Friday, June 12, 2026
  • Login
  • Register
Banglatimes360
  • Home
    পোপ

    পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

    এল নিনো

    এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

    খার্গ দ্বীপ

    খার্গ দ্বীপ দখল করা মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত হানবে’

    আদ-দ্বীন

    আদ-দ্বীন হাসপাতাল, নবজাতক মৃত্যুর জন্য লাইসেন্স বাতিল

    বাজেটে

    বাজেটে দাম বাড়া কমার লিষ্টে আছে যেসব পণ্য

  • রাজনীতি
    পোপ

    পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

    খার্গ দ্বীপ

    খার্গ দ্বীপ দখল করা মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত হানবে’

    কংগ্রেসে

    কংগ্রেসে আইসিই ও বর্ডার পেট্রোল অর্থায়নের বিল পাস

    ইরান

    ইরান জর্ডান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা করেছে

    শি

    শি কিমের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্যে পৌঁছেছেন

    • আইন-আদালত
  • অর্থনীতি
    • All
    • বাণিজ্য
    বাজেটে

    বাজেটে দাম বাড়া কমার লিষ্টে আছে যেসব পণ্য

    করমুক্ত

    করমুক্ত আয় পৌনে ৪ লাখ টাকা, সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে

    ব্রাজিলের

    ব্রাজিলের কাঁধে ট্রাম্পের রাজনৈতিক শুল্ক

    এফএও

    এফএও জানিয়েছে মে মাসে বিশ্বজুড়ে খাদ্যের দাম কমেছে

    রানী

    রানী অ্যান্ড্রুকে বাণিজ্য দূত হিসেবে নিয়োগে চাপ দিয়েছিলেন

    শি

    শি ট্রাম্পের সঙ্গে সম্মেলনে বাণিজ্যের অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন

    • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
    আদ-দ্বীন

    আদ-দ্বীন হাসপাতাল, নবজাতক মৃত্যুর জন্য লাইসেন্স বাতিল

    বাজেটে

    বাজেটে দাম বাড়া কমার লিষ্টে আছে যেসব পণ্য

    করমুক্ত

    করমুক্ত আয় পৌনে ৪ লাখ টাকা, সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে

    অবৈধ

    অবৈধ টাকা বৈধ করার সুযোগ, প্রশ্ন করা যাবে না আয় নিয়ে

    মাথায়

    মাথায় ইট ছুঁড়ে মোটরসাইকেল ছিনতাই

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

  • বিশ্ব
    • All
    • আফ্রিকা
    • ইউরোপ
    • উত্তর- আমেরিকা
    • এশিয়া
    • ওশেনিয়া
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • ফ্লোরিডা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    পোপ

    পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

    এল নিনো

    এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

    খার্গ দ্বীপ

    খার্গ দ্বীপ দখল করা মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত হানবে’

    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

    • যুদ্ধ
    • উত্তর- আমেরিকা
      • যুক্তরাষ্ট্র
        • নিউইয়ার্ক
        • ফ্লোরিডা
    • এশিয়া
      • মধ্যপ্রাচ্য
    • ইউরোপ
    • অষ্ট্রেলিয়া
      • নিউজিল্যান্ড
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • আফ্রিকা
  • বিনোদন
    • All
    • সংগীত
    ভার্জিনিয়ার

    ভার্জিনিয়ার ফলস চার্জে ২৭ জুন বাঙ্গালী কমিউনিটির কন্সার্ট

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে এশিয়ান ফুড এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    ফোর্ট

    ফোর্ট ম্যায়ার্সে বাঙ্গালী কমিউনিটির বৈশাখী উৎসব

    বাংলা

    বাংলা নববর্ষ—ঐতিহ্যের আলোয় সম্প্রীতির শক্তি ও নতুন জীবনের অঙ্গীকার

    আশা ভোঁসলে

    আশা ভোঁসলে ভারতীয় গায়িকা ৯২ বছর বয়সে মারা গেলেন

    • সংগীত
  • খেলা
    মেক্সিকোর

    মেক্সিকোর বিশ্বকাপ আয়োজক মন্টেরের রূপান্তর

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    বিশ্বকাপের

    বিশ্বকাপের টিকিটধারীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে জামানত লাগবে না

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ ১১ রানে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল

  • অনুসন্ধান
    ইরানের

    ইরানের অর্থনৈতিক পতন ট্রাম্পের জন্য অনেক দেরি হয়ে যাবে

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ: সংকটময় রাষ্ট্র, গণতন্ত্রের অবসান

    চীন

    চীন মার্কিন আধিপত্য ভাঙতে পারমাণবিক বাহন বানাচ্ছে

    পূর্ব

    পূর্ব তার পশ্চিম দোভাষীদের দিকে ফিরে তাকাচ্ছে

    চীনের

    চীনের সকল বিষয়ে ট্রাম্পের অবনতির পেছনে ‘স্কুল চার্ট’ গণিত

    অভিবাসী

    অভিবাসী জার্মানির ভাগ্য বদলের প্রতিষেধক নয়

  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    শটওয়েল

    শটওয়েল, মাস্কের স্পেসএক্স উচ্চাভিলাষ বাস্তবায়নকারী

    মহাকাশ

    মহাকাশ স্টেশনের নভোচারী সরিয়ে নেওয়ার সতর্কতা প্রত্যাহার

    কৃষ্ণগহ্বর

    কৃষ্ণগহ্বর থেকে আসা বাতাস অবশেষে আবিষ্কৃত হলো

    বিশেষজ্ঞরা

    বিশেষজ্ঞরা ফড়িং জাতীয় নতুন প্রজাতি আবিষ্কার করেছেন

    শি

    শি জিনপিং-এর চিন্তা এগিয়ে নিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বাজি

  • আবহাওয়া
    এল নিনো

    এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

    ফিলিপাইনের

    ফিলিপাইনের ভূমিকম্পে ৩২ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে

    জাপানে

    জাপানে দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছেন

    তুষারপাত

    তুষারপাত ও ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে বহু বাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, ফ্লাইট বাতিল

    হিমশীতল

    হিমশীতল ঠান্ডা ও ভারী তুষারে ঢেকে যাবে আমেরিকা

    মরক্কো

    মরক্কো বৃষ্টিপাতের পর সাত বছরের খরার অবসান ঘোষণা করেছে

  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি
    • All
    • ভ্রমন

    পাঠ প্রতিক্রিয়া: কালের কঙ্কন

    কেন থামছে না দুর্ঘটনা? দৌলতদিয়ার ট্র্যাজেডি ও আমাদের বাস্তবতা

    বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ

    শিক্ষা

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুনঃভর্তি ফি নিতে পারবে না: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    জাতীয়

    জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে পাবনায় বক্তৃতা ও দেয়াল পত্রিকায় প্রথম সাঁথিয়ার অনিকা ও জেসমিন

    নানিয়ারচর

    নানিয়ারচর জোনের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ

    শারীরিক শিক্ষা

    শারীরিক শিক্ষা: সাধারণ শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য ভিত্তি

