ড.মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তবর্তিকালীন সরকারের পদত্যাগ এবং সাজানো মামলার মাধ্যমে শেখ হাসিনার বিচার বন্ধের দাবীতে অদ্য ১১ নভেম্বর ২০২৫ লন্ডন সময় সকাল ১১টায় ব্রিটিশ পার্লামেন্ট হাউজ অব কমন্সের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছ বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবি পারিষদ ইউকে।
ব্যারিস্টার মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে অনুষ্টিত প্রতিবাদ সমাবেশে ব্রিটেনে বসবাসরত আইনজীবিরা বলেন আমরা অবৈধ ইউনুস সরকারের পদত্যাগের দাবিতে এখানে সমবেত হয়েছি। আমরা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সহ বিশ্ববাসীকে বাংলাদেশের অবৈধভাবে ক্ষমতা দলখকারী ইউনুসের সরকার কর্তৃক অন্যায় এবং অনিয়মের বিষয়ে বিশ্ববাসী জানাতে এসেছি।
তারা বলেন ড. ইউনুস স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি এবং জঙ্গিগোষ্টীকে সাথে নিয়ে একটি ম্যাটিকুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস মুছে ফেলার চক্রান্ত করছে। সেই সাথে দেশের বিমান বন্দর, সমুদ্র বন্দর সহ করিডোরের নামে বাংলাদেশকে বিদেশীদের হাতে তুলে দেওয়ার পায়তারা করছে।
অবৈধ ইউনুস দেশের সিনিয়র সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবি, রাজনীতিবিদ সহ মুক্তচিন্তার শত শত নাগরিককে কারাবন্দি করেছে। প্রত্যেকের উপর মিথা এবং সাজানো খুনের মামলা দিয়ে তাদের ফাঁসির কাষ্টে ঝুলিয়ে নিজের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে।
অন্যদিকে প্রধান বিচারপতি সহ দেশের শত শত সরকারী কর্মচারীকে চাকুরীচ্যুত করে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে বন্দি করে রেখেছে। অবৈধ ইউনুস বাংলাদেশকে একটি জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিনত করার পায়তারা করছে। আন্তর্জাতিক ভাবে নিষিদ্ধ জঙ্গিসংগঠন হিযবুত তাহরির, আইএস, লস্করী তৈয়বা, জয়সী মোহাম্মদ সহ আন্তর্জাতিক জঙ্গিদের অভয়ারণ্যে পরিনত হয়েছে বাংলাদেশ।
এইসব জঙ্গিরা ইতমধ্যে প্রকাশ্যে ৯শতাধিক মানুষকে হত্যা করেছে। চারশটিরও বেশী মাজার গুড়িয়ে দিয়েছে। যখন এইসব জঙ্গিরা তাদের মিশনে নামে তখন এরা প্রকাশ্যই আইএস-এর পতাকা বহন করে। অন্যদিকে এই জঙ্গিরা ১৪৮৭জন পুলিশকে হত্যা করেছে থানা লুট করেছে চারশত। আমরা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সহ বিশ্ববাসীর কাছে আবেদন করছি আপনারা বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাড়ান। বাংলাদেশকে জঙ্গিমুক্ত করুন সেই ড. ইউনুসের নভেব পুরস্কার বাতিলের আবেদন করছি।
আইনজীবিদের প্রতি একাত্মতা ঘোষনা করে প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নেন আওয়ীলীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী খালেদ মাহমুদ চৌধুরী সহ যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ। সমাবেশ শেষে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকার বরাবরে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। সমাবেশে প্রায় শতাধিক আইনজীবি অংশ নেন।






























































