পরমাণুর ক্ষেত্রে ইরান কি এবার চূড়ান্ত সীমা পার করছে?
যদিও ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা বর্তমানের এই ২০২৬ সালেও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কোনো অফিশিয়াল পরিকল্পনার কথা প্রতিনিয়ত অ -স্বীকার করে আসছেন
তবে মাঠের বাস্তবতা বলছে -এই ধরণের একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখন আর কোনো অসম্ভব কল্পনার বিষয় নয়।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের চোখে ইরানকে এখন একটি ‘পরমাণু দোরগোড়ার রাষ্ট্র’ বা নিউক্লিয়ার থ্রেশহোল্ড স্টেট হিসেবে গণ্য করা হয়।
আর এই মূল্যায়নের পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো -ইরানের ভল্টে মজুত থাকা ৬০ শতাংশ উচ্চ মাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বিশাল ভাণ্ডার;
যা সাধারণ বেসামরিক কাজের জন্য প্রয়োজনীয় ৩ থেকে ৫ শতাংশের চেয়ে বহুগুণ বেশি।
সাম্প্রতিক হামলার আগে পর্যন্ত, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (IAEA) হিসাব অনুযায়ী ইরানের কাছে প্রায় ৪৪০.৯ কেজি এই উচ্চ সমৃদ্ধ সামগ্রী মজুত ছিল।
তবে সাম্প্রতিক মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় সেই ভাণ্ডারের ঠিক কতটা ক্ষতি হয়েছে বা কী পরিমাণ লোকসান হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট না।
এই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বাইরেও, ইরান বিগত দুই দশক ধরে গবেষণার মাধ্যমে এক বিশাল ও সমৃদ্ধ পরমাণু বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞ দল গড়ে তুলেছে।
আর এই বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে তারা দেশজুড়ে গড়ে তুলেছে এক বিশাল পরমাণু পরিকাঠামো -যার মধ্যে আছে সর্বাধুনিক সেন্ট্রিফিউজ প্রযুক্তি এবং দেশের অলিতে-গলিতে ছড়িয়ে থাকা হরেক রকমের উৎপাদন কেন্দ্র, যার অনেকগুলোই মাটির নিচে অত্যন্ত গোপনে কাজ করে চলেছে। ইরান বেশ কয়েকটি গবেষণা এবং বিদ্যুৎ চুল্লিও পরিচালনা করছে, যার মধ্যে রুশ সহায়তায় পরিচালিত বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি অন্যতম।
ধারণা করা হয়, তাদের আরও বিপুল পরিমাণ সেন্ট্রিফিউজ মাটির গভীর সুড়ঙ্গে সুরক্ষিত আছে। সাম্প্রতিক সামরিক হামলার পর এই সমস্ত সক্ষমতার ওপর ঠিক কতটা প্রভাব পড়েছে, তা এখনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি;
কারণ ইরানের পরমাণু পরিকাঠামোর এক বিশাল অংশই সাধারণ মানুষের চোখের আড়ালে সম্পূর্ণ গোপনে রাখা হয়েছে।
যুদ্ধবিরতির পর খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই মন্তব্য করেছেন –
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মূলত “মাটির গভীর তলদেশে সমাহিত” রয়েছে, যা ধ্বংস করা বা যার নাগাল পাওয়া যেকোনো শক্তির জন্যই অত্যন্ত কঠিন।
এছাড়াও ইরানের কাছে এক বিশাল দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইলের ভাণ্ডার আছে এবং তারা প্রতিনিয়ত এর পেছনে বিপুল বিনিয়োগ করে চলেছে।
এই ধরণের শক্তিশালী মিসাইলগুলো যেকোনো সময় পরমাণু ওয়ারহেড বহন করার প্রধান বাহন হিসেবে কাজ করতে পারে, যা ভবিষ্যতের যেকোনো সম্ভাব্য পরমাণু প্রতিরোধের সবচেয়ে প্রধান ও ক্রুশিয়াল উপাদান।