No Result
View All Result
  • Home
    পোপ

    পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

    এল নিনো

    এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

    খার্গ দ্বীপ

    খার্গ দ্বীপ দখল করা মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত হানবে’

    আদ-দ্বীন

    আদ-দ্বীন হাসপাতাল, নবজাতক মৃত্যুর জন্য লাইসেন্স বাতিল

    বাজেটে

    বাজেটে দাম বাড়া কমার লিষ্টে আছে যেসব পণ্য

  • রাজনীতি
    পোপ

    পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

    খার্গ দ্বীপ

    খার্গ দ্বীপ দখল করা মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত হানবে’

    কংগ্রেসে

    কংগ্রেসে আইসিই ও বর্ডার পেট্রোল অর্থায়নের বিল পাস

    ইরান

    ইরান জর্ডান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা করেছে

    শি

    শি কিমের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্যে পৌঁছেছেন

    • আইন-আদালত
  • অর্থনীতি
    • All
    • বাণিজ্য
    বাজেটে

    বাজেটে দাম বাড়া কমার লিষ্টে আছে যেসব পণ্য

    করমুক্ত

    করমুক্ত আয় পৌনে ৪ লাখ টাকা, সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে

    ব্রাজিলের

    ব্রাজিলের কাঁধে ট্রাম্পের রাজনৈতিক শুল্ক

    এফএও

    এফএও জানিয়েছে মে মাসে বিশ্বজুড়ে খাদ্যের দাম কমেছে

    রানী

    রানী অ্যান্ড্রুকে বাণিজ্য দূত হিসেবে নিয়োগে চাপ দিয়েছিলেন

    শি

    শি ট্রাম্পের সঙ্গে সম্মেলনে বাণিজ্যের অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন

    • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
    আদ-দ্বীন

    আদ-দ্বীন হাসপাতাল, নবজাতক মৃত্যুর জন্য লাইসেন্স বাতিল

    বাজেটে

    বাজেটে দাম বাড়া কমার লিষ্টে আছে যেসব পণ্য

    করমুক্ত

    করমুক্ত আয় পৌনে ৪ লাখ টাকা, সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে

    অবৈধ

    অবৈধ টাকা বৈধ করার সুযোগ, প্রশ্ন করা যাবে না আয় নিয়ে

    মাথায়

    মাথায় ইট ছুঁড়ে মোটরসাইকেল ছিনতাই

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

  • বিশ্ব
    • All
    • আফ্রিকা
    • ইউরোপ
    • উত্তর- আমেরিকা
    • এশিয়া
    • ওশেনিয়া
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • ফ্লোরিডা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    পোপ

    পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

    এল নিনো

    এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

    খার্গ দ্বীপ

    খার্গ দ্বীপ দখল করা মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত হানবে’

    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

    • যুদ্ধ
    • উত্তর- আমেরিকা
      • যুক্তরাষ্ট্র
        • নিউইয়ার্ক
        • ফ্লোরিডা
    • এশিয়া
      • মধ্যপ্রাচ্য
    • ইউরোপ
    • অষ্ট্রেলিয়া
      • নিউজিল্যান্ড
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • আফ্রিকা
  • বিনোদন
    • All
    • সংগীত
    ভার্জিনিয়ার

    ভার্জিনিয়ার ফলস চার্জে ২৭ জুন বাঙ্গালী কমিউনিটির কন্সার্ট

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে এশিয়ান ফুড এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    ফোর্ট

    ফোর্ট ম্যায়ার্সে বাঙ্গালী কমিউনিটির বৈশাখী উৎসব

    বাংলা

    বাংলা নববর্ষ—ঐতিহ্যের আলোয় সম্প্রীতির শক্তি ও নতুন জীবনের অঙ্গীকার

    আশা ভোঁসলে

    আশা ভোঁসলে ভারতীয় গায়িকা ৯২ বছর বয়সে মারা গেলেন

    • সংগীত
  • খেলা
    মেক্সিকোর

    মেক্সিকোর বিশ্বকাপ আয়োজক মন্টেরের রূপান্তর

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    বিশ্বকাপের

    বিশ্বকাপের টিকিটধারীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে জামানত লাগবে না

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ ১১ রানে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল

  • অনুসন্ধান
    ইরানের

    ইরানের অর্থনৈতিক পতন ট্রাম্পের জন্য অনেক দেরি হয়ে যাবে

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ: সংকটময় রাষ্ট্র, গণতন্ত্রের অবসান

    চীন

    চীন মার্কিন আধিপত্য ভাঙতে পারমাণবিক বাহন বানাচ্ছে

    পূর্ব

    পূর্ব তার পশ্চিম দোভাষীদের দিকে ফিরে তাকাচ্ছে

    চীনের

    চীনের সকল বিষয়ে ট্রাম্পের অবনতির পেছনে ‘স্কুল চার্ট’ গণিত

    অভিবাসী

    অভিবাসী জার্মানির ভাগ্য বদলের প্রতিষেধক নয়

  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    শটওয়েল

    শটওয়েল, মাস্কের স্পেসএক্স উচ্চাভিলাষ বাস্তবায়নকারী

    মহাকাশ

    মহাকাশ স্টেশনের নভোচারী সরিয়ে নেওয়ার সতর্কতা প্রত্যাহার

    কৃষ্ণগহ্বর

    কৃষ্ণগহ্বর থেকে আসা বাতাস অবশেষে আবিষ্কৃত হলো

    বিশেষজ্ঞরা

    বিশেষজ্ঞরা ফড়িং জাতীয় নতুন প্রজাতি আবিষ্কার করেছেন

    শি

    শি জিনপিং-এর চিন্তা এগিয়ে নিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বাজি

  • আবহাওয়া
    এল নিনো

    এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

    ফিলিপাইনের

    ফিলিপাইনের ভূমিকম্পে ৩২ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে

    জাপানে

    জাপানে দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছেন

    তুষারপাত

    তুষারপাত ও ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে বহু বাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, ফ্লাইট বাতিল

    হিমশীতল

    হিমশীতল ঠান্ডা ও ভারী তুষারে ঢেকে যাবে আমেরিকা

    মরক্কো

    মরক্কো বৃষ্টিপাতের পর সাত বছরের খরার অবসান ঘোষণা করেছে

  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি
    • All
    • ভ্রমন

    পাঠ প্রতিক্রিয়া: কালের কঙ্কন

    কেন থামছে না দুর্ঘটনা? দৌলতদিয়ার ট্র্যাজেডি ও আমাদের বাস্তবতা

    বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ

    শিক্ষা

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুনঃভর্তি ফি নিতে পারবে না: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    জাতীয়

    জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে পাবনায় বক্তৃতা ও দেয়াল পত্রিকায় প্রথম সাঁথিয়ার অনিকা ও জেসমিন

    নানিয়ারচর

    নানিয়ারচর জোনের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ

    শারীরিক শিক্ষা

    শারীরিক শিক্ষা: সাধারণ শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য ভিত্তি

