চেনা চেনা সুরটিকে কিছুতে না চিনি
নিশিত রাত্রির প্রতিধ্বনি শুনি প্রতিধ্বনি শুনি আমি প্রতিধ্বনি শুনি … প্রতিধ্বনি শুনি, ভূপেন হাজারিকা।
আজকে কয়েক দিন হলো মনটা ভালো নেই। তবে এইটুকু জানি আমার ভালো থাকা না থাকায় রাষ্ট্র কিংবা সরকারের তেমন কিছুই আসে যায় না। তবে এইটুকু বিশ্বাস আমার মতো অনেকেরই আজ মন ভালো নেই। এই ভালো না থাকা নিয়ে তাই ভূপেন হাজারিকার একটি গানের কলি দিয়ে শুরু করলাম। বেশ কয়েকদিন যাবৎ লক্ষ করছি উগ্রতা-গোঁড়ামি এবং দাম্ভিকতা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই উগ্রতা কি ঘরে, কি বাইরে, কি অফিসে, কি কর্মস্থলে, কি কর্মে, কি ধর্মে সর্বত্রই জয়জয়কার। এক শ্রেণির মানুষের উগ্রতা-গোঁড়ামী এবং রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল কিছু ব্যক্তিদের দাম্ভিকতা রাষ্ট্র এবং সরকারের ভাবমূর্তিকে চরমভাবে হেয় প্রতিপন্ন করছে। কখনো অনুভূতির আঘাতের নামে ভিন্ন ধর্মালম্বীদের (সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের) বাড়িঘর লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, হত্যা, খুন, দেশত্যাগে বাধ্যকরা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লুটপাট ইত্যাদি আবার কখনো নাস্তিক তকমা দিয়ে মুক্ত চিন্তার লেখক, শিক্ষক, কবি, সাহিত্যিক, শিল্পীদের ওপর পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে। দেশটাকে অস্থিতিশীল পরিবেশের মধ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। যাদের দেখার কথা তারা দেখেও না দেখার ভান করছেন। অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছেন নানা কৌশলে কখনো পাগল, আবার কখনো মানসিক ভারসাম্যহীন বলে। আর ভুক্তভোগীরা ফেঁসে যাচ্ছেন রিমান্ড মঞ্জুরের মধ্য দিয়ে। এই যখন পরিস্থতি তখন সত্যিই আমি ভালো নেই। আমার মতো অনেকেই ভালো নেই। একটি সভ্য, স্বাধীন, সাহিত্য-সংস্কৃতি-ঐতিহ্য সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে এই উগ্রতা থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে সামনে আমাদের জন্য কঠিন অন্ধকার অপেক্ষা করছে। এই উগ্রতাকে কোন ভাবেই ছোট করে দেখোর সুযোগ নেই। মনে রাখা দরকার কাঁচালে না নোয়ালে বাঁশ পাকলে করে ঠাস ঠাস।
এ কথা এখন কারও অজানা নেই ‘কান নিয়েছে চিলে’ শুনেই সত্য-মিথ্যা যাচাই না করে একশ্রেণির মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং দেখা যাচ্ছে, শুক্রবার জুমার নামাজের সময়কেই এ ধরনের গুজব ছড়ানোর জন্য উৎকৃষ্ট সময় বলে ধরে নেওয়া হয়। কথা হলো, আইন যদি নিজের হাতেই তুলে নেওয়া হয়, তাহলে এই রাষ্ট্রে আইন, আদালত আছে কেন? দেশ কি একশ্রেণির উন্মত্ত নৃশংস ধর্মান্ধ মানুষের হাতে বন্দী হবে, নাকি আইনের শাসন চলবে—সেটাই এখন বড় প্রশ্ন হিসেবে দেখা দিয়েছে।
এই যখন দেশের সামগ্রিক অবস্থা, তখন ভিন্ন ধর্মের প্রতি ঘৃণার আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া কঠিন কোনো কাজ নয়। যেকোনো ছুতোয় ধর্মীয় অবমাননার গুজব ছড়িয়ে ভিন্নধর্মী মানুষের জীবনকে ক্ষতবিক্ষত করে দেওয়ার যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, তাতে মানুষ হিসেবে নিজেদের পরিচয় দান দিনে দিনে লজ্জার বিষয়ে পরিণত হচ্ছে। স্বাভাবিক মানুষ কখনোই এ ধরনের আচরণ করতে পারে না।
