Saturday, June 6, 2026
  • Login
  • Register
Banglatimes360
  • Home
    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    রাশিয়ার

    রাশিয়ার ড্রোন হামলা, প্রতিরক্ষা জোরদার করছে ন্যাটো

    সাঁথিয়া

    সাঁথিয়া বিএনপির জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী পালন

    ব্রিটিশ বাংলাদেশি সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ব্রিটিশ বাংলাদেশি সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ইরান

    ইরান যুদ্ধে সংঘাত তীব্র, আলোচনা অচল, তেলের দাম বেড়েছে

    সুইডেনে

    সুইডেনে ১৩ বছর বয়সী গ্যাং হত্যাকারীদের জন্য কারাগার প্রস্তুত

  • রাজনীতি
    ট্রাম্পের

    ট্রাম্পের ‘অস্ত্রায়ন’ তহবিল কংগ্রেসে স্থগিত করা হয়েছে

    তোফায়েল

    তোফায়েল আহমেদ, ৬৯ এ অপরিহার্য নেতা ৭ এর পরে গুরত্বহীন

    চীন

    চীন ও মার্কিন সামরিক বাহিনীর হাওয়াইতে বৈঠক

    তাইওয়ানের

    তাইওয়ানের বিরোধীদলীয় নেতা ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে আগ্রহী

    ট্রাম্পের

    ট্রাম্পের অস্ত্রায়ন তহবিল নিয়ে সিনেট রিপাবলিকানরা উভয়সঙ্কটে

    চীনের

    চীনের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি নিয়ে ‘সতর্কতা’ প্রকাশ করেছেন হেগসেথ

    • আইন-আদালত
  • অর্থনীতি
    • All
    • বাণিজ্য
    রানী

    রানী অ্যান্ড্রুকে বাণিজ্য দূত হিসেবে নিয়োগে চাপ দিয়েছিলেন

    শি

    শি ট্রাম্পের সঙ্গে সম্মেলনে বাণিজ্যের অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প ও শি ৩০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের আমদানি শুল্ক কমাবেন

    জ্বালানি

    জ্বালানি ব্যবহার, ভ্রমণ ও আমদানি সীমিত করার আহ্বান মোদির

    মার্কিন

    মার্কিন আদালত রায় দিয়েছে ট্রাম্পের শুল্কক আংশিক অবৈধ

    ইরানের

    ইরানের অর্থনৈতিক পতন ট্রাম্পের জন্য অনেক দেরি হয়ে যাবে

    • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    সাঁথিয়া

    সাঁথিয়া বিএনপির জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী পালন

    ব্রিটিশ বাংলাদেশি সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ব্রিটিশ বাংলাদেশি সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    তোফায়েল

    তোফায়েল আহমেদ, ৬৯ এ অপরিহার্য নেতা ৭ এর পরে গুরত্বহীন

    বাংলাদেশে

    বাংলাদেশে প্রাণঘাতী হাম ভাইরাস পরিকল্পিত শিশু হত্যার দ্বায়ে ইউনুস সরকারের বিচারের দাবি

    পাবনার ফরিদপুর জমিদারবাড়ি

    পাবনার ফরিদপুর জমিদারবাড়ি

  • বিশ্ব
    • All
    • আফ্রিকা
    • ইউরোপ
    • উত্তর- আমেরিকা
    • এশিয়া
    • ওশেনিয়া
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • ফ্লোরিডা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    রাশিয়ার

    রাশিয়ার ড্রোন হামলা, প্রতিরক্ষা জোরদার করছে ন্যাটো

    ব্রিটিশ বাংলাদেশি সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ব্রিটিশ বাংলাদেশি সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ইরান

    ইরান যুদ্ধে সংঘাত তীব্র, আলোচনা অচল, তেলের দাম বেড়েছে

    সুইডেনে

    সুইডেনে ১৩ বছর বয়সী গ্যাং হত্যাকারীদের জন্য কারাগার প্রস্তুত

    স্কুলে

    স্কুলে ফোন নিষিদ্ধ করে পর্নোগ্রাফি সীমিত করবে পোল্যান্ড

    রাশিয়ার

    রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের বড় হামলায় ইউক্রেনে ১১ জন নিহত

    • যুদ্ধ
    • উত্তর- আমেরিকা
      • যুক্তরাষ্ট্র
        • নিউইয়ার্ক
        • ফ্লোরিডা
    • এশিয়া
      • মধ্যপ্রাচ্য
    • ইউরোপ
    • অষ্ট্রেলিয়া
      • নিউজিল্যান্ড
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • আফ্রিকা
  • বিনোদন
    • All
    • সংগীত
    ভার্জিনিয়ার

    ভার্জিনিয়ার ফলস চার্জে ২৭ জুন বাঙ্গালী কমিউনিটির কন্সার্ট

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে এশিয়ান ফুড এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    ফোর্ট

    ফোর্ট ম্যায়ার্সে বাঙ্গালী কমিউনিটির বৈশাখী উৎসব

    বাংলা

    বাংলা নববর্ষ—ঐতিহ্যের আলোয় সম্প্রীতির শক্তি ও নতুন জীবনের অঙ্গীকার

    আশা ভোঁসলে

    আশা ভোঁসলে ভারতীয় গায়িকা ৯২ বছর বয়সে মারা গেলেন

    • সংগীত
  • খেলা
    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    বিশ্বকাপের

    বিশ্বকাপের টিকিটধারীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে জামানত লাগবে না

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ ১১ রানে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল

    ইফতারের আগেই পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারালো বাংলাদেশ

    ইফতারের আগেই পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারালো বাংলাদেশ

  • অনুসন্ধান
    ইরানের

    ইরানের অর্থনৈতিক পতন ট্রাম্পের জন্য অনেক দেরি হয়ে যাবে

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ: সংকটময় রাষ্ট্র, গণতন্ত্রের অবসান

    চীন

    চীন মার্কিন আধিপত্য ভাঙতে পারমাণবিক বাহন বানাচ্ছে

    পূর্ব

    পূর্ব তার পশ্চিম দোভাষীদের দিকে ফিরে তাকাচ্ছে

    চীনের

    চীনের সকল বিষয়ে ট্রাম্পের অবনতির পেছনে ‘স্কুল চার্ট’ গণিত

    অভিবাসী

    অভিবাসী জার্মানির ভাগ্য বদলের প্রতিষেধক নয়

  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    ইবোলা

    ইবোলা টিকা তৈরির জন্য ৬০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ

    চীনের

    চীনের শেনঝৌ-২১ মহাকাশচারী দল পৃথিবীতে ফিরে এসেছে

    ইউরোপের

    ইউরোপের জিপিএস জ্যাম করার প্রমাণ দিতে হবে, রাশিয়া

    চীন

    চীন ২০৩০ সে চাঁদের লক্ষ্য নিয়ে মহাকাশ অভিযানে যাচ্ছে

    মিশরের

    মিশরের গিজার পিরামিড ভূমিকম্প প্রতিরোধ ব্যবস্থা দিয়ে নির্মিত

    মার্কিন

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভ্রাম্যমাণ রকেট পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে

  • আবহাওয়া
    জাপানে

    জাপানে দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছেন

    তুষারপাত

    তুষারপাত ও ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে বহু বাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, ফ্লাইট বাতিল