No Result
View All Result
Banglatimes360
No Result
View All Result
Home অর্থনীতি

বিশ্ব অর্থনীতির বিশ্বায়নে উত্থান-পতন: শীর্ষস্থানীয় হওয়ার লড়াই

স্টিভ শিফেরেস

November 14, 2025
251 2
A A
0
বিশ্ব

১৮৮৬ সালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি দেখানো একটি বিশ্ব মানচিত্র। Image: Norman B. Leventhal Map & Education Center, Boston Public Library / Wikimedia Commons, CC BY

Share on FacebookShare on Twitter

প্রায় চার শতাব্দী ধরে, বিশ্ব অর্থনীতি এমন এক বৃহত্তর সংহতির পথে ছিল যা দুটি বিশ্বযুদ্ধও সম্পূর্ণরূপে ভেঙে ফেলতে পারেনি। বিশ্বায়নের এই দীর্ঘ পদযাত্রা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের দ্রুত বর্ধনশীল স্তর, জাতীয় সীমান্ত পেরিয়ে মানুষের বিশাল চলাচল এবং পরিবহন ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে নাটকীয় পরিবর্তনের দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল।

অর্থনৈতিক ইতিহাসবিদ জে. ব্র্যাডফোর্ড ডেলং-এর মতে, বিশ্ব অর্থনীতির মূল্য (১৯৯০ সালের স্থির মূল্যে পরিমাপ করা হয়েছিল) ১৬৫০ সালে ৮১.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ২০২০ সালে ৭০.৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে – যা ৮৬০ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রবৃদ্ধির সবচেয়ে তীব্র সময়কাল দুটি সময়ের সাথে মিলে যায় যখন বিশ্ব বাণিজ্য দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছিল: প্রথমত, ফরাসি বিপ্লবের শেষ এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শুরুর মধ্যবর্তী “দীর্ঘ উনিশ শতকের” সময়কালে, এবং তারপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে বাণিজ্য উদারীকরণ প্রসারিত হওয়ার সাথে সাথে, ১৯৫০ থেকে ২০০৮ সালের বিশ্বব্যাপী আর্থিক সংকট পর্যন্ত।

তবে, এখন এই বিশাল প্রকল্পটি পিছিয়ে পড়ার পথে। বিশ্বায়ন এখনও মৃত নয়, কিন্তু এটি মৃতপ্রায়।

এটা কি উদযাপনের কারণ, নাকি উদ্বেগের? আর ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার ব্যাপক বিঘ্ন ঘটানোর শুল্ক আরোপের ফলে হোয়াইট হাউস ছেড়ে গেলে কি আবারও চিত্রটা বদলে যাবে? বিশ্ব আর্থিক সংকটের সময় ওয়াশিংটনে কর্মরত দীর্ঘদিনের বিবিসির অর্থনীতি সংবাদদাতা হিসেবে, আমি বিশ্বাস করি ট্রাম্প ভবন ছেড়ে যাওয়ার পরেও আমাদের বিশ্বায়নমুক্ত ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো ঐতিহাসিক কারণ রয়েছে।

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বিশ্বের অর্থনৈতিক সমস্যাগুলিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে, কিন্তু তিনিই এর মূল কারণ নন। প্রকৃতপক্ষে, তার দৃষ্টিভঙ্গি এমন একটি সত্যকে প্রতিফলিত করে যা বহু দশক ধরে উঠে আসছে কিন্তু পূর্ববর্তী মার্কিন প্রশাসন – এবং বিশ্বজুড়ে অন্যান্য সরকার – স্বীকার করতে অনিচ্ছুক: অর্থাৎ, বিশ্বের এক নম্বর অর্থনৈতিক শক্তি এবং বিশ্ব প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিন হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পতন।

সপ্তদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকে বিশ্বায়নের প্রতিটি যুগে, একটি একক দেশ স্পষ্ট বিশ্বনেতা হতে চেয়েছে – সকলের জন্য বিশ্ব অর্থনীতির নিয়ম গঠন করবে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই, এই আধিপত্যবাদী শক্তির সামরিক, রাজনৈতিক এবং আর্থিক ক্ষমতা ছিল এই নিয়মগুলি কার্যকর করার জন্য – এবং অন্যান্য দেশগুলিকে বোঝানোর জন্য যে সম্পদ এবং ক্ষমতার কোনও পছন্দনীয় পথ নেই।

কিন্তু এখন, ট্রাম্পের অধীনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন বিচ্ছিন্নতাবাদে পতিত হচ্ছে, তখন তার স্থান গ্রহণ এবং অদূর ভবিষ্যতের জন্য মশাল বহন করার জন্য অন্য কোনও শক্তি প্রস্তুত নেই। অনেকের পছন্দের চীন, অনেক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, যার মধ্যে রয়েছে সত্যিকারের আন্তর্জাতিক মুদ্রার অভাব – এবং একদলীয় রাষ্ট্র হিসাবে, বিশ্বের নতুন প্রভাবশালী শক্তি হিসাবে গ্রহণযোগ্যতা অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় গণতান্ত্রিক ম্যান্ডেটের অভাব।

যদিও বিশ্বায়ন সর্বদা অনেক ক্ষতিগ্রস্থদের পাশাপাশি বিজয়ীদেরও জন্ম দিয়েছে – 18 শতকের দাস ব্যবসা থেকে শুরু করে 20 শতকের মধ্য-পশ্চিম আমেরিকান কারখানার শ্রমিকদের বাস্তুচ্যুত করা পর্যন্ত – ইতিহাস দেখায় যে একটি অ-বিশ্বায়নকৃত বিশ্ব আরও বিপজ্জনক এবং অস্থিতিশীল জায়গা হতে পারে। এর সাম্প্রতিক উদাহরণটি এসেছে যুদ্ধের মধ্যবর্তী বছরগুলিতে, যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 19 শতকের আধিপত্যবাদী বিশ্ব শক্তি হিসাবে ব্রিটেনের পতনের ফলে যে আধিপত্যবাদী বিশ্ব শক্তির অবসান ঘটিয়েছে তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছিল।

১৯১৯ সালের পরের দুই দশকে, বিশ্ব অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়ে যায়। শেয়ার বাজারের পতন এবং বিশ্বব্যাপী ব্যাংকিং ব্যর্থতার ফলে ব্যাপক বেকারত্ব এবং ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা দেখা দেয়, যা ফ্যাসিবাদের উত্থানের জন্য পরিস্থিতি তৈরি করে। দেশগুলি তাদের দেশের রপ্তানি বৃদ্ধির নিরর্থক আশায় বাণিজ্য বাধা তৈরি করে এবং স্ব-পরাজিত মুদ্রা যুদ্ধ শুরু করে, তাই বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য তীব্রভাবে হ্রাস পায়। বিপরীতে, বিশ্বব্যাপী প্রবৃদ্ধি স্থবির হয়ে পড়ে।

