Monday, May 11, 2026
  • Login
  • Register
Banglatimes360
  • Home
    সাঁথিয়া

    সাঁথিয়া আদালত দুই মাদক ব্যবসায়ীর অর্থ ও কারাদণ্ড দিয়েছে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান একটি ‘ন্যায্য’ চুক্তি চায়

    পোপ

    পোপ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের এক বছর পর ‘স্পষ্টভাষী’ হয়ে ওঠেন

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পাহারার প্রচেষ্টা স্থগিত করেছেন

    রুবিও

    রুবিও পোপের সঙ্গে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা করবেন

    ইতালি

    ইতালি সফরে যাচ্ছেন যুক্তরাজ্যের রাজকুমারী কেট

  • রাজনীতি
    ট্রাম্প

    ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান একটি ‘ন্যায্য’ চুক্তি চায়

    পোপ

    পোপ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের এক বছর পর ‘স্পষ্টভাষী’ হয়ে ওঠেন

    রুবিও

    রুবিও পোপের সঙ্গে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা করবেন

    ইরান

    ইরান হরমুজ প্রণালী থেকে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ফিরিয়ে দিয়েছে

    ভারতীয়

    ভারতীয় রাজ্য নির্বাচনে মোদীর দল বড় জয় পেতে চলেছে

    মার্কিন

    মার্কিন সেনা প্রত্যাহার ইউরোপকে উৎসাহিত করবে, জার্মানি

    • আইন-আদালত
  • অর্থনীতি
    • All
    • বাণিজ্য
    ইরানের

    ইরানের অর্থনৈতিক পতন ট্রাম্পের জন্য অনেক দেরি হয়ে যাবে

    সংযুক্ত

    সংযুক্ত আরব আমিরাত বড় ধাক্কা দিয়ে ওপেক ত্যাগ করল

    টাকা

    টাকা ছাপিয়ে বাংলাদেশ নতুন করে মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকিতে পড়ছে

    দ্রুঝবা

    দ্রুঝবা পাইপলাইনে ইউরোপে রাশিয়ান তেল সরবরাহ পুনরায় শুরু

    হরমুজ

    হরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের ইরান আক্রমণের মুখোমুখি চীন

    স্পেসএক্স

    স্পেসএক্স মাস্ককে ট্রিলিয়নেয়ার বানাতে প্রাথমিক কাজ করেছে

    • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
    সাঁথিয়া

    সাঁথিয়া আদালত দুই মাদক ব্যবসায়ীর অর্থ ও কারাদণ্ড দিয়েছে

    বেড়ায় জোছনা খাতুনের করা মামলার এক  মাস পর বিপক্ষের কাউন্টার মামলা রেকর্ড

    বেড়ায় জোছনা খাতুনের করা মামলার এক মাস পর বিপক্ষের কাউন্টার মামলা রেকর্ড

    ব্রিটিশ বাংলাদেশী মকবুল চৌধুরী নির্মিত ‘ছায়াবন্দনা’ বেস্ট ডুকুমেন্টারি ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছে

    ব্রিটিশ বাংলাদেশী মকবুল চৌধুরী নির্মিত ‘ছায়াবন্দনা’ বেস্ট ডুকুমেন্টারি ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছে

    সাঁথিয়ায়

    সাঁথিয়ায় মাদকব্যবসায়ীকে এক বছরের কারাদণ্ড

    সাঁথিয়ায়

    সাঁথিয়ায় মাদকব্যবসায়ী ও মাদকসেবনকারীর কারাদণ্ড

    নবীগঞ্জের ইতিকথাঃ শেকড় স্মৃতি ও সময়ের দলিল

    নবীগঞ্জের ইতিকথাঃ শেকড় স্মৃতি ও সময়ের দলিল

  • বিশ্ব
    • All
    • আফ্রিকা
    • ইউরোপ
    • উত্তর- আমেরিকা
    • এশিয়া
    • ওশেনিয়া
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • ফ্লোরিডা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    ট্রাম্প

    ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান একটি ‘ন্যায্য’ চুক্তি চায়

    পোপ

    পোপ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের এক বছর পর ‘স্পষ্টভাষী’ হয়ে ওঠেন

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পাহারার প্রচেষ্টা স্থগিত করেছেন

    রুবিও

    রুবিও পোপের সঙ্গে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা করবেন

    ইতালি

    ইতালি সফরে যাচ্ছেন যুক্তরাজ্যের রাজকুমারী কেট

    অভিবাসীদের

    অভিবাসীদের নাগরিকত্ব পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করবে নিউজিল্যান্ড

    • যুদ্ধ
    • উত্তর- আমেরিকা
      • যুক্তরাষ্ট্র
        • নিউইয়ার্ক
        • ফ্লোরিডা
    • এশিয়া
      • মধ্যপ্রাচ্য
    • ইউরোপ
    • অষ্ট্রেলিয়া
      • নিউজিল্যান্ড
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • আফ্রিকা
  • বিনোদন
    • All
    • সংগীত
    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে এশিয়ান ফুড এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    ফোর্ট

    ফোর্ট ম্যায়ার্সে বাঙ্গালী কমিউনিটির বৈশাখী উৎসব

    বাংলা

    বাংলা নববর্ষ—ঐতিহ্যের আলোয় সম্প্রীতির শক্তি ও নতুন জীবনের অঙ্গীকার

    আশা ভোঁসলে

    আশা ভোঁসলে ভারতীয় গায়িকা ৯২ বছর বয়সে মারা গেলেন

    গীতিকার

    গীতিকার সুরকার ও টিভি প্রেজেন্টার কবি জাহাঙ্গীর রানা এজজন প্রচার বিমুখ মানুষ

    • সংগীত
  • খেলা
    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ ১১ রানে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল

    ইফতারের আগেই পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারালো বাংলাদেশ

    ইফতারের আগেই পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারালো বাংলাদেশ

    সাঁথিয়ার পুন্ডুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    সাঁথিয়ার পুন্ডুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    ফ্লোরিডায়

    ফ্লোরিডায় ২৪ জানুয়ারি ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা আয়োজন

  • অনুসন্ধান
    ইরানের

    ইরানের অর্থনৈতিক পতন ট্রাম্পের জন্য অনেক দেরি হয়ে যাবে

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ: সংকটময় রাষ্ট্র, গণতন্ত্রের অবসান

    চীন

    চীন মার্কিন আধিপত্য ভাঙতে পারমাণবিক বাহন বানাচ্ছে

    পূর্ব

    পূর্ব তার পশ্চিম দোভাষীদের দিকে ফিরে তাকাচ্ছে

    চীনের

    চীনের সকল বিষয়ে ট্রাম্পের অবনতির পেছনে ‘স্কুল চার্ট’ গণিত

    অভিবাসী

    অভিবাসী জার্মানির ভাগ্য বদলের প্রতিষেধক নয়

  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    রকেট

    রকেট প্রযুক্তিতে স্পেসএক্সের ব্যয় ১৫ বিলিয়ন ডলার

    চাঁদের

    চাঁদের চারপাশে ভ্রমণ শেষে আর্টেমিস ২ নিরাপদে ফিরেছে

    স্পেসএক্স

    স্পেসএক্স মাস্ককে ট্রিলিয়নেয়ার বানাতে প্রাথমিক কাজ করেছে

    ডিজিটাল

    ডিজিটাল মানব নিয়ন্ত্রণ করবে চীন, শিশু আসক্তি পরিষেবা নিষিদ্ধ

    ম্যাক্স

    ম্যাক্স মেসেজিং অ্যাপ রাশিয়ায় অনেকের কাছেই অস্বস্তিকর

    আর্টেমিস ২

    আর্টেমিস ২ মানববাহী চন্দ্রাভিযানে নভোচারী পাঠালো নাসা

  • আবহাওয়া
    জাপানে

    জাপানে দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছেন

    তুষারপাত

    তুষারপাত ও ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে বহু বাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, ফ্লাইট বাতিল

    হিমশীতল

    হিমশীতল ঠান্ডা ও ভারী তুষারে ঢেকে যাবে আমেরিকা

    মরক্কো

    মরক্কো বৃষ্টিপাতের পর সাত বছরের খরার অবসান ঘোষণা করেছে

    অস্ট্রেলিয়ার

    অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিতে তীব্র তাপপ্রবাহ

    শ্রীলঙ্কার

    শ্রীলঙ্কার প্রাণহানির পর মানুষ ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি ও ট্রমায় ভুগছে