    হিমশীতল

    হিমশীতল ঠান্ডা ও ভারী তুষারে ঢেকে যাবে আমেরিকা

    মরক্কো

    মরক্কো বৃষ্টিপাতের পর সাত বছরের খরার অবসান ঘোষণা করেছে

    অস্ট্রেলিয়ার

    অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিতে তীব্র তাপপ্রবাহ

    শ্রীলঙ্কার

    শ্রীলঙ্কার প্রাণহানির পর মানুষ ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি ও ট্রমায় ভুগছে

  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি
    • All
    • ভ্রমন

    পাঠ প্রতিক্রিয়া: কালের কঙ্কন

    কেন থামছে না দুর্ঘটনা? দৌলতদিয়ার ট্র্যাজেডি ও আমাদের বাস্তবতা

    বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ

    শিক্ষা

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুনঃভর্তি ফি নিতে পারবে না: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    জাতীয়

    জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে পাবনায় বক্তৃতা ও দেয়াল পত্রিকায় প্রথম সাঁথিয়ার অনিকা ও জেসমিন

    নানিয়ারচর

    নানিয়ারচর জোনের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ

    শারীরিক শিক্ষা

    শারীরিক শিক্ষা: সাধারণ শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য ভিত্তি

No Result
View All Result
  • Home
    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    রাশিয়ার

    রাশিয়ার ড্রোন হামলা, প্রতিরক্ষা জোরদার করছে ন্যাটো

    সাঁথিয়া

    সাঁথিয়া বিএনপির জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী পালন

    ব্রিটিশ বাংলাদেশি সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ব্রিটিশ বাংলাদেশি সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ইরান

    ইরান যুদ্ধে সংঘাত তীব্র, আলোচনা অচল, তেলের দাম বেড়েছে

    সুইডেনে

    সুইডেনে ১৩ বছর বয়সী গ্যাং হত্যাকারীদের জন্য কারাগার প্রস্তুত

  • রাজনীতি
    ট্রাম্পের

    ট্রাম্পের ‘অস্ত্রায়ন’ তহবিল কংগ্রেসে স্থগিত করা হয়েছে

    তোফায়েল

    তোফায়েল আহমেদ, ৬৯ এ অপরিহার্য নেতা ৭ এর পরে গুরত্বহীন

    চীন

    চীন ও মার্কিন সামরিক বাহিনীর হাওয়াইতে বৈঠক

    তাইওয়ানের

    তাইওয়ানের বিরোধীদলীয় নেতা ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে আগ্রহী

    ট্রাম্পের

    ট্রাম্পের অস্ত্রায়ন তহবিল নিয়ে সিনেট রিপাবলিকানরা উভয়সঙ্কটে

    চীনের

    চীনের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি নিয়ে ‘সতর্কতা’ প্রকাশ করেছেন হেগসেথ

    • আইন-আদালত
  • অর্থনীতি
    • All
    • বাণিজ্য
    রানী

    রানী অ্যান্ড্রুকে বাণিজ্য দূত হিসেবে নিয়োগে চাপ দিয়েছিলেন

    শি

    শি ট্রাম্পের সঙ্গে সম্মেলনে বাণিজ্যের অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প ও শি ৩০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের আমদানি শুল্ক কমাবেন

    জ্বালানি

    জ্বালানি ব্যবহার, ভ্রমণ ও আমদানি সীমিত করার আহ্বান মোদির

    মার্কিন

    মার্কিন আদালত রায় দিয়েছে ট্রাম্পের শুল্কক আংশিক অবৈধ

    ইরানের

    ইরানের অর্থনৈতিক পতন ট্রাম্পের জন্য অনেক দেরি হয়ে যাবে

    • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    সাঁথিয়া

    সাঁথিয়া বিএনপির জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী পালন

    ব্রিটিশ বাংলাদেশি সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ব্রিটিশ বাংলাদেশি সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    তোফায়েল

    তোফায়েল আহমেদ, ৬৯ এ অপরিহার্য নেতা ৭ এর পরে গুরত্বহীন

    বাংলাদেশে

    বাংলাদেশে প্রাণঘাতী হাম ভাইরাস পরিকল্পিত শিশু হত্যার দ্বায়ে ইউনুস সরকারের বিচারের দাবি

    পাবনার ফরিদপুর জমিদারবাড়ি

    পাবনার ফরিদপুর জমিদারবাড়ি

  • বিশ্ব
    • All
    • আফ্রিকা
    • ইউরোপ
    • উত্তর- আমেরিকা
    • এশিয়া
    • ওশেনিয়া
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • ফ্লোরিডা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    রাশিয়ার

    রাশিয়ার ড্রোন হামলা, প্রতিরক্ষা জোরদার করছে ন্যাটো

    ব্রিটিশ বাংলাদেশি সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ব্রিটিশ বাংলাদেশি সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ইরান

    ইরান যুদ্ধে সংঘাত তীব্র, আলোচনা অচল, তেলের দাম বেড়েছে

    সুইডেনে

    সুইডেনে ১৩ বছর বয়সী গ্যাং হত্যাকারীদের জন্য কারাগার প্রস্তুত

    স্কুলে

    স্কুলে ফোন নিষিদ্ধ করে পর্নোগ্রাফি সীমিত করবে পোল্যান্ড

    রাশিয়ার

    রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের বড় হামলায় ইউক্রেনে ১১ জন নিহত

    • যুদ্ধ
    • উত্তর- আমেরিকা
      • যুক্তরাষ্ট্র
        • নিউইয়ার্ক
        • ফ্লোরিডা
    • এশিয়া
      • মধ্যপ্রাচ্য
    • ইউরোপ
    • অষ্ট্রেলিয়া
      • নিউজিল্যান্ড
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • আফ্রিকা
  • বিনোদন
    • All
    • সংগীত
    ভার্জিনিয়ার

    ভার্জিনিয়ার ফলস চার্জে ২৭ জুন বাঙ্গালী কমিউনিটির কন্সার্ট

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে এশিয়ান ফুড এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    ফোর্ট

    ফোর্ট ম্যায়ার্সে বাঙ্গালী কমিউনিটির বৈশাখী উৎসব

    বাংলা

    বাংলা নববর্ষ—ঐতিহ্যের আলোয় সম্প্রীতির শক্তি ও নতুন জীবনের অঙ্গীকার

    আশা ভোঁসলে

    আশা ভোঁসলে ভারতীয় গায়িকা ৯২ বছর বয়সে মারা গেলেন

    • সংগীত
  • খেলা
    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    বিশ্বকাপের

    বিশ্বকাপের টিকিটধারীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে জামানত লাগবে না

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ ১১ রানে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল

    ইফতারের আগেই পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারালো বাংলাদেশ

    ইফতারের আগেই পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারালো বাংলাদেশ

  • অনুসন্ধান
    ইরানের

    ইরানের অর্থনৈতিক পতন ট্রাম্পের জন্য অনেক দেরি হয়ে যাবে

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ: সংকটময় রাষ্ট্র, গণতন্ত্রের অবসান

