Friday, June 12, 2026
  • Login
  • Register
Banglatimes360
  • Home
    পোপ

    পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

    এল নিনো

    এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

    খার্গ দ্বীপ

    খার্গ দ্বীপ দখল করা মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত হানবে’

    আদ-দ্বীন

    আদ-দ্বীন হাসপাতাল, নবজাতক মৃত্যুর জন্য লাইসেন্স বাতিল

    বাজেটে

    বাজেটে দাম বাড়া কমার লিষ্টে আছে যেসব পণ্য

  • রাজনীতি
    পোপ

    পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

    খার্গ দ্বীপ

    খার্গ দ্বীপ দখল করা মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত হানবে’

    কংগ্রেসে

    কংগ্রেসে আইসিই ও বর্ডার পেট্রোল অর্থায়নের বিল পাস

    ইরান

    ইরান জর্ডান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা করেছে

    শি

    শি কিমের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্যে পৌঁছেছেন

    • আইন-আদালত
  • অর্থনীতি
    • All
    • বাণিজ্য
    বাজেটে

    বাজেটে দাম বাড়া কমার লিষ্টে আছে যেসব পণ্য

    করমুক্ত

    করমুক্ত আয় পৌনে ৪ লাখ টাকা, সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে

    ব্রাজিলের

    ব্রাজিলের কাঁধে ট্রাম্পের রাজনৈতিক শুল্ক

    এফএও

    এফএও জানিয়েছে মে মাসে বিশ্বজুড়ে খাদ্যের দাম কমেছে

    রানী

    রানী অ্যান্ড্রুকে বাণিজ্য দূত হিসেবে নিয়োগে চাপ দিয়েছিলেন

    শি

    শি ট্রাম্পের সঙ্গে সম্মেলনে বাণিজ্যের অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন

    • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
    আদ-দ্বীন

    আদ-দ্বীন হাসপাতাল, নবজাতক মৃত্যুর জন্য লাইসেন্স বাতিল

    বাজেটে

    বাজেটে দাম বাড়া কমার লিষ্টে আছে যেসব পণ্য

    করমুক্ত

    করমুক্ত আয় পৌনে ৪ লাখ টাকা, সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে

    অবৈধ

    অবৈধ টাকা বৈধ করার সুযোগ, প্রশ্ন করা যাবে না আয় নিয়ে

    মাথায়

    মাথায় ইট ছুঁড়ে মোটরসাইকেল ছিনতাই

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

  • বিশ্ব
    • All
    • আফ্রিকা
    • ইউরোপ
    • উত্তর- আমেরিকা
    • এশিয়া
    • ওশেনিয়া
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • ফ্লোরিডা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    পোপ

    পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

    এল নিনো

    এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

    খার্গ দ্বীপ

    খার্গ দ্বীপ দখল করা মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত হানবে’

    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

    • যুদ্ধ
    • উত্তর- আমেরিকা
      • যুক্তরাষ্ট্র
        • নিউইয়ার্ক
        • ফ্লোরিডা
    • এশিয়া
      • মধ্যপ্রাচ্য
    • ইউরোপ
    • অষ্ট্রেলিয়া
      • নিউজিল্যান্ড
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • আফ্রিকা
  • বিনোদন
    • All
    • সংগীত
    ভার্জিনিয়ার

    ভার্জিনিয়ার ফলস চার্জে ২৭ জুন বাঙ্গালী কমিউনিটির কন্সার্ট

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে এশিয়ান ফুড এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    ফোর্ট

    ফোর্ট ম্যায়ার্সে বাঙ্গালী কমিউনিটির বৈশাখী উৎসব

    বাংলা

    বাংলা নববর্ষ—ঐতিহ্যের আলোয় সম্প্রীতির শক্তি ও নতুন জীবনের অঙ্গীকার

    আশা ভোঁসলে

    আশা ভোঁসলে ভারতীয় গায়িকা ৯২ বছর বয়সে মারা গেলেন

    • সংগীত
  • খেলা
    মেক্সিকোর

    মেক্সিকোর বিশ্বকাপ আয়োজক মন্টেরের রূপান্তর

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    বিশ্বকাপের

    বিশ্বকাপের টিকিটধারীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে জামানত লাগবে না

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ ১১ রানে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল

  • অনুসন্ধান
    ইরানের

    ইরানের অর্থনৈতিক পতন ট্রাম্পের জন্য অনেক দেরি হয়ে যাবে

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ: সংকটময় রাষ্ট্র, গণতন্ত্রের অবসান

    চীন

    চীন মার্কিন আধিপত্য ভাঙতে পারমাণবিক বাহন বানাচ্ছে

    পূর্ব

    পূর্ব তার পশ্চিম দোভাষীদের দিকে ফিরে তাকাচ্ছে

    চীনের

    চীনের সকল বিষয়ে ট্রাম্পের অবনতির পেছনে ‘স্কুল চার্ট’ গণিত

    অভিবাসী

    অভিবাসী জার্মানির ভাগ্য বদলের প্রতিষেধক নয়

  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    শটওয়েল

    শটওয়েল, মাস্কের স্পেসএক্স উচ্চাভিলাষ বাস্তবায়নকারী

    মহাকাশ

    মহাকাশ স্টেশনের নভোচারী সরিয়ে নেওয়ার সতর্কতা প্রত্যাহার

    কৃষ্ণগহ্বর

    কৃষ্ণগহ্বর থেকে আসা বাতাস অবশেষে আবিষ্কৃত হলো

    বিশেষজ্ঞরা

    বিশেষজ্ঞরা ফড়িং জাতীয় নতুন প্রজাতি আবিষ্কার করেছেন

    শি

    শি জিনপিং-এর চিন্তা এগিয়ে নিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বাজি

  • আবহাওয়া
    এল নিনো

    এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

    ফিলিপাইনের

    ফিলিপাইনের ভূমিকম্পে ৩২ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে

    জাপানে

    জাপানে দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছেন

    তুষারপাত

    তুষারপাত ও ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে বহু বাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, ফ্লাইট বাতিল

    হিমশীতল

    হিমশীতল ঠান্ডা ও ভারী তুষারে ঢেকে যাবে আমেরিকা

    মরক্কো

    মরক্কো বৃষ্টিপাতের পর সাত বছরের খরার অবসান ঘোষণা করেছে

  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি
    • All
    • ভ্রমন

    পাঠ প্রতিক্রিয়া: কালের কঙ্কন

    কেন থামছে না দুর্ঘটনা? দৌলতদিয়ার ট্র্যাজেডি ও আমাদের বাস্তবতা

    বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ

    শিক্ষা

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুনঃভর্তি ফি নিতে পারবে না: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    জাতীয়

    জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে পাবনায় বক্তৃতা ও দেয়াল পত্রিকায় প্রথম সাঁথিয়ার অনিকা ও জেসমিন

    নানিয়ারচর

    নানিয়ারচর জোনের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ

    শারীরিক শিক্ষা

    শারীরিক শিক্ষা: সাধারণ শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য ভিত্তি

No Result
View All Result
  • Home
    পোপ

    পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

    এল নিনো

    এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

    খার্গ দ্বীপ

    খার্গ দ্বীপ দখল করা মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত হানবে’

    আদ-দ্বীন

    আদ-দ্বীন হাসপাতাল, নবজাতক মৃত্যুর জন্য লাইসেন্স বাতিল

    বাজেটে

    বাজেটে দাম বাড়া কমার লিষ্টে আছে যেসব পণ্য

  • রাজনীতি
    পোপ

    পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

    খার্গ দ্বীপ

    খার্গ দ্বীপ দখল করা মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত হানবে’

    কংগ্রেসে

    কংগ্রেসে আইসিই ও বর্ডার পেট্রোল অর্থায়নের বিল পাস

    ইরান

    ইরান জর্ডান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা করেছে

    শি

    শি কিমের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্যে পৌঁছেছেন

    • আইন-আদালত
  • অর্থনীতি
    • All
    • বাণিজ্য
    বাজেটে

    বাজেটে দাম বাড়া কমার লিষ্টে আছে যেসব পণ্য

    করমুক্ত

    করমুক্ত আয় পৌনে ৪ লাখ টাকা, সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে

    ব্রাজিলের

    ব্রাজিলের কাঁধে ট্রাম্পের রাজনৈতিক শুল্ক

    এফএও

    এফএও জানিয়েছে মে মাসে বিশ্বজুড়ে খাদ্যের দাম কমেছে

    রানী

    রানী অ্যান্ড্রুকে বাণিজ্য দূত হিসেবে নিয়োগে চাপ দিয়েছিলেন

    শি

    শি ট্রাম্পের সঙ্গে সম্মেলনে বাণিজ্যের অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন

    • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
    আদ-দ্বীন

    আদ-দ্বীন হাসপাতাল, নবজাতক মৃত্যুর জন্য লাইসেন্স বাতিল

    বাজেটে

    বাজেটে দাম বাড়া কমার লিষ্টে আছে যেসব পণ্য

    করমুক্ত

    করমুক্ত আয় পৌনে ৪ লাখ টাকা, সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে

    অবৈধ

    অবৈধ টাকা বৈধ করার সুযোগ, প্রশ্ন করা যাবে না আয় নিয়ে

    মাথায়

    মাথায় ইট ছুঁড়ে মোটরসাইকেল ছিনতাই

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

  • বিশ্ব
    • All
    • আফ্রিকা
    • ইউরোপ
    • উত্তর- আমেরিকা
    • এশিয়া
    • ওশেনিয়া
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • ফ্লোরিডা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    পোপ

    পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

    এল নিনো

    এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

    খার্গ দ্বীপ

    খার্গ দ্বীপ দখল করা মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত হানবে’

    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

    • যুদ্ধ
    • উত্তর- আমেরিকা
      • যুক্তরাষ্ট্র
        • নিউইয়ার্ক
        • ফ্লোরিডা
    • এশিয়া
      • মধ্যপ্রাচ্য
    • ইউরোপ
    • অষ্ট্রেলিয়া
      • নিউজিল্যান্ড
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • আফ্রিকা
  • বিনোদন
    • All
    • সংগীত
    ভার্জিনিয়ার

    ভার্জিনিয়ার ফলস চার্জে ২৭ জুন বাঙ্গালী কমিউনিটির কন্সার্ট

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে এশিয়ান ফুড এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    ফোর্ট

    ফোর্ট ম্যায়ার্সে বাঙ্গালী কমিউনিটির বৈশাখী উৎসব

    বাংলা

    বাংলা নববর্ষ—ঐতিহ্যের আলোয় সম্প্রীতির শক্তি ও নতুন জীবনের অঙ্গীকার

    আশা ভোঁসলে

    আশা ভোঁসলে ভারতীয় গায়িকা ৯২ বছর বয়সে মারা গেলেন

    • সংগীত
  • খেলা
    মেক্সিকোর

    মেক্সিকোর বিশ্বকাপ আয়োজক মন্টেরের রূপান্তর

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    বিশ্বকাপের

    বিশ্বকাপের টিকিটধারীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে জামানত লাগবে না

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ ১১ রানে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল

  • অনুসন্ধান
    ইরানের

    ইরানের অর্থনৈতিক পতন ট্রাম্পের জন্য অনেক দেরি হয়ে যাবে

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ: সংকটময় রাষ্ট্র, গণতন্ত্রের অবসান

    চীন

    চীন মার্কিন আধিপত্য ভাঙতে পারমাণবিক বাহন বানাচ্ছে

    পূর্ব

    পূর্ব তার পশ্চিম দোভাষীদের দিকে ফিরে তাকাচ্ছে

    চীনের

    চীনের সকল বিষয়ে ট্রাম্পের অবনতির পেছনে ‘স্কুল চার্ট’ গণিত

    অভিবাসী

    অভিবাসী জার্মানির ভাগ্য বদলের প্রতিষেধক নয়

  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    শটওয়েল

    শটওয়েল, মাস্কের স্পেসএক্স উচ্চাভিলাষ বাস্তবায়নকারী

    মহাকাশ

    মহাকাশ স্টেশনের নভোচারী সরিয়ে নেওয়ার সতর্কতা প্রত্যাহার

    কৃষ্ণগহ্বর

    কৃষ্ণগহ্বর থেকে আসা বাতাস অবশেষে আবিষ্কৃত হলো

    বিশেষজ্ঞরা

    বিশেষজ্ঞরা ফড়িং জাতীয় নতুন প্রজাতি আবিষ্কার করেছেন

    শি

    শি জিনপিং-এর চিন্তা এগিয়ে নিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বাজি

  • আবহাওয়া
    এল নিনো

    এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

    ফিলিপাইনের

    ফিলিপাইনের ভূমিকম্পে ৩২ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে

    জাপানে

    জাপানে দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছেন

    তুষারপাত

    তুষারপাত ও ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে বহু বাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, ফ্লাইট বাতিল

    হিমশীতল

    হিমশীতল ঠান্ডা ও ভারী তুষারে ঢেকে যাবে আমেরিকা

    মরক্কো

    মরক্কো বৃষ্টিপাতের পর সাত বছরের খরার অবসান ঘোষণা করেছে

  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি
    • All
    • ভ্রমন

    পাঠ প্রতিক্রিয়া: কালের কঙ্কন

    কেন থামছে না দুর্ঘটনা? দৌলতদিয়ার ট্র্যাজেডি ও আমাদের বাস্তবতা

    বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ

    শিক্ষা

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুনঃভর্তি ফি নিতে পারবে না: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    জাতীয়

    জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে পাবনায় বক্তৃতা ও দেয়াল পত্রিকায় প্রথম সাঁথিয়ার অনিকা ও জেসমিন

    নানিয়ারচর

    নানিয়ারচর জোনের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ

    শারীরিক শিক্ষা

    শারীরিক শিক্ষা: সাধারণ শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য ভিত্তি

No Result
View All Result
Banglatimes360
No Result
View All Result
Home বিশ্ব এশিয়া

জাপান পারমাণবিক অস্ত্র সম্পর্কে ভাবছে ট্রাম্পের ধাক্কার পরে

টিম কেলি, জন গেডি, জু-মিন পার্ক, জয়েস লি, জোশ স্মিথ এবং ডেভিড লাগ

August 20, 2025
251 2
A A
0
জাপান

এপ্রিলের শেষের দিকে শিক্ষার্থীরা হিরোশিমার শান্তি স্মৃতি উদ্যানে অবস্থিত পারমাণবিক বোমা গম্বুজ পরিদর্শন করে। জাপানের মনোভাব দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে প্রচলিত ঐতিহ্যবাহী শান্তিবাদী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সরে আসছে। রয়টার্স/কিম কিউং-হুন

Share on FacebookShare on Twitter

জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় দীর্ঘদিনের আমেরিকান নিরাপত্তা গ্যারান্টির নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে উদ্বেগ আরও তীব্র হচ্ছে। ঐতিহ্যবাহী মার্কিন মিত্রদের প্রতি ট্রাম্পের কঠোর আচরণের ফলে এটি তীব্র আকার ধারণ করেছে, যার ফলে টোকিও এবং সিউলের কিছু মানুষ তাদের অ-পারমাণবিক নীতি পুনর্মূল্যায়নের আহ্বান জানিয়েছে।

লন্ডনের বাইরে ১৮ শতকের একটি জর্জিয়ান ম্যানর হাউসে জাপানি আইনপ্রণেতা রুই মাতসুকাওয়া তার দেশকে রক্ষা করার জন্য আমেরিকার প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে গুরুতর সন্দেহ পোষণ করতে শুরু করেছিলেন।

প্রাক্তন উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাতসুকাওয়া মার্চ মাসে একটি উচ্চ-স্তরের দ্বিপাক্ষিক সম্মেলনের জন্য ঐতিহাসিক ফোর্ডহ্যাম অ্যাবেতে ভ্রমণ করেছিলেন। বর্তমানে জাপানের মালিকানাধীন সেক ব্রিউয়ারি অবস্থিত এই এস্টেটে, তিনি বলেছিলেন তিনি ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা, কূটনীতিক এবং ব্যবসায়ী নেতাদের কাছ থেকে শিখেছেন যে তাদের চিন্তাভাবনায় একটি টেকটোনিক পরিবর্তন ঘটছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে আমেরিকার ইউরোপীয় মিত্রদের তিরস্কার করছেন এবং রাশিয়ার দিকে ঝুঁকছেন। এবং ইউরোপ “জাগ্রত হয়েছে”, তিনি বলেন, এই সত্যের জন্য যে তারা আর আমেরিকার উপর এত বেশি নির্ভর করতে পারে না এবং তাদের নিরাপত্তার জন্য আরও বেশি দায়িত্ব নিতে হবে।


