অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন জামাতে ইসলামী ও জঙ্গিগোষ্টীর নিয়ন্ত্রনাধীন অন্তবর্তিকালীন সরকার সম্পুর্ণ অন্যায় এবং অবৈধ ভাবে একটি ক্যাঙ্গারু আদালতের মাধ্যমে মিথ্যা সাজানো মামলায় দেশের বৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালের ফাঁসির রায় ও সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার প্রতিবাদে লন্ডনে পৃথক পৃথক বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে।
১৭ নভেম্বর ২০২৫ শেখ হাসিনা সংগ্রাম পরিষদ যুক্তরাজ্য শাখা লন্ডন সময় দুপুর একটায় লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে ও যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ দুপুর ২টায় পূর্বলন্ডনের আলতাব আলীপার্কে প্রতিবাদ বিক্ষোভ করেছে।
উভয় সমাবেশে প্রতিবাদ কারীরা বলেন ১৯৭১ সালে মহান মুত্তিযুদ্ধের প্রতিশোধ এবং মানবতাবিরোধী ও দেশ বিরোধী অপরাধীদের সাজার বদলা নিতে এই সাজানো বিচারের নামে জাতির সাথে বেঈমানী করেছে ইউনুস। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এই কোর্টে এই বিচার করা যায়না। যেহেতু একটি ম্যাটিকুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে বিদেশীদের স্বার্থ রক্ষায় একটি অভ্যূত্থানের মাধ্যমে অবৈধ ভাবে ক্ষমতায় আসে ইউনুস, তাই এটি সম্পুর্ন অবৈধ।
এই আদালতে আসামীদের কেউ উপস্থিত ছিলেনা বা আসামীদের কারো আইনজীবি নিয়োগ করে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ ছিলনা। যে তিনজন বিচারক রায় দিয়েছেন সকলেই ৭১এর রাজাকার সন্তান, যারা আইনজীবি সকলেই ইতপূর্বে মানবতারোধীদের আইনজীবি ছিলেন, এই কোর্টের বিচারক আইনজীবি সকলেই স্বাধীনতা বিরোধী দল জামাতে ইসলামীর অনুসারী। এই আদালতের প্রসিকিউটর তাজুল সাবেক ছাত্র শিবির ক্যাডার। এবং যুদ্ধাপর্দীদের পক্ষের আইনজীবি ছিলেন। এক কথায় একাত্তরের প্রতিশোধ নিতে এই সাজানো নাটক।
বিশ্ব আদালতে তা টিকবেনা। ইউনুস এবং জামাতিদের মনে রাখা উচিত ‘‘এই দিন দিন নয় আরো দিন আছে‘‘। আমরা দেখতে পাচ্ছি দেশকে অবৈধ ইউনুস একটি গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিচার শুরুর আগেই রায় লিখে রাখা হয়। দেশবাসীকে ধোকা দিতে আগ থেকে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় জামাত শিবির এবং এনসিপির সদস্যদের জড়ো করা হয়। আমরা এই ক্যাঙ্গারু আদালতের রায় মানিনা মানবোনা। যদি দেশের অবস্থা আরো খারাপ হয় দ্বায়দায়িত্ব অবৈধ ইউনুসকে নিতে হবে।
পূর্ব লন্ডনের আলতাব আলী পার্কের সমাবেশে যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সভাপতি জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নৈমুদ্দিন রিয়াজের পরিচালায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক সমবায় মন্ত্রী কাজী আব্দুর ওয়াদুদ দার, আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ, প্রেসিডিয়াম মেম্বার আব্দুর রহমান এমপি, হাবিবুর রহমান হাবিব এমপি, সাবেক মন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট সিটি মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে হরমুজ আলী, আ.স. মিসবাহ, কাওছার চৌধুরী, খসরুজ্জামান খরসু, আনসারুল হক, এম এ. করিম এডভোকেট, শাহ শামীম আহমদ, যুবলীগের জামাল খান, খালেদ আহমদ শাহীন, আব্দুল আহাদ চৌধুরী, ইউকে যুব মহিলা লীগের সভাপতি, ইয়াসমিন সুলতানা পলিন, সাংগঠনিক সম্পাদক, কামরুন নাহার শাহাজাদী, যুব মহিলা লীগ সদস্য, নাহিদ জেসমিনা সিদ্দিক, লাকী, শ্যামলী, জেসমিন আক্তার প্রমুখ। এই সমাবেশে ব্রিটেনের বিভিন্ন প্রান্থ থেকে কয়েকশত মানুষ সমবেত হয়ে এই প্রতিবাদ জানায়।
অন্যদিকে লন্ডন্থ বাংলাদেশের মিশনের সামেনের প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি শাহাদাত হোসেন (তপন), বক্তব্য রাখেন বিবিস,র সাংবাদিক এ্যান ম্যারিয়ান, কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক জনাব সালাউদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সাহেদ আহাম্মদ সাদ,আফছার খান সাদেক লন্ডন মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, শামসাদুর রহমান রাহিন যুক্তরাজ্য যুবলীগের সহ সভাপতি, আবদুর রহিম শামীম সহ আরো অনেকে। এই প্রতিবাদ সমাবশে উপস্থিতির সংখ্যা ছিল ৩৪/ ৪০ জন।
অন্যদিকে রায়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছেঃ বিশ্বব্যাপী অধিকার সংস্থা এবং আইন বিশেষজ্ঞরা ট্রাইব্যুনালের আচরণ নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেনঃ তারা বলেন বিচারটি তাদের অনুপস্থিতিতে পরিচালিত হয়েছে, প্রতিরক্ষা সম্পদের সীমিত অ্যাক্সেস সহ।
- আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের বাদ দেওয়া হয়েছে , যা বিচারের স্বচ্ছতাকে ক্ষুন্ন করেছে।
- রায়ের গতি এবং সময় ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের ইঙ্গিত দেয়। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের ভাষ্যঃ
- দক্ষিণ এশিয়া গবেষক মানবাধিকার নেতা আব্বাস ফয়েজ বলেন “এই রায় নির্বাচনের আগে জনসাধারণের অনুভূতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রচেষ্টাকে প্রতিফলিত করতে পারে।”
- আন্তর্জাতিক সংকট গ্রুপের থমাস কিন বলেন : “যদিও পদ্ধতিগত ত্রুটিগুলি স্পষ্ট, হাসিনার কথিত কর্মকান্ডের গুরুত্ব উপেক্ষা করা যায় না।”





























