    চীন

    চীন মার্কিন আধিপত্য ভাঙতে পারমাণবিক বাহন বানাচ্ছে

    পূর্ব

    পূর্ব তার পশ্চিম দোভাষীদের দিকে ফিরে তাকাচ্ছে

    চীনের

    চীনের সকল বিষয়ে ট্রাম্পের অবনতির পেছনে ‘স্কুল চার্ট’ গণিত

    অভিবাসী

    অভিবাসী জার্মানির ভাগ্য বদলের প্রতিষেধক নয়

  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    ইবোলা

    ইবোলা টিকা তৈরির জন্য ৬০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ

    চীনের

    চীনের শেনঝৌ-২১ মহাকাশচারী দল পৃথিবীতে ফিরে এসেছে

    ইউরোপের

    ইউরোপের জিপিএস জ্যাম করার প্রমাণ দিতে হবে, রাশিয়া

    চীন

    চীন ২০৩০ সে চাঁদের লক্ষ্য নিয়ে মহাকাশ অভিযানে যাচ্ছে

    মিশরের

    মিশরের গিজার পিরামিড ভূমিকম্প প্রতিরোধ ব্যবস্থা দিয়ে নির্মিত

    মার্কিন

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভ্রাম্যমাণ রকেট পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে

  • আবহাওয়া
    জাপানে

    জাপানে দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছেন

    তুষারপাত

    তুষারপাত ও ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে বহু বাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, ফ্লাইট বাতিল

    হিমশীতল

    হিমশীতল ঠান্ডা ও ভারী তুষারে ঢেকে যাবে আমেরিকা

    মরক্কো

    মরক্কো বৃষ্টিপাতের পর সাত বছরের খরার অবসান ঘোষণা করেছে

    অস্ট্রেলিয়ার

    অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিতে তীব্র তাপপ্রবাহ

    শ্রীলঙ্কার

    শ্রীলঙ্কার প্রাণহানির পর মানুষ ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি ও ট্রমায় ভুগছে

  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি
    • All
    • ভ্রমন

    পাঠ প্রতিক্রিয়া: কালের কঙ্কন

    কেন থামছে না দুর্ঘটনা? দৌলতদিয়ার ট্র্যাজেডি ও আমাদের বাস্তবতা

    বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ

    শিক্ষা

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুনঃভর্তি ফি নিতে পারবে না: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    জাতীয়

    জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে পাবনায় বক্তৃতা ও দেয়াল পত্রিকায় প্রথম সাঁথিয়ার অনিকা ও জেসমিন

    নানিয়ারচর

    নানিয়ারচর জোনের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ

    শারীরিক শিক্ষা

    শারীরিক শিক্ষা: সাধারণ শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য ভিত্তি

No Result
View All Result
Banglatimes360
No Result
View All Result
Home অর্থনীতি

তাকাইচি কীভাবে জাপানকে আবার মহান করে তুলতে পারে

নোয়া স্মিথ

November 2, 2025
250 3
0
তাকাইচি

জাপানের নতুন নেতা সানে তাকাইচি জাপানের পুনরুজ্জীবনের আশা জাগিয়ে তুলছেন। Image: X

Share on FacebookShare on Twitter

জাপানের প্রধানমন্ত্রীরা সাধারণত ধূসর, অপ্রতিরোধ্য স্থানধারক হন যারা খুব বেশি দিন ক্ষমতায় থাকেন না। কিন্তু মাঝে মাঝেই একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতার আগমন ঘটে যিনি বড় বড় কাজ সম্পন্ন করেন এবং কিছু সময়ের জন্য পদে থাকেন – ২০০০-এর দশকে কোইজুমি জুনিচিরো এবং ২০১০-এর দশকে আবে শিনজো হলেন সাম্প্রতিক দুটি উদাহরণ। তাকাইচি তেমন হতে পারেন কিনা দেশ দেখবে।

ক্ষমতায় আসার পর কে তাদের মধ্যে একজন হবেন তা বলা সবসময় সহজ নয় – ২০১২ সালে ফিরে আসার আগে আবে নিজেই ২০০০-এর দশকে একটি সংক্ষিপ্ত, অপ্রতিরোধ্য প্রথম মেয়াদে ক্ষমতায় ছিলেন এবং জাপানকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছিলেন।

অনেক আশা রয়েছে যে তাকাইচি সানে, যিনি সদ্য প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, তিনি রূপান্তরকামীদের একজন হবেন। তিনি আধুনিক জাপানের প্রথম নারী নেতা, যা তার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে পারে, বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে। তিনি একজন কঠোর মনের রক্ষণশীলও, প্রতিরক্ষা এবং চীন সম্পর্কে তার কঠোর দৃষ্টিভঙ্গির জন্য বিখ্যাত।

এবং এমন একটি দলে যেখানে ধূসর নেতারা পটভূমিতে মিশে যান, তিনি একজন রঙিন ব্যক্তিত্ব হিসেবে আলাদাভাবে দাঁড়িয়ে আছেন, তার বাইকার এবং হেভি মেটাল ড্রামার হিসেবে ইতিহাস রয়েছে (আসলে, তিনি এখনও মজা করার জন্য ড্রাম বাজান)।

তাকাইচি
ফো এবং ভিয়া তাকাইচি সানে

তাকাইচির বেশিরভাগ কভারেজ এখন পর্যন্ত তার ব্যক্তিত্ব, সীমান্ত লঙ্ঘন বা ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে তার সম্পর্কের উপর আলোকপাত করেছে। প্রকৃতপক্ষে, তাকাইচি তার প্রথম জাপান সফরে ট্রাম্পকে মুগ্ধ করেছে বলে মনে হচ্ছে:

রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প জাপানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জোটের প্রশংসা করেছেন, দীর্ঘদিনের অংশীদারের সাথে সম্পর্ক পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং টোকিওতে এই জুটির সাক্ষাতের সময় নতুন প্রধানমন্ত্রী সানে তাকাইচির প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধির পরিকল্পনার প্রশংসা করেছেন।

ট্রাম্প বলেন, “আপনার যেকোনো প্রশ্ন, সন্দেহ, আপনার যেকোনো প্রয়োজন, আপনার যেকোনো সাহায্যের প্রয়োজন, জাপানকে সাহায্য করার জন্য আমি যা করতে পারি, আমরা সেখানে থাকব,” ট্রাম্প বলেন। “আমরা সবচেয়ে শক্তিশালী পর্যায়ের মিত্র।”

কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা অবশ্যই একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ, নতুন তাকাইচি প্রশাসনের জন্য জরুরিভাবে আরও অনেক অর্থনৈতিক সমস্যা রয়েছে। দেশটির জীবনযাত্রার মান স্থিতিশীল, কিছু সময় আগে দক্ষিণ কোরিয়ার চেয়ে পিছিয়ে পড়েছে:

তাকাইচি

এবং বাস্তবে, জাপানের জন্য এটি বর্তমানে দ্বিগুণ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি তার অনেক বৃহত্তর প্রতিবেশীর দ্বারা হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে, এমনকি যখন এই অঞ্চলে আমেরিকান শক্তি ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে আসছে। এমনকি যদি জাপান সম্ভাব্য চীনা হুমকির বিরুদ্ধে নিজেকে রক্ষা করার জন্য অস্ত্র তৈরি করতে থাকে, তবুও তাদের এমন একটি অর্থনীতির প্রয়োজন হবে যা সেই পুনর্সজ্জিতকরণকে সমর্থন করতে সক্ষম।