মুক্তির মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সদাদীপ্ত লালিত স্বপ্ন ছিল স্বজাত্যবোধ নির্ভর একটি গণতান্ত্রিক-অসাম্প্রদায়িক-মানবিক-দারিদ্র্য ও শোষণমুক্ত সমাজ নির্মাণ। মাটি ও মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধে ঋদ্ধ ইমান-দেশপ্রেমের অবিচল শক্তিমানতায় ধারণ করেছিলেন বাঙালীর রাজনৈতিক-সামাজিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির আদর্শ। দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রাম-মহান মুক্তিযুদ্ধ-স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠনের ধারাবাহিকতায় নানামুখী চক্রান্ত-ষড়যন্ত্রের শিকারে জীবনের দীর্ঘ সময় কারাভোগ-প্রায় সপরিবারে জীবন বিসর্জনে কখনও আপোস-নতিস্বীকার না করেই বিশ্বে বিস্ময়কর অবিসংবাদিত নেতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এসব যন্ত্রণাদগ্ধ অভিজ্ঞতার আলোকেই মুক্ত মাতৃভূমি প্রতিষ্ঠা এবং সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি-মনুষ্যত্বের পরিচায়ক এক অতুলনীয় জাতিরাষ্ট্রের আবির্ভাবে বঙ্গবন্ধু ছিলেন অভিনব আলোকবর্তিকা। স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে প্রত্যেক নাগরিকের জান ও মালের নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার আছে। কারও ধর্মানুভূতিতে আঘাত করা আর সদলবলে কোনো ধর্মের মানুষের ওপর অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া এক কথা নয়। নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়ার অধিকার কারও নেই।জনশ্রুতিমতে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতাকে যথার্থ অর্থবহ করার উদ্দেশ্যে নিগূঢ় নিষ্ঠার সঙ্গে দেশকে এগিয়ে নেয়ার প্রাক্কালেই যেসব অপশক্তি সক্রিয় ছিল তাদের অন্ধকারের শক্তিগুলোর হীন তৎপরতা প্রকট পরিলক্ষিত হচ্ছে । দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্তের ফলশ্রুতিতে দেশকে অস্থিতিশীল করে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বকে হেয়প্রতিপন্ন করা-নৃশংস হত্যাযজ্ঞের নীলনকশা তৈরিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান-সংস্থার ভূমিকা দেশবাসী নতুন করে উপলব্ধি করছে।সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও কথিত অসাম্প্রদায়িক-বুদ্ধি-পেশাজীবী-সুশীল নামধারী ব্যক্তিদের মুখ ও মুখোশের বিভাজিত চারিত্রিক দৃশ্যপট অনুধাবনে সচেতন মহল প্রচন্ড উদ্বিগ্ন। অরাজক-অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবেশ সৃষ্টিতে এসব সুবিধাভোগী-আপোসকামী ও ভুয়া নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকা ব্যক্তিদের জনগণ চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়েছে। উল্লেখ্য, ব্যক্তি বা সংস্থাসমূহকে কঠোর নজরদারি এবং এদের সম্পর্কে পর্যাপ্ত সতর্কতা অগ্রিম নিশ্চিত করা না গেলে যে কোন বিপর্যয়ের সমূহ সম্ভাবনা অনুমেয়। বিশেষ করে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা-বিরোধ-বিচ্ছেদ পরিকল্পনায় প্রায় সকল ধর্মের উগ্র-ধর্মান্ধ-কট্টর নেতিবাচক মনোভাবসম্পন্ন ব্যক্তিদের ভূমিকা পর্যালোচনা জরুরী হয়ে পড়েছে।
