আর কত লাশ পড়লে শান্ত হবে,
হে বঙ্গ জননী?
কেনো তোমার এমন নির্মম দৃষ্টি—
এ কি রক্তে লেখা ভাগ্যলিপি?
এ দেশ কোনো হত্যার মাঠ নয়,
এ জনপদ কোনো মৃত্যুর ঘর নয়—
যে মাটিতে সোনার ফসল ফলে,
সেই মাটিতে আজ হাহাকার!
এই ভূমি আমাদের,
এই আকাশ আমাদের—
জনতার রক্ত অমূল্য, অমর।
জেগে ওঠো, জেগে ওঠো সবাই—
রাস্তায় নামো, শপথ নাও!
মাটি থরথর কাঁপে ক্রন্দনে,
আকাশ লাল ধুলোয় ঢাকে;
চেনা পথ আজ অপরাধীর মতো—
আজ রাস্তায় রক্ত,
কাল ঘরে অশ্রু,
পরশু নিভে যায় স্বপ্নের আলো।
কারা বপন করে ঘৃণার বীজ?
কারা ছড়ায় বিষের আগুন?
কারা ছিঁড়ে নেয় শান্তির স্বপ্ন?
নবজাত শিশুর প্রশ্ন শোনো—
“মা, এ পথ কি রক্তে হাঁটার?”
তোমার বুক আজ ঝড়ের সমুদ্র—
অস্থির, উথাল-পাথাল, ক্ষতবিক্ষত।
তবুও—অন্ধকার যতই গভীর হোক,
প্রভাতের আলো আমাদের হাতেই জ্বলবে!
অন্যায়ের দেয়াল ভেঙে ফেলো,
ভয়ের দেয়াল চূর্ণ করে দাও!
সত্যের পক্ষে কণ্ঠ তুলো।
হে বঙ্গ জননী,
তোমার বুকে আর লাশ চাই না—
চাই স্বাধীন নিশ্বাস,
চাই শান্তির পতাকা।
জনতার কণ্ঠ আজ
আগ্নেয়গিরির মতো বিস্ফোরিত হবে!