সৌভাগ্যবশত, জাপান বর্তমানে একটি ঠিকঠাক সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে রয়েছে। দেশের সবচেয়ে কঠিন সমস্যা, সরকারি ঋণ, আসলে জিডিপির শতাংশ হিসাবে হ্রাস পাচ্ছে, যার কিছুটা কারণ উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং কিছুটা কর্পোরেট মুনাফা এবং কর রাজস্ব বৃদ্ধি:

তাকাইচি
Source: CEIC Data

কয়েক দশক ধরে জাপানকে বিপর্যস্ত করে রাখা মুদ্রাস্ফীতির সমস্যা অবশেষে পরাজিত হয়েছে। এবং একই সাথে, জাপানে বেকারত্বের হার খুবই কম রয়েছে:

তাকাইচি

এর অর্থ হলো তাকাইচি এবং তার মন্ত্রিসভাকে আবে-এর মতো সামষ্টিক অর্থনীতিতে এত বেশি শক্তি এবং মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আর্থিক বা আর্থিক উদ্দীপনার আর কোনও প্রয়োজন নেই। পরিবর্তে, তাকাইচি উৎপাদনশীলতা এবং প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির জন্য জাপানের অন্তর্নিহিত অর্থনৈতিক মডেল উন্নত করার উপর মনোনিবেশ করতে স্বাধীন।

তাই আমার মনে হয় তাকাইচি মন্ত্রিসভা ক্ষমতায় থাকাকালীন কিছু বিষয় মোকাবেলা করার চেষ্টা করা উচিত।

১. জাপান, ইনকর্পোরেটেডকে আবার বিনিয়োগ করতে দিন

ধনী দেশগুলির তুলনায় জাপানের অর্থনীতিতে বিনিয়োগের মাত্রা আসলে বেশ শক্তিশালী। কিন্তু পূর্ব এশিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায়, জাপান আসলে তার জিডিপির অনেক কম মূলধন গঠনে বিনিয়োগ করে:

তাকাইচি
Source: World Bank

চীন সম্ভবত বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বিনিয়োগ করছে, কিন্তু কোরিয়াকে এমন ভাবার কোনও কারণ নেই; বারবার, স্যামসাংয়ের মতো কোরিয়ান কোম্পানিগুলি পরবর্তী প্রজন্মের কারখানা প্রযুক্তিতে আরও বেশি অর্থ বিনিয়োগ করে তাদের জাপানি প্রতিদ্বন্দ্বীদের ছাড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। যখন আপনি একটি উৎপাদন-নিবিড় অর্থনীতি হন, যেমন জাপান এখনও আছে, তখন প্রতিযোগিতা করার জন্য আপনাকে বিনিয়োগের মাত্রা উচ্চ রাখতে হবে।

একটি দেশ কীভাবে বিনিয়োগ বাড়ায়? আপনি মূলত মূলধনের চাহিদা এবং মূলধন সরবরাহ বাড়ানোর চেষ্টা করতে পারেন। মূলধনের চাহিদা হল কোম্পানিগুলি কতটা বিনিয়োগ করতে চায়; মূলধন সরবরাহ হল ব্যাংকগুলি কতটা ঋণ দিতে চায়।

মূলধনের চাহিদা নিয়ে জাপানের প্রধান সমস্যা হল জনসংখ্যা হ্রাস। যদি প্রতি বছর ভোক্তা বাজার ছোট হতে থাকে, তবে এটি কোম্পানিগুলির দেশে বিনিয়োগের জন্য একটি বাধা, কারণ এর অর্থ ভবিষ্যতে গ্রাহকদের সংখ্যা কম হবে।

পরিমাণগত অর্থে অভিবাসন কেবল কিছুটা সাহায্য করতে পারে, তাই মূলধনের চাহিদা বাড়ানোর জন্য জাপানকে আসল জিনিসটি হল আরও রপ্তানি-ভিত্তিক অর্থনীতিতে পরিণত করা। যদি জাপান এমন একটি উৎপাদন কেন্দ্র হয় যেখান থেকে বিদেশীরা যে জিনিসপত্র কিনে তা উৎপাদন করে, তাহলে কোম্পানিগুলির সেখানে বিনিয়োগ করার এটাই কারণ।

অন্যান্য উন্নত মাঝারি আকারের অর্থনীতির তুলনায়, জাপান খুব কম রপ্তানি করে, যদিও দুর্বল ইয়েনের সাথে সাম্প্রতিক উত্থান ঘটেছে:

তাকাইচি
Source: World Bank

জাপান সরকারের সাম্প্রতিক অগ্রগতির উপর ভিত্তি করে আরও এগিয়ে যাওয়া উচিত এবং তার কোম্পানিগুলিকে আরও রপ্তানি করতে উৎসাহিত করা উচিত – কেবল অনিচ্ছুক আমেরিকাতেই নয়, বরং ইউরোপ, ভারত, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, ল্যাটিন আমেরিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যেও। আমি পরে জাপানি রপ্তানি প্রচারণা সম্পর্কে আরও লিখব, তবে আমি নিশ্চিত যে METI এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের লোকেরা এখানে কিছু ভাল ধারণা ভাবতে পারেন।

মূলধন সরবরাহের ক্ষেত্রে, এর অর্থ আসলে অর্থায়ন ব্যবস্থা। বর্তমানে, বড় জাপানি কোম্পানিগুলি নগদের বিশাল স্তূপের উপর বসে থাকে এবং তাদের বিনিয়োগের প্রয়োজনে এটি ব্যবহার করে, তাই ব্যাংকগুলিকে এই কোম্পানিগুলিকে আরও ঋণ দেওয়ার জন্য প্ররোচিত করা খুব বেশি কিছু অর্জন করবে না। পরিবর্তে, ব্যাংকগুলিকে তাদের কার্যক্রম বৃদ্ধির জন্য ছোট, ক্রমবর্ধমান কোম্পানিগুলিকে আরও ঋণ দিতে হবে।

জাপানের প্রাথমিক পর্যায়ের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম, যার মধ্যে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফাইন্যান্সিং অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, বেশ শক্তিশালী। কিন্তু যে মুহূর্তে একটি জাপানি কোম্পানি প্রাথমিক পর্যায় অতিক্রম করে, সে মুহূর্তেই তারা সমস্যায় পড়ে, কারণ মাঝারি আকারের কোম্পানি থেকে বড় কোম্পানিতে উন্নীত হওয়ার জন্য নগদ অর্থ সংগ্রহ করা খুব কঠিন। জাপানের মতো উৎপাদন-নিবিড় অর্থনীতিতে হার্ডওয়্যার স্টার্টআপগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ – এটি একটি “মৃত্যুর উপত্যকা”।

হার্ডওয়্যার কোম্পানিগুলির (এবং AI কোম্পানিগুলির) ব্যবসা বৃদ্ধির জন্য ব্যাংক ঋণের প্রয়োজন। ইকুইটি ফাইন্যান্সিং খুব ব্যয়বহুল এবং বন্ড বাজারগুলি অস্থির; ব্যাংক ঋণ ধৈর্যশীল দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়ন প্রদান করে। সরকার জাপানের উন্নয়ন ব্যাংক, জাপান ফাইন্যান্স কর্পোরেশন, জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন ইত্যাদির মতো “পলিসি ব্যাংক” ব্যবহার করেও স্কেলে তার আঙুল রাখতে পারে।