সারা পৃথিবীতেই ধর্মান্ধতা বাড়ছে, এ কথা বলে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয়টিকে জায়েজ করা যাবে না। যে শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণি সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা এবং সাম্যের জয়গান করে, বাংলাদেশে ক্রমেই সেই মধ্যবিত্ত শ্রেণি ক্ষীয়মান হয়ে যাচ্ছে। তার জায়গায় উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত সব শ্রেণির মানুষের মধ্যেই পশ্চাৎপদ দৃষ্টিভঙ্গি দৃঢ় ভিত্তি পাচ্ছে। সমাজের নানা স্তরে ধর্মীয় সংকীর্ণতা এবং ধর্মব্যবসা স্থান করে নিচ্ছে। একসময় যাঁরা এই ধর্মীয় সংকীর্ণতা ও ধর্মব্যবসার বিরুদ্ধে সোচ্চার হতেন, তাঁদের সংখ্যা ক্রমেই নগণ্য হয়ে যাচ্ছে! দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী ভুলতে বসেছে, কোন ঐতিহাসিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানের মতো একটি পশ্চাৎপদ দেশকে অগ্রাহ্য করে জন্ম হয়েছিল বাংলাদেশের। বিজয়কে ধরে রাখার জন্য যে অসাম্প্রদায়িক, মানবিক সমাজ গড়ে তোলা দরকার, সেই সমাজ না গড়ে বরং সমাজের সর্বক্ষেত্র থেকে সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার ছুড়ে ফেলা হয়েছে। ধর্মব্যবসাকেই পরিচিত করা হচ্ছে ধর্ম হিসেবে। বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ভিন্ন ধর্ম সম্পর্কে যে বিষোদগার করা হয়, তা একেবারেই ধর্মব্যবসা সঞ্জাত রাজনীতি থেকে। ধীরে ধীরে এই অপশক্তি প্রভূত শক্তি অর্জন করেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ভিত্তিমূলে এরা স্থান করে নিয়েছে।
কেউ যদি অন্যায় করে থাকে, তাহলে তার বিচার হবে এবং বিচার হবে দেশের প্রচলিত আইনে। তার অপরাধের শাস্তি তার সম্প্রদায়ের মানুষ পাবে কেন ? আগেও দেখা গেছে, গুজব ছড়িয়ে ভাঙচুর, নির্যাতন চালানো হয়েছে, কিন্তু গুজবের সত্যতা পাওয়া যায়নি। ধর্মকে পুঁজি করে যারা এই অরাজকতা চালাচ্ছে, তাদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেওয়া না হলে এ দেশের সাম্প্রদায়িক বন্ধন বলে কিছুই থাকবে না। এদিকে দৃষ্টি দেওয়া খুবই জরুরি। ভুয়া ফেসবুক একাউন্ট থেকে ধর্ম অবমাননার গুজব ছড়িয়ে যারা হিন্দুদের ঘর বাড়ি মন্দির লুটপাট করলো। আগুন লাগিয়ে জ্বালিয়ে দিলো তাদের কোন বিচার হলো না। বরং যার নামে ভুয়া ফেসবুক একাউন্ট তাকে আটক করে আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করলো। হায়রে বাংলাদেশ এ লজ্জা রাখি কোথায়? আবার সেই একই পদ্ধতিতে সহিংসতা চালানো হয়েছে নড়াইলে। ধর্ম অবমাননার অভিযোগে নড়াইলের লোহাগড়ায় হিন্দুদের বাড়িঘরে ভাঙচুর করা হয়েছে, অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। মন্দিরেও চালানো হয়েছে আক্রমণ। আমরা এই অপতৎপরতার তীব্র নিন্দা জানাই।
যাঁরা লোহাগড়ায় সংখ্যালঘুর বাড়িঘরে হামলা ও আগুনের ঘটনা ঘটিয়েছেন, অবশ্যই তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। রামু, নাসিরনগর ও সাঁথিয়ায় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার এসব ঘটনায় কেউ শাস্তি পায়নি। ১৯৮৯ সালে থেকে এদেশে হিন্দু বিরোধী কর্মসূচী শুরু হয় এবং ২০২২সালের জুলাই মাস পর্যন্ত ঘটে যাওয়া একটি ঘটনারও সঠিক বিচার হয়নি। আর এই বিচারহীনতা, চোখ রাঙিয়ে ভোক্তভাগীকে সান্তনা দেওয়া এবং কৌশলে হামলাকারীদের পক্ষ নেওয়ার সংস্কৃতিই সংখ্যালঘুদের ওপর হামলাকে প্ররোচিত করছে। তাই সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বন্ধ করতে হলে অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনতেই হবে। এবং শাস্তির আওতায় আনার কোন বিকল্প নেই।
