Friday, June 12, 2026
  • Login
  • Register
Banglatimes360
  • Home
    পোপ

    পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

    এল নিনো

    এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

    খার্গ দ্বীপ

    খার্গ দ্বীপ দখল করা মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত হানবে’

    আদ-দ্বীন

    আদ-দ্বীন হাসপাতাল, নবজাতক মৃত্যুর জন্য লাইসেন্স বাতিল

    বাজেটে

    বাজেটে দাম বাড়া কমার লিষ্টে আছে যেসব পণ্য

  • রাজনীতি
    পোপ

    পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

    খার্গ দ্বীপ

    খার্গ দ্বীপ দখল করা মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত হানবে’

    কংগ্রেসে

    কংগ্রেসে আইসিই ও বর্ডার পেট্রোল অর্থায়নের বিল পাস

    ইরান

    ইরান জর্ডান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা করেছে

    শি

    শি কিমের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্যে পৌঁছেছেন

    • আইন-আদালত
  • অর্থনীতি
    • All
    • বাণিজ্য
    বাজেটে

    বাজেটে দাম বাড়া কমার লিষ্টে আছে যেসব পণ্য

    করমুক্ত

    করমুক্ত আয় পৌনে ৪ লাখ টাকা, সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে

    ব্রাজিলের

    ব্রাজিলের কাঁধে ট্রাম্পের রাজনৈতিক শুল্ক

    এফএও

    এফএও জানিয়েছে মে মাসে বিশ্বজুড়ে খাদ্যের দাম কমেছে

    রানী

    রানী অ্যান্ড্রুকে বাণিজ্য দূত হিসেবে নিয়োগে চাপ দিয়েছিলেন

    শি

    শি ট্রাম্পের সঙ্গে সম্মেলনে বাণিজ্যের অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন

    • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
    আদ-দ্বীন

    আদ-দ্বীন হাসপাতাল, নবজাতক মৃত্যুর জন্য লাইসেন্স বাতিল

    বাজেটে

    বাজেটে দাম বাড়া কমার লিষ্টে আছে যেসব পণ্য

    করমুক্ত

    করমুক্ত আয় পৌনে ৪ লাখ টাকা, সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে

    অবৈধ

    অবৈধ টাকা বৈধ করার সুযোগ, প্রশ্ন করা যাবে না আয় নিয়ে

    মাথায়

    মাথায় ইট ছুঁড়ে মোটরসাইকেল ছিনতাই

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

  • বিশ্ব
    • All
    • আফ্রিকা
    • ইউরোপ
    • উত্তর- আমেরিকা
    • এশিয়া
    • ওশেনিয়া
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • ফ্লোরিডা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    পোপ

    পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

    এল নিনো

    এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

    খার্গ দ্বীপ

    খার্গ দ্বীপ দখল করা মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত হানবে’

    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

    • যুদ্ধ
    • উত্তর- আমেরিকা
      • যুক্তরাষ্ট্র
        • নিউইয়ার্ক
        • ফ্লোরিডা
    • এশিয়া
      • মধ্যপ্রাচ্য
    • ইউরোপ
    • অষ্ট্রেলিয়া
      • নিউজিল্যান্ড
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • আফ্রিকা
  • বিনোদন
    • All
    • সংগীত
    ভার্জিনিয়ার

    ভার্জিনিয়ার ফলস চার্জে ২৭ জুন বাঙ্গালী কমিউনিটির কন্সার্ট

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে এশিয়ান ফুড এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    ফোর্ট

    ফোর্ট ম্যায়ার্সে বাঙ্গালী কমিউনিটির বৈশাখী উৎসব

    বাংলা

    বাংলা নববর্ষ—ঐতিহ্যের আলোয় সম্প্রীতির শক্তি ও নতুন জীবনের অঙ্গীকার

    আশা ভোঁসলে

    আশা ভোঁসলে ভারতীয় গায়িকা ৯২ বছর বয়সে মারা গেলেন

    • সংগীত
  • খেলা
    মেক্সিকোর

    মেক্সিকোর বিশ্বকাপ আয়োজক মন্টেরের রূপান্তর

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    বিশ্বকাপের

    বিশ্বকাপের টিকিটধারীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে জামানত লাগবে না

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ ১১ রানে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল

  • অনুসন্ধান
    ইরানের

    ইরানের অর্থনৈতিক পতন ট্রাম্পের জন্য অনেক দেরি হয়ে যাবে

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ: সংকটময় রাষ্ট্র, গণতন্ত্রের অবসান

    চীন

    চীন মার্কিন আধিপত্য ভাঙতে পারমাণবিক বাহন বানাচ্ছে

    পূর্ব

    পূর্ব তার পশ্চিম দোভাষীদের দিকে ফিরে তাকাচ্ছে

    চীনের

    চীনের সকল বিষয়ে ট্রাম্পের অবনতির পেছনে ‘স্কুল চার্ট’ গণিত

    অভিবাসী

    অভিবাসী জার্মানির ভাগ্য বদলের প্রতিষেধক নয়

  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    শটওয়েল

    শটওয়েল, মাস্কের স্পেসএক্স উচ্চাভিলাষ বাস্তবায়নকারী

    মহাকাশ

    মহাকাশ স্টেশনের নভোচারী সরিয়ে নেওয়ার সতর্কতা প্রত্যাহার

    কৃষ্ণগহ্বর

    কৃষ্ণগহ্বর থেকে আসা বাতাস অবশেষে আবিষ্কৃত হলো

    বিশেষজ্ঞরা

    বিশেষজ্ঞরা ফড়িং জাতীয় নতুন প্রজাতি আবিষ্কার করেছেন

    শি

    শি জিনপিং-এর চিন্তা এগিয়ে নিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বাজি