APEC-এ বিশ্বব্যাপী AI সংস্থার জন্য চীনের শি জোর দিচ্ছেন


এটা বোধগম্য যে ১৯৮০-এর দশকের চলমান বছরগুলি একটি বিশাল দুর্ঘটনায় শেষ হওয়ার পর এবং এক দশক ধরে জম্বি ঋণ দেওয়ার ফলে দুর্বল কোম্পানিগুলি টিকে থাকার পর জাপানি ব্যাংকগুলি সতর্ক এবং রক্ষণশীল হয়ে উঠেছে। এবং আরও বেশি জম্বিদের ব্যর্থ হতে দেওয়া অবশ্যই আর্থিক এবং মানব সম্পদকে আরও উৎপাদনশীল ব্যবহারের জন্য মুক্ত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

কিন্তু ছোট কোম্পানিগুলিকে দ্রুত স্কেলে সহায়তা করা দুর্বল পুরনো কোম্পানিগুলিকে এগিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার খারাপ পুরানো অভ্যাস থেকে অনেক আলাদা। যদি জাপান প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে, তবে এর বেশিরভাগই ব্যাংক-অর্থায়ন করতে হবে এবং এর জন্য ব্যাংকগুলিকে ঝুঁকির জন্য আরও বেশি ক্ষুধা থাকতে হবে।

২. গ্রিনফিল্ড এফডিআই বৃদ্ধি করুন

জাপানে বিনিয়োগ বৃদ্ধির চূড়ান্ত উপায় হল গ্রিনফিল্ড এফডিআই বৃদ্ধি করা। আমার বই “ওয়েব ইকোনমি” এই বিষয়ে। জাপানিরা “এফডিআই” কে “বিদেশীরা জাপানি বাজারে বিক্রি করার জন্য জাপানি কোম্পানি কিনছে” ভাবতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। এই ধরণের লেনদেন কার্যকর হতে পারে, তবে সাধারণভাবে সন্দেহজনক মূল্যের, তাই জাপান দীর্ঘদিন ধরে এটি প্রতিরোধ করে আসছে।

কিন্তু দ্বিতীয় ধরণের এফডিআই আছে – বিদেশীরা জাপানকে উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করার জন্য জাপানে কারখানা, গবেষণা কেন্দ্র এবং অফিস নির্মাণ করে – এটি স্পষ্টতই ইতিবাচক। এটিকে “গ্রিনফিল্ড এফডিআই” বলা হয়, কারণ এটি মূলত একটি গ্রিনফিল্ডে নতুন কিছু তৈরি করার মতো।

গ্রিনফিল্ড এফডিআই বেশ জাদুকরী। প্রথমত, এটি স্থানীয় কর্মীদের চাহিদা বাড়ায়, মজুরি বাড়ায়। এর ফলে প্রায়শই আরও রপ্তানি (“প্ল্যাটফর্ম এফডিআই”) হয়, কারণ বহুজাতিক কোম্পানিগুলি বহুজাতিক বিক্রয় করে।

গ্রিনফিল্ড বিনিয়োগ জাপানকে উচ্চ-দক্ষ অভিবাসীদের আকর্ষণ করতেও সাহায্য করবে যাদের আকর্ষণ করতে এটি কঠিন ছিল, কারণ বিদেশী কোম্পানিগুলি স্থানীয়দের সাহায্য এবং শিক্ষা দেওয়ার জন্য বিদেশ থেকে কিছু প্রকৌশলী এবং ব্যবস্থাপক নিয়োগ করবে। এবং সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, গ্রিনফিল্ড এফডিআই বিদেশ থেকে প্রযুক্তি স্থানান্তরকে উৎসাহিত করে, যা একটি দেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে পূর্ণাঙ্গ করে তোলে।

জাপানে ঐতিহ্যগতভাবে খুব কম গ্রিনফিল্ড এফডিআই ছিল। সরবরাহ শৃঙ্খল যখন অনেক কম বিশ্বায়নের সম্মুখীন হয়েছিল এবং আন্তর্জাতিকভাবে মূলধন অনেক কম ছিল তখন এর অর্থনীতি দ্রুত গতিতে এগিয়ে গিয়েছিল, তাই গ্রিনফিল্ড বিনিয়োগকে আকৃষ্ট করার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক প্রবৃত্তি কখনও তৈরি করেনি। কিন্তু সাম্প্রতিক দশকগুলিতে, পোল্যান্ড এবং মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলি প্রায় সম্পূর্ণরূপে এফডিআই আকর্ষণের মাধ্যমে উন্নত দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে। এখানে বৈপরীত্য স্পষ্ট:

তাকাইচি

আমি বলছি না যে জাপানের পোল্যান্ড বা মালয়েশিয়ার মতো FDI-প্রথম অর্থনীতি হওয়া উচিত। জাপানে ইতিমধ্যেই অনেক শক্তিশালী, ভালো দেশীয় ব্র্যান্ড রয়েছে। কিন্তু গ্রিনফিল্ড FDI-এর সাথে যোগাযোগ করলে জাপানি অর্থনীতিতে একটি “অনুপস্থিত অংশ” যোগ হবে – যা দেশীয় ব্র্যান্ডের বিদ্যমান স্তরের উপরে বিনিয়োগ, শ্রম চাহিদা, প্রযুক্তি এবং রপ্তানির আরেকটি উৎস।

জাপানের জন্য এখন আরও গ্রিনফিল্ড FDI-এর জন্য বড় ধাক্কা দেওয়ার উপযুক্ত সময়। জাপানের তুলনামূলকভাবে দক্ষ ভূমি ব্যবহারের অনুমতি, ভাল অবকাঠামো এবং সেমিকন্ডাক্টর ইঞ্জিনিয়ারদের সস্তা ভিত্তি বিনিয়োগের জন্য একটি শক্তিশালী প্রণোদনা প্রদান করে। দুর্বল ইয়েন চিরকাল স্থায়ী হবে না, তবে এটি এখন একটি বিপর্যয়।

জাপানের আকর্ষণীয় সংস্কৃতি এবং শহরগুলির অর্থ হল সারা বিশ্বের বিদেশীরা – বিশেষ করে তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের – যদি তাদের জন্য ভাল চাকরি পাওয়া যায় তবে তারা সেখানে থাকতে এবং কাজ করতে চাইবে। এবং চীনকে ঘিরে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং ঝুঁকির অর্থ হল অনেক কোম্পানি সেই দেশ থেকে তাদের কার্যক্রম বৈচিত্র্যময় করতে চাইছে; জাপান একটি প্রাকৃতিক বিকল্প প্রদান করতে পারে।

আসলে, এখানে উৎসাহব্যঞ্জক লক্ষণ রয়েছে। বিশ্বের প্রভাবশালী চিপ তৈরির কোম্পানি টিএসএমসি জাপানের কুমামোটো প্রিফেকচারে কারখানা তৈরি করেছে এবং আরও কারখানা তৈরি করছে। স্যামসাংও একই পথ অনুসরণ করছে। তাই তাকাইচির মন্ত্রিসভাকে এই মুহূর্তকে কাজে লাগানোর জন্য জাপানকে গ্রিনফিল্ড এফডিআই-এর গন্তব্য হিসেবে প্রচারের জন্য ব্যাপক প্রচেষ্টা চালাতে হবে।

