পিঠা খেতে শীত, গল্প শুনতে রীত— সঙ্গে যদি থাকে গীত, থাকে কী আর হিতাহিত! সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশন অব সেন্ট্রাল ফ্লোরিডার আয়োজিত পিঠা উৎসবের শেষাংশে সবার আনন্দিত নৃত্য দেখে এই কথায় মনে হচ্ছিলো বারবার।
অভিবাসী জীবনের শত ব্যস্ততার মধ্যেও এমন আয়োজনগুলো আমাদের নিয়ে যায় মায়ের উঠোনে। স্বজনহীন দেশে বহুস্বজনের সন্ধ্যাতে। দেখি; ভাপা পিঠার গরম ভাপে, নান্দনিক স্মৃতি জাগে। পাঁকন পিঠার ঐতিহ্য এখনও বুকে অনন্য। পুলি পিঠার রুপে প্রবাস দিনের দুঃখ যেন টুটে! পাটিসাপটার স্বাদে অভিবাসী মন স্মৃতির গল্প রাঁধে। চিতই পিঠার আসর সাজায় গল্পের বাসর।
এমন পিঠা উৎসব যেন জানিয়ে দিয়ে যায়— খাবার দাবারেও আমাদের বৈচিত্র্যের শেষ নাই। এই উৎসবে ছিলো পিঠা প্রতিযোগিতায়। যেন তার আড়ালে এটা শুধু প্রতিযোগিতা নয়, মিলনের পালা। দূর দেশে স্বদেশীরা বারবার ফিরে পাওয়া প্রাণ, বাঙালির ঐতিহ্য, আনন্দের স্থান।
BAFOCF আয়োজিত পিঠা উৎসবের রাতে আনন্দধারা সাংস্কৃতিক সংগঠন অংশ নিয়েছিলো গানের গগন নিয়ে। এসেছেন, গেয়েছেন এবং অডিটোরিয়াম মাতিয়েছিলেন আমন্ত্রিত শিল্পীরা। এতো গুলো মানুষ! সবার জন্য রেঁধেছেন, খাইয়েছেন, আয়োজকেরা। পিঠা বানিয়েছেন, খাইয়েছেন পিঠা উৎসবে অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগীরা।
এতো ওয়েল অর্গানাইজড একটা পোগ্রাম! আমি সেখানে উপস্থাপনা করেছিলাম। আর বেশি কথা না বলি— বাকি কথা ছবিই বলুক!!








