এক শতাব্দী পরে, আমাদের বিশ্বায়নের অবনতিশীল বিশ্ব আবারও ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু এর অর্থ আমাদের একই রকম বিশৃঙ্খল এবং অস্থিতিশীল ভবিষ্যতের জন্য নির্ধারিত কিনা তা নির্ধারণ করার জন্য, আমাদের প্রথমে এই অসাধারণ বৈশ্বিক প্রকল্পের জন্ম, বৃদ্ধি এবং আসন্ন পতনের পিছনের কারণগুলি অন্বেষণ করতে হবে।

ফরাসি মডেল: বাণিজ্যবাদ, অর্থ এবং যুদ্ধ
ষোড়শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে, ফ্রান্স ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী শক্তি হিসাবে আবির্ভূত হয়েছিল – এবং ফরাসিরা বিশ্ব অর্থনীতি কীভাবে তাদের পক্ষে কাজ করতে পারে তার প্রথম ব্যাপক তত্ত্ব তৈরি করেছিল। প্রায় চার শতাব্দী পরে, ট্রাম্পের মার্কিন নীতিমালা “হাউ টু ডমিনেট দ্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমি বাই উইকেনিং ইওর রিভালস” দ্বারা “মার্কেন্টাইলিজম”-এর অনেক দিক পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। এর শিরোনাম হতে পারে “হাউ টু ডমিনেট দ্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমি বাই উইকেনিং ইওর রিভালস”।

ফ্রান্সের মার্কেন্টাইলিজমের সংস্করণটি এই ধারণার উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল যে একটি দেশকে অন্যান্য দেশগুলি কতটা বিক্রি করতে পারে তা সীমিত করার জন্য বাণিজ্য বাধা তৈরি করতে হবে, একই সাথে তাদের নিজস্ব শিল্পকে শক্তিশালী করতে হবে যাতে দেশ থেকে (সোনার আকারে) যত টাকা চলে যায় তার চেয়ে বেশি অর্থ আসে।

ইংল্যান্ড এবং ডাচ প্রজাতন্ত্র ইতিমধ্যেই এই ধরণের কিছু মার্কেন্টাইলিস্ট নীতি গ্রহণ করেছে, বিশ্বজুড়ে শক্তিশালী একচেটিয়া বাণিজ্য সংস্থাগুলি দ্বারা পরিচালিত উপনিবেশ স্থাপন করেছে যার লক্ষ্য ছিল স্প্যানিশ সাম্রাজ্যকে চ্যালেঞ্জ করা এবং দুর্বল করা, যা আমেরিকায় জব্দ করা সোনা ও রূপার উপর সমৃদ্ধ হয়েছিল।

এই “সমুদ্রবাহিত সাম্রাজ্য”-এর বিপরীতে, চীন এবং ভারতের মতো পূর্বের অনেক বৃহৎ সাম্রাজ্যের নিজস্ব রাজস্ব তৈরির জন্য অভ্যন্তরীণ সম্পদ ছিল – যার অর্থ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, যদিও ব্যাপক ছিল, তাদের সমৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল না।

বিশ্ব
ফরাসি অর্থমন্ত্রী জিন-ব্যাপটিস্ট কোলবার্ট, বাণিজ্যবাদের স্থপতি। Metropolitan Museum of Art/Wikimedia

ফ্রান্সই প্রথমবারের মতো সরকারি নীতিমালার পুরো অংশে পদ্ধতিগতভাবে বাণিজ্যিকীকরণ প্রয়োগ করে – যার নেতৃত্বে ছিলেন শক্তিশালী অর্থমন্ত্রী জিন-ব্যাপটিস্ট কোলবার্ট (১৬৬১-১৬৮৩), যাকে রাজা চতুর্দশ লুই ফরাসি রাষ্ট্রের আর্থিক শক্তিকে শক্তিশালী করার জন্য অভূতপূর্ব ক্ষমতা প্রদান করেছিলেন।

কলবার্ট বিশ্বাস করতেন যে বাণিজ্য রাষ্ট্রের কোষাগারকে বাড়িয়ে তুলবে এবং ফ্রান্সের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে, একই সাথে তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের দুর্বল করে দেবে। তিনি বলেন:

“একটি রাষ্ট্রের মধ্যে অর্থের অনুপস্থিতি বা প্রাচুর্যই কেবল তার মহিমা এবং শক্তিতে পার্থক্য তৈরি করে।”

কলবার্টের দৃষ্টিতে, বাণিজ্য ছিল একটি শূন্য-সমষ্টির খেলা। ফ্রান্স যত বেশি অন্যান্য দেশের সাথে বাণিজ্য উদ্বৃত্ত চালাতে পারবে, সরকারের জন্য তত বেশি সোনা জমা হতে পারবে এবং সোনা থেকে বঞ্চিত হলে তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা তত দুর্বল হয়ে পড়বে। কলবার্টের অধীনে, ফ্রান্স সুরক্ষাবাদের পথপ্রদর্শক হয়েছিল, বিদেশী পণ্যগুলিকে অত্যন্ত ব্যয়বহুল করার জন্য তার আমদানি শুল্ক তিনগুণ বাড়িয়েছিল।

একই সাথে, তিনি ভর্তুকি প্রদান এবং তাদের একচেটিয়া অধিকার প্রদান করে ফ্রান্সের দেশীয় শিল্পগুলিকে শক্তিশালী করেছিলেন। মশলা, চিনি এবং দাসদের মতো পণ্যের অত্যন্ত লাভজনক বাণিজ্য থেকে ফ্রান্স যাতে লাভবান হতে পারে তা নিশ্চিত করার জন্য উপনিবেশ এবং সরকারি বাণিজ্য কোম্পানি স্থাপন করা হয়েছিল।

কলবার্ট লেইস এবং কাচ তৈরির মতো ক্ষেত্রে ফরাসি শিল্পের সম্প্রসারণ, ইতালি থেকে দক্ষ কারিগর আমদানি এবং এই নতুন কোম্পানিগুলিকে রাষ্ট্রীয় একচেটিয়া অধিকার প্রদানের তত্ত্বাবধান করেছিলেন। তিনি ক্যানাল ডু মিডির মতো অবকাঠামোতে প্রচুর বিনিয়োগ করেছিলেন এবং তার ব্রিটিশ এবং ডাচ প্রতিদ্বন্দ্বীদের চ্যালেঞ্জ করার জন্য ফ্রান্সের নৌবাহিনী এবং বণিক সামুদ্রিক বাহিনীর আকার নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি করেছিলেন।

এই সময়ে বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য অত্যন্ত শোষণমূলক ছিল, যার মধ্যে নতুন আবিষ্কৃত ভূমি থেকে সোনা এবং অন্যান্য কাঁচামাল জোরপূর্বক জব্দ করা জড়িত ছিল (যেমন স্পেন 15 শতকের শেষের দিকে নতুন বিশ্বে তার বিজয়ের মাধ্যমে করে আসছিল)। এর অর্থ ছিল মানুষের বাণিজ্য থেকে লাভবান হওয়া, দাসদের ধরে নিয়ে ক্যারিবিয়ান এবং অন্যান্য উপনিবেশে চিনি এবং অন্যান্য ফসল উৎপাদনের জন্য পাঠানোর ফলে বিপুল লাভ হয়েছিল।