ট্রাম্প ইউক্রেন শান্তি চুক্তি সমর্থনে বিমান সহায়তা দিতে পারে


তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে জাপানের ক্ষেত্রেও এটি সত্য, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী মার্কিন সেনাদের বৃহত্তম বিদেশী দল রয়েছে। “আপনি আসলে মার্কিন উপস্থিতিকে হালকাভাবে নিতে পারবেন না,” ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রভাবশালী জাতীয় নিরাপত্তা নীতি কাউন্সিলের সদস্য মাতসুকাওয়া বলেন।

মাতসুকাওয়া জাপানের জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতাদের একটি দলের অংশ যারা পারমাণবিক বোমা হামলার শিকার একমাত্র দেশটিতে অকল্পনীয় কিছু ভাবতে শুরু করেছেন: পারমাণবিক অস্ত্রধারী প্রতিবেশী চীন, উত্তর কোরিয়া এবং রাশিয়া দ্বারা বেষ্টিত, জাপানকেও গণবিধ্বংসী অস্ত্র মোতায়েন করতে হতে পারে।

জাপান
ক্ষমতাসীন দলের আইনপ্রণেতা রুই মাতসুকাওয়া বিশ্বাস করেন যে জাপানকে পারমাণবিক অস্ত্র ভাগাভাগির সম্ভাবনার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে, যা তার মতো একটি অ-পারমাণবিক রাষ্ট্রকে পারমাণবিক অস্ত্রের পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ এবং ব্যবহারে অংশগ্রহণের সুযোগ দেবে। রয়টার্স/কিম কিউং-হুন

“ট্রাম্প এতটাই অপ্রত্যাশিত, যা হয়তো তার শক্তি, কিন্তু আমার মনে হয় আমাদের সবসময় পরিকল্পনা বি সম্পর্কে ভাবতে হবে,” মাতসুকাওয়া তার টোকিও অফিসে এক সাক্ষাৎকারে বলেন। “পরিকল্পনা বি হলো হয়তো স্বাধীন হওয়া, তারপর পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করা,” তিনি আরও বলেন, জাপানের আমেরিকান নিরাপত্তা গ্যারান্টির উপর নির্ভরতা কমানোর সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিচ্ছে।

ট্রাম্পের ধাক্কা প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়াতেও প্রতিধ্বনিত হচ্ছে, যা বর্তমানে জাপানের মতো মার্কিন পারমাণবিক ছাতার আওতায় সুরক্ষিত। জরিপে দেখা গেছে, দক্ষিণ কোরিয়ার ৭৫% জনসাধারণ দেশটির নিজস্ব পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পক্ষে। জুনে বামপন্থী প্রেসিডেন্ট লি জে মিউংয়ের নির্বাচন সিউলে পারমাণবিক অস্ত্রের বিষয়ে যে স্পষ্ট আলোচনা চলছে, তা কিছুটা ম্লান করে দিয়েছে। কিন্তু তার ডেমোক্র্যাটিক পার্টির কেউ কেউ ক্রমবর্ধমানভাবে বুঝতে পারছেন যে, যদি মার্কিন নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি ব্যর্থ হয়, তাহলে “পারমাণবিক বিলম্ব” অর্জন করা – দ্রুত ব্যবহারযোগ্য পারমাণবিক অস্ত্রাগার তৈরির উপায় থাকা।

জাপানে নিজস্ব দেশীয় পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য সমর্থন কম। উদাহরণস্বরূপ, মাতসুকাওয়া জোর দিয়ে বলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ মিত্র এবং তিনি বলেন যে টোকিওর ট্রাম্প প্রশাসনকে বোঝাতে হবে যে তার দেশকে রক্ষা করা এবং তাইওয়ানের উপর সঙ্কট রোধ করা আমেরিকার স্বার্থে।

কিন্তু এক ডজন জাপানি আইন প্রণেতা, সরকারি কর্মকর্তা এবং প্রাক্তন ঊর্ধ্বতন সামরিক ব্যক্তিত্বের সাক্ষাৎকার থেকে জানা যায় যে জাপানের দশকের পুরনো অঙ্গীকার, যা ১৯৬৭ সালে প্রণীত হয়েছিল, “তিনটি অ-পারমাণবিক নীতি” নামে পরিচিত, শিথিল করার ইচ্ছা ক্রমবর্ধমান।

জাপানি জনসাধারণের মধ্যেও, মতামত জরিপগুলি পারমাণবিক অবস্থান পুনর্বিবেচনার জন্য আরও বেশি প্রস্তুতি দেখায়। হিরোশিমার বাসিন্দা তাতসুকি তাকাহাশি, যার দাদা শহরে পারমাণবিক বোমা হামলায় বেঁচে গিয়েছিলেন, তিনি রয়টার্সকে বলেছেন অতীতের ট্র্যাজেডি আরও দূরবর্তী হওয়ার সাথে সাথে এই বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তিত হচ্ছে।

জাপান
২০১৯ সালে জাপানের ইয়োকোসুকায় উভচর আক্রমণকারী জাহাজ ইউএসএস ওয়াস্পে সৈন্যদের অভিবাদন জানাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প। ন্যাটোর প্রতি ওয়াশিংটনের প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে ট্রাম্পের সন্দেহের বীজ বপন এবং ঐতিহ্যবাহী আমেরিকান মিত্রদের উপর শুল্ক আরোপের ফলে জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কিছু লোক আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে, যারা এখন মার্কিন নিরাপত্তা গ্যারান্টির নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে ভাবছেন। রয়টার্স/জোনাথন আর্নস্ট
জাপান
২০১৯ সালে জাপানের ইয়োকোসুকার একটি সামরিক ঘাঁটিতে মার্কিন সেনারা রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প এবং ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের ছবি তুলছে। মিত্রদের প্রতি আমেরিকার প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রশ্ন উঠার সাথে সাথে, ট্রাম্প এবং তার জাতীয় নিরাপত্তা সহযোগীরা বারবার বলেছেন যে তারা এশিয়ায় মার্কিন মিত্রদের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। REUTERS/Athit Perawongmetha/Pool

প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকার দশকের পর দশক ধরে আধিপত্য বিস্তারের মূল স্তম্ভ জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মনোভাবের পরিবর্তনের কারণ হিসেবে ওয়াশিংটনের তাদের নিরাপত্তার প্রতি অঙ্গীকারের প্রতি মার্কিন মিত্রদের ক্রমবর্ধমান বিশ্বাসের অভাব, বিশেষ করে সংঘাতে আমেরিকা তাদের সাহায্য করবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।

আমেরিকা-ফার্স্ট প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্পের নির্বাচন এবং আমেরিকার ঐতিহ্যবাহী মিত্রদের প্রত্যাখ্যান এই উদ্বেগগুলিকে আরও তীব্র করে তুলেছে, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার আইন প্রণেতা এবং কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎকারে দেখা গেছে। ন্যাটোর প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সমর্থন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার উপর শুল্ক আরোপ এবং কানাডাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার কথা নিয়ে রাষ্ট্রপতির সন্দেহের বীজ বপন আমেরিকার দীর্ঘদিনের অনেক মিত্রকে আতঙ্কিত করে তুলেছে।

হোয়াইট হাউস মন্তব্যের অনুরোধের জবাব দেয়নি, তবে ট্রাম্প প্রশাসনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি “মার্কিন নীতিতে কোনও পরিবর্তন হয়নি”। ট্রাম্প এবং তার জ্যেষ্ঠ জাতীয় নিরাপত্তা সহযোগীরা বারবার এশিয়ার মিত্রদের প্রতি তাদের অঙ্গীকারের উপর জোর দিয়েছেন।

জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে সরকার দ্বিপাক্ষিক জোটের প্রতি ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতিশ্রুতিকে “অটল” বলে মনে করে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে জাপান “পারমাণবিক শক্তি সহ সকল ধরণের সক্ষমতা ব্যবহার করে আমেরিকার বাধ্যবাধকতা পূরণের উপর পূর্ণ আস্থা রাখে।”

দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে আমেরিকার সাথে তাদের কয়েক দশকের পুরনো জোট “আমাদের কূটনীতির ভিত্তি এবং কোরীয় উপদ্বীপে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।”

