ক্রেমলিনের তথ্যমতে, শুক্রবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলেছেন যে, গত মাসে রাশিয়ার নির্বাচনের সময় মস্কোতে ড্রোন হামলার মাধ্যমে কিয়েভ ইউক্রেন বিষয়ক ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনা অবিলম্বে পুনরায় শুরুর সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার আগ্রাসনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে শান্তি চুক্তি করার জন্য ট্রাম্প এ পর্যন্ত ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বৃহস্পতিবার বলেছেন যে, ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ একটি বিপজ্জনক অচলাবস্থার মধ্যে রয়েছে এবং এই সংঘাত অবসানে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র কাজ চালিয়ে যাবে।
পুতিন বলেছিলেন যে, গত মাসে রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনের পর মস্কো কিয়েভের সাথে আলোচনা পুনরায় শুরু করতে প্রস্তুত ছিল; কিন্তু ইউক্রেন মস্কো ও ভোটকেন্দ্রগুলোতে হামলা চালিয়ে শান্তি প্রক্রিয়াকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে।
ট্রাম্পের সাথে ফোনালাপের বিষয়ে ক্রেমলিনের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ বলেন, “মূল ভোটগ্রহণের দিন মস্কো, অন্যান্য শহর ও ভোটকেন্দ্রের পাশাপাশি নির্বাচনের আয়োজনের সাথে জড়িত নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর ব্যাপক ড্রোন হামলা চালিয়ে কিয়েভ প্রশাসন কার্যত আলোচনা প্রক্রিয়া অবিলম্বে পুনরায় শুরুর সম্ভাবনাকে ব্যাহত করেছে।”
যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার ত্রিপক্ষীয় আলোচনার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “আর এখন, প্রেসিডেন্ট যেমনটি বলেছেন, আমরা বিবেচনা করব কখন সেই আলোচনা পুনরায় শুরু করা যেতে পারে।”
উশাকভ আরও জানান যে, ফোনালাপে পুতিন ও ট্রাম্প রাশিয়ার জ্বালানি সরবরাহের সম্ভাবনাসহ বড় ধরনের অর্থনৈতিক উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা করেছেন।
শুক্রবার পুতিনের সাথে ফোনালাপের পর ট্রাম্প জানান, আগামী মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জ্বালানির দাম কমানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ববাজারে অবিলম্বে ডিজেল সরবরাহে সম্মত হয়েছে; যদিও বিশ্লেষকদের মতে, সরবরাহের এই পরিমাণ জ্বালানির দাম খুব একটা কমাতে পারবে না।



































