  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি
    • All
    • ভ্রমন
    কেন থামছে না দুর্ঘটনা? দৌলতদিয়ার ট্র্যাজেডি ও আমাদের বাস্তবতা

    বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ

    শিক্ষা

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুনঃভর্তি ফি নিতে পারবে না: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    জাতীয়

    জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে পাবনায় বক্তৃতা ও দেয়াল পত্রিকায় প্রথম সাঁথিয়ার অনিকা ও জেসমিন

    নানিয়ারচর

    নানিয়ারচর জোনের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ

    শারীরিক শিক্ষা

    শারীরিক শিক্ষা: সাধারণ শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য ভিত্তি

    বাংলাদেশের

    বাংলাদেশের প্লাবিত এলাকায় নৌকায় স্কুলগুলি শিক্ষাদান চালায়

No Result
View All Result
  • Home
    সাঁথিয়া

    সাঁথিয়া আদালত দুই মাদক ব্যবসায়ীর অর্থ ও কারাদণ্ড দিয়েছে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান একটি ‘ন্যায্য’ চুক্তি চায়

    পোপ

    পোপ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের এক বছর পর ‘স্পষ্টভাষী’ হয়ে ওঠেন

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পাহারার প্রচেষ্টা স্থগিত করেছেন

    রুবিও

    রুবিও পোপের সঙ্গে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা করবেন

    ইতালি

    ইতালি সফরে যাচ্ছেন যুক্তরাজ্যের রাজকুমারী কেট

  • রাজনীতি
    ট্রাম্প

    ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান একটি ‘ন্যায্য’ চুক্তি চায়

    পোপ

    পোপ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের এক বছর পর ‘স্পষ্টভাষী’ হয়ে ওঠেন

    রুবিও

    রুবিও পোপের সঙ্গে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা করবেন

    ইরান

    ইরান হরমুজ প্রণালী থেকে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ফিরিয়ে দিয়েছে

    ভারতীয়

    ভারতীয় রাজ্য নির্বাচনে মোদীর দল বড় জয় পেতে চলেছে

    মার্কিন

    মার্কিন সেনা প্রত্যাহার ইউরোপকে উৎসাহিত করবে, জার্মানি

    • আইন-আদালত
  • অর্থনীতি
    • All
    • বাণিজ্য
    ইরানের

    ইরানের অর্থনৈতিক পতন ট্রাম্পের জন্য অনেক দেরি হয়ে যাবে

    সংযুক্ত

    সংযুক্ত আরব আমিরাত বড় ধাক্কা দিয়ে ওপেক ত্যাগ করল

    টাকা

    টাকা ছাপিয়ে বাংলাদেশ নতুন করে মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকিতে পড়ছে

    দ্রুঝবা

    দ্রুঝবা পাইপলাইনে ইউরোপে রাশিয়ান তেল সরবরাহ পুনরায় শুরু

    হরমুজ

    হরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের ইরান আক্রমণের মুখোমুখি চীন

    স্পেসএক্স

    স্পেসএক্স মাস্ককে ট্রিলিয়নেয়ার বানাতে প্রাথমিক কাজ করেছে

    • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
    সাঁথিয়া

    সাঁথিয়া আদালত দুই মাদক ব্যবসায়ীর অর্থ ও কারাদণ্ড দিয়েছে

    বেড়ায় জোছনা খাতুনের করা মামলার এক  মাস পর বিপক্ষের কাউন্টার মামলা রেকর্ড

    বেড়ায় জোছনা খাতুনের করা মামলার এক মাস পর বিপক্ষের কাউন্টার মামলা রেকর্ড

    ব্রিটিশ বাংলাদেশী মকবুল চৌধুরী নির্মিত ‘ছায়াবন্দনা’ বেস্ট ডুকুমেন্টারি ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছে

    ব্রিটিশ বাংলাদেশী মকবুল চৌধুরী নির্মিত ‘ছায়াবন্দনা’ বেস্ট ডুকুমেন্টারি ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছে

    সাঁথিয়ায়

    সাঁথিয়ায় মাদকব্যবসায়ীকে এক বছরের কারাদণ্ড

    সাঁথিয়ায়

    সাঁথিয়ায় মাদকব্যবসায়ী ও মাদকসেবনকারীর কারাদণ্ড

    নবীগঞ্জের ইতিকথাঃ শেকড় স্মৃতি ও সময়ের দলিল

    নবীগঞ্জের ইতিকথাঃ শেকড় স্মৃতি ও সময়ের দলিল

  • বিশ্ব
    • All
    • আফ্রিকা
    • ইউরোপ
    • উত্তর- আমেরিকা
    • এশিয়া
    • ওশেনিয়া
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • ফ্লোরিডা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    ট্রাম্প

    ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান একটি ‘ন্যায্য’ চুক্তি চায়

    পোপ

    পোপ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের এক বছর পর ‘স্পষ্টভাষী’ হয়ে ওঠেন

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পাহারার প্রচেষ্টা স্থগিত করেছেন

    রুবিও

    রুবিও পোপের সঙ্গে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা করবেন

    ইতালি

    ইতালি সফরে যাচ্ছেন যুক্তরাজ্যের রাজকুমারী কেট

    অভিবাসীদের

    অভিবাসীদের নাগরিকত্ব পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করবে নিউজিল্যান্ড

    • যুদ্ধ
    • উত্তর- আমেরিকা
      • যুক্তরাষ্ট্র
        • নিউইয়ার্ক
        • ফ্লোরিডা
    • এশিয়া
      • মধ্যপ্রাচ্য
    • ইউরোপ
    • অষ্ট্রেলিয়া
      • নিউজিল্যান্ড
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • আফ্রিকা
  • বিনোদন
    • All
    • সংগীত
    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে এশিয়ান ফুড এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    ফোর্ট

    ফোর্ট ম্যায়ার্সে বাঙ্গালী কমিউনিটির বৈশাখী উৎসব

    বাংলা

    বাংলা নববর্ষ—ঐতিহ্যের আলোয় সম্প্রীতির শক্তি ও নতুন জীবনের অঙ্গীকার

    আশা ভোঁসলে

    আশা ভোঁসলে ভারতীয় গায়িকা ৯২ বছর বয়সে মারা গেলেন

    গীতিকার

    গীতিকার সুরকার ও টিভি প্রেজেন্টার কবি জাহাঙ্গীর রানা এজজন প্রচার বিমুখ মানুষ

    • সংগীত
  • খেলা
    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ ১১ রানে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল

    ইফতারের আগেই পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারালো বাংলাদেশ

    ইফতারের আগেই পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারালো বাংলাদেশ

    সাঁথিয়ার পুন্ডুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    সাঁথিয়ার পুন্ডুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    ফ্লোরিডায়

    ফ্লোরিডায় ২৪ জানুয়ারি ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা আয়োজন

  • অনুসন্ধান
    ইরানের

    ইরানের অর্থনৈতিক পতন ট্রাম্পের জন্য অনেক দেরি হয়ে যাবে

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ: সংকটময় রাষ্ট্র, গণতন্ত্রের অবসান

    চীন

    চীন মার্কিন আধিপত্য ভাঙতে পারমাণবিক বাহন বানাচ্ছে

    পূর্ব

    পূর্ব তার পশ্চিম দোভাষীদের দিকে ফিরে তাকাচ্ছে

    চীনের

    চীনের সকল বিষয়ে ট্রাম্পের অবনতির পেছনে ‘স্কুল চার্ট’ গণিত

    অভিবাসী

    অভিবাসী জার্মানির ভাগ্য বদলের প্রতিষেধক নয়

  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    রকেট

    রকেট প্রযুক্তিতে স্পেসএক্সের ব্যয় ১৫ বিলিয়ন ডলার

    চাঁদের

    চাঁদের চারপাশে ভ্রমণ শেষে আর্টেমিস ২ নিরাপদে ফিরেছে

    স্পেসএক্স

    স্পেসএক্স মাস্ককে ট্রিলিয়নেয়ার বানাতে প্রাথমিক কাজ করেছে

    ডিজিটাল

    ডিজিটাল মানব নিয়ন্ত্রণ করবে চীন, শিশু আসক্তি পরিষেবা নিষিদ্ধ

    ম্যাক্স

    ম্যাক্স মেসেজিং অ্যাপ রাশিয়ায় অনেকের কাছেই অস্বস্তিকর

    আর্টেমিস ২

    আর্টেমিস ২ মানববাহী চন্দ্রাভিযানে নভোচারী পাঠালো নাসা

  • আবহাওয়া
    জাপানে

    জাপানে দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছেন

    তুষারপাত

    তুষারপাত ও ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে বহু বাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, ফ্লাইট বাতিল