  • আবহাওয়া
    এল নিনো

    এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

    ফিলিপাইনের

    ফিলিপাইনের ভূমিকম্পে ৩২ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে

    জাপানে

    জাপানে দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছেন

    তুষারপাত

    তুষারপাত ও ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে বহু বাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, ফ্লাইট বাতিল

    হিমশীতল

    হিমশীতল ঠান্ডা ও ভারী তুষারে ঢেকে যাবে আমেরিকা

    মরক্কো

    মরক্কো বৃষ্টিপাতের পর সাত বছরের খরার অবসান ঘোষণা করেছে

  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি
    • All
    • ভ্রমন

    পাঠ প্রতিক্রিয়া: কালের কঙ্কন

    কেন থামছে না দুর্ঘটনা? দৌলতদিয়ার ট্র্যাজেডি ও আমাদের বাস্তবতা

    বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ

    শিক্ষা

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুনঃভর্তি ফি নিতে পারবে না: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    জাতীয়

    জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে পাবনায় বক্তৃতা ও দেয়াল পত্রিকায় প্রথম সাঁথিয়ার অনিকা ও জেসমিন

    নানিয়ারচর

    নানিয়ারচর জোনের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ

    শারীরিক শিক্ষা

    শারীরিক শিক্ষা: সাধারণ শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য ভিত্তি

No Result
View All Result
  • Home
    পোপ

    পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

    এল নিনো

    এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

    খার্গ দ্বীপ

    খার্গ দ্বীপ দখল করা মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত হানবে’

    আদ-দ্বীন

    আদ-দ্বীন হাসপাতাল, নবজাতক মৃত্যুর জন্য লাইসেন্স বাতিল

    বাজেটে

    বাজেটে দাম বাড়া কমার লিষ্টে আছে যেসব পণ্য

  • রাজনীতি
    পোপ

    পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

    খার্গ দ্বীপ

    খার্গ দ্বীপ দখল করা মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত হানবে’

    কংগ্রেসে

    কংগ্রেসে আইসিই ও বর্ডার পেট্রোল অর্থায়নের বিল পাস

    ইরান

    ইরান জর্ডান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা করেছে

    শি

    শি কিমের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্যে পৌঁছেছেন

    • আইন-আদালত
  • অর্থনীতি
    • All
    • বাণিজ্য
    বাজেটে

    বাজেটে দাম বাড়া কমার লিষ্টে আছে যেসব পণ্য

    করমুক্ত

    করমুক্ত আয় পৌনে ৪ লাখ টাকা, সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে

    ব্রাজিলের

    ব্রাজিলের কাঁধে ট্রাম্পের রাজনৈতিক শুল্ক

    এফএও

    এফএও জানিয়েছে মে মাসে বিশ্বজুড়ে খাদ্যের দাম কমেছে

    রানী

    রানী অ্যান্ড্রুকে বাণিজ্য দূত হিসেবে নিয়োগে চাপ দিয়েছিলেন

    শি

    শি ট্রাম্পের সঙ্গে সম্মেলনে বাণিজ্যের অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন

    • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
    আদ-দ্বীন

    আদ-দ্বীন হাসপাতাল, নবজাতক মৃত্যুর জন্য লাইসেন্স বাতিল

    বাজেটে

    বাজেটে দাম বাড়া কমার লিষ্টে আছে যেসব পণ্য

    করমুক্ত

    করমুক্ত আয় পৌনে ৪ লাখ টাকা, সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে

    অবৈধ

    অবৈধ টাকা বৈধ করার সুযোগ, প্রশ্ন করা যাবে না আয় নিয়ে

    মাথায়

    মাথায় ইট ছুঁড়ে মোটরসাইকেল ছিনতাই

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

  • বিশ্ব
    • All
    • আফ্রিকা
    • ইউরোপ
    • উত্তর- আমেরিকা
    • এশিয়া
    • ওশেনিয়া
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • ফ্লোরিডা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    পোপ

    পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

    এল নিনো

    এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

    খার্গ দ্বীপ

    খার্গ দ্বীপ দখল করা মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত হানবে’

    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

    • যুদ্ধ
    • উত্তর- আমেরিকা
      • যুক্তরাষ্ট্র
        • নিউইয়ার্ক
        • ফ্লোরিডা
    • এশিয়া
      • মধ্যপ্রাচ্য
    • ইউরোপ
    • অষ্ট্রেলিয়া
      • নিউজিল্যান্ড
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • আফ্রিকা
  • বিনোদন
    • All
    • সংগীত
    ভার্জিনিয়ার

    ভার্জিনিয়ার ফলস চার্জে ২৭ জুন বাঙ্গালী কমিউনিটির কন্সার্ট

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে এশিয়ান ফুড এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    ফোর্ট

    ফোর্ট ম্যায়ার্সে বাঙ্গালী কমিউনিটির বৈশাখী উৎসব

    বাংলা

    বাংলা নববর্ষ—ঐতিহ্যের আলোয় সম্প্রীতির শক্তি ও নতুন জীবনের অঙ্গীকার

    আশা ভোঁসলে

    আশা ভোঁসলে ভারতীয় গায়িকা ৯২ বছর বয়সে মারা গেলেন

    • সংগীত
  • খেলা
    মেক্সিকোর

    মেক্সিকোর বিশ্বকাপ আয়োজক মন্টেরের রূপান্তর

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    বিশ্বকাপের

    বিশ্বকাপের টিকিটধারীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে জামানত লাগবে না

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ ১১ রানে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল

  • অনুসন্ধান
    ইরানের

    ইরানের অর্থনৈতিক পতন ট্রাম্পের জন্য অনেক দেরি হয়ে যাবে

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ: সংকটময় রাষ্ট্র, গণতন্ত্রের অবসান

