ত্রিপোলি-ভিত্তিক জাতীয় ঐক্য সরকার (জিএনইউ) জানিয়েছে, লিবিয়ার উপকূলরক্ষী বাহিনী একটি ক্ষতিগ্রস্ত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ট্যাংকারকে টেনে সরিয়ে নেওয়া শুরু করেছে। বেশ কয়েকটি ভূমধ্যসাগরীয় দেশ সতর্ক করেছিল যে, ট্যাংকারটি কয়েক সপ্তাহ ধরে চালকবিহীন অবস্থায় ভেসে বেড়ানোর পর পরিবেশের জন্য ঝুঁকি তৈরি করেছে।
রাশিয়ার পতাকাবাহী ‘আর্কটিক মেটাগাজ’ নামের ট্যাংকারটি আর্কটিক বন্দর মুরমানস্ক থেকে এলএনজি বহন করছিল। মার্চের শুরু থেকে এটি ভেসে বেড়াচ্ছে, যখন রাশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয় জানায় এটি ইউক্রেনের নৌবাহিনীর ড্রোনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জাহাজটিতে কোনো নাবিক না থাকায়, এটি অবশেষে পশ্চিম লিবিয়ার জুয়ারা বন্দরের উপকূলের কাছাকাছি ভেসে আসে।
ইতালি, ফ্রান্স, স্পেন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের দক্ষিণাঞ্চলের আরও ছয়টি সদস্য দেশ গত সপ্তাহে ইউরোপীয় কমিশনকে চিঠি লিখে সতর্ক করে যে, ট্যাংকারটি “একটি বড় ধরনের পরিবেশগত বিপর্যয়ের আসন্ন ও গুরুতর ঝুঁকি” তৈরি করেছে।
ত্রিপোলি-ভিত্তিক জিএনইউ-এর হাকোমিতনা মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে মঙ্গলবার পোস্ট করা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি ফ্রিগেট মোটা দড়ি দিয়ে ট্যাংকারটিকে পানির মধ্য দিয়ে টেনে নিয়ে যাচ্ছে।
কোস্ট গার্ড ও বন্দর নিরাপত্তার কেন্দ্রীয় সেক্টরের অপারেশন কমান্ডার ওমর মোহাম্মদ ওমর আল-তুওয়াইর ভিডিওটিতে বলেছেন, পরিত্যক্ত ট্যাংকারটিকে জুয়ারার উপকূল থেকে দূরে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
তুওয়াইর বলেন, “আমরা লিবিয়া জুড়ে আমাদের জনগণকে, বিশেষ করে পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলের জনগণকে, এবং বিশেষভাবে জুয়ারা ও সাবরাথাকে আশ্বস্ত করছি যে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি মোকাবেলায় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।”
কর্তৃপক্ষ এখনও ট্যাংকারটির চূড়ান্ত গন্তব্য প্রকাশ করেনি।
রাশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ট্যাংকারটিতে আঘাত হানা ড্রোনগুলো লিবিয়া থেকে ছোড়া হয়েছিল। এই ঘটনা নিয়ে ইউক্রেন বা লিবিয়া কেউই কোনো মন্তব্য করেনি।








































