গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং উন্নয়ন অগ্রযাত্রার ধারা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় নিয়ে লন্ডনে বাংলদেশ আওয়ামী-লীগের ৭৭তম প্রতিষ্টা বার্ষিকী উদযাপন করল যুক্তরাজ্য আওয়ামী-লীগ। গতকাল ২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার লন্ডন সময় বিকেল পাঁচটায়, পূর্ব লন্ডনের রয়েল রিজেন্সী হলে ব্রিটেনের বিভিন্ন শহর থেকে আওয়ামী-লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠন সমূহের ৪ হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন।
যুক্তরাজ্য আওয়ামী-লীগের সভাপতি জালাল উদ্দিনে সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুকের সঞ্চালনায়, অনুষ্ঠিত সভার শুরুতে, পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওত করেন মুফতি মাওলানা সৈয়দ মাহমুদ আলী লংলী। এর পর পরই, ভার্চুয়্যালী যুক্ত হয়ে, প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, দলের সভাপতি শেখ হাসিনা। প্রধান অতিথির বক্তব্যে, শেখ হাসিনা, আওয়ামী-লীগের প্রতিষ্ঠাতা, হোসেন শহীদ সহরাওয়ার্দি, শেরেবাংলা এ.কে.ফজলুল হক, মাওলানা ভাষানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শামসুল হক সহ প্রতিষ্টা কালীন সময়ের সকলকে শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, আওয়ামী-লীগ জনমানুষের দল, এই দলের হাত ধরেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা এসেছে, আওয়ামী-লীগকে কেউ বন্ধ করতে পারবেনা। অতিতেও বার বার আওয়ামী-লীগের উপর নিষেধাজ্ঞা এসেছে, আর দলটি আরো দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে ঘুরে দাড়িয়েছে। মনে রাখতে হবে আওয়ামী-লীগ মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দানকারী দল। যে যাই করুক, আওয়ামী-লীগকে বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস লিখা সম্ভব নয়। শত চেষ্টা করলেও ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা যাবেনা।
২০২৪ সালে ইউনুস ম্যাটিকুলাস প্লান করে জঙ্গিদের সহায়তায় ক্ষমতা দখল করে চেয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে পাল্টে দিতে। অন্যায় ও বেআইনী ভাবে আমাদের উপর মামলা দিচ্ছে, তা টিকবেনা। আমাদের কার্জক্রম নিষিদ্ধ করে রেখেছে। বঙ্গবন্ধু এদশের মানুষকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করেছিলেন, দেশবাসীকে উপহার দিয়েছিলেন একটি স্বাধীন দেশ। আমি এই দেশকে একটি দরিদ্র দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করেছিলাম। এরা সব ধ্বংশ করে দিচ্ছে। দেশে চলছে মব রাজত্ব। দেশের মানুষকে রক্ষা করতে হলে আওয়ামী-লীগের নেতা কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি সকলকে ধৈর্য্য ধরার কথা বলেন। তিনি বলেন সকল অপকর্মের বিচার এই বাংলার মাটিতে হবে, ইনশাল্লাহ। দেশে কেউ কথা বলতে পারছেনা, প্রতিদিন অসংখ্য নেতাকর্মীকে বিনা মামলায় আটক করা হচ্ছে, নেই মত প্রকাশের স্বাধীনতা।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রি আব্দুর রহমান, খলিদ মাহমুদ চৌধুরী, শফিকুর রহমান চৌধুরী, শ.ম. রেজারউল করিম, সাবেক এমপি হাবিবুর রহমান হাবিব, সাবেক এমপি আবু জাহির সিলেট সিটির সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বক্তারা বলেছেন বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ একই সূত্রে গাঁথা। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়েছে, বঙ্গবন্ধুকে অস্বীকার করা মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করা। এর অর্থ ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের সাথে বেঈমানী করা।
বক্তারা আরো বলেন জামাত-শিবির এনসিপি সহ স্বাধীনতা বিরোধী গোষ্টী চাইছে সুকৌশলে ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধু এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মুছে ফেলতে। আর একারণেই এরা এতো মরিয়া হয়ে উঠেছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অর্থ হলো মুক্তিযুদ্ধ এবং সংবিধানকে মুছে ফেলা। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি তা কোনদিনই মেনে নেবেনা। সংবিধানে হাত দিয়ে দেশে রক্তের বন্যা বইবে। এছাড়াও অনুষ্টানে স্ঞানীয়দের মধ্য থেকে আরো ১৭জন বক্তব্য রাখেন।




































