বাণিজ্যবাদের এই যুগে, বাণিজ্য যুদ্ধগুলি প্রায়শই সত্যিকারের যুদ্ধের দিকে পরিচালিত করে, বাণিজ্য রুট নিয়ন্ত্রণ এবং উপনিবেশ দখলের জন্য বিশ্বজুড়ে সংঘটিত হয়েছিল। কলবার্টের সংস্কারের পর, ফ্রান্স তার সমুদ্র প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিদেশী সাম্রাজ্যকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য দীর্ঘ সংগ্রাম শুরু করে, একই সাথে মহাদেশীয় ইউরোপে বিজয় যুদ্ধেও লিপ্ত হয়।

ফ্রান্স প্রাথমিকভাবে ১৭ শতকে ডাচদের বিরুদ্ধে স্থল ও সমুদ্র উভয় ক্ষেত্রেই সাফল্য উপভোগ করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত, তাদের রাষ্ট্র পরিচালিত ফরাসি ইন্ডিজ কোম্পানি ডাচ এবং ব্রিটিশ পূর্ব ভারত কোম্পানিগুলির নির্মম, বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত কার্যকলাপের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না, যা তাদের শেয়ারহোল্ডারদের প্রচুর মুনাফা এবং তাদের সরকারের জন্য রাজস্ব প্রদান করে।

প্রকৃতপক্ষে, সুদূর পূর্বের মশলা ব্যবসা থেকে ডাচদের অর্জিত বিশাল লাভ ব্যাখ্যা করে যে কেন তারা তাদের ছোট উত্তর আমেরিকান উপনিবেশ নিউ আমস্টারডাম হস্তান্তর করতে দ্বিধা করেনি, পরিবর্তে ব্রিটিশদের তাদের মশলা দ্বীপগুলির একটির একটি ছোট আধিপত্য থেকে বিতাড়িত করেছিল যা বর্তমানে ইন্দোনেশিয়া। ১৬৬৪ সালে, সেই ডাচ ফাঁড়ির নামকরণ করা হয় নিউ ইয়র্ক।

এক শতাব্দীর সংঘাতের পর, ব্রিটেন ধীরে ধীরে ফ্রান্সের উপর আধিপত্য বিস্তার করে, ভারত জয় করে এবং ১৭৬৩ সালে সাত বছরের যুদ্ধের পর তার মহান প্রতিদ্বন্দ্বীকে কানাডা ছেড়ে দিতে বাধ্য করে। ফ্রান্স কখনও ব্রিটেনের নৌ শক্তির সম্পূর্ণরূপে মোকাবেলা করতে সফল হয়নি। উনিশ শতকের গোড়ার দিকে হোরাশিও নেলসনের নেতৃত্বে নৌবহরের ভয়াবহ পরাজয় এবং ওয়াটারলুতে ইউরোপীয় শক্তির জোটের কাছে নেপোলিয়নের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে ইউরোপের আধিপত্যবাদী শক্তি হিসেবে ফ্রান্সের সময়ের অবসান ঘটে।

বিশ্ব
১৮০৫ সালের অক্টোবরে ট্রাফালগারের যুদ্ধ ফ্রান্সের আধিপত্যের যুগের অবসান ঘটাতে নির্ণায়ক ছিল। Image: Yale Center for British Art / Wikimedia

কিন্তু বিশ্বায়নের ফরাসি মডেল বিশ্ব অর্থনীতিতে আধিপত্য বিস্তারের প্রচেষ্টায় শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হলেও, এটি অন্যান্য দেশগুলিকে – এবং এখন রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পকে – এর নীতিগুলি গ্রহণ করতে বাধা দেয়নি।

ফ্রান্স দেখেছে কেবল শুল্কই তার যুদ্ধের জন্য পর্যাপ্ত অর্থায়ন করতে পারে না বা তার শিল্পগুলিকে চাঙ্গা করতে পারে না। এর বিস্তৃত বাণিজ্যিকীকরণের ফলে বিশ্বজুড়ে অবিরাম যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে, কারণ দেশগুলি অর্থনৈতিক ও সামরিক উভয় দিক থেকেই প্রতিশোধ নেয় এবং অঞ্চল দখল করার চেষ্টা করে।

দুই শতাব্দীরও বেশি সময় পরে, ট্রাম্পের অবিরাম শুল্ক যুদ্ধের ফলাফলের সাথে চলমান সংঘাত এবং প্রতিদ্বন্দ্বী বাণিজ্য ব্লকের সংগঠন উভয় ক্ষেত্রেই একটি অস্বস্তিকর সমান্তরালতা রয়েছে। এটি আরও দেখায় যে ট্রাম্পের প্রস্তাবিত আরও সুরক্ষাবাদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ শিল্পগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য যথেষ্ট হবে না।

ব্রিটিশ মডেল: মুক্ত বাণিজ্য এবং সাম্রাজ্য
মুক্ত বাণিজ্যের আদর্শ প্রথম ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ অ্যাডাম স্মিথ এবং ডেভিড রিকার্ডো দ্বারা স্পষ্ট করা হয়েছিল, যারা ধ্রুপদী অর্থনীতির প্রতিষ্ঠাতা। তারা যুক্তি দিয়েছিলেন যে বাণিজ্য একটি শূন্য-সমষ্টির খেলা নয়, যেমনটি কলবার্ট পরামর্শ দিয়েছিলেন, বরং এমন একটি জিনিস যা থেকে সমস্ত দেশ পারস্পরিকভাবে উপকৃত হতে পারে। স্মিথের ক্লাসিক লেখা, দ্য ওয়েলথ অফ নেশনস (১৭৭৬) অনুসারে:

যদি কোনও বিদেশী দেশ আমাদের নিজেদের উৎপাদনের চেয়ে সস্তায় পণ্য সরবরাহ করতে পারে, তাহলে আমাদের নিজস্ব শিল্পের উৎপাদিত পণ্যের কিছু অংশ দিয়ে তাদের কাছ থেকে তা কেনা উচিত, যাতে আমাদের কিছু সুবিধা থাকে।

বিশ্বের প্রথম শিল্পোন্নত দেশ হিসেবে, ১৮৪০ সালের মধ্যে ব্রিটেন বাষ্পীয় শক্তি, কারখানা ব্যবস্থা এবং রেলপথের নতুন প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে একটি অর্থনৈতিক শক্তি তৈরি করেছিল।