জাপান
১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট সকাল ৮:১৫ মিনিটে হিরোশিমার পারমাণবিক বোমা গম্বুজের একটি দৃশ্য যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রথম পারমাণবিক বোমা ফেলেছিল। জাপান, যা সাম্প্রতিক বছরগুলিতে যুদ্ধ-পরবর্তী শান্তিবাদী অবস্থান থেকে সরে আসছে, সেখানে তার ঐতিহ্যবাহী অ-পারমাণবিক নীতিতে পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা আর নিষিদ্ধ নয়। রয়টার্স/কিম কিউং-হুন।

আমার মনে হয় জাপানে মার্কিন পারমাণবিক অস্ত্র প্রবেশের অনুমতি দেওয়া অনিবার্য হতে পারে, কারণ এটি প্রতিরোধের একটি উপায়।

হিরোশিমার বাসিন্দা তাতসুয়াকি তাকাহাশি, যার দাদা যখন শহরে বোমা ফেলা হয়েছিল তখন তার বয়স ছিল চার বছর।

চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে তারা “চীনের নাম বদনাম ও বদনাম করার এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্ত করার জন্য তথাকথিত ‘চীনা পারমাণবিক হুমকি’ প্রচারের যেকোনো প্রচেষ্টার বিরোধিতা করে।” মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে চীন “প্রথমে ব্যবহার না করার নীতি” মেনে চলছে – “পারমাণবিক অস্ত্রবিহীন রাষ্ট্র বা পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত অঞ্চলের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার বা ব্যবহারের হুমকি না দেওয়া।”

পারমাণবিক অস্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল
টোকিও, যা সাম্প্রতিক বছরগুলিতে তার সামরিক সক্ষমতা পুনর্নির্মাণের জন্য যুদ্ধোত্তর শান্তিবাদ থেকে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছে, তাদের জন্য পারমাণবিক প্রশ্নই চূড়ান্ত নিরাপত্তা নিষেধাজ্ঞা।

আশি বছর আগে এই মাসে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে হিরোশিমা এবং নাগাসাকি পারমাণবিক বোমায় বিধ্বস্ত হয়েছিল। জাপান যুদ্ধ ত্যাগ করে এবং অন্য দেশগুলিতে আক্রমণ করার জন্য কখনও সামরিক উপায় না রাখার প্রতিশ্রুতি দেয়। এটি পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের একজন সোচ্চার সমর্থকও হয়ে ওঠে।

প্রধানমন্ত্রী এইসাকু সাতো, যিনি তিনটি পারমাণবিক নীতি প্রণয়ন করেছিলেন, এই নীতিগত অর্জন এবং পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য ১৯৭৪ সালে নোবেল শান্তি পুরষ্কার পেয়েছিলেন। গত বছর, পারমাণবিক বোমা হামলায় বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি সংস্থা, নিহন হিডানকিও, এই পুরষ্কার জিতেছিল।

এখন পর্যন্ত, জাপান আধুনিক দিনের হুমকি প্রতিরোধের জন্য মার্কিন পারমাণবিক অস্ত্রের উপর নির্ভর করে আসছে, যা একসময় নাগাসাকি এবং হিরোশিমাকে ধ্বংস করেছিল। “বর্ধিত প্রতিরোধ” নামক একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থায়, ওয়াশিংটন জাপান এবং অন্যান্য মিত্রদের রক্ষা করার জন্য পারমাণবিক সহ তার সামরিক ক্ষমতার সম্পূর্ণ পরিসর ব্যবহার করার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তবে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, টোকিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এই ব্যবস্থার উপর দ্বি-বার্ষিক রুদ্ধদ্বার আলোচনায় আরও দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করতে শুরু করেছে, রয়টার্স জেনেছে। আলোচনার সাথে সরাসরি পরিচিত দুই প্রাক্তন মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, টোকিও কীভাবে তার প্রচলিত সামরিক বাহিনী কোনও সংঘাতে মার্কিন পারমাণবিক বাহিনীকে কার্যত সহায়তা করতে পারে সে বিষয়ে গভীরভাবে গবেষণা করছে।

এর মধ্যে রয়েছে জাপানের নতুন, দীর্ঘ পাল্লার “পাল্টা আক্রমণ” ক্ষেপণাস্ত্র অর্জনের চলমান প্রচেষ্টা কীভাবে পারমাণবিক সংঘাতকে প্রতিরোধ বা সহায়তা করার জন্য শত্রু উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্মগুলিকে ধ্বংস করতে পারে তা নিয়ে আলোচনা, দুই কর্মকর্তা বলেছেন। আলোচনার সংবেদনশীলতার কারণে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা কথা বলেছেন।

উভয় পক্ষই জাপানের নজরদারি এবং গোয়েন্দা ব্যবস্থা কীভাবে মার্কিন পারমাণবিক মিশনকে সমর্থন করতে পারে তাও অনুসন্ধান করেছে এবং পারমাণবিক জরুরি পরিস্থিতিতে দুই সরকার এবং সামরিক বাহিনী কীভাবে সমন্বয় করবে তার জন্য একটি রোডম্যাপ তৈরি করেছে, প্রাক্তন কর্মকর্তারা আরও যোগ করেছেন।

জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আলোচনার বিবরণ সম্পর্কে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে জাপান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র “বর্ধিত প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করার জন্য কাজ করছে”, তবে আরও মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি আমেরিকার “বর্ধিত প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রতিশ্রুতি” “আঁকা”।

মাতসুকাওয়া এবং দলের আরও চারজন জ্যেষ্ঠ সদস্যের সাক্ষাৎকার অনুসারে, জাপানের ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির আইনপ্রণেতারা এখন বিবেচনা করছেন তারা কীভাবে পারমাণবিক ছাতার বিশ্বাসযোগ্যতাকে শক্তিশালী করতে পারেন। তারা পরামর্শ দিয়েছেন মার্কিন পারমাণবিক অস্ত্র জাপানি ভূখণ্ডে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার জন্য অ-পারমাণবিক নীতিগুলি সংশোধন বা পুনর্ব্যাখ্যা করা যেতে পারে, উল্লেখ করে যে নীতিগুলি আইনে নির্ধারিত বা আইনত বাধ্যতামূলক নয়। মাতসুকাওয়া বলেন, ২০২৩ সালের জুলাই মাসে দক্ষিণ কোরিয়ায় পারমাণবিক অস্ত্র বহনের জন্য ডিজাইন করা একটি মার্কিন সাবমেরিনের ব্যাপক প্রচারিত সফর জাপানের প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করার জন্য একটি উদাহরণ তৈরি করেছে।

জাপান
টোকিওর কিছু আইনপ্রণেতা বলছেন জাপানের উচিত মার্কিন পারমাণবিক অস্ত্র জাপানি ভূখণ্ডে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার জন্য তার অ-পারমাণবিক নীতিগুলি সংশোধন করা – যেমন ২০২৩ সালের জুলাই মাসে বুসানে দক্ষিণ কোরিয়ার নৌঘাঁটিতে ইউএসএস কেনটাকির সফর। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ইউন সুক ইওল ঘাঁটিতে পরিদর্শনের সময় একটি বক্তৃতা দিচ্ছেন, যখন তিনি পারমাণবিক অস্ত্র বহনের জন্য ডিজাইন করা ব্যালিস্টিক-ক্ষেপণাস্ত্র সাবমেরিনের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন। মার্কিন নৌবাহিনী/গণযোগাযোগ বিশেষজ্ঞ প্রথম শ্রেণীর মাইকেল চেন/হ্যান্ডআউট REUTERS এর মাধ্যমে

মাতসুকাওয়া এবং তিনজন প্রাক্তন জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার বলেছেন টোকিওরও পারমাণবিক অস্ত্র ভাগাভাগির সম্ভাবনার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া উচিত, এমন একটি ধারণা যা পারমাণবিক অস্ত্রবিহীন রাষ্ট্রগুলিকে তার পারমাণবিক অস্ত্রবিশিষ্ট মিত্রদের সাথে পারমাণবিক অস্ত্র পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ এবং ব্যবহারে অংশগ্রহণের অনুমতি দেয়।