    হিমশীতল

    হিমশীতল ঠান্ডা ও ভারী তুষারে ঢেকে যাবে আমেরিকা

    মরক্কো

    মরক্কো বৃষ্টিপাতের পর সাত বছরের খরার অবসান ঘোষণা করেছে

    অস্ট্রেলিয়ার

    অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিতে তীব্র তাপপ্রবাহ

    শ্রীলঙ্কার

    শ্রীলঙ্কার প্রাণহানির পর মানুষ ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি ও ট্রমায় ভুগছে

  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি
    • All
    • ভ্রমন
    কেন থামছে না দুর্ঘটনা? দৌলতদিয়ার ট্র্যাজেডি ও আমাদের বাস্তবতা

    বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ

    শিক্ষা

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুনঃভর্তি ফি নিতে পারবে না: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    জাতীয়

    জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে পাবনায় বক্তৃতা ও দেয়াল পত্রিকায় প্রথম সাঁথিয়ার অনিকা ও জেসমিন

    নানিয়ারচর

    নানিয়ারচর জোনের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ

    শারীরিক শিক্ষা

    শারীরিক শিক্ষা: সাধারণ শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য ভিত্তি

    বাংলাদেশের

    বাংলাদেশের প্লাবিত এলাকায় নৌকায় স্কুলগুলি শিক্ষাদান চালায়

No Result
View All Result
Banglatimes360
No Result
View All Result
Home বিশ্ব এশিয়া

সিনোফিউচারিজম সম্পর্কে চিন্তাভাবনা

নোয়া স্মিথ

May 7, 2025
252 3
0
Share on FacebookShare on Twitter

আজকাল চীন সম্পর্কে আমি যে আলোচনাগুলি দেখছি তার বেশিরভাগই মার্কিন-চীন প্রতিযোগিতা, অথবা চীনের অর্থনীতি সর্বোচ্চ অবস্থানে থাকবে কিনা এই প্রশ্ন নিয়ে (আমার উত্তর: সম্ভবত, হ্যাঁ, কারণ এটি সত্যিই বিশাল)। তবে আলোচনার আরেকটি ধরণ রয়েছে যা বেশ আকর্ষণীয়, তা হল প্রযুক্তি এবং নগরায়নের দিক থেকে চীন “ভবিষ্যতের দেশ” কিনা।

আমার অভিজ্ঞতায়, এই আলোচনাগুলি সাধারণত বেশ অস্পষ্ট এবং বিভ্রান্তিকর হয়, স্থাপত্য, পরিবহন, ভোক্তা প্রযুক্তি, উৎপাদন প্রযুক্তি, শিল্প, পপ সংস্কৃতি, নরম শক্তি, নগর নকশা এবং অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে এদিক-ওদিক লাফালাফি করে। এর অর্থ এই নয় যে আমি মনে করি বিষয়টি মূল্যহীন; অস্পষ্ট এবং বিভ্রান্তিকর আলোচনা মজাদার হতে পারে! তবে আমি ভেবেছিলাম আমি সিনোফিউচারিজম সম্পর্কে আরও কিছুটা পদ্ধতিগতভাবে চিন্তা করার চেষ্টা করব।

আমি যতদূর জানি, সাম্প্রতিক সিনোফিউচারিজমের উত্থান চারটি প্রধান উৎস থেকে এসেছে বলে মনে হচ্ছে:

  • চীনের নতুন উচ্চ-প্রযুক্তি শিল্প মডেল
  • চীনের রিয়েল এস্টেট উত্থানের উত্তরাধিকার
  • চীনের একটি আকর্ষণীয় আক্রমণ
  • ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচন

২০২০-এর দশকের গোড়ার দিকে, ২০০৮ সাল থেকে চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা অর্থনৈতিক মডেলটি মূলত ভেঙে পড়ে। এই মডেলটি বিশাল রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল – বিশ্বের ইতিহাসের বৃহত্তম উন্নয়ন উত্থান। রিয়েল এস্টেট বিক্রয় স্থানীয় সরকারগুলিকে অর্থায়ন করত, তাই স্থানীয় সরকারগুলি মূলত জমির মূল্য বৃদ্ধির জন্য যে কোনও এবং সমস্ত উন্নয়নকে অনুমোদন এবং সমর্থন করত।

ইতিমধ্যে, চীনের কেন্দ্রীয় সরকার একাধিক ধাক্কার মধ্য দিয়ে সামষ্টিক অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখার উপায় হিসেবে ডেভেলপারদের ঋণ দেওয়ার জন্য ব্যাংকগুলিকে উৎসাহিত করেছিল। এটি অনুমানযোগ্যভাবে একটি আর্থিক বুদবুদ এবং ক্র্যাশের দিকে পরিচালিত করেছিল যখন এই অবিশ্বাস্য উন্নয়ন উত্থানের অর্থায়নের জন্য ব্যবহৃত ঋণগুলি রিয়েল এস্টেটের অর্থনৈতিক রিটার্ন তৈরির ক্ষমতাকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ২০২১-২৩ সালে একটি বড় ধাক্কা লেগেছিল এবং প্রবৃদ্ধি ধীর হয়ে গিয়েছিল।

চীনের নেতৃত্ব উচ্চ-প্রযুক্তি উৎপাদনে সম্পূর্ণভাবে অংশগ্রহণ করে এই মন্দার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল। শি জিনপিংয়ের নির্দেশে, দেশের ব্যাংকগুলি গাড়ি, সেমিকন্ডাক্টর, মেশিন টুলস, রোবট, ইলেকট্রনিক্স, ব্যাটারি, বিমান এবং অন্যান্য সকল ধরণের খাতে অগণিত অর্থ ঢেলে দিয়েছে।

সরকার ভর্তুকি দিয়েও এই বৃদ্ধিকে সমর্থন করেছে, যদিও আমার মনে হয় আমরা প্রায়শই BYD, Xiaomi এবং DJI-এর মতো কোম্পানিগুলির ব্যক্তিগত উদ্যোগের তুলনায় এর ভূমিকাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়ার প্রবণতা রাখি। সেই ঋণ প্রদানের বৃদ্ধি তখন থেকে কিছুটা কমেছে, তবে ২০২১-২৩ সালে তা বিশাল ছিল এবং শিল্প ঋণগুলি বেশ দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পেতে থাকে:

এই সমস্ত ঋণ “ভবিষ্যতের প্রযুক্তি”-তে বিনিয়োগের এক ঢেউকে উস্কে দিয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলি ছিল উৎপাদন প্রযুক্তি – অত্যন্ত স্বয়ংক্রিয় চীনা কারখানাগুলিতে মেশিন টুলস এবং রোবট।

এবং কিছু হল ভোগ প্রযুক্তি, যেমন উচ্চ-গতির রেল নেটওয়ার্ক যা বিশ্বের অন্যান্য সমস্ত নেটওয়ার্কের চেয়েও বড়:

এই প্রযুক্তিগত উত্থান দেশকে কোভিড-পূর্ববর্তী প্রবৃদ্ধির স্তরে ফিরিয়ে আনার জন্য যথেষ্ট হবে না। কিন্তু এটি চীনের শহরগুলিকে রূপান্তরিত করেছে, ডেলিভারি ড্রোন, ড্রোন শো, ডেলিভারি রোবট, এয়ার ট্যাক্সি, উচ্চ-গতির ট্রেন, মুখ-স্বীকৃতি পেমেন্ট সিস্টেম, ভিতরে অভিনব স্ক্রিন সহ বৈদ্যুতিক গাড়ি, আকাশচুম্বী-নির্মাণ মেশিন ইত্যাদির মতো ভবিষ্যতের জিনিসপত্র দিয়ে পূর্ণ করেছে।