৩. কর্পোরেট জাপানের রূপান্তর অব্যাহত রাখুন

১৯৯০ সাল থেকে জাপানের কর্পোরেট সংস্কৃতি ধীর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কারণ হিসেবে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। ঐতিহ্যবাহী জাপানি কর্পোরেশনগুলিতে আজীবন কর্মসংস্থান ব্যবস্থা ছিল যা বয়স্ক পরিচালকদের পদোন্নতি দিয়েছিল যারা প্রযুক্তি, বিশ্বায়ন এবং ব্যবসায়িক মডেলের পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে অক্ষম ছিল, একই সাথে প্রযুক্তিকে কোম্পানির মধ্যে আটকে রেখেছিল এবং এটিকে সঞ্চালিত হতে বাধা দিয়েছিল।

জাপানি হোয়াইট-কলার ব্যবস্থাপনা দ্রুত কাজ সম্পন্ন করা বা ব্যক্তিগত উদ্যোগের পরিবর্তে দীর্ঘ কর্মঘণ্টা উৎসাহিত করার উপর মনোনিবেশ করেছিল, যার ফলে সময় নষ্ট হয় এবং নারীদের ব্যবস্থাপনা থেকে দূরে রাখা হয়। এবং শেয়ারহোল্ডারদের পরিবর্তে পরিচালকদের দ্বারা কর্পোরেট বোর্ডের উপর আধিপত্য লাভের উদ্দেশ্যকে দুর্বল করে দিয়েছে।

আবে এবং তার উত্তরসূরীদের অধীনে, জাপান সরকার এই ব্যবস্থাকে রূপান্তরিত করার জন্য কাজ করেছে, অনেক সাফল্যের সাথে। জাপানি কোম্পানিগুলির লাভজনকতা ব্যাপকভাবে উন্নত হয়েছে, যার ফলে কর্পোরেট কর রাজস্ব বৃদ্ধি পেয়েছে:

তাকাইচি
Source: GMO

ইতিমধ্যে, মধ্য-ক্যারিয়ার নিয়োগের বৃদ্ধির কারণে জাপানের শ্রমবাজার আরও নমনীয় হয়ে উঠছে:

রিক্রুট ওয়ার্কস ইনস্টিটিউট কর্তৃক পরিচালিত একটি জরিপ অনুসারে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত মধ্য-ক্যারিয়ার কর্মী নিয়োগকারী বা নিয়োগের প্রক্রিয়াধীন জাপানি কোম্পানিগুলির অংশ ছিল ৭৯.৫%। এটি ১০ বছর আগের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি, যখন এই সংখ্যাটি ছিল ৫৯.৯%, যা ইঙ্গিত দেয় যে গত দশকে মধ্য-ক্যারিয়ার নিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি সাধারণ হয়ে উঠেছে।

এর আংশিক কারণ হল ইচ্ছাকৃত সরকারি নীতি, এবং আংশিকভাবে নতুন স্নাতকদের অভাব।

এদিকে, আরও জাপানি কোম্পানিগুলি নমনীয় সময়ের কাজের ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। এটি স্বাভাবিকভাবেই আরও ফলাফল-ভিত্তিক অফিস সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করবে, কারণ কেবলমাত্র দীর্ঘ সময় ধরে ডেস্কে কাজ করার পরিবর্তে যাচাইযোগ্য ফলাফল তৈরি করার প্রণোদনা হবে।

এই পরিবর্তনগুলি – সরকারি নীতির সাথে – জাপানি কোম্পানিগুলিতে ব্যবস্থাপনায় আরও বেশি নারীকে উৎসাহিত করতে সহায়তা করছে। বিশ্বব্যাপী ব্যবস্থাপনায় নারীর অংশগ্রহণ নিম্ন স্তরে, কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এই হার ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে:

তাকাইচি
Source: Nippon.com

অগ্রগতি হচ্ছে, কিন্তু এখনও অনেক কিছু করার আছে। সরকারের উচিত কোম্পানিগুলিকে মধ্য-ক্যারিয়ার নিয়োগ, আরও বেশি নারীকে পদোন্নতি এবং কর্মীদের তাদের কাজের কিছু অংশ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া।

এছাড়াও, সরকারের উচিত কোম্পানিগুলিকে জ্যেষ্ঠতা-ভিত্তিক পদোন্নতি কমাতে চাপ দেওয়া। জাপানের মতো বয়স্ক দেশে, উচ্চ ব্যবস্থাপনার পদে বয়স্ক ব্যক্তিদের ভিড় জমে যাওয়ার একটি স্বাভাবিক প্রবণতা রয়েছে, কারণ সেখানে বয়স্কদের সংখ্যা বেশি – এবং কম তরুণ – পদোন্নতির জন্য লড়াই করে।

কিন্তু নতুন প্রযুক্তি, ব্যবসায়িক মডেল এবং বাজারকে পুঁজি করে নেওয়ার জন্য কোম্পানিগুলিকে প্রায়শই তরুণ ব্যবস্থাপক এবং নির্বাহীদের প্রয়োজন হয়। সরকারকে জ্যেষ্ঠতার চেয়ে উদ্যোগ, কর্মক্ষমতা এবং সম্ভাবনার ভিত্তিতে আরও পরিচালক এবং নির্বাহীদের পদোন্নতি দেওয়ার জন্য কোম্পানিগুলিকে উৎসাহিত করে বার্ধক্যের জোয়ারের বিরুদ্ধে লড়াই করা উচিত।

পরিশেষে, যদিও লাভজনকতা গুরুত্বপূর্ণ, সরকারের খেয়াল রাখা উচিত যে এটি জাপানি কোম্পানিগুলিকে একটি পক্ষাঘাতগ্রস্ত স্বল্পমেয়াদীতার দিকে ঠেলে না দেয়। ফোকাস হওয়া উচিত বহু-বছরের লাভজনকতার উপর, ত্রৈমাসিক আয়ের উপর নয়।

৪. একটি উন্নত প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলা

তাকাইচি প্রতিরক্ষা বিষয়ে একজন সুপরিচিত বাজপাখি। তার অত্যন্ত উচ্চ জনপ্রিয়তা ইঙ্গিত দেয় যে জাপানি জনগণ চীনের প্রচণ্ড হুমকির মুখে অস্ত্র সজ্জিত হওয়ার প্রয়োজনীয়তা বোঝে এবং সামরিক বাহিনীর প্রতি তাদের দীর্ঘদিনের অবিশ্বাসকে দূরে রাখতে প্রস্তুত।

জাপানকে অস্ত্র সজ্জিত করার জন্য বড় অর্থনৈতিক পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে। বর্তমানে, মিতসুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজের মতো মুষ্টিমেয় কয়েকটি বড় কোম্পানি দ্বারা অত্যধিক প্রতিরক্ষা উৎপাদন করা হচ্ছে। এটি আমেরিকার মতো, যেখানে কয়েকটি “প্রধান” ঠিকাদারের হাতে প্রতিরক্ষা ক্রয়ের কেন্দ্রীকরণ উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমেরিকার অনেক মানুষ প্রতিরক্ষা ক্রয় কীভাবে ঠিক করা যায় তা নিয়ে ভাবছেন এবং জাপানের নেতাদের এই ধারণাগুলি থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত।