উদাহরণস্বরূপ, বেলজিয়াম, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস এবং তুরস্ক ন্যাটোর পারমাণবিক অস্ত্র ভাগাভাগি কৌশলের অংশ হিসাবে তাদের মাটিতে মার্কিন পারমাণবিক অস্ত্রের আতিথেয়তা করে আসছে। পারমাণবিক যুদ্ধের ক্ষেত্রে, এই পারমাণবিক অস্ত্রবিশিষ্ট রাষ্ট্রগুলি তাদের নিজস্ব বিমান ব্যবহার করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে লক্ষ্যবস্তুতে সেই অস্ত্র সরবরাহ করতে পারে। দায়িত্ব গ্রহণের আগে, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা ন্যাটোর একটি এশিয়ান সংস্করণের পক্ষে ছিলেন যাতে পারমাণবিক অস্ত্র ভাগাভাগি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি প্রশ্নের জবাবে বলেছে জাপানের পারমাণবিক অস্ত্রবিশিষ্ট নীতিগুলি সংশোধন করার “কোন ইচ্ছা নেই”। তবে ইশিবা দলটিকে “এশিয়ায় জাপানের ভবিষ্যত নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরীক্ষা করার” নির্দেশ দিয়েছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে সরকার “পারমাণবিক অস্ত্র ভাগাভাগি অনুমোদনযোগ্য বলে মনে করে না।” জাপান বলেছে, “পারমাণবিক অস্ত্র রাখবে না।” ইশিবার অফিস জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিক্রিয়াগুলি তার মতামতের প্রতিনিধিত্ব করে।

আত্মবিশ্বাস শেকেন
আমেরিকান নিরাপত্তা গ্যারান্টির নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ ট্রাম্পের সাথে শুরু হয়নি।

২০১৩ সাল থেকে দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কিত অঞ্চলে চীনা দ্বীপ নির্মাণ এবং পুনরুদ্ধারের বিষয়ে যখন ওবামা প্রশাসন কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি, তখন বেইজিংয়ের সাথে সংঘর্ষের জন্য ওয়াশিংটনের পেট নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, ক্ষমতাসীন দলের আইনপ্রণেতা তারো কোনো বলেন, যিনি পূর্বে পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন।

রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করার পর, রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন কিয়েভে কয়েক বিলিয়ন ডলার সামরিক সহায়তা পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু বাইডেন আরও বলেছিলেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের উপর ভিত্তি করে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে লড়াই করবে না।

বাইডেন প্রশাসনের ইউক্রেন নীতি টোকিও এবং সিউলের রাজনৈতিক ও সামরিক কৌশলবিদদের বিচলিত করেছে। রাশিয়া বারবার যুদ্ধে বাইরের হস্তক্ষেপ সীমিত করার জন্য পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুমকি দিয়েছে। “এই পারমাণবিক হুমকির আপাত সাফল্য তার মিত্রদের রক্ষা করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তুতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে,” বলেছেন অবসরপ্রাপ্ত অ্যাডমিরাল তোমোহিসা তাকেই, যিনি ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত জাপানের নৌবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

“ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার আশঙ্কায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে যে ধরণের অস্ত্র সরবরাহ করেছিল এবং কী ধরণের অস্ত্র সরবরাহ করেছিল সে সম্পর্কেও সতর্ক হয়ে উঠেছে,” তাকেই বলেন। “আমি বিশ্বাস করি যে মার্কিন পারমাণবিক ছাতার অধীনে থাকা দেশগুলির জন্য বর্ধিত প্রতিরোধের বিশ্বাসযোগ্যতা উল্লেখযোগ্যভাবে নড়ে উঠেছে।”

দক্ষিণ কোরিয়ার অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা সং সিওং-জং বলেছেন ইউক্রেনের পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করার পর তার ভাগ্য একটি সতর্কতা হিসেবে কাজ করেছে। “আপনি কি মনে করেন ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য পারমাণবিক অস্ত্র দিয়ে প্রতিশোধ নেবেন?” তিনি উত্তর কোরিয়ার সাথে সম্ভাব্য সংঘাতের কথা উল্লেখ করে বলেন।

সং মনে করেন না ট্রাম্প তা করবেন। “এটি একটি অসুবিধাজনক সত্য,” তিনি বলেন।

ট্রাম্প এবং শীর্ষ প্রশাসনের কর্মকর্তারা বারবার জনসমক্ষে বলেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রশান্ত মহাসাগরীয় শক্তি হিসেবে থাকার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গত মাসে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাথে বৈঠকে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করেছেন, পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতি অনুসারে।

এশিয়ার উদ্বেগের সাথে আরও যোগ করেছে বেইজিংয়ের দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্রাগার সম্প্রসারণ, যা প্রতিরোধ বজায় রাখার জন্য পর্যাপ্ত ছোট শক্তির জন্য চীনের পূর্বের পছন্দের সাথে একটি চূড়ান্ত বিরতি। উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান অত্যাধুনিক ব্যালিস্টিক পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষেত্রফলও উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

জাপান
২০১৮ সালে দক্ষিণ চীন সাগরে একটি প্রদর্শনীর সময় চীনের জিন-শ্রেণীর পারমাণবিক চালিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সাবমেরিন দেখা গেছে। স্টকহোম আন্তর্জাতিক শান্তি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মতে, চীনের কাছে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল পারমাণবিক অস্ত্রাগার রয়েছে। রয়টার্স/স্ট্রিংগার

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট জুন মাসে প্রকাশিত বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক অস্ত্রের বার্ষিক তালিকায় বলেছে, ২০২৩ সাল থেকে চীন প্রতি বছর প্রায় ১০০টি নতুন ওয়ারহেড যোগ করছে। গবেষণা ইনস্টিটিউটের অনুমান অনুসারে, চীনের কাছে প্রায় ৬০০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে, যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার কাছে যথাক্রমে ৩,৭০০ এবং ৪,৩০৯টি ওয়ারহেড রয়েছে।

২০১৬ সালে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে, ট্রাম্প পরামর্শ দিয়েছিলেন যে উত্তর কোরিয়া এবং চীনের হুমকির কারণে জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রের প্রয়োজন হতে পারে। তার দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে তিনি যে পদক্ষেপ নিয়েছেন তাতে এশিয়ার কিছু লোক মনে করেছে যে তিনি সঠিক।

পুনরায় নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে, ট্রাম্প এবং তার প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ সদস্যরা ন্যাটোর প্রতি আমেরিকার প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, রাষ্ট্রপতি বলেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সদস্য দেশগুলিকে প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি না করলে তাদের রক্ষা করবে না।

ট্রাম্পের বাণিজ্য যুদ্ধ, যা এমনকি মার্কিন মিত্রদের লক্ষ্য করে, দীর্ঘকালীন বন্ধুদের প্রতি আমেরিকান প্রতিশ্রুতির উপর বিশ্বাসকে আরও ক্ষুণ্ন করেছে। জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার উপর ২৫% শুল্ক আরোপের হুমকি দেওয়ার পর, ট্রাম্প গত মাসে টোকিও এবং সিউলের সাথে চুক্তিতে পৌঁছেছেন, যেখানে উভয় দেশ থেকে আমদানিতে ১৫% কর আরোপ করা হয়েছে।

“ট্রাম্পের শুল্ক মিত্রদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে,” বলেছেন প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং বর্তমানে ক্ষমতাসীন দলের নীতি প্রধান ইতসুনোরি ওনোদেরা। “শুল্ক তাদেরকে চীনের কাছাকাছি ঠেলে দেওয়ার ঝুঁকিতে ফেলেছে, যে দেশগুলির সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জোটবদ্ধ হওয়া উচিত” বেইজিংকে মোকাবেলা করার জন্য।

২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত জাপানের আত্মরক্ষা বাহিনীর জয়েন্ট স্টাফের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী রিওইচি ওরিকি বলেছেন আমেরিকান রাষ্ট্রপতির “বাণিজ্যের উপর অস্থিরতা” মার্কিন নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে সন্দেহ তৈরি করেছে। “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পরিবর্তনশীল হয়ে উঠেছে, ধ্রুবক নয়, যা আস্থাকে প্রভাবিত করে,” তিনি বলেন।