    চীন

    চীন মার্কিন আধিপত্য ভাঙতে পারমাণবিক বাহন বানাচ্ছে

    পূর্ব

    পূর্ব তার পশ্চিম দোভাষীদের দিকে ফিরে তাকাচ্ছে

    চীনের

    চীনের সকল বিষয়ে ট্রাম্পের অবনতির পেছনে ‘স্কুল চার্ট’ গণিত

    অভিবাসী

    অভিবাসী জার্মানির ভাগ্য বদলের প্রতিষেধক নয়

  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    শটওয়েল

    শটওয়েল, মাস্কের স্পেসএক্স উচ্চাভিলাষ বাস্তবায়নকারী

    মহাকাশ

    মহাকাশ স্টেশনের নভোচারী সরিয়ে নেওয়ার সতর্কতা প্রত্যাহার

    কৃষ্ণগহ্বর

    কৃষ্ণগহ্বর থেকে আসা বাতাস অবশেষে আবিষ্কৃত হলো

    বিশেষজ্ঞরা

    বিশেষজ্ঞরা ফড়িং জাতীয় নতুন প্রজাতি আবিষ্কার করেছেন

    শি

    শি জিনপিং-এর চিন্তা এগিয়ে নিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বাজি

  • আবহাওয়া
    এল নিনো

    এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

    ফিলিপাইনের

    ফিলিপাইনের ভূমিকম্পে ৩২ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে

    জাপানে

    জাপানে দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছেন

    তুষারপাত

    তুষারপাত ও ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে বহু বাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, ফ্লাইট বাতিল

    হিমশীতল

    হিমশীতল ঠান্ডা ও ভারী তুষারে ঢেকে যাবে আমেরিকা

    মরক্কো

    মরক্কো বৃষ্টিপাতের পর সাত বছরের খরার অবসান ঘোষণা করেছে

  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি
    • All
    • ভ্রমন

    পাঠ প্রতিক্রিয়া: কালের কঙ্কন

    কেন থামছে না দুর্ঘটনা? দৌলতদিয়ার ট্র্যাজেডি ও আমাদের বাস্তবতা

    বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ

    শিক্ষা

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুনঃভর্তি ফি নিতে পারবে না: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    জাতীয়

    জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে পাবনায় বক্তৃতা ও দেয়াল পত্রিকায় প্রথম সাঁথিয়ার অনিকা ও জেসমিন

    নানিয়ারচর

    নানিয়ারচর জোনের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ

    শারীরিক শিক্ষা

    শারীরিক শিক্ষা: সাধারণ শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য ভিত্তি

No Result
View All Result
Banglatimes360
No Result
View All Result
Home অর্থনীতি

চীন তার অবস্থেনের পাহাড় থেকে ছিটকে পড়তে পারে?

নোয়া স্মিথ

October 11, 2025
250 3
A A
0
চীন

শি জিনপিংয়ের হাত ধরেই চীনা শতাব্দীর সূচনা হচ্ছে। Image: X Screengrab

Share on FacebookShare on Twitter

কয়েক বছর আগেও মনে হচ্ছিল আমেরিকা এবং চীন বিশ্বব্যাপী আধিপত্য এবং প্রাধান্য নিয়ে লড়াই করতে পারে। কিন্তু এখন আমেরিকার নিজস্ব আচরণের কারণে এটির সম্ভাবনা কম।

ট্রাম্প ২.০-এর অধীনে, চীনের বাজারের আকার এবং উৎপাদন দক্ষতার সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য প্রয়োজনীয় অনেক গুরুত্বপূর্ণ মিত্রকে আমেরিকা বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে, যার ফলে আমেরিকা তার চারগুণ আকারের একটি দেশের বিরুদ্ধে একা দাঁড়িয়ে আছে।

শুল্ক আমেরিকার ইতিমধ্যেই স্থবির উৎপাদন খাতকে বাধাগ্রস্ত করেছে। ট্রাম্পের শপথ গ্রহণের মাত্র কয়েক মাস পরে, চীনের উত্থানকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে একটি গণতান্ত্রিক বিশ্বের ধারণা এখন কিছুটা অবাস্তব বলে মনে হচ্ছে। ইতিমধ্যে, চীন বাণিজ্য আলোচনায় ট্রাম্পকে হুমকি এবং পরাভূত করে চলেছে।

এর ফলে মূলত চীনকে ডিফল্টভাবে বিশ্বের প্রধান শক্তি হিসেবে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য ফলাফল হল এটি একটি “চীনা শতাব্দী” হবে – যদিও এটি “আমেরিকান শতাব্দী” এর মতো দেখাবে না, কারণ চীন তার ক্ষমতা এবং প্রভাবকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে খুব আলাদাভাবে ব্যবহার করবে।

অন্যদিকে, কিছুই নিশ্চিত নয়। উদীয়মান শক্তিগুলি তাদের সূর্যের আলোয় তাদের মুহূর্ত নষ্ট করেছে এবং অতীতে তাদের নিজস্ব উত্থানকে সংক্ষিপ্ত করেছে। প্রকৃতপক্ষে, এটি এমন একটি অস্বাভাবিক ফলাফল নয়। বিংশ শতাব্দীর শুরুতে, চারটি উদীয়মান শক্তি ছিল – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, জাপান এবং রাশিয়া।

এই চারটির মধ্যে, কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই যুক্তিসঙ্গতভাবে তার পূর্ণ সম্ভাবনা উপলব্ধি করেছিল। জার্মানি এবং জাপান তাদের পরাজিত করতে পারেনি এমন বিরোধীদের জোটের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল, যখন রাশিয়া একের পর এক অকার্যকর রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল যতক্ষণ না এটি ধীরে ধীরে নিজেকে ভেঙে ফেলে।


চীনের সাথে ইইউর সম্পর্ক ৫০ বছর, মধ্যবয়সী শিশুদের সংকট?


