দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশী সময় নিয়ে সংস্কারকাজ শেষ হলেও ব্রিটিশরাজা তৃতীয় চার্লস আর বাকিংহাম রাজপ্রাসাদকে তাঁর প্রধান বাসভবন হিসেবে ব্যবহার না কারার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
২৫ জুন বৃহস্পতিবার এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন রাজপরিবারের পক্ষে বাকিংহ্যাম প্যালেসের কর্মকর্তারা। এই সিদ্ধান্তের ফলে ব্রিটিশ সম্রাটের প্রধান বাসভবন হিসেবে প্রায় দুই শতাব্দী ধরে ধারাবাহিক ভাবে চলে আসা বাকিংহাম প্যালেসের ঐতিহ্যের ইতি ঘটতে যাচ্ছে। রাজপরিবারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাজা তৃতীয় চার্লস লন্ডনের নিজস্ব বাসভবন ক্লারেন্স হাউসে বসবাস অব্যাহত রাখবেন। তবে সংস্কার শেষে বাকিংহাম রাজপ্রাসাদের রাজকীয় আনুষ্ঠানিকতা, বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের অভ্যর্থনা এবং অন্যান্য সরকারি অনুষ্ঠানের প্রধান কেন্দ্র হিসেবেই ব্যবহার অব্যাহত থাকবে।
সেই সাথে প্রথম বারের মতো রাজপ্রাসাদ থেকে প্রকাশ করা হয়েছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রাজা তৃতীয় চার্লস ১২ দশমিক ৯ মিলিয়ন পাউন্ড (প্রায় ১৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) কর পরিশোধ করেছেন। এই তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে ব্রিটিশ রাজপরিবার তাদের আর্থিক বিষয়ে আরও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। উল্লেখ্য,২০১৯ সালের পর থেকে রাজা তৃতীয় চার্লস, প্রয়াত রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ কেউই বাকিংহাম রাজপ্রাসাদে রাত যাপন করেননি। তবে রাজা চার্লসের জন্য প্রাসাদে একটি ব্যক্তিগত কক্ষ সংরক্ষিত থাকবে। পাশাপাশি প্রতি বছর সেখানে সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশের সুযোগ আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা গ্রহন করেছে বাকিংহ্যাম প্যালেস।





























































