কিংবদন্তী সাংবাদিক, কলামিস্ট ও সাহিত্যিক, অমর একুশে গানের রচিয়তা আব্দুল গাফফার চৌধুরীর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী পালন করেছে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি যুক্তরাজ্য। সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ এনাম ইসলামের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ মুস্তাফিজুর রহমান বেলালের সঞ্চলনায় , অনুষ্ঠানের শুরুতে গাফফার চৌধুরীর স্মৃতির প্রতি একমিনিট নীরবতা পালন করে শ্রদ্ধা জানানো হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে সংগঠনের পক্ষে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারন সম্পাদক জুয়েল রাজ।
অনুষ্ঠানে গাফফার চৌধুরীর স্মৃতিচারণায় বক্তারা বলেন, আব্দুল গাফফার চৌধুরীর প্রয়াণ দিবসে বাংলা গণমাধ্যমের নীরবতা সত্যিই দু:খজনক। আমরা যারা ব্রিটেনে আছি ,আমাদের সৌভাগ্য আমরা গাফফার ভাইয়ের সান্নিধ্যে পেয়েছি, তাঁর ছায়া আমাদের উপর আছে। তাঁকে চাইলেই মুছে ফেলতে পারবে না। বাংলাদেশ যতোদিন থাকবে ,বাংলা ভাষা ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যতদিন থাকবে। তিনি চিরস্মরনীয় হয়ে থাকবেন।
বঙ্গবন্ধুর পরে দ্বিতীয় ব্যাক্তি গাফফার চৌধুরী, যার নাম সারা পৃথিবীর মানুষ জানে। বক্তারা বলেন, গাফফার ভাই বেঁচে থাকলে আজকের এই বাংলাদেশ হয়ত তিনি নিতে পারতেন না। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রতিটা দু:সময়ে তাঁর কলম তরবারীর চেয়ে ধাঁড়ালো ভূমিকা রেখেছে।
উপস্থিত বক্তারা সবাই গাফফার চৌধুরীর সাথে তাঁদের স্মৃতিচারণ করেন। প্রগতিশীল রাজনীতি ও শিল্পী সাহিত্যকদের বটবৃক্ষ হয়ে ছায়া দিয়ে গেছেন। গাফফার চৌধুরীর অভাব দিনেদিনে আমাদের কাছে প্রকট হচ্ছে।
স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন সাবেক মন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী, কবি হামিদ মোহাম্মদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা লোকমান হোসেন, মানবাধিকার কর্মী হরমুজ আলী, সৈয়দা নাজনীন সুলতানা শিখা, সাংবাদিক ঊর্মী মাজহার, সাংবাদিক মাতিয়ার চৌধুরী, নূর উদ্দিন আহমেদ, সাংবাদিক আবু মূসা হাসান, সাংবাদিক নীলুফা হাসান, ড: আনসার আহমদ উল্লাহ, ড: আনিসুর রহমান আনিস, ইয়াসমীন সুলতানা পলিন , মোস্তফা কামাল মিলন, কণ্ঠশিল্পি হিমাংশু গোস্বামী, সাংবাদিক এ আর রহমান অলি, জামাল আহমদ খান, আঙুর আলী, তারিফ আহমেদ, শাহেদ রহমান, শাহাব উদ্দিন বাচ্চু, আজিজ চৌধুরী, হাবিবুর রহমান, আব্দুল আহাদ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক মনি, কিটন শিকদার প্রমুখ।



























