তাই এটা সম্ভব যে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের সাথে তুলনা না করেও, চীন পরবর্তী তিন দশক বা তারও বেশি সময় ধরে নিজেরাই হোঁচট খাবে। এটি অবশ্যই চীনের ক্রমবর্ধমান শঙ্কিত প্রতিবেশীদের জন্য স্বস্তির কারণ হবে এবং এটি সিসিপির সমালোচকদের প্রচুর আনন্দের সুযোগ দেবে। আমি মনে করি না এটি সম্ভবত, তবে চীন তার সবচেয়ে উত্সাহী সমর্থকদের হতাশ করতে পারে এমন কারণগুলি সম্পর্কে চিন্তা করা মূল্যবান।

জনসংখ্যাতাত্ত্বিক
সাধারণভাবে, চীনের জনসংখ্যাতাত্ত্বিক পরিস্থিতিই তার বিরোধীদের সবচেয়ে বেশি হুমকি বলে মনে হচ্ছে। আমি মাঝে মাঝে “জনসংখ্যা সংকটের কারণে চীন অর্থনৈতিক আঘাতের মুখোমুখি”, অথবা “চীনের জনসংখ্যাতাত্ত্বিক কি তার বৈদেশিক নীতিকে সীমাবদ্ধ করবে?” এর মতো শিরোনাম দেখি? কেউ কেউ এমনকি মনে করেন চীনের দ্রুত বয়স্কতা এবং সংকুচিত জনসংখ্যা এটিকে একটি কাগজের বাঘে পরিণত করেছে:

একদিকে, এর কিছু একটা আছে। প্রায় সব দেশই বড় জনসংখ্যাগত সমস্যার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু চীনের ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে চ্যালেঞ্জিং হবে। এর মোট প্রজনন হার ১.০-এ নেমে এসেছে – বিশ্বের সর্বনিম্ন দেশগুলির মধ্যে একটি এবং জাপান, ইউরোপ বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও কম।

চীন

এর মানে হল, চীনের জনসংখ্যা প্রতি প্রজন্মের মধ্যে অর্ধেক হয়ে যাবে — অথবা আরও খারাপ হবে, যদি উর্বরতা হ্রাস পেতে থাকে। জনসংখ্যা হ্রাস একটি বড় অর্থনৈতিক সমস্যা, কারণ এটি A) তরুণ কর্মক্ষম মানুষকে আরও বেশি সংখ্যক অবসরপ্রাপ্তদের সহায়তা করতে বাধ্য করে, B) সম্ভবত উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি হ্রাস করে, এবং C) দেশীয় বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করে।

আমি মনে করি না যে রোবটও সমস্যার সমাধান করবে, যেমনটি চীনের বুস্টাররা প্রায়শই যুক্তি দেন। যদি শ্রম এবং মূলধন উল্লেখযোগ্য পরিপূরকতা বজায় রাখে, তাহলে চীনের রোবটের পাশাপাশি কাজ করার জন্য মানুষের প্রয়োজন হবে, ঠিক যেমনটি অন্য সকলের মতো।

এবং যদি রোবট মানুষের স্থান নেয়, তবে একটি দেশ হিসেবে চীনের প্রধান সুবিধা — এর বিশাল শিক্ষিত জনসংখ্যা — যাই হোক না কেন জানালার বাইরে চলে যায়। তাই আমি মনে করি দীর্ঘমেয়াদে জনসংখ্যার বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করা উচিত। তবে, এই সমস্যাটি তীব্র হতে আরও কিছু সময় লাগবে।

যেহেতু চীনে এত বিশাল বেবি বুম প্রজন্ম ছিল, সেই বৃহৎ প্রজন্মের দ্বিতীয় “প্রতিধ্বনি” — যা এখন প্রায় 7 থেকে 22 বছর বয়সী — আগামী বছরগুলিতে চীনা কর্মীবাহিনীর বৃদ্ধিকে সমর্থন করবে। প্রকৃতপক্ষে, চীনের কর্মক্ষম জনসংখ্যা গত বছর এই শিশুর স্ফীতির কারণে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে যে এটি আরও দুই বছর বৃদ্ধি পাবে এবং তা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে:

 

চীন

শুধুমাত্র ২০৪০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে চীনের নির্ভরশীলতার অনুপাত আমেরিকার তুলনায় বেশি বৃদ্ধি পাবে:

চীন

স্বল্পমেয়াদে, চীনের গড় বয়স কিছুটা বাড়ছে, তবে শিক্ষার হার বৃদ্ধি এবং বয়স্কদের দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করার মাধ্যমে এটি আরও বেশি ক্ষতিপূরণ পাবে। অন্য কথায়, আমার মনে হয় না যে জনসংখ্যার কারণে চীনের সূর্যের আলোয় সময় নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি, যদিও তারা এখন থেকে কয়েক দশক পরেও এটিকে কমিয়ে আনতে পারে।

সামষ্টিক অর্থনীতি
চীনের আরেকটি বড় সমস্যা যার কথা সবাই বলছে তা হল সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি। চীনের মহাকাব্যিক রিয়েল এস্টেট উত্থান তিন বছর আগে ভেঙে পড়েছিল এবং দেশটি এখনও এর পরিণতি মোকাবেলা করছে – খারাপ ঋণের পাহাড়, মন্দাগ্রস্ত সম্পত্তি খাত, ক্রমাগত মুদ্রাস্ফীতি এবং স্থানীয় সরকারগুলি নিজেদের তহবিল সংগ্রহ করতে অক্ষম [1]।