কিন্তু পুনর্নির্মাণ জাপানকে দেশের গবেষণা ও উন্নয়ন ক্ষমতা এবং প্রযুক্তির সামগ্রিক স্তর বৃদ্ধির জন্য একটি সুবর্ণ সুযোগও দেয়। ঐতিহ্যগতভাবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার গবেষণা ব্যয়ের একটি খুব বড় শতাংশ প্রতিরক্ষা বিভাগের মাধ্যমে করে আসছে:

তাকাইচি
Source: Noah Smith

মোরেত্তি, স্টেইনওয়েন্ডার এবং ভ্যান রিনেনের (২০১৯) গবেষণা দেখায় এই প্রতিরক্ষা গবেষণা বেসরকারি খাতের গবেষণাকে ফাঁকি দেয় না; এটি আসলে এটিকে ফাঁকি দেয়।

[আমরা] “ভিড় জমানোর” প্রমাণ খুঁজে বের করি, “ভিড় জমানোর” পরিবর্তে, কারণ কোনও শিল্প বা কোনও সংস্থার জন্য সরকারী অর্থায়নে গবেষণা ও উন্নয়ন বৃদ্ধির ফলে সেই শিল্প বা ফার্মে বেসরকারি খাতের গবেষণা ও উন্নয়ন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। গড়ে, সরকারী অর্থায়নে গবেষণা ও উন্নয়নে ১০% বৃদ্ধি বেসরকারি খাতের গবেষণা ও উন্নয়নে ৫% থেকে ৬% অতিরিক্ত বৃদ্ধি ঘটায়… অবশেষে, আমরা দেখতে পাই যে প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন বৃদ্ধির ফলে বেসরকারি গবেষণা ও উন্নয়ন বৃদ্ধির ফলে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়।

অনেক গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার এবং উদ্ভাবন – ইন্টারনেট, জিপিএস, ইত্যাদি – মার্কিন প্রতিরক্ষা গবেষণা থেকে বিখ্যাতভাবে বেরিয়ে এসেছে, যা আমেরিকাকে সেই প্রযুক্তির বাণিজ্যিকীকরণে অগ্রসর হতে সাহায্য করেছে। ছোট, ক্রমবর্ধমান উদ্ভাবনের একটি দল কম ঘোষণা করা হয়, তবে গুরুত্বপূর্ণও।

ছোট দেশ হিসেবে, যারা চীনের মোট উৎপাদন ক্ষমতার সাথে তুলনা করতে পারে না, তাদের অনেক বৃহৎ প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ বজায় রাখার জন্য জাপানকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির উপর নির্ভর করতে হবে। তাদের আরও ভালো ড্রোন, উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উন্নত হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ইত্যাদির প্রয়োজন হবে। এই সবকিছুর জন্য প্রতিরক্ষা গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু একই সাথে, প্রতিরক্ষা গবেষণা ছড়িয়ে পড়বে এবং বেসামরিক অর্থনীতিকে চাঙ্গা করবে।

৫. বিদ্যুতের দাম কমিয়ে আনুন

জাপানের শিল্প বিদ্যুতের দাম ইউরোপের তুলনায় কম, তবে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের তুলনায় বেশি। বিশেষ করে, দক্ষিণ কোরিয়া বা চীনের চেয়ে বেশি:

তাকাইচি
Source: GlobalPetrolPrices.com

জাপানে জীবাশ্ম জ্বালানি সরবরাহ খুবই কম, এবং আমদানির ক্ষেত্রে এটি সর্বদা একটি কৌতুকপূর্ণ বিশ্ব বাজারের আকাঙ্ক্ষায় থাকবে। যুদ্ধের ক্ষেত্রে চীনের নৌবাহিনীর দ্বারা এলএনজি, কয়লা এবং তেল আমদানিও সর্বদা বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে থাকবে। তাই জাপানের উচিত যতটা সম্ভব দেশে উৎপাদিত শক্তির উৎসের উপর মনোযোগ দেওয়া – সৌর এবং পারমাণবিক। বর্তমানে, জাপান এগুলির খুব বেশি ব্যবহার করে না, তাই এগুলি বৃদ্ধির জন্য প্রচুর জায়গা রয়েছে:

সূত্র: EIA
চৌদ্দ বছর আগে ফুকুশিমা বিপর্যয়ের পর জাপান তার পারমাণবিক চুল্লি পুনরায় চালু করতে ধীর গতিতে ছিল। বিদ্যমান ৩৩টি চুল্লির প্রায় অর্ধেকই আবার চালু হয়েছে বা শীঘ্রই চালু হবে, জটিল অনুমোদন প্রক্রিয়ার জন্য ধন্যবাদ:

সূত্র: EIA
সমস্ত চুল্লি পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা একটি অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। জাপানে পারমাণবিক বিদ্যুৎ একটি সংবেদনশীল সাংস্কৃতিক বিষয় হতে পারে, কিন্তু ৩৩টি চুল্লির মধ্যে ১৭টি পুনঃসূচনা করার জন্য জনগণ ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টিকে শাস্তি না দেওয়া থেকে বোঝা যায় যে ফুকুশিমার প্রতি প্রতিক্রিয়া ম্লান হয়ে আসছে এবং বাকিগুলো পুনঃসূচনা করা রাজনৈতিকভাবে নিরাপদ।

জমির অভাবের কারণে জাপানে সৌরশক্তি তৈরি করা কঠিন – পুরো দেশটি ক্যালিফোর্নিয়ার প্রায় সমান আয়তনের এবং এখানে তিনগুণেরও বেশি লোক বাস করে। সরকার সৌরশক্তি স্থাপন ত্বরান্বিত করার চেষ্টা করছে, যার মধ্যে কৃষিক্ষেত্র এবং ভবনের উপরে প্যানেলের মতো উদ্ভাবনী সমাধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এগুলো ভালো প্রচেষ্টা, এবং অব্যাহত থাকা উচিত।

সৌরশক্তির ব্যাটারির প্রয়োজন যাতে বিরতিহীন হয়। লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি উৎপাদনে জাপান একসময় বিশ্বনেতা ছিল, কিন্তু চীন বাজার দখল করে নিয়েছে। চীনের বিরল-পৃথিবী সরবরাহ শৃঙ্খল থেকে জাপানকে মুক্ত করার অব্যাহত প্রচেষ্টা, সেইসাথে ব্যাটারির ব্যবহার এবং উৎপাদন প্রচারের জন্য শিল্প নীতিগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

৬. আরও সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের প্রশিক্ষণ দিন

জাপানের সফটওয়্যার শিল্প অবিশ্বাস্যভাবে দুর্বল। এর ফলে জাপান ব্যয়বহুল সফটওয়্যার আমদানির উপর নির্ভর করতে বাধ্য হচ্ছে, যার ফলে বিশাল “ডিজিটাল ঘাটতি” তৈরি হচ্ছে:

