অন্ধকারের বাণিজ্যের বিরুদ্ধে এক ছোট্ট প্রতিজ্ঞা।
“অন্ধকারে যারা ব্যবসা করে,
তারা আলোর ভয়ই সবচেয়ে বেশি পায়।”
এই সত্য আজ আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক।
বাংলার মাটিতে ধর্ম এখন আর শুধু আস্থার আশ্রয় নয়।
একে কেউ কেউ বানিয়ে ফেলেছে পুঁজির পণ্য, রাজনীতির রসদ, আর ভয় দেখানোর ব্যবসা। যার পৃষ্ঠপোষক এখন অবৈধ ইউনুস সরকার ও সেনা মদদ।
ধর্মের নাম করে তারা চালায় অন্ধকারের বাণিজ্য,
নৈতিকতার বুলি আওড়ে গিলে ফেলে ন্যায়ের বোধ।
বলে — “নো হাংকি পাংকি” —
কিন্তু তাদের মুখে ঝরে ভণ্ডামির মধু,
আর ভেতরে জেগে থাকে টাকার আগুন! —
এরা জানে,
অন্ধকারে মানুষ ভয় পায়,
আর ভয়কে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
তাই তারা আলোকে ঘৃণা করে,
প্রশ্নকে পাপ বানায়,
যুক্তিকে বলে “নাস্তিকতা” — যেন সেটাই অপরাধ!
তাদের ধর্ম একান্তই সুবিধার ধর্ম —
*ভোটের আগে পবিত্র,
*ভোটের পর প্রলোভনের!
নামাজ শেষে নোট গোনার!
আর মঞ্চে দাঁড়িয়ে ন্যায়বোধকে গিলে ফেলার ধর্ম।
—
জনগণের বিশ্বাস, সংগ্রাম আর সত্যকে
এরা টেনে আনে নিজেদের মঞ্চে
যেন আখেরে ঘর ভরাটের দোয়া।
কেউ বলে “জিহাদের গান”,
কেউ বলে “বিশ্বাস রক্ষা করো”,
কিন্তু সেই বিশ্বাসের মঞ্চেই
এরা সাজায় বাণিজ্যের প্রদর্শনী।
পৃষ্ঠপোষক ইউনুস গং ও উত্তর পাড়া। ভণ্ডামির অভিনয়ে কি রকম সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ষড়যন্ত্রে জাতিকে কুপোকাত করে ক্ষমতা দখল, নাটক আর নাটক চলছেই।
আল্লাহর নামে সকল মহাপ্রভুকে টেনে এনে
রাজনীতির চাবিকাঠি বানানো ওদের সংস্কৃতি,
প্রকৃত অর্থে ধর্ম নয় —
এটা এক ধরনের আধ্যাত্মিক প্রতারণা।
“ধর্ম কখনো কারও সম্পত্তি নয়, না হয়?
আর মিথ্যা কখনো স্থায়ী হয়? না হয়না! ”
তবু ইতিহাসের বুকে আলো কখনো নিভে যায়নি।
যে মানুষ একবার প্রতারণা চিনে ফেলে,
সে আর চুপ থাকে না।
এই জাতি বারবার প্রতারিত হলেও,
তার অন্তর এখনো জেগে আছে —
কারণ আলোর বীজ এই মাটিরই গভীরে রোপিত।
আজ তাই বলতে হয় — আলো আসবেই!
আসবে একে একে প্রতিটি ভণ্ড মুখোশ ছিঁড়ে ফেলতে,
আসবে সেই আলো,
যা ধর্মকে নয় — মানুষকে শ্রদ্ধা করবে।
যে আলোতে রাজনীতি হবে শুধুই সেবা ধর্মী,
বিশ্বাস হবে মুক্তির, আর ধর্ম হবে মানবতার অন্য নাম।
ভণ্ডদের সভা ভাঙবে,
মিথ্যার মসজিদের দেয়াল ধসে পড়বে —
কারণ আলো আসা মানে শুধু সূর্যোদয় নয়,
এটা এক জাতির আত্মার জাগরণ।
—
এ্যলবার্ট খান
লেখক ও
অনলাইন একটিভিস্ট









