চীনের শিথিল নিয়ন্ত্রক পরিবেশ – আংশিকভাবে স্থানীয় সরকার এবং কর্পোরেশনগুলির মধ্যে স্নেহপূর্ণ সম্পর্কের ফলস্বরূপ, আংশিকভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের উচ্চ-প্রযুক্তির প্রচেষ্টার ইচ্ছাকৃত ফলাফল – এই প্রযুক্তিগুলির প্রচলন উন্নত দেশগুলির তুলনায় দ্রুত এবং আরও ব্যাপক করে তুলেছে, যেখানে শব্দের অভিযোগ এবং সুরক্ষা উদ্বেগের মতো বিষয়গুলি প্রাধান্য পায়।

ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের উত্থান (যা আসলে সাম্প্রতিক উচ্চ-প্রযুক্তির প্রচেষ্টার পূর্ববর্তী) সস্তা LED-এর আধিক্যের ফলেও ঘটেছে, যা অনেক চীনা ডেভেলপার তাদের উঁচু ভবন এবং মলগুলিতে প্লাস্টার করেছে।

এটি আংশিকভাবে সাংস্কৃতিক এবং নান্দনিক হতে পারে, তবে এটি মূলত শহর এবং কোম্পানিগুলির দ্বারা দেশে এবং বিদেশে ব্যবসা এবং গ্রাহকদের কাছে নিজেদের বিজ্ঞাপন দেওয়ার একটি প্রচেষ্টা। এই “সাইবারপাঙ্ক” রাতের শহরের দৃশ্যের ভিডিওগুলি ইন্টারনেট জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে:

 

1 of 2
- +

1.

2.

সিনোফিউচারিজমের উত্থানের দ্বিতীয় বড় কারণ হল সরকারি আকর্ষণীয় আক্রমণাত্মকতা।

২০১০-এর দশকের শেষের দিকে এবং ২০২০-এর দশকের গোড়ার দিকে চীনের বেশ কিছু আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ – দক্ষিণ চীন সাগর এবং ভারতীয় ভূখণ্ডের কিছু অংশ দাবি করা, হংকংকে চূর্ণবিচূর্ণ করা, “নেকড়ে যোদ্ধা” কূটনীতিকদের উত্থান, ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের প্রতি চীনের নরম সমর্থন – এর ফলে বিশ্বজুড়ে উন্নত এবং উন্নয়নশীল উভয় দেশেই চীন সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা বৃদ্ধি পায়। এটি সম্ভবত দেশ থেকে বিদেশী পুঁজির ব্যাপক বহির্গমনে অবদান রাখে, কারণ বহুজাতিক কর্পোরেশনগুলি নিজেদের বৈচিত্র্যময় এবং ঝুঁকিমুক্ত করার জন্য তৎপর ছিল।

চীনের সরকার বিশ্বজুড়ে দেশের “নরম শক্তি” বৃদ্ধির জন্য একাধিক “নরম আক্রমণাত্মকতা” দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। বার্তার একটি অংশ হল যে চীন বিশ্ব অর্থনীতিতে একটি ইতিবাচক শক্তি, মুক্ত বাণিজ্য প্রচার করছে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই করছে, উচ্চ প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিচ্ছে এবং উন্নয়নশীল দেশগুলিকে অবকাঠামোগত বিনিয়োগের প্রস্তাব দিচ্ছে। আর বার্তাটির একটি অংশ হলো চীন ভবিষ্যতের দেশ – একটি প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক শক্তিধর দেশ যার উত্থান অনিবার্য এবং প্রতিরোধ করার পরিবর্তে প্রশংসা করা উচিত।

পশ্চিমা প্রভাবশালীদের চীন-পন্থী কন্টেন্টের বন্যার ফলে এই মনোমুগ্ধকর আক্রমণাত্মকতা এখন আরও জোরদার হচ্ছে। চীনে কম বিদেশী বাস করছে এবং দেশটিতে ভ্রমণকারী পর্যটকের সংখ্যা মহামারীর পূর্ববর্তী স্তরের কাছাকাছি ফিরে এসেছে।

তবুও, বিদেশীদের দ্বারা ব্যাপকভাবে ভিডিও প্রচার করা হয়েছে, যার বেশিরভাগই “আমি চীন ভ্রমণ করেছি, এবং এটি আমার প্রত্যাশা মতো ছিল না!”, অথবা “আমি চীন ভ্রমণ করেছি, এবং আমেরিকা রান্না করছে!” বলে। এখানে কয়েকটি উদাহরণ দেওয়া হল:

 

1 of 2
- +

1.

2.

এর মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হল জনপ্রিয় ইন্টারনেট ব্যক্তিত্ব ড্যারেন ওয়াটকিন্সের সাম্প্রতিক ভিডিও সিরিজ, যা আইশোস্পিড নামে বেশি পরিচিত:

একটি স্পষ্ট প্রশ্ন হল, এই লোকেরা কি চীনা সরকার কর্তৃক অর্থ প্রদান করা হচ্ছে এমন ভিডিও তৈরি করার জন্য যা একটি সিনোফিউচারিস্ট আখ্যানকে সমর্থন করে। প্রকৃতপক্ষে, কিছু, বিশেষ করে চীনে বসবাসকারী পশ্চিমা প্রবাসীদের দ্বারা তৈরি। নিউ ইয়র্ক টাইমস ২০২১ সালে এই ঘটনাটি সম্পর্কে রিপোর্ট করেছিল:

ভিডিওগুলিতে একটি নৈমিত্তিক, ঘরোয়া অনুভূতি রয়েছে। কিন্তু ক্যামেরার অন্যদিকে প্রায়শই সরকারী সংগঠক, রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত সংবাদ মাধ্যম এবং অন্যান্য সরকারী পরিবর্ধকদের একটি বিশাল যন্ত্র দাঁড়িয়ে থাকে… সরকারি নথি এবং নির্মাতাদের মতে, রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত সংবাদ মাধ্যম এবং স্থানীয় সরকারগুলি বেইজিং-পন্থী প্রভাবশালীদের ভ্রমণের আয়োজন এবং অর্থায়ন করেছে। তারা নির্মাতাদের অর্থ প্রদান করেছে বা অর্থ প্রদানের প্রস্তাব দিয়েছে। তারা ইউটিউব, টুইটার এবং ফেসবুকে লক্ষ লক্ষ অনুসারীর সাথে ভিডিও শেয়ার করে প্রভাবশালীদের জন্য লাভজনক ট্র্যাফিক তৈরি করেছে… সরকারী সংবাদমাধ্যমের সহায়তায়, নির্মাতারা চীনের এমন কিছু অংশে যেতে এবং চিত্রগ্রহণ করতে পারেন যেখানে কর্তৃপক্ষ বিদেশী সাংবাদিকদের প্রতিবেদনে বাধা দিয়েছে।

তাছাড়া, এটাও সম্ভব যে চীন এই ধরণের ভিডিও প্রচারের জন্য TikTok অ্যালগরিদমের উপর তার নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করছে — অথবা, সম্ভবত, ভাইরাল হতে চাওয়া প্রভাবশালীরা কেবল ভাবেন যে যদি তারা একগুচ্ছ চক্ষু বিশিষ্ট Sinofuturism প্রচার করে তাহলে TikTok তাদের প্রচার করবে।

কিন্তু সরকারি প্রচারণায় Sinofuturist ভিডিওগুলির উত্থানের সমস্ত, এমনকি বেশিরভাগ ব্যাখ্যা করার সম্ভাবনা খুবই কম। সম্ভবত এই ভিডিওগুলি কেবল একটি মিম, অনেকটা ২০১০-এর দশকে জাপান ভ্রমণের মতো একটি মিমে পরিণত হয়েছিল।

চীনের বৃহৎ প্রযুক্তিগত প্রচারণা এই মিমকে সাহায্য করে, কারণ এই সমস্ত ভবিষ্যতবাদী গাড়ি, রোবট এবং ড্রোন বিদেশীদের আরও বেশি করে মুগ্ধ করে। কিন্তু “ভবিষ্যতের দেশ” হিসেবে চীনের আকস্মিক ধারণা সম্ভবত সম্পত্তি এবং অবকাঠামোগত উত্থানের জন্য আরও বেশি দায়ী, যা সবেমাত্র শেষ হয়েছে।

