ইসরাইল সরকারের প্রতিনিধি ছাড়াই লন্ডনে শুরু হয়েছে বিশ্বের অন্যতম আন্তর্জাতিক অস্ত্র মেলা। ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে যদিও ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের এই মেলায় আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তার পরেও এই মেলায় ইসরায়েলের ৫১টি প্রতিরক্ষা কোম্পানি এলবিট, রাষ্ট্রায়ত্ত রাফায়েল ও ইসরায়েল এয়ারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজসহ অংশ নিয়েছে। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও জার্মানির পর ইসরায়েলই হবে এবারের মেলায় পঞ্চম বৃহত্তম প্রতিনিধিদল।
অভিবাসী গ্রহণ করবে না এমন দেশের ভিসা কমাতে পারে ব্রিটেন
প্রতি দুই বছর অন্তর অন্তর আয়োজিত এই প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সরঞ্জাম আন্তর্জাতিক (ডিএসইআই) মেলাকে ঘিরে লন্ডনে ১০০টিরও বেশি সংগঠন বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিয়েছে।
অস্ত্রবিরোধী সংগঠনগুলো অভিযোগ করেছে, গাজায় ধ্বংসযজ্ঞ চালানো ইসরায়েলি কোম্পানিগুলোকে মুনাফা করার সুযোগ না দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়া উচিত।
গেল আগস্টে যুক্তরাজ্য জানিয়েছিল, ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বাড়ানোর কারণে এবার কোনো সরকারি প্রতিনিধি মেলায়অংশ নেবে না। ইসরায়েল ব্রিটেনের এই অবস্থানকে ‘বৈষম্য’ বলে আখ্যায়িত করেছে। একই দিনে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ লন্ডনে পৌঁছান। তার ব্রিটেন সফরের উদ্দেশ্য ইহুদি সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংহতি জানানো এবং যারা বর্তমানে আক্রমণ ও ইহুদি বিদ্বেষের কারণে হয়রানির শিকার হচ্ছে।
রাশিয়া, ইউক্রেন যুদ্ধসহ বৈশ্বিক সংঘাতের কারণে এবারের প্রদর্শনীতে রেকর্ডসংখ্যক প্রদর্শক ও দর্শনার্থীর উপস্থিতি প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
এদিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কেয়ার স্টারমার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইসরায়েল দ্রুত যুদ্ধবিরতিতে রাজি না হলে ব্রিটেন আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে। এরই মধ্যে লন্ডন ইসরায়েলের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করেছে এবং গাজায় ব্যবহৃত কিছু অস্ত্র রপ্তানির লাইন্স বাতিল করেছে ব্রিটেন।
তবে ব্রিটেন থেকে ইসরায়েলি এফ–৫ যুদ্ধবিমানের যন্ত্রাংশ রপ্তানি এখনো অব্যাহত রয়েছে।































