আল জাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাত্কারে, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (IAEA) সাবেক প্রধান পরিদর্শক ইউসরি আবু শাদি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর এক তথ্য ফাঁস করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন -হামলা শুরু হওয়ার আগেই ইরান তাদের উচ্চ সমৃদ্ধ পরমাণু সামগ্রীগুলো মাটির গভীরের অত্যন্ত নিরাপদ ও সুরক্ষিত বাঙ্কারে সরিয়ে ফেলেছিল; এবং মাটির নিচের সেই ফোর্টিফাইড বা সুরক্ষিত ঘাঁটিগুলো এই হামলায় মোটেও পুরোপুরি ধ্বংস করা সম্ভব হয়নি।
আবু শাদির মতে, এই হামলায় ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মাত্র এক সামান্য অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে,
আর বাকি বিশাল অংশের আসল অবস্থান এই মুহূর্তে কেবল ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডেরই জানা আছে।
ওদিকে আমেরিকার বিখ্যাত থিংক ট্যাংক কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস (CFR) দাবি করে যে-
ইরানের কাছে এই মুহূর্তে হয়তো তৈরি কোনো পরমাণু বোমা নেই।
তবে তারা এটিও অকপটে স্বীকার করেছে যে -তেহরান ইতিমধ্যে এমন কারিগরি দক্ষতা, পরিকাঠামো এবং বৈজ্ঞানিক ভিত্তি অর্জন করে ফেলেছে, দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্ব সবুজ সংকেত দিলে তারা অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যেই একটি আস্ত পারমাণবিক বোমা বানিয়ে ফেলতে সক্ষম।
ঠিক একই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি (ISIS); তাদের মতে, ইরানের কাছে পরমাণু কর্মসূচিকে রাতারাতি সামরিক রূপ দেওয়ার মতো সমস্ত সক্ষমতা মজুত রয়েছে।
বিশ্লেষক আবু শাদি আরও হিসাব দিয়েছেন – ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ মাত্র ৪২ কেজি ইউরেনিয়ামই একটি প্রাথমিক বা মৌলিক পরমাণু বোমা তৈরির জন্য যথেষ্ট।
সেই হিসাবে, ইরানের কাছে যেহেতু ৪৪০ কেজিরও বেশি এই মাত্রার ইউরেনিয়াম মজুত আছে, তার মানে থিওরিটিক্যালি বা তাত্ত্বিকভাবে তাদের কাছে এই মুহূর্তে প্রায় ১০টি পরমাণু বোমা বানানোর মতো পর্যাপ্ত কাঁচামাল অলরেডি রয়েছে।
তবে আরও নিখুঁত ও বিধ্বংসী পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে হলে সমৃদ্ধকরণের মাত্রাকে অন্তত ৯০ শতাংশের ঘরে নিয়ে যেতে হবে,এটাও ইরানের বর্তমান প্রযুক্তির কাছে স্রেফ সময়ের ব্যাপার মাত্র।
কারণ ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধকরণ সম্পন্ন করার মাধ্যমেই ইরান মূলত এই পুরো প্রক্রিয়ার সবচেয়ে কঠিন ও জটিল ধাপটি ইতিমধ্যেই পার করে ফেলেছে। পরমাণু বিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী –
সমৃদ্ধকরণের মাত্রা যত উপরে উঠতে থাকে, অস্ত্র-গ্রেডের উপাদানে পৌঁছানোর জন্য পরবর্তী খাটনি বা মেহনতের পরিমাণ ততটাই কমে আসে।
উচ্চ সমৃদ্ধ উপাদানের আরেকটি বড় সুবিধা হলো -খুব সামান্য পরিমাণ কাঁচামাল ব্যবহার করেই বিশাল আকৃতির পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটানো সম্ভব হয়।
ফলে ইরানের জন্য এই ৬০ শতাংশ থেকে অস্ত্র-গ্রেডের ৯০ শতাংশ সমৃদ্ধকরণে পৌঁছানোর চূড়ান্ত ধাপটি পার করতে এখন আর মাসের পর মাস সময় লাগবে না, এটি স্রেফ কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানেই সম্ভব।
