
জাতির প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করারও একটা সীমা আছে। ওয়াকার ও ইউনূস সেই সীমা পেরিয়েছে বহু আগেই। এখন তারা কেবল ক্ষমতার মরণখেলায় হেরে যাওয়া দুই বিকৃত চরিত্র—যাদের রাজনীতি মানে ষড়যন্ত্র, যাদের কথাবার্তা মানে মিথ্যার বিষ।
ধানমন্ডি ৩২-এ ধূলিস্যাৎ ইতিহাস আর গোপালগঞ্জের গণহত্যার প্রতিধ্বনি আজও আমাদের মনে করিয়ে দেয়, কাদের বংশ থেকে এরা এসেছে। মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি, রাজাকার মানসিকতার নোংরা রক্ত এখনো তাদের চিন্তায় বয়ে চলে। এরা সভ্যতার পোশাকে লুকানো বর্বর, মুক্তির শত্রু।
আজ তারা যখন দেখে তাদের সময় ফুরিয়ে আসছে, তখন খড়কুটো আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চায়—যা পায়, তাতেই আঁকড়ে থাকে। ক্ষমতা হারানোর ভয়ে তারা আজ পাগলপ্রায়। কিন্তু ইতিহাস কাউকে ছাড় দেয় না। মিথ্যা যতই সাজানো হোক, তার ভিত কাদায় গড়া।
ওয়াকার ও ইউনূসদের কৌশল যতই চালাক মনে হোক, তাতে নৈতিকতা নেই, বিবেক নেই—শুধু ধূর্ততা আর ভয়ের গন্ধ। তারা জানে, পতন আসছে। তাই এখন অন্ধকার ছড়ানো ছাড়া তাদের কিছুই করার নেই।
এক সময় আমরা অন্যায়ের অবরোধে আটকে গিয়ে ভাগ্যকে দোষ দিয়েছিলাম। কিন্তু না, ভাগ্য নয়—আমরাই তাদের এই অবস্থায় নিয়ে এসেছি, এবং আমরাই শেষ পর্যন্ত বিচার করব। কারণ অন্যায়কে ক্ষমা করা মানে আবার পরাজয় ডেকে আনা।
এই দুই কুশীলবকে এখন ইতিহাসের আদালতে দাঁড়াতেই হবে। তাদের মিথ্যা, তাদের প্রতারণা, তাদের মুখোশ—সব খুলে পড়ছে ধীরে ধীরে। সময় এসেছে মুখোশহীন সত্য প্রকাশের।
জাতি তাদের চিনে ফেলেছে।
তাদের আর পালানোর জায়গা নেই।
এই দেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়া—এখানে বর্বরতার শেষ ঠিকানাও মাটির নিচে।
এ্যলবার্ট খান
লেখক ও অনলাইন একটিভিস্ট


























































