বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দানকারী দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ করণ এবং বাংলাদেশের মহান জাতীয় সংসদের স্পিকার এবং কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি এসোসিয়েশনের সাবেক চেয়ারপারসন ডঃ শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেফতারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে, ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সামনে প্রতিবাদ বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ।
৯এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার লন্ডন সময় দুপুর ১টা ৩০মিনিটে এই বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়, সমাপ্ত হয় বিকেল ৩টায়। যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সভাপতি জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমানের পরিচালনায় এই প্রতিবাদ সমাবেশে, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্চাসেবক লীগের ৩ থেকে ৪শ নেতাকর্মী সমবেত হয়ে এর প্রতিবাদ জানায়। এসময় প্রতিবাদ বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন শ্রোগান দিতে দেখা যায়।
প্রতিবাদ সমাবেশে আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিষিদ্ধ করণ এবং ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর অপমানজনক গ্রেফতারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তব্য রাখেন সাবেক মন্ত্রী আব্দুর রহমান, সাবেক মন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রী আ.শ.ম. রেজাউল করিম, সিলেট সিটির সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, সাবেক এমপি হাবিবুর রহমান হাবিব, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক নইমুদ্দিন রিয়াজ, ভাইস প্রেসিডেন্ট হরমুজ আলী, শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আ.স. ম মিসবাহ, আহমেদ হাসান, শাহ শামীম আহমদ,প্রমুখ।
বক্তারা বলেন আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধ করেছিল এহিয়া খান, আইয়ব খান পরবর্তিতে স্বাধীরতা বিরোধীরা। ড. ইউসুন ও স্বাধীনতা বিরোধীদের পরিকল্পনাকে সস্থায়ীভাবে বাস্তবায়ন করলেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান তারেক রহমান। এটি আওয়ামীলীগের জন্য নতুন কিছু নয়। গণমানুষের দলকে কেউ নিষিদ্ধ করে এই দেশ থেকে আওয়ামীলীগের রাজনীতেকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়। আওয়ামীলীগ ফিরে আসবেই।
আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা বজায় রাখলো বিএনপি কারণ বহুবিধ। নিম্নে কারণ বর্ণিত হলো: কারণ নাম্বার (১) ভ্রান্তির পতন ,আমরা ইউনূসের পাতানো নির্বাচনের আগেই বলেছিলাম শেখ হাসিনার “No Vote, No Vote” ছিল সঠিক অবস্থান। কারণ নাম্বার (২) দমন মানেই পুনর্জন্ম: আওয়ামী লীগ কি শেষ হয়ে যাবে? না। ইতিহাসে কখনো হয়নি, এবারও হবে না। বরং উল্টোটা হবে। আওয়ামী লীগ মুছে যায় না। সময় নেয়, তারপর ফিরে আসে। এই ১৯ মাসে শুধু লালাবদর তৈরি হয়নি, লাল-কালোর ভেতর থেকে কিছু বেগুনীবদরও বের হয়ে এসেছে। যারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির দিকে আঙুল তোলে, বিভেদ উসকে দেয়, তাদের চিহ্নিত করুন। শেষ কথা: বঙ্গবন্ধুর কন্যার ওপর আস্থা রাখুন।
বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত মেধাবী নম্র ভদ্র নিরহংকারী সজ্জন এবং মার্জিত রাজনীতিবিদ ডক্টর শিরীন শারমিন চৌধুরীর ওপর এই অমানবিক নির্যাতন রাজনীতির জন্য অশনি সংকেত মিথ্যা অসত্য বানোয়াট মামলা দিয়ে রাষ্ট্রের এবং সমাজের গণমান্য ব্যক্তিদের হয়রানি করা সমাজ ও রাজনীতির জন্য ভয়ংকর পরিনতি বয়ে আনবে। তাকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। সমাবেশ শেষে
যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে কমনওয়েলথ অফিসে একটি স্মারক লিপি প্রদান করা হয়।








