অবশেষে, এই ধরণের সমস্যা সাধারণত সরকারি বেইলআউটের মাধ্যমে সমাধান করা হয়। সরকার কেবল টাকা ধার করে বা ছাপে, খারাপ ঋণ কিনে এবং আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। এটি ব্যাংক ব্যালেন্স শিট এবং কর্পোরেট ব্যালেন্স শিট পরিষ্কার করে এবং প্রত্যেকে আবার ঋণ নেওয়া এবং ঋণ দেওয়ার বিষয়ে নিরাপদ বোধ করে।

চীনে, এই প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে – কেন্দ্রীয় সরকার ব্যাংক এবং স্থানীয় সরকারগুলিকে জামিন দিতে শুরু করেছে, এবং বৃহৎ সম্পত্তি বিকাশকারীদেরও জামিন দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে। যদি এটিই একমাত্র কাজ হত, তবে সম্ভবত এটি “হারানো দশক” কে চার বছরের মন্দায় পরিণত করত, যেমনটি ২০০৮ সালের সংকটের পরে আমেরিকা অনুভব করেছিল।

কিন্তু এটিই একমাত্র ঘটনা নয়। চীনের সরকার এই কঠিন সময়ে প্রবৃদ্ধি বজায় রাখার চেষ্টা করেছিল ব্যাংকগুলিকে ঋণের একটি নতুন বিশাল তরঙ্গ তৈরি করার নির্দেশ দিয়ে – এবার নির্মাতাদের কাছে। সেই ঋণের অনেক অংশই সম্পত্তি-সম্পর্কিত জিনিসপত্রের জন্য গিয়েছিল, যা সম্ভবত কোনও সাহায্য করেনি।

কিন্তু অনেক কিছু উৎপাদনে গিয়েছিল – এবং সত্যিকার অর্থে বিপুল পরিমাণ সরকারি ভর্তুকিও ছিল, চীনকে বিশ্বের প্রভাবশালী উচ্চ-প্রযুক্তি নির্মাতা হিসেবে গড়ে তোলার সরকারের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে। আপনি যদি ভর্তুকি এবং অতি-সস্তা ঋণের সুবিধা উভয়ই গণনা করেন, তাহলে চীনের শিল্প নীতির প্রচারণা জিডিপির ৪.৪% হতে পারে।

সমস্যাটি ছিল – যেমনটি ১৯৭০-এর দশকের জাপানের MITI আমলারা আপনাকে বলতে পারতেন – যখন আপনি একই জিনিস তৈরির জন্য বিভিন্ন কোম্পানিকে অর্থ প্রদান করেন, তখন তারা একে অপরের লাভের সাথে প্রতিযোগিতা করে।

চীনে একে “ইনভোলিউশন” বা 内卷 বলা হয়।[2] এটি বেশ কয়েকটি কারণে একটি সমস্যা। প্রথমত, এটি বিশাল স্কেলে মূলধনের ভুল বরাদ্দের একটি ঘটনা। চীনে কারওরই এত বেশি ইভি এবং হিউম্যানয়েড রোবট ইত্যাদির প্রয়োজন নেই, এবং বিশ্ব বাজার ক্রমশ পরিপূর্ণ হয়ে উঠছে (যেখানে এটি শুল্ক দ্বারা সক্রিয়ভাবে অবরুদ্ধ নয়)।

তাই চীনের মোট ফ্যাক্টর উৎপাদনশীলতা – মানুষ যা চায় তা তৈরি করার ক্ষমতা – আটকে রাখা হচ্ছে। এছাড়াও, একাডেমিক বিজ্ঞানে চীনের বহুল প্রচারিত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও, চীনের বেশিরভাগ গবেষণা ও উন্নয়ন এখনও কর্পোরেট স্তরে করা হয় – এবং যদি কর্পোরেশনগুলির কোনও লাভ না থাকে, তবে তাদের নতুন প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করার কোনও উপায় নেই, এমনকি যদি তা করা দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর হয়।

এগুলি হল ইনভোলিউশনের মাইক্রোইকোনমিক সমস্যা। কিন্তু দুটি বড় সামষ্টিক অর্থনৈতিক সমস্যাও রয়েছে। প্রথমত, যদি আপনি আপনার অর্থনীতিকে অতিরিক্ত উৎপাদন করতে বাধ্য করেন, তাহলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটবে। চীনে দাম ক্রমাগত কমতে থাকবে।

মূল্যস্ফীতি হ্রাসের অর্থ হল কোম্পানি, ব্যাংক এবং স্থানীয় সরকারগুলির ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে। একে ঋণ-মুদ্রাস্ফীতি বলা হয়, এবং এটি চীনের রিয়েল এস্টেট ঋণ থেকে মুক্তি পাওয়ার প্রচেষ্টাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।

তার উপরে, চীনের তাড়াহুড়ো করে নেওয়া শিল্প ঋণের বিশাল স্রোত ব্যবস্থায় আরও খারাপ ঋণ জমা করছে। যদিও শিল্প ঋণের প্রবৃদ্ধি তীব্রভাবে ধীর হয়ে গেছে (কারণ চীনের সবাই বুঝতে পেরেছে যে এই বিনিয়োগগুলির অনেকগুলিই অস্তিত্বহীন হয়ে পড়বে), চীনের মোট ঋণ-থেকে-জিডিপি অনুপাত অবিরামভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অবশেষে, চীনের সরকার তার ব্যাংকগুলিকে ঋণ দিতে বলেছে এমন অনেক গাড়ি কোম্পানি, সৌর কোম্পানি এবং রোবট কোম্পানি ভেঙে পড়বে, এবং এর ফলে রিয়েল এস্টেট ধসের ফলে অবশিষ্ট পাহাড়ের উপরে আরও একটি খারাপ ঋণের পাহাড় জমা হবে। আর এবার, এমন কোনও স্পষ্ট ক্ষেত্র নেই যেখানে সরকার দলকে টিকিয়ে রাখার জন্য ঋণ বৃদ্ধি করতে পারে।

