রাম শাহা, নিথিশ সরকার, মিনা চক্রবর্তি, সুজিত গুপ্তা, আব্দুল আহাদ চৌধরী, জামাল আহমদ খান প্রমুখ।
বক্তারা বলেন বাংলাদেশে ৫ আগষ্ট ২০২৪ এর পর থেকে অন্তবর্তিকালীন সরকারের সময় বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা বিভিন্ন ভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পরিচয়ে জঙ্গিরা দেশের বিভিন্ন স্থানে কুড়ি জনেরও বেশী নীরিহ ধর্মীয় সংখ্যালঘুকে হত্যা করেছে। ধর্মীয় সংখ্যালগু হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান ও আহমদিয়া সম্প্রদায়ের উপষনালয়ে হামলা, বাড়ীঘর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লুটপাঠ করছে। জোরপূর্ব দখল করছে হিন্দদের সম্পত্তি।
ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সাহায্যার্থে কেউ এগিয়ে আসছেন। পুলিশও হিন্দুদের মামলা নেয়না। শুধু ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাই নয় দেশের সাংবাদিকরাও এদের অত্যাচার থেকে রেহাই পাচ্ছেনা। হিন্দু ধর্মীয় নেতা চিম্ময় প্রভুকে বিনা কারণে আটকে রাখা হয়েছে। তার উপরে কোন মামলা নেই, অথচ বারবার আবেদন করা সত্বেও তাঁকে জামিন দেয়া হচ্ছেনা।
প্রতিবাদ কারীরা ব্রিটিশ সরকারসহ বিশ্বসম্প্রদায়ের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন আপনারা আমাদের পাশে দাড়ান, আমাদের বাঁচতে দিন। এভাবে আরো কয়েকদিন চলতে থাকলে বাংলাদেশ হিন্দু শূন্য হয়ে পড়বে।