২০০৮ সালের পর যদি চীনের ব্যাংকগুলি ঋণের সমস্ত লোভের মা না নিত, তাহলে LED-আচ্ছাদিত আকাশচুম্বী অট্টালিকার বন, না অবিরাম মাইল উচ্চ-গতির রেল, না চীনের শহর কেন্দ্রগুলিতে বিস্তৃত বিশাল চকচকে নতুন মলগুলির অস্তিত্ব থাকত। রোবট এবং ড্রোন দুর্দান্ত, কিন্তু নির্মিত পরিবেশই যেকোনো দেশের ভ্রমণকারীদের ধারণাকে প্রাধান্য দেয়:

অন্য কথায়, চীনের রিয়েল এস্টেট যুগ হয়তো কিছু ডেভেলপার এবং স্থানীয় সরকারের জন্য কান্নার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে, কিন্তু এটি একটি অত্যন্ত ভবিষ্যৎমুখী দেশের ভৌত ভবন রেখে গেছে। যখন মানুষ চীনে যায় এবং ভবিষ্যৎ দেখে, তখন তারা আসলে যা দেখতে পায় তা হল দেশের সাম্প্রতিক অতীত।

সিনোফিউচারিজমের চূড়ান্ত পরিণতি হল ট্রাম্পের নির্বাচন এবং এর ফলে যে ভূ-রাজনৈতিক প্রতিকূলতা দেখা দিয়েছে। ট্রাম্প খুব জোরে এবং উজ্জ্বলভাবে আমেরিকাকে ইউরোপের বিরুদ্ধে ঠেলে দিয়েছেন – তার বক্তৃতায় ইউরোপীয় দেশগুলিকে আক্রমণ করেছেন, তাদের উপর শুল্ক এবং শুল্কের হুমকি দিয়েছেন, ন্যাটো থেকে বেরিয়ে আসার হুমকি দিয়েছেন, ডানপন্থী বিরোধী দলগুলিকে সমর্থন করেছেন, রাশিয়ার সাথে ঘনিষ্ঠতা করেছেন, ইত্যাদি।

কিছু ইউরোপীয় নেতা চীনের কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা করে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, কিন্তু বেশিরভাগই এখনও সিসিপি সম্পর্কে খুব বেশি সতর্ক। কিন্তু ইউরোপীয় বুদ্ধিজীবীরা ভিন্ন কথা বলেন। কিছু ইউরোপীয় চিন্তাবিদ কয়েক দশক ধরে শীতল যুদ্ধের পৃষ্ঠপোষকতার ফলে সৃষ্ট আত্মকেন্দ্রিক আমেরিকান শ্রেষ্ঠত্বের প্রতি বিরক্ত, এবং আমেরিকাকে গ্রাস করতে দেখে আনন্দিত। সেই ভূ-রাজনৈতিক পটভূমি সহজেই একটি দেশের ধারণাকে রঙিন করে তুলতে পারে, এমনকি পথচারীকেও মহৎ বলে মনে করে।

অস্থির ও ঝামেলাপূর্ণ সময়ে, মানুষ সহজাতভাবেই বিশ্বাস করার মতো এক ধরণের ভবিষ্যতের সন্ধান করে – কিছু ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ধরে রাখার জন্য। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের কাছে বর্তমানে খুব বেশি ভবিষ্যৎমুখী দৃষ্টিভঙ্গি নেই; আমেরিকা তার অপ্রতিরোধ্য সাংস্কৃতিক এবং দলীয় বিভাজনের কারণে নিজের উপর একের পর এক ক্ষত চাপিয়ে চলেছে, অন্যদিকে ইউরোপ অর্থনৈতিক স্থবিরতায় নিমজ্জিত এবং অনেক ছোট, দরিদ্র রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিজেকে রক্ষা করার জন্য লড়াই করছে।

বিকল্পের জন্য সিনোফিউচারিজম পশ্চিমা বুদ্ধিজীবীদের প্রথম পছন্দ নাও হতে পারে, তবে যদি এটি সিনোফিউচারিজম এবং নিরাশাবাদী শূন্যবাদ/হতাশাবাদের মধ্যে একটি পছন্দ হয়, তবে কেউ কেউ পূর্ববর্তীটিকেই বেছে নেবে। কিন্তু দুই বা চার দশক পরে এই চীনা ভবিষ্যৎ আসলে কেমন হবে? এখানে, আমার মনে হয় এর চেয়ে কম কিছু আছে।

প্রথমে, চীনা নগরবাদ সম্পর্কে কথা বলা যাক। পশ্চিমারা যারা এশিয়ায় যান এবং প্রচুর উঁচু ভবন এবং বৈদ্যুতিক সাইনবোর্ড দেখেন তারা প্রায়শই ধরে নেন যে সমস্ত এশিয়ান শহর মূলত একই রকম। কিন্তু চীন যেভাবে তার শহরগুলি তৈরি করে তা জাপানের থেকে অনেক আলাদা।

জাপানের শহরগুলি হল ঘন মিশ্র-ব্যবহারের পাড়াগুলির অত্যধিক সমষ্টি যেখানে ছোট ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেশি। চীনের শহরগুলি আরও অনেক বেশি বিস্তৃত। পিটার ক্যালথর্প ২০১৬ সালে যা লিখেছিলেন তা এখানে:

অনেক চীনা শহরের উঁচু, উঁচু-ঘনত্বের ভবনগুলিকে সহজাতভাবে নগর বলে মনে করা হয়, কিন্তু সেগুলো তা নয়। স্মার্ট বৃদ্ধি এবং নগরায়ন স্থূল ঘনত্বের চেয়ে সংযোগ, মানুষের স্কেল, হাঁটার ক্ষমতা এবং মিশ্র ব্যবহারের উপর বেশি নির্ভর করে। চীনের গেটেড সুপারব্লক (প্রায়শই ৪০ একরের বেশি, বা ১৬ হেক্টরের প্রতিটি) এবং বিচ্ছিন্ন ব্যবহারের ধরণ আসলে আমেরিকান শহরতলির একটি উচ্চ-বৃদ্ধি সংস্করণ…

চীনে, একক-ব্যবহারের আবাসিক ব্লকগুলি মূলত একই ধরণের ইউনিটের প্রধান প্রধান ধমনী রাস্তা দ্বারা বেষ্টিত সুপারব্লকে ক্লাস্টার করা হয়। বিশাল দূরত্ব দৈনন্দিন গন্তব্যগুলিকে পৃথক করে এবং পথচারীদের জন্য প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি করে। ফুটপাত খুব কমই দরকারী পরিষেবা দিয়ে সারিবদ্ধ থাকে এবং রাস্তা পার হওয়া মৃত্যু-বিপজ্জনক। চাকরি কেন্দ্রগুলি দূরে এবং যাতায়াত দীর্ঘ, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের গোষ্ঠীর জন্য। চীনের প্রধান শহরগুলিতে, দিনের প্রতিটি ঘন্টাই যানজট বিস্তৃত…

গত পাঁচ বছরে, চীন ৩০,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি এক্সপ্রেসওয়ে তৈরি করেছে… গাড়ির সাথে চীনের প্রেমের সম্পর্ক এক উত্তপ্ত প্রেমে পরিণত হয়েছে… ১৯৫০ এবং ১৯৬০-এর দশকের মার্কিন শহরগুলির মতো, চীনা শহরগুলি আরও হাইওয়ে, রিং রোড এবং পার্কিং লট তৈরি করে অটোমোবাইল ভ্রমণের বিস্ফোরক বৃদ্ধিকে সামঞ্জস্য করার জন্য কাজ করছে।

এবং দ্বারকেশ প্যাটেল সাম্প্রতিক ভ্রমণের পরে এটি কীভাবে বলেছেন:

