প্রতিবাদের পদচিহ্ন
জুলাই আসে ঝড় হয়ে ওঠে,
নিরবতা ভেঙে শোনায় সাহসের রণধ্বনি।
ঢাকার রাজপথে জেগে উঠেছিল ইতিহাসের ভোর
তপ্ত রোদ আর রক্তের ছায়ায়।
নির্যাতিত চোখে আগুন জ্বলে
ছাত্রদের কণ্ঠে উঠেছিল বজ্রগর্জন।
বুকে ওঠে শপথ,
এই রাষ্ট্র হবে জনগণের।
জুলাই কাঁদে না, জ্বলে ওঠে,
বুলেটের গর্জনে ঢেকে যায় বক্তৃতা।
তবু থামে না—
রাস্তায় নামে ছাত্রের ঢল, কণ্ঠে প্রতিবাদ।
শিক্ষা হবে সবার, গণমুখী, বিজ্ঞানভিত্তিক ও সর্বজনীন!
যেখানে লেখা ছিল ছাত্র-জনতার ঐক্যের আহ্বান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়ালে দেয়ালে
লাল-কালো ব্যানারে লেখা ছিল স্বপ্নের ভাষা।
কিন্তু রাষ্ট্র শুনলো না,
বুলেট দিয়ে জবাব দিলো প্রশ্নের।
লাল হলো রাজপথ—
আন্দোলনের পাতায় অমর হলো তাদের নাম।
তোমার অপেক্ষায়
তুমি আসবে বলেছিলে
তুমি বলেছিলে আমাকে তেপান্তরের মাঠে নিয়ে যাবে।
যেখানে মানুষে মানুষে কোন বৈষম্য নেই
যেখানে মানুষ বাঁচে শুধু মানুষ পরিচয়ে।
যেখানে মানুষ মশগুল থাকে
উন্নত জীবনধারার সৃজনশীল চিন্তায়।
তুমি আসবে বলেছিলে
তুমি বলেছিলে আমাকে তেপান্তরের মাঠে নিয়ে যাবে।
যেখানে প্রতিটি হৃদয় থাকে আনন্দে ভরপুর,
সকলের মুখে ফুটে হাসি,জীবন হয় শান্তিময়, ভালোবাসায় পূর্ণ
থাকে না কোন অভাব, হতাশা, শোক
সবাই মিলেমিশে গড়ে স্বপ্নের সংসার।
প্রতিটি প্রাণ খুঁজে পায় তার নিজস্ব আসন,
এই পৃথিবী হবে সুখের সাগর, মানবতার জয়গান।
এখন থেকে স্বপ্ন দেখি, তোমার সাথে সেই পথে
যেখানে হাত ধরাধরি করে, আমরা যাব তেপান্তরে,
মানবতার মুক্তি হবে, খুঁজে পাবে তার গতি
তুমি আসবে বলেছিলে, আমিও সেই আশায় আছি।








