জাপান ডিজিটাল পরিষেবা বাণিজ্য ঘাটতির মধ্যে জর্জরিত, ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে এর পরিমাণ ৩.৪৮ ট্রিলিয়ন ইয়েন (২৩.৬ বিলিয়ন ডলার) পৌঁছেছে, যা বিদেশী প্রযুক্তি জায়ান্টদের উপর দেশটির নির্ভরতা প্রতিফলিত করে… ডিজিটাল ভারসাম্য পরিষেবা অ্যাকাউন্টের মধ্যে তিনটি বিভাগ নিয়ে গঠিত: টেলিযোগাযোগ, কম্পিউটার এবং তথ্য পরিষেবা, যেমন ক্লাউড পরিষেবা; বিশেষায়িত এবং ব্যবস্থাপনা পরামর্শ পরিষেবা, যার মধ্যে অনলাইন বিজ্ঞাপন অন্তর্ভুক্ত; এবং ভিডিও এবং সঙ্গীত স্ট্রিমিংয়ের মতো সামগ্রীর জন্য রয়্যালটি এবং লাইসেন্স ফি… জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ডিজিটাল ঘাটতি… রেকর্ডে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছিল। এটি ২০১৫ সালের তুলনায় ২.৬ গুণ বেশি ছিল।

সফটওয়্যারে জাপানের দুর্বলতা তার উৎপাদনকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে, কারণ উৎপাদন প্রক্রিয়া আরও ডিজিটালাইজড হয়ে উঠছে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কারখানার মেঝেতে বিপ্লব ঘটানোর প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।

জাপান কেন সফটওয়্যারে এত খারাপ? সম্ভবত এর কারণ হলো, ভালো সফটওয়্যার তৈরিতে তাদের একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার অভাব রয়েছে: প্রশিক্ষিত সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। জাপানে, সফটওয়্যার ঐতিহ্যগতভাবে খুব একটা মর্যাদাপূর্ণ ক্যারিয়ারের পথ নয়; বুদ্ধিমান তরুণরা হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখায়, যার ফলে সফটওয়্যার প্রতিভার অভাবে পড়ে। বিভিন্ন নিয়মকানুনও সমস্যাযুক্ত এবং এগুলো ঠিক করা প্রয়োজন, তবে এগুলো সম্ভবত অপ্রতুল প্রতিভার ঘাটতির কারণে গৌণ।

সৌভাগ্যবশত, AI-এর জন্য ধন্যবাদ, এটি আরও কাটিয়ে ওঠার মতো সমস্যা হতে পারে। AI দুর্বল সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, এমনকি মাঝারি মানের পারফর্মারদেরও কার্যকরী কোড তৈরি করতে সাহায্য করে। এটি প্রশিক্ষণের ব্যবধান পূরণ করা সহজ করে তুলতে পারে।

AI অনুবাদেও সাহায্য করবে, ইংরেজিতে প্রচুর বিদেশী কোড নথিভুক্ত করার সমস্যা সমাধান করবে। জাপানি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের AI দিয়ে স্থানীয়ভাবে কোডিং শেখানোর ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেওয়া উচিত।

কিন্তু AI থাকা সত্ত্বেও, জাপানকে কোডিংকে আরও মর্যাদাপূর্ণ পেশা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করতে হবে। একটি সমাধান হতে পারে সরকারি মন্ত্রণালয়গুলিকে সফ্টওয়্যারে প্রশিক্ষিত আরও লোক নিয়োগ করা। আরেকটি ধারণা হল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে কাজে লাগানো এবং জাপানি সেনাবাহিনীকে অভিজাত এআই এবং ক্রিপ্টোগ্রাফি ইউনিট স্থাপন করা।

এই বিশাল চাকরি তৈরি করলে প্রতিভাবান জাপানি তরুণরা সফটওয়্যার অধ্যয়নে আগ্রহী হবে যাতে তারা চাকরিতে যোগ দিতে পারে; যারা যথেষ্ট দক্ষ হতে পারে না, অথবা যারা সেই কাজগুলি করে এবং পরে চাকরি ছেড়ে দেয়, তারা একটি উন্নত সফ্টওয়্যার শিল্পের উত্থানে ইন্ধন জোগাবে।

যাই হোক, জাপানের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিগত শক্তি পুনরুদ্ধারের জন্য তাকাইচি মন্ত্রিসভার ছয়টি মৌলিক ধারণার স্কেচ। এগুলি জাপানের সমস্ত সমস্যার সমাধান করবে না – কম উর্বরতা, বাণিজ্য উত্তেজনা এবং সম্পদের ঘাটতি এখনও বিশাল সমস্যা হবে। তবে এগুলি একটি শুরু।

নোট:

১ জাপানি সমাজে সেনাবাহিনীর ভূমিকা হল দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিভাজন – এটিকে আমেরিকার সমস্ত সাংস্কৃতিক যুদ্ধের মধ্যে পরিণত হওয়ার মতো মনে করুন। এটি ১৯৩০-এর দশকের একটি উত্তরাধিকার, যখন সামরিক বাহিনী জাপানের সমাজ দখল করে, গণতন্ত্র এবং বহুত্ববাদকে ধ্বংস করে, একটি দুঃস্বপ্নের দমনমূলক রাষ্ট্র বাস্তবায়ন করে এবং দেশকে একটি বোকা যুদ্ধে নিমজ্জিত করে যা এটিকে ধ্বংস করে দেয়। কিন্তু, অবশ্যই, সামরিক বাহিনীও একটি বাস্তবসম্মত বিষয়।

Source: এশিয়া টাইমস
Share196Tweet123
Plugin Install : Subscribe Push Notification need OneSignal plugin to be installed.
BT

BT

Related Posts

রোমানিয়ার
ইউরোপ

রোমানিয়ার বন্দরে ইউক্রেনের ড্রোন বিস্ফোরিত

June 6, 2026

শুক্রবার রোমানিয়ার কৃষ্ণ সাগর উপকূলবর্তী কনস্টান্টা বন্দরের একটি তেল টার্মিনালের...

Read moreDetails
কৃষ্ণগহ্বর

কৃষ্ণগহ্বর থেকে আসা বাতাস অবশেষে আবিষ্কৃত হলো

June 5, 2026

সাঁথিয়ার ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড

June 5, 2026

5100 s cleveland ave suite 202 Ft Myers fl33907.

Phone- 239.666.1120.

mail-banglatimes360@gmail.com

সম্পাদক – বখতিয়ার রহমান

প্রকাশক – শাওন ফারহানা

নির্বাহী সম্পাদক – ফরিদ সুমন

  • ৪০ তম ফ্লোরিডা ফোবানার কমিটি সদস্যদের সমাবেশ

    ৪০ তম ফ্লোরিডা ফোবানার কমিটি সদস্যদের সমাবেশ

    526 shares
    Share 210 Tweet 132
  • ফ্লোরিডা ফোবানার কমিটির প্রস্তুতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে

    511 shares
    Share 204 Tweet 128

Copyright © 2021-2026. Banglatimes360

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password? Sign Up

Create New Account!

Fill the forms below to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
No Result
View All Result
  • Home
  • রাজনীতি
    • আইন-আদালত
  • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
    • যুদ্ধ
    • উত্তর- আমেরিকা
      • যুক্তরাষ্ট্র
    • এশিয়া
      • মধ্যপ্রাচ্য
    • ইউরোপ
    • অষ্ট্রেলিয়া
      • নিউজিল্যান্ড
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • আফ্রিকা
  • বিনোদন
    • সংগীত
  • খেলা
  • অনুসন্ধান
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • আবহাওয়া
  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি

Copyright © 2021-2026. Banglatimes360