১০ ওভার একসঙ্গে থেকে দ্বিতীয় উইকেটে ৮২ রানের জুটি হয়েছে তানজিদ–নাজমুলের। ৫ বাউন্ডারিতে ৩৩ বলে ২৭ রান করে নাজমুল আউট হয়ে গেলেও পাঁচ ছক্কা আর সাত বাউন্ডারিতে তানজিদ অপরাজিত ছিলেন ৪২ বলে ৬৭ রান করে। দলের ১০৯ রানে নাজমুল আউট হয়ে গেলে শেষাংশে তানজিদকে সঙ্গ দেন লিটন দাস। দুজন মিলে ঠিক ইফতারের মুহুর্তে জয় নিশ্চিত করে শেষ করে দেন খেলা। যদিও জয়সূচক রানটা এসেছে মোহাম্মদ ওয়াসিমের ওয়াইড বল থেকে।
খেলার শেষটা দিয়ে লেখার শুরু হলো বটে, তবে আসলে খেলার শুরুটাই দিয়েছিল দ্রুত ম্যাচ শেষের বার্তা। শুরু বলতে অবশ্য পাকিস্তান ইনিংসের প্রথম ৯ ওভার নয়। ওই পর্যন্ত কোনো উইকেট হারায়নি শাহীন আফ্রিদির দল, করেছিল ৩৫ রান। নতুন বলে বাংলাদেশের দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান পারেননি পাকিস্তানের ওপেনিং জুটিতে ভাঙন ধরাতে।
কিন্তু দশম ওভারে বোলিংয়ে এসে ইনিংসের ১৮তম ওভার পর্যন্ত আরেক পেসার নাহিদ রানা যে আগুনের গোলা ছুঁড়ে গেলেন মিরপুরের উইকেটে, সেটাই যথেষ্ট হলো পাকিস্তানকে কাঁপিয়ে দিতে।








































