ইউক্রেন ও ইরানের যুদ্ধ এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার জন্য রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ মঙ্গলবার চীনে পৌঁছেছেন।
রুশ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ল্যাভরভকে বেইজিংয়ে পৌঁছাতে দেখা গেছে, যেখানে তিনি চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, “ইউক্রেন সংকট এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিসহ বেশ কিছু ‘গুরুত্বপূর্ণ বিষয়’ ও আঞ্চলিক সমস্যা নিয়ে একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ মতবিনিময় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।”
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ল্যাভরভ এবং ওয়াং জাতিসংঘ, ব্রিকস, সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা, জি-২০ এবং এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন (এপেক)-এর মতো বহুপাক্ষিক ফোরামে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবেন।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে চীন ও রাশিয়া একটি ‘সীমাহীন’ অংশীদারিত্ব ঘোষণা করে, যখন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে হাজার হাজার সৈন্য পাঠানোর কয়েকদিন আগে বেইজিং সফর করেন। পুতিন মাঝে মাঝে চীনকে ‘মিত্র’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
তাদের বার্ষিক হুমকি মূল্যায়নে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আর্কটিক ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থেকে শুরু করে মহাকাশ ও পারমাণবিক অস্ত্র পর্যন্ত সব বিষয়ে চীন ও রাশিয়াকে ওয়াশিংটনের প্রধান প্রতিযোগী হিসেবে চিহ্নিত করে।








