জাপান
জাপানের আত্মরক্ষা বাহিনীর প্রাক্তন প্রধান, রিওইচি ওরিকি, যাকে এখানে তার টোকিও অফিসে দেখা যাচ্ছে, বলেছেন যে ট্রাম্পের “বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অস্থিরতা” মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে সন্দেহ তৈরি করেছে। রয়টার্স/কিম কিউং-হুন

দক্ষিণ কোরিয়ায়, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ইউন সুক ইওল ২০২৩ সালের গোড়ার দিকে এই সম্ভাবনা উত্থাপন করেছিলেন যে উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান হুমকির মুখে সিউলকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনে বাধ্য করা যেতে পারে। সেই বছরের শেষের দিকে যখন সিউল ওয়াশিংটন ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরের মাধ্যমে বাইডেন প্রশাসনের কাছ থেকে অতিরিক্ত নিরাপত্তা আশ্বাস গ্রহণ করে তখন তিনি পিছু হটেন। এই চুক্তিতে উত্তর কোরিয়ার সাথে যেকোনো সংঘর্ষের জন্য মার্কিন পারমাণবিক পরিকল্পনা সম্পর্কে দক্ষিণ কোরিয়াকে আরও বেশি অন্তর্দৃষ্টি দেওয়া অন্তর্ভুক্ত ছিল।

গত বছরের ডিসেম্বরে সামরিক আইন জারি করার মাধ্যমে দেশকে সংকটে নিমজ্জিত করার পর ইউনকে অভিশংসিত করা হয়েছিল। নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি লি জে মিয়ং পারমাণবিক অস্ত্রের ধারণা প্রত্যাখ্যান করলেও, তার গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান লি জং-সিওক এই বছর সিউলকে তার “সম্ভাব্য পারমাণবিক ক্ষমতা” প্রদর্শনের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

বাইডেন প্রশাসনে ইন্দো-প্যাসিফিক নিরাপত্তা বিষয়ক সহকারী প্রতিরক্ষা সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী এলি র‍্যাটনার বলেন, “দক্ষিণ কোরিয়ার পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে ধোঁকাবাজি হিসেবে ব্যাখ্যা করা ভুল হবে।”

দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে সরকার পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের কথা বিবেচনা করছে না।

পরিবর্তনশীল মনোভাব
পারমাণবিক অস্ত্রধারী পিয়ংইয়ংয়ের হুমকির মুখে দক্ষিণ কোরিয়ায় পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পক্ষে ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে। জাপানে, ইতিহাসের ভারীতার কারণে জনমত সীমাবদ্ধ – যদিও মনোভাব পরিবর্তিত হচ্ছে।

মার্চ মাসে এক জরিপে দেখা গেছে ৪১% উত্তরদাতা জাপানের তিনটি পারমাণবিক নীতি সংশোধনের পক্ষে ছিলেন। তিন বছর আগে কিয়োইচো স্ট্র্যাটেজি ইনস্টিটিউট, একটি পরামর্শদাতা এবং থিঙ্ক ট্যাঙ্ক, দ্বারা করা একই রকম জরিপে মাত্র ২০% এই ধারণাকে সমর্থন করেছিলেন।

এমনকি পারমাণবিক হামলার সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকা কিছু জাপানিও বোমা সম্পর্কে পরিবর্তনের আহ্বান জানাচ্ছেন।

জাপান
হিরোশিমার বাসিন্দা এবং পারমাণবিক বোমা থেকে বেঁচে যাওয়া একজন ব্যক্তির নাতি তাতসুয়াকি তাকাহাশি, টোকিওর একটি ব্যস্ত মোড়ে দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি বলেন, হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে ফেলা পারমাণবিক বোমার স্মৃতি ম্লান হওয়ার সাথে সাথে জাপানের পারমাণবিক অস্ত্র সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যাচ্ছে। রয়টার্স/কিম কিউং-হুন

হিরোশিমার বাসিন্দা তাতসুয়াকি তাকাহাশি বলেন, ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট সকাল ৮.১৫ মিনিটে যখন বোমাটি শহরে ফেলা হয়, তখন তার দাদার বয়স ছিল মাত্র চার বছর, কিন্তু তিনি এখনও সেই বিস্ফোরণ এবং তার বাড়ির জানালা ভেঙে পড়ার কথা স্পষ্টভাবে মনে করতে পারেন। তাকাহাশির কিছু আত্মীয় দুর্যোগের সময় নিখোঁজ হয়ে যান এবং ধারণা করা হয় যে তারা মারা গেছেন।

হিরোশিমায় বেড়ে ওঠা তাকাহাশি বিশ্বাস করতেন যে কূটনীতি এবং সংলাপ সেই পারমাণবিক দুঃস্বপ্নের পুনরাবৃত্তি এড়াতে সাহায্য করতে পারে। এখন ২৮ বছর বয়সী এবং টোকিওতে একজন আইটি প্রোগ্রামার হিসেবে বসবাস করছেন, তিনি মনে করেন যে জাপানকে সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য পারমাণবিক শক্তি প্রদর্শনের প্রয়োজন হতে পারে।

“ব্যক্তিগতভাবে, আমি মনে করি জাপানে মার্কিন পারমাণবিক অস্ত্রের অনুমতি দেওয়া এক ধরণের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে অনিবার্য হতে পারে,” তাকাহাশি বলেন, যিনি ইয়ুথ ভোট হিরোশিমা নামে একটি দল পরিচালনা করেন, যার লক্ষ্য তার নিজ শহরের তরুণদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাজনীতিতে জড়িত করা। “আমি এখনও পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের বিরুদ্ধে, তবে কেবল সেগুলি রাখার কৌশলগত মূল্য রয়েছে।”

তাকাহাশি বলেন, বোমা হামলার স্মৃতি ম্লান হয়ে আসায় এবং তরুণরা প্রতিরোধের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আরও সমালোচনামূলকভাবে চিন্তাভাবনা করার সাথে সাথে এই বিষয়ে জাপানিদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তিত হচ্ছে।

জাপান
এপ্রিল মাসে হিরোশিমা পিস মেমোরিয়াল পার্কে ১৯৪৫ সালের পারমাণবিক বোমা হামলার শিকারদের জন্য শিক্ষার্থীরা নীরব প্রার্থনা করে। জাপান এই মাসের শুরুতে শহরে পারমাণবিক বোমা হামলার ৮০তম বার্ষিকী উদযাপন করেছে। রয়টার্স/কিম কিউং-হুন

 

1 of 2
- +
জাপান
জাপান

1. পিস মেমোরিয়াল পার্কে হিরোশিমা হামলার শিকারদের জন্য নীরব প্রার্থনা করার আগে একজন শিক্ষার্থী কাগজের ক্রেন ধরে আছেন। মতামত জরিপগুলি দেখায় যে তরুণ জাপানিরা শহরের অতীত নিয়ে ভাবতে ক্রমশ অনিচ্ছুক। রয়টার্স/কিম কিউং-হুন

2. এই বছরের শুরুতে হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা হামলার শিকারদের জন্য শহরের পিস মেমোরিয়াল পার্কে দর্শনার্থীরা প্রার্থনা করছেন। REUTERS/Kim Kyung-Hoon

হিরোশিমায়, যেখানে এই মাসের শুরুতে হামলার ৮০তম বার্ষিকী পালিত হয়েছিল, সেখানেও কিছু মানুষ অতীত নিয়ে ভাবতে ক্রমশ অনিচ্ছুক হয়ে পড়ছে বলে লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।

এপ্রিলে পাবলিক ব্রডকাস্টার এনএইচকে প্রকাশিত এক জরিপে দেখা গেছে শহর এবং আশেপাশের প্রিফেকচারের ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী ৩০% এরও বেশি মানুষ, যারা শহরের পারমাণবিক বোমায় বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের কথা শোনেননি, তারা বলেছেন তারা তা করতে চান না। এটি পাঁচ বছর আগের একই ধরণের জরিপের চেয়ে ৬ পয়েন্টেরও বেশি এবং জাপানের বাকি অংশের জন্য ২৫% এর চেয়ে বেশি। সবচেয়ে সাধারণ কারণ হিসেবে বলা হয়েছে বিবরণগুলি অত্যন্ত ভয়াবহ ছিল।

THRESHOLD রাষ্ট্র
জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়া উভয়ই NPT স্বাক্ষর করে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা অর্জন না করার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

