ড. মুহাম্মদ ইউনুসের রেখে যাওয়া পাপের বোঝা টানতে হচ্ছে, তারেক রহমানকে। ইউনুস এবং তার অনুসারিরা দেশটাকে খাদে ফেলে দিয়ে গেছে। ইউনুস নির্বাচন দিতে চায়নি, সেনা বাহিনী এবং দেশবাসীর চাপের মুখে নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়েছিল, তার ইচ্ছে ছিল ধর্মীয় উগ্রবাদিদের মাধ্যমে ক্ষমতায় ঠিকে থাকা। এই ইউনুস যে এতটাই প্রতারক আমরা বুঝতে পারছিলাম তার ক্ষমতা গ্রহনের তিন দিনের মাথায়। দেশটাকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হলে জনাব তারেক রহমানকে আরো কৌশলী হতে হবে। এমন্তব্য লন্ডন সফররত সাংবাদিক মাহবুব কামালের।
গতকাল ৭সেপ্টেম্বর ২০২৬ লন্ডন সময় সন্ধ্যা ছয় ঘটিকায় পূর্ব লন্ডনের বাংলা টাউনের কাফেগ্রীল রেষ্টুরেন্টে প্রবাসীদের সাথে ‘‘বাংলাদেশ ভাবনা‘‘ এবং আদান প্রদান শীর্ষক এক আড্ডায় এসব কথা বলেন। তিনি বলেন বর্তমান সরকার এবং দেশের সাধারন মানুষ চায়, একাত্তরের চেতনা- ৭২ এর সংবিধান। তা অবশ্যই আমাদের ধরে রাখতে হবে। কিন্তু সমস্যা হচেছ উগ্রবাদী গোষ্টী। এই স্বাধীনতা বিরোধী ও উগ্রপন্থিরা চাইছে মুক্তিযুদ্ধ এবং ৭২ এর সংবিধান মুছে ফেলতে, এসব ব্যাপারে দলমত নির্বিশেষে আমাদের সকলকে সজাগ থাকতে হবে। এটা যেমন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান তারেক রহমান এর পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারনকারী কোন বাঙ্গালীই তা চাইবেনা। ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ এবং ৭২ এর সংবিধান বাদ দিলে আর কিছুই অবশিষ্ট থাকেনা।
দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোটেই ভাল নেই, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং দেশকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হলে-সরকারকে আরো কঠোর হতে হবে। বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ব্যবসায়ী মতিউর রহমান মতিনের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক মোরছালিন মিজানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই আড্ডায় আরো বক্তব্য রাখেন ব্যারিষ্টার তানিয়া অমির। মতিউর রহমান মতিন, অ্যাডভোটেক মুজিবুল হক মনি, ফরহাদ আলম হিরুল, ও মোরছালিন মিজানের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই আড্ডায় ব্রিটেনে বসবারত সাংবাদিক, আইনজীবি, ব্যবসায়ী সহ বিপুল সংখ্যক প্রবাসী অংশ নেন।
দেশের বর্তমান সংকট বিশেষ করে গ্যাস বিদ্যুৎ এবং আমদানী রপ্তানী, কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং দেশের বর্তমান আইনশৃঙাখলা পরিস্থিতি, মব সন্ত্রাস এবং দেশের কৌমি মাদ্রসাগুলোতে ক্রমাগত বলাৎকার, ইত্যাদি বিষয় নিয়ে উপস্থিত অনেই প্রশ্ন করেন। প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিক মাহবুব কামাল বলেন এঅবস্থা চলতে থাকলে দেশের অধিকাংশ গার্মেন্টস ইন্ডাষ্ট্রি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্তির উন্নয়নে আমাদের সকলকে আরো সচেতন হতে হবে।































