বেইজিং এবং সাংহাইয়ের বাইরে (এবং কখনও কখনও এমনকি ভিতরে), আপনি বলতে পারেন যে এই আকাশচুম্বী ভবনগুলি এমন একটি দেশ দ্বারা নির্মিত হয়েছিল যার মাথাপিছু জিডিপি $১০,০০০… গত কয়েক দশকের নির্মাণ উন্মাদনায় স্থাপিত এই অন্তহীন আকাশচুম্বী ভবনগুলি কুৎসিত – বেশিরভাগ কংক্রিটের বাক্সগুলি দৃশ্যমান দাগ এবং বিবর্ণতা সহ। যদি নির্মাণের বিশাল জমজমাট কাজ সত্যিই শেষ হয়ে যায়, তাহলে এটা লজ্জার হবে যে চীনের অবকাঠামো বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত স্থাপত্যের সময়কালে নির্মিত হয়েছিল… শহরটি এই বিশাল অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সগুলির দ্বারা আধিপত্য বিস্তার করে – 10টি সংলগ্ন 30-তলা ভবনের ব্লক যা 8-লেনের রাস্তা দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে… এই বিন্যাসটি আংশিকভাবে সামাজিক নিয়ন্ত্রণের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

চির-চমৎকার আলফ্রেড টু-এর একটি সাম্প্রতিক নিবন্ধে চীনের নগর বিন্যাস আরও বিশদভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে:

তাদের শক্তিশালী দৃশ্যমান বৈষম্য সত্ত্বেও, চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নতুন নির্মাণ একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য ভাগ করে নেয়: তারা উভয়েই প্রায় একই জনসংখ্যার ঘনত্ব সমর্থন করে, কারণ তাদের মেঝের ক্ষেত্রফলের অনুপাত একই রকম।

…আজকাল মার্কিন শহরগুলিতে প্রচুর পরিমাণে মিড-রাইজ ভবনের বিপরীতে, চীনা শহরগুলি মাইক্রোডিস্ট্রিক্ট নামে পরিচিত একটি জিনিসকে পছন্দ করে। এই টাওয়ার-ইন-দ্য-পার্ক-স্টাইলের আবাসিক উন্নয়নগুলি প্রায় 15 থেকে 20 একর জমির উপর বেশ কয়েকটি উঁচু ভবন নিয়ে গঠিত, যা প্রশস্ত ধমনী রাস্তা দ্বারা বেষ্টিত…[X]iaoqus গেটেড কমিউনিটি হিসাবে নির্মিত হয়। যদিও প্রাথমিকভাবে আবাসিক, মাইক্রোডিস্ট্রিক্টগুলি বাসিন্দাদের জন্য দোকান এবং পরিষেবাও প্রদান করে, যার মধ্যে স্কুলও রয়েছে…তবে, এগুলিতে অফিস বা শিল্প নেই, এবং খুচরা বিক্রয় কেবল আশেপাশের পরিষেবাগুলিতে সীমাবদ্ধ, যেমন সুবিধাজনক দোকান এবং রেস্তোরাঁ…

সূর্যালোকের প্রয়োজনীয়তার ফলে ভবনগুলির মধ্যে বড় জায়গা তৈরি হয়, মেঝের ক্ষেত্রফল প্রায় 2.0 থেকে 4.0 পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকে, এমনকি উচ্চ-রাইজ ভবনগুলির জন্যও… অভ্যন্তরীণ রাস্তাগুলি ফ্যাক্টর করার পরে 4.0 এর চেয়ে 2.0 এর কাছাকাছি…[T]এই ভবনগুলি গণপ্রজাতন্ত্রের জন্য অনন্য।

টু উল্লেখ করেছেন যেহেতু এই নগর রূপ সংস্কৃতির পরিবর্তে নিয়ন্ত্রণের ফলাফল, তাই তাত্ত্বিকভাবে চীন তার শহরগুলিকে টোকিও, হংকং বা সিঙ্গাপুরের মতো আরও ঘন, আরও মিশ্র-ব্যবহারযোগ্য এবং আরও হাঁটার উপযোগী করে তুলতে পারে। কিন্তু যেহেতু বিশাল রিয়েল এস্টেট উত্থান শেষ হয়ে গেছে, তাই এই ধরনের পুনর্নির্মাণের জন্য অর্থায়ন বা রাজনৈতিক ইচ্ছাশক্তি দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা কম। চীন ইতিমধ্যেই নিজেকে গড়ে তুলেছে। এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও বেশি, চীন নিজেকে একটি অত্যন্ত অনুকূল কনফিগারেশনে গড়ে তুলেছে।

আমেরিকার বিস্তৃত শহরতলির লক্ষ্যবস্তু হল বিশ্বজুড়ে নগরবাসীদের কাছ থেকে অনেক উপহাস, কিন্তু তাদের নিজস্ব একটি আকর্ষণ রয়েছে – বিশাল বিলাসবহুল বাড়িগুলি সামাজিক সমাবেশের স্থান হিসাবে কাজ করে, গাড়িগুলি চলাচলের ব্যবস্থা করে, লন এবং পার্কগুলি প্রকৃতির কাছাকাছি বসবাসের মায়া প্রদান করে।

এই জীবনধারা একটি চৌম্বকীয় আকর্ষণ তৈরি করে; সমস্ত জাতি এবং সামাজিক শ্রেণীর আমেরিকানরা এখনও ‘বার্ব’-এ চলে যেতে চায় (এবং আসলে চলে যাচ্ছে)। এবং এই আকর্ষণ বিশ্বব্যাপী – ইউরোপ, এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং অন্য কোথাও নতুনভাবে বিকশিত বহির্মুখী অঞ্চলগুলি টোকিও বা প্যারিসের মতো দেখতে আমেরিকান শহরতলির মতো অনেক বেশি দেখায়। পছন্দ হোক বা না হোক, বিংশ শতাব্দীর আমেরিকা এমন একটি নগর ভবিষ্যৎ আবিষ্কার করেছিল যা বিশ্বকে আধিপত্য বিস্তার করতে শুরু করেছিল।

কিন্তু চীনও একই কাজ করবে না। কে জিয়াওকুতে থাকতে চায়? আপনি নিউ ইয়র্ক সিটি বা টোকিওর মতো একটি ছোট অ্যাপার্টমেন্টে থাকেন, কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণবন্ত শপিং এবং বিনোদন জেলাগুলির কিছু থেকে হাঁটার দূরত্বে থাকার পরিবর্তে, আপনি একটি গেটযুক্ত সম্প্রদায়ে থাকেন।

আপনার কাছে কেবল একটি স্যানিটাইজড কমিউনিটি লন এবং মৌলিক প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের জন্য কয়েকটি বিরক্তিকর দোকান রয়েছে। দূরবর্তী আকর্ষণীয় কিছুতে পৌঁছানোর জন্য – যা চীনে সাধারণত কেবল একটি শপিং মল বোঝায় – বিশাল ধমনী রাস্তা ধরে ট্রেন স্টেশন পর্যন্ত দীর্ঘ দূরত্ব হেঁটে যেতে হয়, অথবা আপনার গাড়ি নিয়ে যেতে হয়। আপনি আমেরিকান শহরতলির সমস্ত বিচ্ছিন্নতা কোনও বিলাসিতা ছাড়াই পাবেন। আপনি মূলত ক্যাব্রিনি-গ্রিনে থাকেন তবে অপরাধ ছাড়াই।

আমার সন্দেহ হয় যে বিশ্বজুড়ে খুব কম লোকই চাইনিজ-ধাঁচের ক্ষুদ্র জেলাগুলিতে থাকতে চাইবে। আর আমার সন্দেহ, বিশ বছর বা তারও বেশি সময় পরে, বর্তমান চীনা প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা এই নগর রূপকে জীবাণুমুক্ত, সংকীর্ণ এবং সীমাবদ্ধ হিসেবে দেখবে। তবে আমেরিকান বা জাপানি মডেলে চীনা শহরগুলিকে পুনর্নির্মাণ করা খুব কঠিন হবে।

চীনা শহরতলির দর্শনীয় সৌন্দর্যের কথা বলতে গেলে, আমার সন্দেহ, চীনারা নিজেরাই আলোক দূষণে ক্লান্ত হয়ে পড়বে যা পর্যটকদের মুগ্ধ করে। ইতিমধ্যেই, সাংহাই, চংকিং এবং অন্যান্য শহরের বাসিন্দারা কম অযৌক্তিক আলোকসজ্জার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