কিন্তু নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা জাপানকে একটি থ্রেশহোল্ড পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে বর্ণনা করেছেন – যার অর্থ হল তাদের প্রযুক্তিগত ক্ষমতা রয়েছে এবং তারা যদি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয় তবে বোমা তৈরি এবং উৎক্ষেপণের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করতে পারে।

ওয়াশিংটন-ভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ডিফেন্স প্রাইরিটিজের সামরিক বিশ্লেষণের পরিচালক জেনিফার কাভানাঘ বলেন, কয়েক বছরের মধ্যে, টোকিও একটি ক্ষেপণাস্ত্রে ফিট করার মতো ছোট পারমাণবিক ডিভাইস তৈরি করতে পারে। ইশিবার ঘনিষ্ঠ একজন সিনিয়র আইনপ্রণেতা রয়টার্সকে বলেছেন জাপান ছয় মাসেরও কম সময়ে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারে এবং মার্কিন পারমাণবিক ছাতার উপর আস্থা ভেঙে গেলে তাদের তা করার কথা বিবেচনা করা উচিত।

জাপান উন্নত পারমাণবিক জ্ঞান অর্জন করেছে, দীর্ঘস্থায়ী বেসামরিক চুল্লির বহর, একটি অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা শিল্প এবং কঠিন জ্বালানি রকেট সহ তার মহাকাশ কর্মসূচি থেকে প্রযুক্তি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এটি পারমাণবিক পেলোড সরবরাহ করার জন্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে সক্ষম হবে।

সরকার বলছে জাপানের পারমাণবিক জ্বালানি ব্যবহারের উপজাত হিসেবে, জাপানের কাছে প্রায় ৪৫ টন প্লুটোনিয়াম রয়েছে – বোমা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় বিভাজনযোগ্য উপাদান। জাপানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার ক্ষমতাও রয়েছে, যা অস্ত্র-গ্রেড পারমাণবিক উপাদান তৈরির আরেকটি উপায়।

দক্ষিণ কোরিয়া বেশ কয়েকটি অস্ত্র তৈরি এবং মোতায়েন করেছে যা বিশ্লেষকদের মতে পারমাণবিক বোমা বহন করতে পারে – যার মধ্যে রয়েছে প্রচলিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের জন্য ডিজাইন করা একটি সাবমেরিন এবং উত্তর কোরিয়া বা চীনে পৌঁছাতে পারে এমন ক্রমবর্ধমান শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র।

কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়া জাপানের মতো সীমার কাছাকাছি নয় কারণ বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ২৬টি চুল্লি পরিচালনা করা সত্ত্বেও প্লুটোনিয়াম উত্তোলনের জন্য জ্বালানি পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ বা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার ক্ষমতা তাদের নেই। ওয়াশিংটনের চাপে সিউল ১৯৭০-এর দশকে একটি গোপন অস্ত্র কর্মসূচি বাতিল করে এবং ১৯৭৫ সালে এনপিটি অনুমোদন করে। বিশেষজ্ঞরা ভবিষ্যদ্বাণী করেন যে সিউলের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে বেশ কয়েক বছর সময় লাগবে, এমনকি যদি এটি এই বাধাগুলি অতিক্রম করে।

জাপান
দক্ষিণ কোরিয়া বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ২৬টি পারমাণবিক চুল্লি পরিচালনা করে, যেমন গিয়ংজুতে অবস্থিত ওলসিয়ং পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। কিন্তু জাপানের মতো, তাদের জ্বালানি পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ করে প্লুটোনিয়াম উত্তোলন বা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার ক্ষমতা নেই। REUTERS/Kim Hong-Ji

“যদিও আমরা জরুরি অবস্থা ঘোষণা করি এবং সমস্ত জাতীয় সম্পদ, ইস্পাত তৈরি, স্থাপনা নির্মাণ এবং ফিসাইল উপকরণ তৈরি ইত্যাদি ফেলে দেই, তবুও এটি সহজ নয়। আমি বলব চার থেকে পাঁচ বছর,” কোরিয়া ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির গবেষক চিওন মিয়ং-গুক বলেন।

প্রযুক্তিগত বাধার বাইরে, অন্যান্য কারণগুলি মার্কিন অংশীদারদের তাদের নিজস্ব পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখে।

যদি জাপান তার এনপিটি প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করে বোমা তৈরি শুরু করে, তাহলে তারা জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে পারে এবং তাদের পারমাণবিক বিদ্যুৎ শিল্পকে খাওয়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় আমদানিকৃত পারমাণবিক জ্বালানি থেকে বঞ্চিত হতে পারে। ঘনবসতিপূর্ণ এই দ্বীপপুঞ্জে পারমাণবিক পরীক্ষার জন্য উপযুক্ত কোনও অঞ্চলেরও অভাব রয়েছে।

জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের বিষয়ে ট্রাম্পের পূর্বে খোলামেলা মনোভাব থাকা সত্ত্বেও, তার প্রশাসন শেষ পর্যন্ত একমত হবে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স “পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তারের বিরোধিতা সম্পর্কে প্রায়শই কথা বলেছেন।”

যদি বেইজিং জানতে পারে সিউল বা টোকিও এই পথ নিচ্ছে তবে বেইজিং নিষ্ক্রিয় থাকার সম্ভাবনা খুবই কম। পূর্ব এশিয়ায় একটি পারমাণবিক অস্ত্রধারী মার্কিন মিত্র দেশ সেই সংঘাতের সূত্রপাত ঘটাতে পারে যা এড়ানোর জন্যই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করা হয়েছিল, টোকিও এবং সিউলের সাথে পারমাণবিক প্রতিরোধ আলোচনায় সরাসরি জড়িত বাইডেন প্রশাসনের প্রাক্তন কর্মকর্তা আলেকজান্দ্রা বেলের মতে।

“বর্ধিত প্রতিরোধের প্রতি মার্কিন প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে সন্দেহ থাকা এবং প্রকৃতপক্ষে বিস্তার সাধন করা দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়,” বেল বলেন। “পরবর্তী পদক্ষেপটি অবশ্যই চীনাদের কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে।”

পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের যেকোনো পদক্ষেপ চীনকে তার পারমাণবিক মজুদ আরও বাড়াতে প্ররোচিত করতে পারে অথবা বেইজিং যদি এই ধরনের পদক্ষেপকে যুদ্ধের পূর্বসূরী বলে মনে করে তবে সংঘাতের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলতে পারে, তিনি বলেন।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়াকে “সামরিক সম্প্রসারণ এবং সামরিক উস্কানিকে ন্যায্যতা দেওয়ার জন্য তথাকথিত ‘বর্ধিত প্রতিরোধ’ প্রচার করার” অভিযোগ করেছে। বিশেষ করে, এটি রয়টার্সকে জানিয়েছে, জাপান “একটি ‘পারমাণবিক মুক্ত বিশ্বের’ পক্ষে কথা বলার দাবি করে, যদিও বাস্তবে মার্কিন কৌশলগত শক্তি মোতায়েনের সাথে সহযোগিতা করার জন্য মার্কিন ‘পারমাণবিক ছাতার’ উপর নির্ভর করে। এই অনুশীলনগুলি ভণ্ডামিপূর্ণ এবং স্ববিরোধী।”

জাপান
শান্তি স্মৃতি উদ্যানে পারমাণবিক বোমার শিকারদের স্মৃতিস্তম্ভের সামনে পারমাণবিক বোমা থেকে বেঁচে যাওয়া কুনিহিকো সাকুমা। পারমাণবিক অস্ত্র সুরক্ষা দিতে পারে এমন দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণকারী জাপানিদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা দেখে তিনি উদ্বিগ্ন। REUTERS/Issei Kato

১৯৪৫ সালের হামলার পর জাপানের বোমার প্রতি ক্রমবর্ধমান মনোভাব কিছু বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিকে হতাশ করেছে।

৮০ বছর বয়সী পারমাণবিক বোমা থেকে বেঁচে যাওয়া কুনিহিকো সাকুমা বলেন, তিনি বুঝতে পারছেন না যে আজ জাপানের ক্রমবর্ধমান সংখ্যক মানুষ এই ধারণা পোষণ করছে যে পারমাণবিক অস্ত্র সুরক্ষা দিতে পারে, হিরোশিমায় তিনি এবং অন্যান্যরা যে ভয়াবহতার সম্মুখীন হয়েছেন তার পরিপ্রেক্ষিতে।