স্মিথ এবং রিকার্ডো বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণের জন্য রাষ্ট্রীয় একচেটিয়া ব্যবস্থা তৈরির বিরুদ্ধে যুক্তি দিয়েছিলেন, শিল্পে ন্যূনতম রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপের প্রস্তাব করেছিলেন। তখন থেকেই, মুক্ত বাণিজ্যের সুবিধার প্রতি ব্রিটেনের বিশ্বাস অন্য যেকোনো প্রধান শিল্প শক্তির তুলনায় শক্তিশালী এবং দীর্ঘস্থায়ী প্রমাণিত হয়েছে – যা এর রাজনীতি এবং জনপ্রিয় কল্পনা উভয়ের মধ্যেই আরও গভীরভাবে প্রোথিত।

১৮৪০-এর দশকে সুরক্ষাবাদী শস্য আইন নিয়ে নির্মাতা এবং জমির মালিকদের মধ্যে এক তিক্ত রাজনৈতিক সংগ্রাম থেকে এই লৌহঘটিত প্রতিশ্রুতির জন্ম হয়েছিল। ঐতিহ্যগতভাবে ব্রিটিশ রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তারকারী জমির মালিকরা উচ্চ শুল্ককে সমর্থন করেছিলেন, যা তাদের উপকার করেছিল কিন্তু রুটির মতো প্রধান জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়েছিল। ১৮৪৬ সালে ভুট্টা আইন বাতিলের ফলে ব্রিটিশ রাজনীতি বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে, যা উৎপাদনকারী শ্রেণীর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের ইঙ্গিত দেয় – এবং শেষ পর্যন্ত ভোটাধিকার অর্জনের পর তাদের শ্রমিক শ্রেণীর মিত্রদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের ইঙ্গিত দেয়।

বিশ্ব
১৮৪৬ সালে লন্ডনের এক্সেটার হলে অনুষ্ঠিত ভুট্টা-বিরোধী আইন লীগের সভার ছবি।

সময়ের সাথে সাথে, ব্রিটেনের মুক্ত বাণিজ্যের সমর্থন বিশ্ব বাজারে আধিপত্য বিস্তারের জন্য তার উৎপাদনশীলতার শক্তিকে উন্মুক্ত করে দেয়। দরিদ্রদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার উপায় হিসেবে মুক্ত বাণিজ্যকে রূপ দেওয়া হয়েছিল (রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের দাবির ঠিক বিপরীত যে এটি শ্রমিকদের ক্ষতি করে) এবং তাদের শক্তিশালী শ্রমিক শ্রেণীর সমর্থন ছিল। ১৯০৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে যখন রক্ষণশীলরা মুক্ত বাণিজ্য পরিত্যাগের ধারণাটি উত্থাপন করে, তখন তারা এক ভয়াবহ পরাজয়ের সম্মুখীন হয় – ২০২৪ সাল পর্যন্ত দলের সবচেয়ে খারাপ পরাজয়।

বাণিজ্যের পাশাপাশি, নতুন বৈশ্বিক আধিপত্যবাদী শক্তি হিসেবে ব্রিটেনের ভূমিকার একটি কেন্দ্রীয় উপাদান ছিল লন্ডন শহরের বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে উত্থান। মূল বিষয় ছিল ব্রিটেনের স্বর্ণমানকে আলিঙ্গন করা যা তার মুদ্রা, পাউন্ডকে নতুন বিশ্ব অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে স্থাপন করে, এর মূল্যকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সোনার সাথে সংযুক্ত করে, যাতে এর মূল্য ওঠানামা না করে। এইভাবে পাউন্ড বিশ্বব্যাপী বিনিময়ের মাধ্যম হয়ে ওঠে।

এটি একটি শক্তিশালী ব্যাংকিং খাতের বিকাশকে উৎসাহিত করে, যা আর্থিক সংকটে ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড দ্বারা একটি বিশ্বাসযোগ্য এবং বিশ্বস্ত “শেষ অবলম্বন” হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এর ফলে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগে বিরাট উত্থান ঘটে, যা ব্রিটিশ কোম্পানি এবং ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারীদের জন্য বিদেশী বাজারে প্রবেশাধিকার খুলে দেয়।

ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে, লন্ডন শহর বিশ্বব্যাপী অর্থায়নে আধিপত্য বিস্তার করে, আর্জেন্টিনার রেলপথ এবং মালয়েশিয়ার রাবার বাগান থেকে শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকার সোনার খনি পর্যন্ত সবকিছুতেই বিনিয়োগ করে। গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড বিশ্ব অর্থনীতিতে আধিপত্য বিস্তারের জন্য ব্রিটেনের ক্ষমতার তাবিজ হয়ে ওঠে।

ব্রিটেনের বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক আধিপত্যের স্তম্ভ ছিল একটি অত্যন্ত দক্ষ উৎপাদন খাত, বিশ্ব বাজারে তার শিল্পের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার জন্য মুক্ত বাণিজ্যের প্রতিশ্রুতি এবং একটি অত্যন্ত উন্নত আর্থিক ক্ষেত্র যা বিশ্বজুড়ে মূলধন বিনিয়োগ করে এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুবিধা অর্জন করে। কিন্তু ব্রিটেন বিদেশী বাজার উন্মুক্ত করার জন্য শক্তি প্রয়োগ করতেও দ্বিধা করেনি – উদাহরণস্বরূপ, 1840-এর দশকের আফিম যুদ্ধের সময়, যখন চীন ব্রিটিশ মালিকানাধীন ভারত থেকে আফিমের লাভজনক বাণিজ্যের জন্য তার বাজার উন্মুক্ত করতে বাধ্য হয়েছিল।

ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ নাগাদ, ব্রিটিশ সাম্রাজ্য বিশ্বের জনসংখ্যার এক চতুর্থাংশকে অন্তর্ভুক্ত করে, যা সস্তা শ্রম এবং নিরাপদ কাঁচামালের উৎসের পাশাপাশি ব্রিটেনের উৎপাদিত পণ্যের জন্য একটি বৃহৎ বাজার প্রদান করে। কিন্তু তাও তার লোভী নেতাদের জন্য যথেষ্ট ছিল না: ব্রিটেন নিশ্চিত করেছিল যে স্থানীয় শিল্পগুলি তাদের স্বার্থের জন্য হুমকিস্বরূপ না হয় – উদাহরণস্বরূপ, ভারতীয় টেক্সটাইল শিল্পকে অবমূল্যায়ন করে এবং ভারতীয় মুদ্রার হেরফের করে।

বাস্তবে, সেই যুগে বিশ্বায়নের উদ্দেশ্য ছিল কয়েকটি ধনী ইউরোপীয় শক্তির দ্বারা বিশ্ব অর্থনীতির উপর আধিপত্য বিস্তার করা, যার অর্থ তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক উন্নয়নের অনেকটাই হ্রাস করা হয়েছিল। ১৭৫০ থেকে ১৯০০ সালের মধ্যে ব্রিটিশ শাসনামলে, বিশ্ব শিল্প উৎপাদনে ভারতের অংশ ২৫% থেকে ২% এ নেমে আসে।