চীনের ভবন নির্মাণের উত্থান অবশ্যই প্রচুর আকর্ষণীয় কাঠামো রেখে যাবে। কিন্তু যেহেতু এই উত্থান অতিরিক্ত পুঁজির দ্বারা চালিত হয়েছিল, তাই এই নকশাগুলির অনেকগুলিই ডেভেলপারদের বিজ্ঞাপন হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল, এমন জায়গা হিসেবে নয় যেখানে ঘুরে বেড়ানো আসলেই সুন্দর।

এবং ভবনগুলিও সবসময় এখনকার মতো সুন্দর দেখাবে না। আমি ব্রায়ান পটার নই, তবে আমি জানি যে প্রায় ত্রিশ বা চল্লিশ বছর ধরে, রিইনফোর্সড কংক্রিট আবহাওয়া, ফাটল এবং ছিঁড়ে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে। চীনের বেশিরভাগ শহরাঞ্চল অত্যন্ত আর্দ্র, এবং দূষণের মাত্রা এখনও বেশ উচ্চ; এর ফলে চীনের অনেক নতুন সুন্দর ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যার বেশিরভাগই গত দুই দশকে নির্মিত। যেসব ভবন নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে তৈরি বলে প্রমাণিত হয়েছে – এবং এর মধ্যে কিছু আছে – সেগুলো আগেই ভেঙে পড়বে।

সেই সময়ে, চীনকে A) শহরগুলিকে নতুন দেখাতে ব্যয়বহুল রক্ষণাবেক্ষণ এবং পুনর্নির্মাণ, অথবা B) অর্থ সাশ্রয়ের জন্য পুরানো ভবনগুলিতে মেরামত এবং রঙ করার মধ্যে একটি বেছে নিতে হবে। জাপান আসলে প্রথমটি বেছে নেয়, যার কারণে এটি এখনও সুন্দর দেখাচ্ছে – কিন্তু এই চিরন্তন নির্মাণ এবং সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য সমাজের অনেক সম্পদ ব্যয় হয়। হংকং এবং তাইওয়ান দ্বিতীয়টি বেছে নিয়েছে, এবং ফলস্বরূপ, আজকাল লোকেরা যখন সেই শহরগুলিতে যায় তখন নির্মিত পরিবেশ সম্পর্কে অনেক কম আগ্রহী হয়।

আমি জানি বিদেশের কোনও শহরে যাওয়া, ভবনগুলো ঘুরে দেখা এবং আগামী হাজার বছর ধরে সভ্যতার আপেক্ষিক শক্তি সম্পর্কে বিশাল বিশাল রায় দেওয়া মজার। কিন্তু পরের বার যখন আপনি নিজেকে শেনজেন, চংকিং বা দুবাইতে একটি ঝলমলে নতুন উঁচু ভবনের দিকে তাকিয়ে দেখবেন, তখন নিজেকে মনে করিয়ে দিন: “এটিও কেটে যাবে।”

নরম শক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ – বিশ্ব সংস্কৃতির রূপান্তরের ক্ষেত্রে – চীন এখনও এটি করতে পারেনি। তাদের সেন্সরশিপ ব্যবস্থা – তাদের কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থার একটি অপরিহার্য অংশ – ক্রমাগত চীনা সৃজনশীলদের বাধাগ্রস্ত করছে বা বাধা দিচ্ছে। চীন যত ধনী হবে, তার জনগণ বিনোদনের জন্য আরও বেশি ব্যয় করবে এবং বিনোদন শিল্পের আবির্ভাব ঘটবে। কিন্তু আমার সন্দেহ এই সেন্সরশিপ কেবল সত্যিকারের গভীর এবং সৃজনশীল শিল্পকর্মের উত্থানকেই বাধাগ্রস্ত করবে না, বরং জনপ্রিয় বিনোদনের নতুন সৃজনশীল রূপগুলির উত্থানকেও বাধাগ্রস্ত করবে।

বিংশ শতাব্দীর আমেরিকা 3D অ্যানিমেটেড শিশুদের চলচ্চিত্র এবং তৃতীয়-ব্যক্তি অ্যাকশন-অ্যাডভেঞ্চার ভিডিও গেম আবিষ্কার করেছিল; গত কয়েক বছরে চীনের দুটি সর্বাধিক বিখ্যাত সাংস্কৃতিক পণ্য হল একটি 3D অ্যানিমেটেড শিশুদের চলচ্চিত্র এবং একটি তৃতীয়-ব্যক্তি অ্যাকশন-অ্যাডভেঞ্চার ভিডিও গেম। এবং এখনও পর্যন্ত, বিশ্বব্যাপী আবেদন অধরা; সিনোফিউচারিস্টরা যারা এই সত্যটি প্রচার করেছিলেন যে নে ঝা 2 যেকোনো ডিজনি চলচ্চিত্রের চেয়ে বক্স অফিসে বেশি আয় করেছে, তারা উল্লেখ করতে ব্যর্থ হয়েছেন যে এই আয়ের 98% এরও বেশি চীনের অভ্যন্তরে অর্জিত হয়েছিল।

চীনের প্রযুক্তিগত ভবিষ্যতবাদের ক্ষেত্রে, আমার আরও আত্মবিশ্বাস রয়েছে। বৈদ্যুতিক যুগের মূল প্রযুক্তি – ব্যাটারি এবং মোটর – এর উপর চীনের আধিপত্য বিস্ময়কর সৃষ্টি করতে থাকবে, বিশেষ করে কারণ আমেরিকা সাংস্কৃতিক কারণে স্বেচ্ছায় এই প্রযুক্তিতে নেতৃত্ব ত্যাগ করেছে।

ব্যক্তিগত বিমান ট্যাক্সি, অতি-দ্রুত গাড়ি চার্জার এবং উল্টাতে পারে এমন হিউম্যানয়েড রোবটগুলি চীন থেকে আসা শেষ হুইজ-ব্যাং গ্যাজেট নয়। চীনের উদ্ভাবন কেবল বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। এবং চীনের বিশাল গবেষণা ব্যয়ের উচ্ছ্বাস, আমেরিকান বিজ্ঞান তহবিলে ট্রাম্পের গভীর কাটছাঁটের অর্থ হল চীনা বৈজ্ঞানিক শ্রেষ্ঠত্বের জন্য ভবিষ্যত কখনও উজ্জ্বল দেখা যায়নি।

কিন্তু এখানেও, আমি এক বা দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে পরিকল্পনা করার ব্যাপারে সতর্ক থাকব। বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি যে পরিমাণে মানব পুঁজির উপর নির্ভর করে, ২০৪০-এর দশকের শেষের দিকে চীনের জন্য কঠিন সময় শুরু হবে। বৃহৎ “আলফা” প্রজন্ম সিস্টেমের মধ্য দিয়ে কাজ করার পর, জনসংখ্যা অবিরামভাবে হ্রাস পাবে:

(অবশ্যই, AI গবেষকরা মানুষের স্থান নিতে পারেন, কিন্তু সেই মুহূর্তে চীনের মৌলিক সুবিধা – প্রতিভাবান প্রকৌশলী এবং বিজ্ঞানীদের অবিশ্বাস্যভাবে বিশাল জনসংখ্যা – কম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে শুরু করে।)

এছাড়াও, চীনের প্রযুক্তিগত নেতৃত্বের বেশিরভাগ অংশেরই একটি অন্ধকার দিক রয়েছে। সমস্ত পর্যটক বৈদ্যুতিক গাড়ি এবং উচ্চ-গতির ট্রেন পছন্দ করেন। কিন্তু ইলেকট্রনিক নজরদারিতেও চীন বিশ্বে শীর্ষস্থানীয়, যেখানে তারা মূলত তাদের পুরো দেশকে একটি প্যানোপটিকনে পরিণত করেছে।

চীন ভিন্নমত দমন করার জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করে, এবং AI সেই কাজটিকে সহজ করে তুলবে। চীনের সরকার বিশ্বের অন্যান্য সমাজে মতবিরোধ ছড়িয়ে দিতে এবং ঘৃণা জাগানোর জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করার আগ্রহ দেখিয়েছে, আমি আশা করি AI এটিকে আরও সহজ করে তুলবে।

এটি কি আমাদের আশা করার মতো ভবিষ্যতের জন্য উপযুক্ত? আমরা কি সত্যিই আমাদের ভিন্নমত প্রকাশের অধিকার এবং আমাদের গোপনীয়তার শেষ টুকরোটি একটি বিমান ট্যাক্সিতে চড়ার জন্য এবং আমাদের দরজায় একটি ডেলিভারি রোবটের জন্য বিনিময় করব? বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রযাত্রার জন্য কেন আমরা অপেক্ষা করব যদি এটি মানবতার জনসাধারণকে তাদের পছন্দ মতো জীবনযাপন করার ক্ষমতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি না দেয়?