তাই অবাক হওয়ার কিছু নেই যে, চীন সরকার অতিরিক্ত প্রতিযোগিতার উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের চেষ্টা করছে, ঠিক যেমনটি জাপান সরকার ১৯৭০-এর দশকে করেছিল। মূলত, সমাধানটি মূল্য নির্ধারণের মতো দেখাবে – কোম্পানিগুলিকে দাম কমিয়ে প্রতিযোগিতা না করতে বলা:

চীনের শীর্ষ অর্থনৈতিক পরিকল্পনা সংস্থা এবং বাজার নিয়ন্ত্রক বিশৃঙ্খল মূল্য প্রতিযোগিতা রোধ করার লক্ষ্যে নতুন ব্যবস্থা উন্মোচন করেছে… এই সমস্যা সমাধানের জন্য, নিয়ন্ত্রকরা নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে খরচ তদন্ত, মূল্য তদারকি এবং প্রয়োগকারী পদক্ষেপগুলি জোরদার করবে, নোটিশ অনুসারে। আনুষ্ঠানিক সতর্কতার পরেও অবৈধ মূল্য নির্ধারণে অটল থাকা কোম্পানিগুলিকে আরও তদন্ত বা জরিমানা করা হতে পারে।

এটি মুদ্রাস্ফীতির সমস্যা কিছুটা সমাধানে সাহায্য করতে পারে। কিন্তু এটি মূলধনের ভুল বরাদ্দের সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। মূলত, ব্যর্থ কোম্পানিগুলিকে ভর্তুকি বন্ধ করে দেওয়ার পরিবর্তে এবং সফল কোম্পানিগুলিকে তাদের অধিগ্রহণ করতে এবং তাদের অর্ধেক কর্মীকে ছাঁটাই করতে দেওয়ার পরিবর্তে (যা শিল্প নীতির সাধারণ তত্ত্ব অনুসারে আপনার করা উচিত), চীন হয়তো একগুচ্ছ অদক্ষ কোম্পানিকে ব্যবসায় টিকে থাকার অনুমতি দিতে পারে। এটি দীর্ঘমেয়াদী উৎপাদনশীলতার ক্ষতি করতে পারে, যেমনটি সম্ভবত জাপানে হয়েছিল।

সমস্যা হল যে চীন যদি তার খারাপ কোম্পানিগুলিকে ব্যর্থ হতে দেয়, তাহলে অনেক চীনা মানুষ চাকরি হারিয়ে ফেলবে, যা অস্থিরতা বাড়াতে পারে। চীনের শ্রমবাজার ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তাই সরকার এই বিষয়ে খুবই সংবেদনশীল।

চীন

আরেকটি সমস্যা হলো, জাপান বা কোরিয়ার বিপরীতে, চীন একটি অত্যন্ত বড় দেশ যেখানে একটি অত্যন্ত ফেডারেলাইজড সরকার ব্যবস্থা রয়েছে। এর অর্থ হল প্রতিটি প্রদেশের নিজস্ব স্থানীয় চ্যাম্পিয়ন কোম্পানি রয়েছে, যার অর্থ হল বেইজিং যদি একগুচ্ছ অদক্ষ কোম্পানিকে মরতে দেয়, তাহলে এটি কিছু প্রদেশকে অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করবে। এটি রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বৃদ্ধি করতে পারে, যার অর্থ হল “জম্বি” কোম্পানিগুলিকে জাপানের সময়ের তুলনায় টিকে থাকতে দেওয়ার জন্য চীন আরও বেশি উৎসাহিত।

তাই চীন কিছুটা সামষ্টিক অর্থনৈতিক বন্ধনে আবদ্ধ। এটি সহজেই তার শিল্প নীতি বন্ধ করতে পারে না, তবে এটি চালিয়ে যাওয়ার অর্থ হল ব্যয় বৃদ্ধি – রিয়েল এস্টেটের ধসের উত্তরাধিকারের কারণে এটি আরও বেড়ে যায়। এটি চীনের উৎপাদনশীলতার উপর বহু দশক ধরে টানাটানি সৃষ্টি করতে পারে, যেমনটি জাপানের জন্য একই রকম সমস্যা হয়েছিল।

কিন্তু এটি চীনের জন্য পতন বা এমনকি তার শীর্ষ থেকে পতনের প্রতিনিধিত্ব করবে না। যখন জাপান মার্কিন জীবনযাত্রার মান 95% থেকে 61% এ নেমে গিয়েছিল, তখন এর অর্থ ছিল একটি অর্থনৈতিকভাবে পরিচালিত হয়ে ওঠা। কিন্তু চীন আমেরিকার আকারের চারগুণ, তাই অর্থনৈতিক গতিপথে একই রকম মন্দার ফলে তাদের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বীর তুলনায় অর্থনৈতিকভাবে অনেক বেশি শক্তিশালী হতে হবে।

মনে রাখবেন যে সোভিয়েত ইউনিয়ন – সেই বিখ্যাত অর্থনৈতিক ঝুড়ি মামলা – আমেরিকার মাথাপিছু জিডিপির ৩০% ছিল। যদি সোভিয়েত ইউনিয়ন আমেরিকার আকারের চারগুণ হত, তাহলে এর অর্থনীতি ১.২ গুণ বড় হত এবং শীতল যুদ্ধ হয়তো অন্যভাবে চলত।

অন্য কথায়, চীনের অর্থনৈতিক সমস্যাগুলি এমন একটি কারণ যা ভাবার কারণ যে এর শীর্ষে পৌঁছাতে পারে, কিন্তু এটি তার অবস্থান থেকে পতন ঘটাতে পারে না।

