সংকটগ্রস্ত এফসিএএস যুদ্ধবিমান কর্মসূচি নিয়ে ফ্রান্সের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য জার্মান সরকার এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় নির্ধারণ করেছে, বৃহস্পতিবার একজন সরকারি কর্মকর্তা এ কথা জানিয়েছেন।
ওই কর্মকর্তা বলেন, “জার্মানি ও ফ্রান্স শিল্পখাতগুলোর মধ্যে বিশেষজ্ঞদের দ্বারা পরিচালিত একটি চূড়ান্ত মধ্যস্থতার প্রচেষ্টায় সম্মত হয়েছে।”
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, “ফেডারেল বাজেট সংক্রান্ত আসন্ন সিদ্ধান্তের কারণে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হবে।”
১৯-২০ মার্চের ইইউ নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনের আগে বুধবার রাতে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জের বৈঠকের পর এই খবরটি আসে।
১০০ বিলিয়ন ইউরোর এই প্রকল্পে ফ্রান্সের দাসো এভিয়েশন এবং জার্মানি ও স্পেনের প্রতিনিধিত্বকারী এয়ারবাসের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রকাশ্য বিবাদের কারণে স্পেনের সঙ্গে যৌথভাবে একটি অত্যাধুনিক আকাশ যুদ্ধ ব্যবস্থা তৈরির পরিকল্পনাটি এখন অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে।
ইইউ নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনের আগে ব্রাসেলসে দেওয়া এক ভাষণে ম্যাক্রোঁ এই প্রকল্পটিকে “কৌশলগতভাবে সঠিক” বলে উল্লেখ করে বলেন তাঁর সরকার শিল্পগুলোকে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য চাপ দেবে।
তিনি বলেন, “আমরা আগামী সপ্তাহগুলোতে এয়ারবাস এবং দাসোর মধ্যে একটি সমঝোতা মিশন শুরু করার জন্য যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যা অবশ্যই শান্ত ও সম্মানজনকভাবে পরিচালনা করতে হবে যাতে ঐকমত্যের সঠিক পথ খুঁজে পাওয়া যায়।”
বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৪০ সাল থেকে দাসো রাফাল এবং এয়ারবাস-সমর্থিত ইউরোফাইটারের পরিবর্তে ডিজিটালভাবে সংযুক্ত চালকসহ যুদ্ধবিমান এবং যুদ্ধ ড্রোনের একটি বহর আনার কথা রয়েছে। একটি উড়ন্ত প্রদর্শনী যান সম্পর্কিত পরবর্তী পর্যায় নিয়ে নির্মাতাদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।
দাসো প্রকল্পের মূল যুদ্ধবিমান অংশের ওপর, সরবরাহকারী নির্বাচনসহ, আরও সুস্পষ্ট নিয়ন্ত্রণের জন্য চাপ দিচ্ছে, এবং একই সাথে এয়ারবাসকে সেইসব অংশে একই স্বাধীনতা দিচ্ছে যেখানে তারা নামমাত্র এগিয়ে আছে।
এয়ারবাস বলেছে অংশীদারদের মধ্যে সমতার আহ্বান জানানো বিদ্যমান চুক্তিগুলো বজায় রাখা উচিত।







