তবে স্রেফ পরমাণু কাঁচামাল তৈরি করাই এই সমীকরণের একমাত্র অংশ না। মার্কিন ভিত্তিক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (CSIS) উল্লেখ করেছে যে –
একটি পরমাণু বোমাকে সফলভাবে যুদ্ধাস্ত্র বা ওয়ারহেডে রূপ দেওয়া তখনই সম্ভব, যখন সেই বোমার আকার, ওজন এবং কনফিগারেশনকে অত্যন্ত ক্ষুদ্র বা মিনিয়াচারাইজড (Miniaturize) করে একটি মিসাইলের মাথায় ফিট করার উপযোগী করে তোলা যায়।
ইরানের কাছে মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইলের এক বিশাল ও ক্রমবর্ধমান ভাণ্ডার রয়েছে এবং তারা এই মিসাইল প্রযুক্তির পেছনে প্রতিনিয়ত বিপুল অর্থ ঢালছে, যদিও তাদের সেই অগ্রগতির আসল লেভেল এখনও পশ্চিমা গোয়েন্দাদের কাছে পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।
তবে সিএসআইএস-এর মূল্যায়ন হলো -ইরান যদি কোনো উপায়ে তাদের পরমাণু ওয়ারহেডকে আকারে ছোট করতে সফল হয়ে যায়, তবে তাদের এই শক্তিশালী মিসাইল বাহিনীই পুরো অঞ্চলের জন্য এক অপরাজেয় ও মারাত্মক পরমাণু হানা দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করবে।
ঐতিহাসিকভাবে দেখা গেছে -কোনো দেশ যখন আনুষ্ঠানিকভাবে পরমাণু পরাশক্তি হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন তারা উত্তর কোরিয়ার মতো বিশ্বকে কাঁপিয়ে একটি সফল পারমাণবিক পরীক্ষা সম্পন্ন করে নিজেদের পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করে।
যদিও ইরানের মাটিতে এখনও এই ধরণের কোনো পারমাণবিক পরীক্ষা লক্ষ্য করা যায়নি। তবে পারমাণবিক পরীক্ষা না হওয়াটাই কিন্তু কোনো দেশ পরমাণু অস্ত্রহীন -তার চূড়ান্ত বা অকাট্য প্রমাণ না।।
নির্দিষ্ট কিছু নিরাপত্তা ও কৌশলগত পরিস্থিতির কারণে, একটি দেশ কোনো প্রকার জনসমক্ষে পরীক্ষা না চালিয়েও অত্যন্ত গোপনে সম্পূর্ণ পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন করে বসে থাকতে পারে।
আর তাই এই যুদ্ধের ধ্বংসাবশেষের মাঝে দাঁড়িয়ে আজ বিশ্বের সবচেয়ে বড় মিলিয়ন ডলারের প্রশ্নটি হলো:
এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর, ইরান কি অবশেষে একটি পরমাণু-অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হওয়ার সেই চূড়ান্ত রাজনৈতিক সিদ্ধান্তটি পর্দার আড়ালে নিয়ে ফেলেছে?
বছরের পর বছর ধরে চলা পশ্চিমাদের অন্যায় নিষেধাজ্ঞা, ওয়াশিংটনের প্রতি গভীর অবিশ্বাস এবং ইসরায়েলের অবিরাম সামরিক চাপ যেভাবে তেহরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ধাপে ধাপে বাড়াতে বাধ্য করেছিল —
-ঠিক তেমনি এই সাম্প্রতিক যুদ্ধটিও হয়তো ইরানকে ভবিষ্যতের যেকোনো সংঘাত এড়াতে একটি স্থায়ী পরমাণু প্রতিরোধক শক্তি অর্জনের জন্য আগের চেয়ে আরও বেশি জেদি ও সংকল্পবদ্ধ করে তুলবে।
তবে এই মারাত্মক সম্ভাবনাকে বুঝতে হলে, সাম্প্রতিক এই ঘটনাপ্রবাহকে আমাদের আরও বড় আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে রেখে দেখতে হবে।
ইরানের পরমাণু উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে যেকোনো আলোচনা অনিবার্যভাবেই কেবল ইরানের সীমানায় আটকে থাকে না;
এটি জড়িয়ে আছে তার প্রতিবেশী দেশগুলোর নিরাপত্তা এবং সামগ্রিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার ভারসাম্যের সাথে।
আর ঠিক এই কারণেই, ইরানের পরমাণু যাত্রাকে কোনোভাবেই ইসরায়েলের বিশাল পারমাণবিক অস্ত্রাগার থেকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই।