প্রিয় পাঠক চলমান আরও কিছু বিষয় আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই। দেশে ডলার সংকট দিন দিন তীব্র হচ্ছে। ডলারের বাজার স্থিতিশীল রাখতে হিমশিম খাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এক্ষেত্রে আমদানী কমিয়ে আনা এবং রপ্তানী বৃদ্ধি করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সরকার দেশের চলমান অর্থনৈতিক এবং বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় কৃচ্ছতার পথ বেছে নিলেও আমলারা ঠিক তার উল্টো পথে হাঁটছেন। আন্তর্জাতিক বাজারে কোন পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির সাথে সাথে আমাদের দেশেও এর প্রভাব পড়তে থাকে দেশে মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে যখন কোন পণ্যের মূল্যহ্রাস হয় তখন আমাদের দেশের ব্যবসায়ীরা নানা কৌশল অবলম্বন করেন পণ্যেরে মূল্য না কমানোর জন্য। আমাদের অবস্থা মরার ওপর খাড়ার ঘা। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে জীবনের নাভিশ্বাস তারওপর জীবন রক্ষাকারী ঔষধের মূল্য বৃদ্ধি জীবনটাকে একেবারে আইসিউতে নিয়ে এসেছে। ক্রমাগত দুর্নীতির চিত্র বৃদ্ধি পাচ্ছে। জবাবদিহিতার কোন বালাই নেই। কোন ভাবেই কালো টাকার চাকা এবং বিদেশে টাকা পাচার চাকা টেনে ধরা যাচ্ছে না। দেশের এই সংকট মোকাবিলার জন্য শুধু কথা দিয়ে কাজ হবে না, এদের বিরুদ্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিৎ করার পাশাপাশি প্রশাসনিক কর্মকর্তা কর্মচারীদের এবং জনপ্রতিনিধিদের ক্ষেত্রে জবাবদিহিতাও নিশ্চিত করতে হবে। সরকারকে তার নিজের এবং দেশের স্বার্থে উপরোক্ত বিষয়গুলো নিয়ে কঠোর হওয়ার বিকল্প নেই। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাস্তবায়ন সোনার বাংলাদেশ গড়েতে হলে ঘুষ, দুর্নীতি, লুটপাট, বিদেশে টাকা পাচার রোধ করা এবং কালো টাকা ও ঋণখেলাপী টাকা উদ্ধারের বিকল্প নেই।
দেশের সার্বিক কর্মকান্ড দেখে আমার বার বার মনে প্রশ্ন জাগছে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ কোন দিকে যাচ্ছি আফগানিস্তান নাকি অর্থনৈতিক সংকট ও বিশৃঙ্খলা নাকি স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বাংলাদেশের দিকে ? দুর্নীতিবাজ এবং অপরাধী যেই হউক তার সাথে সকল প্রকার সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। আমাদের শিক্ষার গুণগত পরিবর্তন জরুরী সেই সাথে প্রতিটি উপজেলায় একটি করে আধুনিক পাঠাগার ও বিজ্ঞান ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। ভূপেন হাজারিক মতো আমারও আহ্বান রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশকে সোনার বাংলাদেশ গড়তে, নতুন আলোর দিগন্তে আজ ছুটে ছুটে আয়।
সুধীর বরণ মাঝি, শিক্ষক, হাইমচর সরকারি মহাবিদ্যালয়, হাইমচর, চাঁদপুর।


























