কিন্তু ব্রিটেনের বিশ্বব্যাপী আনুষ্ঠানিক এবং অনানুষ্ঠানিক সাম্রাজ্যের কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তিদের জন্য, যেমন লন্ডনের মধ্যবিত্ত বাসিন্দাদের জন্য, এটি ছিল একটি অস্থির সময় – যেমন অর্থনীতিবিদ জন মেনার্ড কেইনস পরে স্মরণ করবেন:

মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্তদের জন্য … অন্যান্য যুগের ধনী এবং সবচেয়ে শক্তিশালী রাজাদের কম্পাসের বাইরে কম খরচে এবং সবচেয়ে কম ঝামেলা, সুযোগ-সুবিধা, আরাম এবং সুযোগ-সুবিধা সহ জীবন দেওয়া হত। লন্ডনের বাসিন্দারা টেলিফোনে অর্ডার করতে পারতেন, বিছানায় শুয়ে সকালের চায়ে চুমুক দিতেন, সমগ্র পৃথিবীর বিভিন্ন পণ্য, যতটা সম্ভব, তার দোরগোড়ায় দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার আশা করতেন।

মার্কিন মডেল: সুরক্ষাবাদ থেকে নব্য উদারনীতিবাদ
যদিও ব্রিটেন তার শতাব্দীব্যাপী বিশ্বব্যাপী আধিপত্য উপভোগ করেছিল, ১৭৭৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অন্যান্য প্রধান পশ্চিমা অর্থনীতির তুলনায় দীর্ঘকাল ধরে সুরক্ষাবাদকে আলিঙ্গন করেছিল।

উদীয়মান মার্কিন শিল্পগুলিকে সুরক্ষা এবং ভর্তুকি দেওয়ার জন্য শুল্ক প্রবর্তনের প্রথম সূচনা করেছিলেন ১৭৯১ সালে নবজাতক দেশের প্রথম ট্রেজারি সেক্রেটারি, আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন – ক্যারিবিয়ান অভিবাসী, প্রতিষ্ঠাতা পিতা এবং ভবিষ্যতের একটি রেকর্ড-ব্রেকিং সঙ্গীতের বিষয়বস্তু।

বিশ্ব
১৯৩৪ সালের ১০ মার্কিন ডলারের নোটের সামনের দিকে প্রতিষ্ঠাতা পিতা আলেকজান্ডার হ্যামিল্টনের নাম। Wikimedia

হেনরি ক্লে-এর নেতৃত্বে হুইগ পার্টি এবং তার উত্তরসূরী রিপাবলিকান পার্টি, উভয়ই ঊনবিংশ শতাব্দীর বেশিরভাগ সময় ধরে এই নীতির শক্তিশালী সমর্থক ছিল। মার্কিন শিল্প যখন অন্য সকল শিল্পকে ছাপিয়ে গিয়েছিল, তখনও তাদের সরকার বিশ্বের সর্বোচ্চ শুল্ক বাধা বজায় রেখেছিল।

১৮৯০-এর দশকে ভবিষ্যতের রাষ্ট্রপতি উইলিয়াম ম্যাককিনলির সমর্থনে শুল্ক হার ৫০%-এ উন্নীত হয়েছিল, উভয়ই শিল্পপতিদের সাহায্য করার জন্য এবং দুই মিলিয়ন গৃহযুদ্ধের প্রবীণ এবং তাদের নির্ভরশীলদের জন্য উদার পেনশন প্রদানের জন্য – রিপাবলিকান ভোটারদের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি কোনও দুর্ঘটনা নয় যে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প হোয়াইট হাউসকে হ্যামিল্টন, ক্লে এবং ম্যাককিনলির ছবি দিয়ে সজ্জিত করেছেন – সকলেই সুরক্ষাবাদ এবং উচ্চ শুল্কের সমর্থক।

আংশিকভাবে, মুক্ত বাণিজ্যের প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী প্রতিরোধের কারণ ছিল আপাতদৃষ্টিতে সীমাহীন কাঁচামালের অভ্যন্তরীণ সরবরাহের অ্যাক্সেস ছিল, অন্যদিকে অভিবাসনের কারণে দ্রুত বর্ধনশীল জনসংখ্যা অভ্যন্তরীণ বাজার সরবরাহ করেছিল যা বিদেশী প্রতিযোগিতাকে দূরে রেখে এর বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করেছিল।

উনিশ শতকের শেষের দিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বৃহত্তম ইস্পাত উৎপাদনকারী দেশ ছিল এবং বিশ্বের বৃহত্তম রেল ব্যবস্থা ছিল এবং দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের নতুন প্রযুক্তি – বিদ্যুৎ, পেট্রোল ইঞ্জিন এবং রাসায়নিকের উপর ভিত্তি করে – দ্রুত কাজে লাগাতে এগিয়ে যাচ্ছিল। তবুও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী পরাশক্তির ভূমিকা গ্রহণ করে – কারণ এটি যুদ্ধের উভয় পক্ষের একমাত্র দেশ ছিল যার অর্থনীতি এবং অবকাঠামোর গুরুতর ক্ষতি হয়নি।

ইউরোপ এবং এশিয়ায় বিশ্বব্যাপী ধ্বংসের পরিপ্রেক্ষিতে, আমেরিকান আধিপত্য রাজনৈতিক, সামরিক এবং সাংস্কৃতিক, পাশাপাশি আর্থিক ছিল – তবে একটি বিশ্বায়িত বিশ্বের মার্কিন দৃষ্টিভঙ্গি তার ব্রিটিশ পূর্বসূরীর থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য ছিল।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অনেক বেশি সার্বজনীন এবং নিয়ম-ভিত্তিক পদ্ধতি গ্রহণ করেছিল, বিশ্বব্যাপী সংস্থা তৈরির উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে যা বাধ্যতামূলক নিয়ম প্রতিষ্ঠা করবে – এবং বিশ্বব্যাপী বাজারগুলিকে আমেরিকান বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য অবাধ উন্মুক্ত করবে। এটি পাউন্ড স্টার্লিংকে বিশ্বব্যাপী বিনিময়ের মাধ্যম হিসাবে মার্কিন ডলার দিয়ে প্রতিস্থাপন করে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক শৃঙ্খলায় আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যও রেখেছিল।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রবেশের এক সপ্তাহের মধ্যে, মার্কিন বিশ্বব্যাপী আর্থিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি, হেনরি মরগেনথাউ, একটি “আন্তঃ-মিত্র স্থিতিশীলতা তহবিল” প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করেন – যুদ্ধোত্তর আর্থিক ব্যবস্থার জন্য একটি খেলার বই যা মার্কিন ডলারকে তাদের হৃদয়ে স্থাপন করবে।

এর ফলে ১৯৪৪ সালে নিউ হ্যাম্পশায়ারে ব্রেটন উডস সম্মেলনে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) এবং বিশ্বব্যাংক – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যাধীন প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়, যা অন্যান্য দেশগুলিকে মুক্ত বাণিজ্য এবং মুক্ত উদ্যোগ উভয় ক্ষেত্রেই একই অর্থনৈতিক মডেল গ্রহণ করতে উৎসাহিত করে।