বোমাটি পড়ার সময় তিনি শিশু ছিলেন, তার মা যখন কাপড় ধোয়ার কাজ করছিলেন, তখন তিনি তার পরিবারের বাড়ির মেঝেতে একটি ফুটনের উপর কুঁকড়ে গিয়েছিলেন। পরে তার মা তাকে বর্ণনা করেন, একটি ঝলকানি এবং তারপর হঠাৎ সবকিছু অন্ধকার হয়ে গেল। তিনি বর্ণনা করেছিলেন যে কীভাবে তিনি তাকে “কালো বৃষ্টি” নামে পরিচিত কাঁচ এবং ছাইয়ের তেজস্ক্রিয় ঝরনার মধ্য দিয়ে কাছের একটি আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে গিয়েছিলেন।

“আমরা মার্কিন পারমাণবিক ছাতার নীচে আছি বলেই আমরা নিরাপদ নই,” তিনি বলেন। “যদি পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করা হয়, তাহলে সব শেষ হয়ে গেছে, তাই না। প্রকৃত নিরাপত্তা তখনই বিদ্যমান যখন জাতিগুলির মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস থাকে।”


চীনের ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক অস্ত্রাগার
লেখক: ডেভিড লাগ
মার্কিন সামরিক ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রচলিত সামরিক অস্ত্রের বিশাল সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি, চীন তার পারমাণবিক বাহিনীর আকার এবং সক্ষমতা দ্রুত এবং টেকসই বৃদ্ধির কাজ শুরু করেছে।

মার্কিন কৌশলগত কমান্ডের কমান্ডার জেনারেল অ্যান্থনি কটন মার্চ মাসে কংগ্রেসকে বলেছিলেন চীনের নেতা শি জিনপিংয়ের নির্দেশে ২০২৭ সালের মধ্যে তাইওয়ান দখলের জন্য চীনের সেনাবাহিনী প্রস্তুত থাকার ফলে স্থল, আকাশ এবং সমুদ্র থেকে নিক্ষেপযোগ্য পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি হচ্ছে।

২০২৩ সালের জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতিতে, চীন তার দীর্ঘস্থায়ী প্রতিশ্রুতি পুনর্নবীকরণ করেছে যে তারা কোনও পরিস্থিতিতেই প্রথম পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে না। তথাকথিত “প্রথমে ব্যবহার নয়” নীতিতে একটি প্রতিশ্রুতিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যে চীন কোনও অ-পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে না বা ব্যবহারের হুমকি দেবে না।

প্রশ্নের জবাবে, বেইজিংয়ের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে “পারমাণবিক যুদ্ধ জেতা যায় না এবং তা চালানো উচিত নয়।” এতে বলা হয়েছে, চীন “আত্মরক্ষার জন্য পারমাণবিক কৌশল মেনে চলে এবং প্রথম ব্যবহার নয় নীতি অনুসরণ করে।”

চীনের সামরিক শক্তি সম্পর্কে তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে, পেন্টাগন বলেছে চীনের জনসাধারণের অবস্থান সত্ত্বেও, তাদের কৌশলে সম্ভবত প্রচলিত আক্রমণের প্রতিক্রিয়ায় প্রথম ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা তার পারমাণবিক শক্তি, কমান্ড এবং নিয়ন্ত্রণের কার্যকারিতা হুমকির মুখে ফেলে অথবা পারমাণবিক হামলার প্রভাবের কাছাকাছি পৌঁছায়। গত বছরের শেষের দিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে পেন্টাগন বলেছে তাইওয়ানে প্রচলিত সামরিক পরাজয় যদি কমিউনিস্ট শাসনের টিকে থাকার জন্য “মারাত্মক হুমকি” হয়ে দাঁড়ায় তবে বেইজিং সম্ভবত প্রথম পারমাণবিক ব্যবহারের কথাও বিবেচনা করবে।

জাপান
২০১৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার ৭০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সামরিক কুচকাওয়াজের সময় বেইজিংয়ের তিয়ানানমেন স্কয়ারের পাশ দিয়ে পারমাণবিক ওয়ারহেড বহনকারী ডিএফ-৪১ আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বহনকারী সামরিক যানগুলি ভ্রমণ করে। রয়টার্স/জেসন লি

চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, “চীনের নাম বদনাম ও মর্যাদাহানি করার জন্য এবং ইচ্ছাকৃতভাবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বিভ্রান্ত করার জন্য তথাকথিত ‘চীনা পারমাণবিক হুমকি’কে আরও জোরদার করার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরোধিতা করছে।”

শিকাগো-ভিত্তিক একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান বুলেটিন অফ দ্য অ্যাটমিক সায়েন্টিস্টস অনুসারে, চীন অন্য যেকোনো পারমাণবিক শক্তির তুলনায় দ্রুত তার অস্ত্রের মজুদ সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণ করছে এবং প্রায় ৬০০টি ওয়ারহেড সংগ্রহ করেছে।

এতে বলা হয়েছে চীন প্রায় ৩৫০টি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র সাইলো এবং রোড মোবাইল লঞ্চারের জন্য বেশ কয়েকটি নতুন ঘাঁটি তৈরি করছে। এটি অনুমান করেছে চীনের সামরিক বাহিনী, পিপলস লিবারেশন আর্মির কাছে স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য প্রায় ৭১২টি লঞ্চার ছিল কিন্তু সবগুলোই পারমাণবিক অস্ত্রের জন্য বরাদ্দ করা হয়নি। এতে বলা হয়েছে যে, এই লঞ্চারগুলির মধ্যে ৪৬২টি ক্ষেপণাস্ত্রে লোড করা যেতে পারে “যা মহাদেশীয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে পারে”।

পিএলএ-এর অনেক লঞ্চার আঞ্চলিক লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যে স্বল্প পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য, তবে বুলেটিনের মূল্যায়নে বলা হয়েছে, এর বেশিরভাগই পারমাণবিক হামলার জন্য বরাদ্দ করা হয়নি।

পেন্টাগনের প্রতিবেদনে অনুমান করা হয়েছে ২০৩০ সালের মধ্যে পিএলএ-র ১,০০০-এরও বেশি কার্যকরী পারমাণবিক ওয়ারহেড থাকবে, কারণ এটি কম-ফলনের নির্ভুল স্ট্রাইক মিসাইল থেকে শুরু করে বহু-মেগাটন বিস্ফোরক প্রভাব সহ আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল পর্যন্ত একটি বৃহত্তর শক্তি তৈরি করতে চায়।

Source: রয়টার্স
Share197Tweet123

Subscribe

Unsubscribe
BT

BT

Related Posts

অস্ট্রেলিয়া
অষ্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়া সিরিজ হারল বাংলাদেশের কাছে

June 11, 2026

স্কোরটা দেখে চোখ কচলাতে শুরু করার কথা যে কারও। দলটা...

Read moreDetails
পোপ

পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

June 11, 2026

এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

June 11, 2026

5100 s cleveland ave suite 202 Ft Myers fl33907.

Phone- 239.666.1120.

mail-banglatimes360@gmail.com

সম্পাদক – বখতিয়ার রহমান

প্রকাশক – শাওন ফারহানা

নির্বাহী সম্পাদক – ফরিদ সুমন

  • Tamil journalist Hamshika Krishnamoorthy is the runner-up for the 2026 Immigration Journalism Award

    Tamil journalist Hamshika Krishnamoorthy is the runner-up for the 2026 Immigration Journalism Award

    524 shares
    Share 210 Tweet 131
  • ফ্লোরিডা ফোবানার কমিটির প্রস্তুতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে

    516 shares
    Share 206 Tweet 129

Copyright © 2021-2026. Banglatimes360

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password? Sign Up

Create New Account!

Fill the forms below to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
No Result
View All Result
  • Home
  • রাজনীতি
    • আইন-আদালত
  • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
    • যুদ্ধ
    • উত্তর- আমেরিকা
      • যুক্তরাষ্ট্র
    • এশিয়া
      • মধ্যপ্রাচ্য
    • ইউরোপ
    • অষ্ট্রেলিয়া
      • নিউজিল্যান্ড
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • আফ্রিকা
  • বিনোদন
    • সংগীত
  • খেলা
  • অনুসন্ধান
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • আবহাওয়া
  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি

Copyright © 2021-2026. Banglatimes360