
আজ থেকে শুরু।
হ্যাঁ—আজ থেকেই ইউনূসের পতনের ঘড়ি টিকটিক করে নামছে। যে দিন তিনি নিজের আদালত বানিয়ে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ফাঁসির কাহিনি সাজিয়েছিলেন, সেই দিন থেকেই বজ্রপাত নেমেছে তার সিংহাসনে। যেটা দেখার অন্তর্দৃষ্টি তার ছিলোনা, আজও নেই। তাই আজ তার ঠোঁটের মুচকি হাসি কাঁপছে। কারণ হিসাব ভুল করেছেন তিনি। ফাঁসির গল্প বানাতে গিয়ে নিজের গলায়ই দড়ির গিঁট বেঁধে ফেলেছেন।
ঢাকা জ্বলে উঠছে।
সজীব ওয়াজেদ জয়ের একটি বাক্য ঢাকার বাতাসে আগুন ছড়িয়ে দিয়েছে—“দিল্লির বিস্ফোরণের নীলনকশা বাংলাদেশে আঁকা হয়েছে।” এক বাক্যেই কাঁপছে পুরো উপমহাদেশ। যেসব অন্ধকার ছায়ার ওপর ভর করে টিকে আছেন ইউনূস, সেই ছায়ারাই কাল তার চেয়ার থেকে মাটি সরিয়ে দেবে। মহাজন কি সেটা বুঝছেন?
গ্রামীণ ব্যাংকের সামনে আগুন জ্বলছে। এটি কেবল ক্ষোভ নয়, এটি সতর্কসংকেত। জনতা ঘর থেকে রাস্তায় নামছে। “গ্রামীণ বয়কট” আর স্লোগান নয়, এটি চাপ, জনরোষের প্রথম ঢেউ। আর ঢেউ আসছে, আরও শক্তিশালী। পারবেনতো সামলাতে?
বিদেশের নীলনকশা উন্মোচিত।
ভারত তাঁর ফাইল খুলে দিয়েছে। বনানীতে বসে নীলনকশা, দিল্লিতে বিস্ফোরণ। হিজবুত তাহরীর, আনসারুল্লাহ, লস্কর—সব নাম একে একে বেরিয়ে আসছে। দিল্লির কূটনৈতিক করিডর এখন শুধু একটি শব্দ বলছে—বাংলাদেশ। পেহেলগামের ঘটনা, সেভেন সিস্টার্সের নীলনকশা—ভারত কখনো চুপ থাকেনি। এখনো কি থাকবে বলে মনে হচ্ছে? ভারত তার সক্রিয়তাকে সক্রিয় করতে যথেষ্ট প্রমান কি হাতে পায়নি? যা পেয়েছে তা কি যৌক্তিক কারন দেখিয়ে চোখ রাঙ্গানোর জন্য যথেষ্ট নয়! এগুলোই তো ইউনুসিও মেটিকুলাস প্রাকটিসের আউটকাম। জল কতদূর গড়াতে পারে সে দূরদৃষ্টি কি তার আছে। না ছিল?
বন্দুক।
জনপ্রিয়তা নয়।
ইউনূস জানেন—জনগণ নয়, বন্দুকই তাকে ক্ষমতায় বসিয়েছে। যেভাবে খুনি জিয়াকে ক্ষমতায় বসিয়েছিল। জনপ্রিয়তা না থাকলে, বন্দুক ছাড়া উপায় নেই। শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন—জনপ্রিয়তা থাকলে বন্দুক লাগে না। ইউনূস প্রমাণ করছেন—জনপ্রিয়তা না থাকলে বন্দুক ছাড়া ক্ষমতা দখল করা যায় না।
রাস্তায় “মার্চ ফর খেলাফত”।
বিশ্ব তাকিয়ে আছে—এই মিছিল কোন দরজা ভেঙে ঢুকবে, আর কোন দরজা দিয়ে পিঠে ছুরি বসাবে? ইতিহাস দাঁড়িয়ে ঘণ্টা গুনছে। জনতা জেগে আছে। ইউনূসের পতন নিশ্চিত, শুধু সময়ের অপেক্ষা।
পতনের দ্বারপ্রান্তে।
আজ থেকে শুরু কাউন্টডাউন। পতন নেমে আসছে, আরও দ্রুত। বাংলাদেশ অপেক্ষায়। এটি আর স্লোগান নয়, এটি বাস্তব, অবিলম্বে।
জয় বাংলা।
এ্যলবার্ট খান
(নির্মাতা, লেখক, অনলাইন এ্যক্টিভিস্ট)



























