যুদ্ধ এবং অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ
যদি জনসংখ্যা এবং অর্থনীতির ধীর, শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়াগুলি শীঘ্রই চীনা আধিপত্য থামাতে না পারে, তবে যুদ্ধ এবং অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের আরও সহিংস হুমকি ছেড়ে যায়। প্রকৃতপক্ষে, এগুলিই এমন জিনিস যা সাধারণত একটি মহান শক্তির সূর্যের আলোয় মুহূর্তকে সংক্ষিপ্ত করে দেয় – জার্মানি এবং জাপান কেবল সাম্প্রতিকতম উদাহরণ।

ফ্রান্স ১৭০০ এবং ১৮০০ এর দশকের গোড়ার দিকে সামরিকভাবে যতটা সম্ভব কমিয়ে দিয়েছিল, যেমন ১৬০০ এর দশকে স্পেন করেছিল। তাং রাজবংশ এবং মঙ্গোল সাম্রাজ্য অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের কারণে ভেঙে পড়েছিল, ইত্যাদি। এমনকি আমেরিকার বর্তমান পতনও মূলত অভ্যন্তরীণ বিভাজনের কারণে, যেমন আব্রাহাম লিংকন ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন।

তাহলে চীনের কী হবে? ট্রাম্পের নির্বাচনের আগে পর্যন্ত, চীন এমন একটি সামরিক জোটে যোগ দেবে যা তারা কাটিয়ে উঠতে অক্ষম, এই ধারণাটি অন্তত কিছুটা যুক্তিসঙ্গত ছিল। চীনের প্রধান মিত্র, রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়া, সামরিকভাবে হিংস্র কিন্তু অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী নয়।

একসাথে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, ভারত, জাপান এবং কোরিয়ার একটি জোট চীনের নতুন অক্ষকে ধ্বংস করতে সক্ষম হতে পারত, বিশেষ করে যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত নিজেদের পুনর্শিল্পায়ন এবং ভারতের প্রযুক্তিগত ও উৎপাদন ক্ষমতা গড়ে তোলার নীতি বাস্তবায়ন করত।

এখন, এটির সম্ভাবনা অনেক কম দেখা যাচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন ইউরোপ, ভারত এবং কোরিয়াকে বিচ্ছিন্ন করার বিষয়ে অস্থির বলে মনে হচ্ছে। ট্রাম্প পূর্ব গোলার্ধে জড়িত হওয়া ত্যাগ করে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের (অভিবাসন এবং রাজনৈতিক ভিন্নমত দমন) উপর মনোযোগ দিতে চান এমন জোরালো লক্ষণ রয়েছে। তার উপর, ট্রাম্প আমেরিকান উৎপাদনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এমন শুল্কের পক্ষে শিল্প নীতি ত্যাগ করেছেন।

এর অর্থ এই নয় যে চীন বিশ্ব জয় করতে সক্ষম হবে। তবে এর অর্থ এই যে বিশ্ব আর চীনকে জয় করতে সক্ষম হবে না।

যা চীনের সূর্যের আলোয় আসার জন্য অভ্যন্তরীণ মতবিরোধকে প্রধান হুমকি হিসেবে রেখে গেছে। কয়েক মাস আগে একটি পোস্টে, আমি অনুমান করেছিলাম যে শি জিনপিং বয়স বাড়ার সাথে সাথে, নীতিগত দক্ষতার অভাব নিয়ে অসন্তুষ্টি তাকে কঠোরভাবে দমন করতে পারে। আমি সম্প্রতি লিখেছিলাম:

শি জিনপিং ৭২ বছর বয়সী…৭২ বছর বয়সী যেখানে সবাই ভাবতে শুরু করে যে উত্তরসূরি কে হতে চলেছেন…শি এখনও উত্তরসূরি নির্বাচন করেননি…শি চীনের মেয়াদ সীমা অপসারণের জন্য নিয়ম পরিবর্তন করেছেন, তাই যতক্ষণ তার স্বাস্থ্য ঠিক থাকবে, তিনি আরও দুই দশক শাসন করতে পারবেন; সম্ভবত তিনি মনে করেন না যে তার এখনও উত্তরসূরি সম্পর্কে চিন্তা করা শুরু করা উচিত।

কিন্তু চীনের অন্যান্য মানুষ অবশ্যই এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি নিয়ে ভাবছেন; তাদের বোকা হতে হবে যদি তারা এখনই ষড়যন্ত্র, পরিকল্পনা এবং তাদের ছুরি ধারালো না করে। শি, যিনি একজন নিখুঁত রাজনীতিবিদ, তিনি নিঃসন্দেহে এটি জানেন। এবং তিনি অবশ্যই জানেন যে তার মৃত্যুর পরে যে কেউ চীন শাসন করতে চায় তার মৃত্যুর আগে বা ক্ষমতার বাইরে যাওয়ার আগে তার ক্ষমতাকে দুর্বল করার প্ররোচনা রয়েছে।

অন্যান্য বয়স্ক স্বৈরশাসকের মতো, শিকে তার ক্ষমতার প্রতি এই ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য ক্রমবর্ধমান সময় ব্যয় করতে হবে। নেতারা যদি আরও শারীরিকভাবে দুর্বল বা মানসিকভাবে ধীর হয়ে যান, তবে এটি কেবল তাদের দুর্বলতাকে বাড়িয়ে তোলে এবং শীর্ষে থাকার জন্য তাদের আরও নির্মমভাবে ভীত হতে হয়…