প্রযুক্তিগত উপকরণ, যার উদ্দেশ্য হলো আমাকে, আমার পরিবারকে এবং আমার বন্ধুদের দাস করে রাখা, তা অবশ্যই এক ধরণের ভয়ঙ্কর বিস্ময় জাগিয়ে তোলে, কিন্তু আমি সেই বিজ্ঞান কল্পকাহিনী উপন্যাসটি পড়ার চেয়ে বরং এতে বেঁচে থাকার চেয়ে পড়ব।

শেষ পর্যন্ত, সিনোফিউচারিজমে এটিই অভাব রয়েছে – সম্মানের প্রতিশ্রুতি। মানুষ এখন ১৯৫০-এর দশকের আমেরিকান শহরতলির উপহাস করে, অথবা ভুল জায়গায় স্মৃতিচারণের বস্তু হিসেবে ব্যবহার করে। কিন্তু আপনি যদি সেই জীবনধারা – বাড়ি, গাড়ি, টিভি, টেলিফোন – দেখেন, তাহলে আপনি এমন একটি জীবনধারার বীজ দেখতে পাবেন যা এত আকর্ষণীয় এবং এত মুক্ত যে এটি অবশেষে বিশ্বব্যাপী মানদণ্ডে পরিণত হবে।

এই মুহূর্তে, চীন ভ্রমণের জন্য একটি সুন্দর জায়গা, কিন্তু সিনোফিউচারিস্টরা যারা তার নিয়ন শহর এবং এর দুর্দান্ত প্রযুক্তি নিয়ে উচ্ছ্বসিত, তারা সেখানে যেতে উল্লেখযোগ্য অনিচ্ছা প্রদর্শন করে।

নোট
১ মজার বিষয় হল, ১৯৭০-এর দশকের তেলের ধাক্কার পরে এবং আবার ১৯৯০-এর দশকের রিয়েল এস্টেট ধসের পরে জাপান যখন তার বৃদ্ধি ধীর করে দেয় তখন কিছুটা অনুরূপ কিছু করেছিল। শিল্প নীতি মন্ত্রণালয়, MITI, সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে দেশটিকে ভারী ও রাসায়নিক শিল্প থেকে জ্ঞান-নিবিড় শিল্পে স্থানান্তরিত করতে হবে, যার মধ্যে রয়েছে ইলেকট্রনিক্স, কম্পিউটার ইত্যাদি।

এটি কিছুটা সফল হয়েছিল – ৮০, ৯০ এবং ২০০০ এর গোড়ার দিকে আমাদের মুগ্ধ করে এমন ভবিষ্যতবাদী জাপানি জিনিসপত্রের একটি শালীন পরিমাণ ছিল এই ধাক্কার ফলাফল, অথবা বেসরকারি খাতে সমান্তরাল প্রচেষ্টার ফলাফল। এটি সম্ভবত উইলিয়াম গিবসনের জাপান-নেতৃত্বাধীন সাইবারপাঙ্ক ভবিষ্যতের দৃষ্টিভঙ্গির দিকে পরিচালিত করেছিল। কিন্তু যদিও উচ্চ-প্রযুক্তির উৎপাদনের ধাক্কা জাপানকে দীর্ঘ সময়ের জন্য বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তিগত সীমান্তে রাখার জন্য যথেষ্ট ছিল এবং জাপানের প্রবৃদ্ধিকে সামান্য গতি দিয়েছিল, জাপান কখনও তার ক্যাচ-আপ পর্যায়ে দেখা প্রবৃদ্ধির হারে ফিরে আসেনি।

২ চীনা সরকার iShowSpeed ​​কে অর্থ প্রদান করেছে বলে কিছু বিক্ষিপ্ত অভিযোগ রয়েছে। তার দল অভিযোগ অস্বীকার করে।

৩ আমরা জানি এটা সংস্কৃতি নয় কারণ চীনের অনিয়ন্ত্রিত “শহুরে গ্রাম” এবং হংকং, তাইওয়ান এবং সিঙ্গাপুরের মতো চীনা বংশোদ্ভূত স্থানগুলি অনেক বেশি ঘনত্ব এবং অনেক বেশি মিশ্র ব্যবহারের স্থান তৈরি করে, গাড়ির উপর কম নির্ভর করে।

৪ সিনোফিউচারিস্ট ভিসি ডেভিড গ্যালব্রেথ যে শিল্প প্রদর্শনীটিকে “মহান” হিসাবে বর্ণনা করেছেন তা হল একটি খালি ধূসর কংক্রিটের ঘূর্ণায়মান অংশ যা খালি আকাশের দিকে নির্দেশিত একটি খালি সাদা কংক্রিটের টানেলের নীচে অবস্থিত। এটি এমন এক ধরণের বর্বরতা যা হিপস্টার এবং সংস্কৃতির ক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা পশ্চিমে উপহাস করতে পছন্দ করে, কিন্তু যখন এটি একটি বিদেশী দেশ তখন হঠাৎ প্রশংসা করে। আবার, গ্যালব্রেথ ব্রিটিশ, তাই এই প্রদর্শনীটি আমেরিকানদের চেয়ে ব্রিটিশদের রুচির সাথে বেশি সঙ্গতিপূর্ণ হতে পারে।

৫ চীনের বিশাল উচ্চ-গতির রেল নেটওয়ার্ক বজায় রাখাও একটি অবিশ্বাস্য চ্যালেঞ্জ হবে (বিস্তারিত বুঝতে এই কেসি হ্যান্ডমার ব্লগ পোস্টটি পড়ুন)। যদি যাত্রী সংখ্যা সেকেন্ডারি লাইনেও খুব বেশি না থাকে, তাহলে চীনের HSR সম্ভবত একটি উল্লেখযোগ্য আর্থিক টানাপোড়েন হয়ে উঠবে।

Source: এশিয়া টাইমস
Share198Tweet124
Plugin Install : Subscribe Push Notification need OneSignal plugin to be installed.
BT

BT

Related Posts

মার্কিন
অর্থনীতি

মার্কিন আদালত রায় দিয়েছে ট্রাম্পের শুল্কক আংশিক অবৈধ

May 8, 2026

একটি মার্কিন বাণিজ্য আদালত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক কৌশলের ওপর...

Read moreDetails
পোপ

পোপ-রুবিও বৈঠকের পরেও ট্রাম্প-ভ্যাটিকান সম্পর্ক উন্নত হয়নি

May 8, 2026

মার্কিন ইরান যুদ্ধবিরতি বহাল রয়েছে, ট্রাম্প

May 8, 2026

5100 s cleveland ave suite 202 Ft Myers fl33907.

Phone- 239.666.1120.

mail-banglatimes360@gmail.com

সম্পাদক – বখতিয়ার রহমান

প্রকাশক – শাওন ফারহানা

নির্বাহী সম্পাদক – ফরিদ সুমন

  • ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    529 shares
    Share 212 Tweet 132
  • অস্ট্রেলিয়া আইএস-এর সঙ্গে যুক্ত দুই নারীকে আটক করেছে

    496 shares
    Share 198 Tweet 124

Copyright © 2021-2026. Banglatimes360

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password? Sign Up

Create New Account!

Fill the forms below to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
No Result
View All Result
  • Home
  • রাজনীতি
    • আইন-আদালত
  • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
    • যুদ্ধ
    • উত্তর- আমেরিকা
      • যুক্তরাষ্ট্র
    • এশিয়া
      • মধ্যপ্রাচ্য
    • ইউরোপ
    • অষ্ট্রেলিয়া
      • নিউজিল্যান্ড
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • আফ্রিকা
  • বিনোদন
    • সংগীত
  • খেলা
  • অনুসন্ধান
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • আবহাওয়া
  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি

Copyright © 2021-2026. Banglatimes360