সারা বিশ্ব খুব ভালো করেই জানে যে -ইসরায়েল একটি বিশাল পরমাণু অস্ত্রের ভাণ্ডার নিয়ে বসে আছে, অথচ তাদের এই পরমাণু সক্ষমতাকে আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের কড়া নজরদারি
এবং যেকোনো ধরণের বৈশ্বিক জবাবদিহিতা থেকে সবসময় এক অদ্ভুত চাদরে আড়াল করে রাখা হয়।
অথচ একই সাথে, ইসরায়েল বছরের পর বছর ধরে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করে রেখেছে এবং সিরিয়া ও লেবাননের জমিও গায়ের জোরে দখল করে রেখেছে।
তারা আন্তর্জাতিক আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বারবার তাদের সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতে সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে আসছে;
ইসরায়েল আজ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র অলিখিত পরমাণু-অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে বহাল তবিয়তে রয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন থিংক ট্যাংকের হিসাব অনুযায়ী –
তাদের অস্ত্রাগারে বর্তমানে প্রায় ৮০ থেকে ২০০টি জীবন্ত পারমাণবিক ওয়ারহেড মজুত রয়েছে।
অথচ বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর পরমাণু কর্মসূচিকে যেখানে তিল তিল করে স্ক্রুটিনি বা নজরদারির আওতায় এনে ধ্বংস করার চেষ্টা করা হয় –
সেখানে ইসরায়েল কোনো প্রকার আন্তর্জাতিক তদারকি বা বাধা ছাড়াই প্রতিনিয়ত তাদের পরমাণু সক্ষমতাকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করে চলেছে।
আর এই পক্ষপাতমূলক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে –
ইসরায়েলের এই পরমাণু অস্ত্রাগারই মূলত এই পুরো অঞ্চলের সবচেয়ে বড় কৌশলগত চ্যালেঞ্জ
এবং যার মারাত্মক পরিণতি যেকোনো সময় পুরো মধ্যপ্রাচ্যের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বের বুকেও আছড়ে পড়তে পারে।
আর এই বৈষম্যমূলক ব্যবস্থাপনাই আজ বিশ্বমঞ্চে এক বড় নৈতিক প্রশ্ন তুলেছে: এই অঞ্চলের পরমাণু বিষয়ক সমস্ত বিতর্ক কি কেবল একতরফাভাবে ইরানের ওপরই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত?
সামরিক পরমাণু সক্ষমতার এই মারাত্মক ইস্যুটি এই অঞ্চলের প্রতিটি দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সাথে জড়িত, কোনো একক ইরানের বিষয় নয়।
পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের এই লড়াইয়ে উপসাগরীয় দেশসমূহ, মিশর এবং তুরস্ক -সবারই মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যত পরমাণু শৃঙ্খলা নির্ধারণে এক বড় অংশীদারিত্ব ও স্বার্থ রয়েছে।
সুতরাং, এই অঞ্চলে পরমাণু অস্ত্রের হুমকি দূর করার যেকোনো সৎ ও আন্তরিক প্রচেষ্টা যদি সত্যিই করতে হয় -তবে তার সূচনা হতে হবে সবার আগে ইসরায়েলের বিদ্যমান পরমাণু অস্ত্রাগারকে আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় আনার মাধ্যমে;
এবং তারপরই কেবল সেই দেশের দিকে আঙুল তোলা মানায় -যে দেশ আজও অন্তত এখন পর্যন্ত, কেবল পরমাণু শক্তির দোরগোড়াতেই দাঁড়িয়ে রয়েছে।
জুনায়েদ হারুন, কিং সৌদ বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং ইসলামী চিন্তাধারা ও সভ্যতা বিষয়ে অধ্যয়নরত।
Source:
জুনায়েদ হারুন


























