শি হয়তো তার “শীতের সিংহ” পর্যায়ে প্রবেশ করতে শুরু করেছেন… ইতিমধ্যে, শি তার শুদ্ধিকরণের পদক্ষেপ বাড়িয়েছেন, বিশেষ করে সামরিক বাহিনী। তিনি যে কয়েকজন জেনারেলকে শুদ্ধিকরণ করেছেন তাদের মধ্যে কয়েকজন তার নিজস্ব নিয়োগপ্রাপ্ত ছিলেন… এবং দ্য ইকোনমিস্টের কাছে তথ্য রয়েছে যে মহামারীর পর থেকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তদন্ত তিনগুণ বেড়েছে।

চীনের আপেক্ষিক ক্ষমতা এবং সম্পদের একেবারে শীর্ষে থাকাকালীন ধ্বংসাত্মক রাজনৈতিক আন্তঃসংঘাতে জড়িয়ে পড়া অবিশ্বাস্যরকম বোকামি এবং আত্ম-ধ্বংসাত্মক হবে। তবে ট্যাং রাজবংশ এবং মঙ্গোল সাম্রাজ্যের উপরোক্ত উদাহরণগুলি যেমন দেখায়, এটি প্রথমবার হবে না। একভাবে, ইউরোপও প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মাধ্যমে তার শীর্ষস্থানটি সংক্ষিপ্ত করে তুলেছিল, যখন ইউরোপীয় সাম্রাজ্যের বৈশ্বিক ব্যবস্থা পরিচালনায় সহযোগিতা করার ফলে তাদের আধিপত্য প্রসারিত হত।

দুর্ভাগ্যবশত – গত দশকে আমেরিকানরা যেমন হতাশার সাথে জানতে পেরেছে – কেবল অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের ক্ষতি সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক করে সমস্যাগুলিকে কমাতে খুব বেশি কিছু করে না, কারণ যখন মানুষ কোনও দেশের নিয়ন্ত্রণের জন্য লড়াই করে, তখন তাদের প্রধান অগ্রাধিকার হল সমান্তরাল ক্ষতি সীমিত করার পরিবর্তে সেই সংগ্রামে জয়লাভ করা।

চীনের ক্ষেত্রে, এটি একটু ভিন্ন, কারণ তত্ত্বগতভাবে, শি যুক্তি দেখতে পেতেন এবং চীনকে ক্ষমতা গ্রহণের আগে প্রচলিত আমলাতান্ত্রিক, অভিজাত ঐক্যমত্য-ভিত্তিক উত্তরাধিকার ব্যবস্থার কাছাকাছি কিছুতে ফিরে যেতে রাজি করাতে পারতেন। কিন্তু শি নিজেকে এইভাবে সীমাবদ্ধ রাখার সম্ভাবনা কী?

তাই যদি আগামী দুই বা তিন দশক ধরে চীনকে বিশ্বের শীর্ষ দেশ হিসেবে তার অবস্থান থেকে ছিটকে দেয়, তবে এটি সম্ভবত একটি অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার লড়াই হবে। এটি বেশ অসম্ভব বলে মনে হচ্ছে, তবে এটি ঘটতে পারে। এবং যদি তা না হয়, তবে “চীনা শতাব্দীর” আরও কয়েক দশক ধরে বেঁচে থাকার আশা করুন।

নোট

  1. চীনের স্থানীয় সরকারগুলি তাদের ব্যয়ের বেশিরভাগ অর্থ জমি বিক্রির মাধ্যমে তহবিল দিয়েছিল; এখন জমি বিক্রি হচ্ছে না, এবং যখন বিক্রি হয়, তখন দাম আগের তুলনায় অনেক কম থাকে, যা স্থানীয় সরকারের রাজস্বে বড় ধরনের ফাঁক ফেলে।
  2. জাপানে, এটিকে “অতিরিক্ত প্রতিযোগিতা” বলা হত।
  3. এটি জাপানের মতোই, যা ছিল দাম বাড়ানোর জন্য কোম্পানিগুলিকে কার্টেল গঠনের অনুমতি দেওয়া বা এমনকি বাধ্য করা।
Source: এশিয়া টাইমস
Share197Tweet123

Subscribe

Unsubscribe
BT

BT

Related Posts

কর
বাংলাদেশ

কর ক্ষেত্রে বেশ কিছু পরিবর্তন আসছে

June 12, 2026

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থ বছরে ৯ লাখ ৩৮ হাজার...

Read moreDetails
দক্ষিণ

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের ৩০ বছরের কারাদণ্ড

June 12, 2026

দক্ষিণ কোরিয়া চেক প্রজাতন্ত্রকে ২-১ গোলে হারিয়েছে

June 12, 2026

5100 s cleveland ave suite 202 Ft Myers fl33907.

Phone- 239.666.1120.

mail-banglatimes360@gmail.com

সম্পাদক – বখতিয়ার রহমান

প্রকাশক – শাওন ফারহানা

নির্বাহী সম্পাদক – ফরিদ সুমন

  • Tamil journalist Hamshika Krishnamoorthy is the runner-up for the 2026 Immigration Journalism Award

    Tamil journalist Hamshika Krishnamoorthy is the runner-up for the 2026 Immigration Journalism Award

    524 shares
    Share 210 Tweet 131
  • ফ্লোরিডা ফোবানার কমিটির প্রস্তুতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে

    516 shares
    Share 206 Tweet 129

Copyright © 2021-2026. Banglatimes360

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password? Sign Up

Create New Account!

Fill the forms below to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
No Result
View All Result
  • Home
  • রাজনীতি
    • আইন-আদালত
  • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
    • যুদ্ধ
    • উত্তর- আমেরিকা
      • যুক্তরাষ্ট্র
    • এশিয়া
      • মধ্যপ্রাচ্য
    • ইউরোপ
    • অষ্ট্রেলিয়া
      • নিউজিল্যান্ড
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • আফ্রিকা
  • বিনোদন
    • সংগীত
  • খেলা
  • অনুসন্ধান
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • আবহাওয়া
  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি

Copyright © 2021-2026. Banglatimes360