মহামন্দা এবং যুদ্ধের ধ্বংসাত্মক প্রভাব ভোগ করার পর, ভবিষ্যতের বিশ্ব শান্তি নিশ্চিত করার জন্য জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার জন্য একই সাথে মিলিত হওয়া মিত্র দেশগুলি, একটি নতুন, আরও স্থিতিশীল অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গঠনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানায়।

বিশ্ব

যেহেতু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বৃহত্তম এবং শক্তিশালী অর্থনীতি ছিল, তাই তার নিজস্ব ভাবমূর্তির একটি নতুন আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার পরিকল্পনার বিরুদ্ধে (প্রাথমিকভাবে) খুব কম প্রতিরোধ ছিল। উদ্দেশ্যটি রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক উভয়ই ছিল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার মূল মিত্রদের আনুগত্য নিশ্চিত করার জন্য অর্থনৈতিক সুবিধা প্রদান করতে চেয়েছিল এবং কমিউনিস্ট দখলের হুমকি মোকাবেলা করতে চেয়েছিল – ট্রাম্পের আজকের বাণিজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গির সম্পূর্ণ বিপরীত যে অন্যান্য সমস্ত দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে “ছিনিয়ে নেওয়ার” জন্য প্রস্তুত, এবং তার নিজস্ব সামরিক বাহিনীর অর্থ হতে পারে যে এর মিত্রদের কোনও প্রকৃত প্রয়োজন নেই।


আর্থিক ব্যাবস্থায় ডলারমুক্ত লেনদেন ডলারকে পিছিয়ে দিচ্ছে


যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর, মার্কিন ডলার, যা এখন তার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য প্রতি আউন্স $35 এর নির্দিষ্ট হারে সোনার সাথে যুক্ত, মুক্ত বিশ্বের প্রধান মুদ্রা হিসেবে ভূমিকা গ্রহণ করে। এটি বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হত এবং বিদেশী কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলি তাদের মুদ্রার রিজার্ভ হিসাবে ধরে রাখত – যা মার্কিন অর্থনীতিকে “অতিরিক্ত সুবিধা” প্রদান করে।

ডলারের স্থিতিশীল মূল্য মার্কিন সরকারের জন্য বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে ট্রেজারি বন্ড বিক্রি করাও সহজ করে তোলে, যা এটিকে আরও সহজে অর্থ ধার করতে এবং অন্যান্য দেশের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি পূরণ করতে সক্ষম করে।

মার্কিন রাজনৈতিক, আর্থিক এবং সাংস্কৃতিক আধিপত্যের এক যুগের জন্য পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল, যেখানে ম্যাকডোনাল্ডস এবং কোকা কোলার মতো বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত ব্র্যান্ডের উত্থান ঘটেছিল, সেইসাথে হলিউডের আকারে একটি শক্তিশালী মার্কিন বিপণন শাখাও দেখা গিয়েছিল।

সম্ভবত আরও উল্লেখযোগ্যভাবে, ক্যালিফোর্নিয়ার আরামদায়ক, সু-তহবিলযুক্ত ক্যাম্পাসগুলি নতুন কম্পিউটার প্রযুক্তির বিকাশের জন্য একটি নিখুঁত পেট্রি ডিশ হিসাবে প্রমাণিত হবে – যা প্রাথমিকভাবে শীতল যুদ্ধের সামরিক বিনিয়োগ দ্বারা সমর্থিত ছিল – যা কয়েক দশক পরে, আজকের প্রযুক্তিগত ভূদৃশ্যে আধিপত্য বিস্তারকারী বৃহৎ-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির জন্মের দিকে পরিচালিত করবে।

বিশ্বায়নের প্রতি মার্কিন দৃষ্টিভঙ্গি ছিল মুক্ত বাণিজ্য এবং সাম্রাজ্যের ব্রিটিশ মডেলের চেয়ে বিস্তৃত এবং আরও হস্তক্ষেপমূলক। একটি আনুষ্ঠানিক সাম্রাজ্য থাকার পরিবর্তে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমগ্র বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রবেশাধিকার উন্মুক্ত করতে চেয়েছিল, যা আমেরিকান পণ্য এবং পরিষেবাগুলির জন্য বিশ্বব্যাপী বাজার সরবরাহ করবে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করেছিল যে এই নিয়মগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আপনার বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলির প্রয়োজন। কিন্তু, ব্রিটিশদের ক্ষেত্রে যেমন, বিশ্বায়নের সুবিধাগুলি এখনও অসমভাবে ভাগ করা হয়েছিল। জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জার্মানির মতো রপ্তানি-নেতৃত্বাধীন প্রবৃদ্ধি গ্রহণকারী দেশগুলি সমৃদ্ধ হলেও, নাইজেরিয়ার মতো অন্যান্য সম্পদ-সমৃদ্ধ কিন্তু মূলধন-দরিদ্র দেশগুলি কেবল আরও পিছিয়ে পড়েছিল।

স্বপ্ন থেকে হতাশা
যদিও আমেরিকান স্বপ্নের কিংবদন্তি ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে, ১৯৭০-এর দশকের মধ্যে মার্কিন অর্থনীতি ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যে পড়তে থাকে – বিশেষ করে জার্মান এবং জাপানি প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছ থেকে, যারা ততক্ষণে যুদ্ধ থেকে সেরে উঠেছিল এবং তাদের শিল্পকে আধুনিকীকরণ করেছিল।

এই অনুভূত হুমকি এবং ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ঘাটতির কারণে, ১৯৭১ সালে রাষ্ট্রপতি রিচার্ড নিক্সন বিশ্বকে হতবাক করে দিয়েছিলেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বর্ণমান থেকে সরে যাচ্ছে – অন্যান্য দেশগুলিকে তাদের মুদ্রা পুনর্মূল্যায়ন করে মার্কিন অর্থপ্রদানের ভারসাম্য সংকটের জন্য সমন্বয়ের খরচ বহন করতে বাধ্য করেছিল।

এর বিশ্বব্যাপী আর্থিক ব্যবস্থার উপর গভীর প্রভাব পড়েছিল: এক দশকের মধ্যে, বেশিরভাগ প্রধান মুদ্রা স্থির বিনিময় হার পরিত্যাগ করে একটি নতুন ভাসমান হার ব্যবস্থার জন্য কার্যকরভাবে 1944 সালের ব্রেটন উডস নিষ্পত্তির অবসান ঘটায়।

স্থির বিনিময় হারের অবসান বিশ্ব অর্থনীতির “অর্থায়নের” দরজা খুলে দেয়, যার ফলে বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগ এবং ঋণের ব্যাপক প্রসার ঘটে – যার বেশিরভাগই মার্কিন আর্থিক সংস্থাগুলি দ্বারা।

এটি ক্রমবর্ধমান নব্য উদারনৈতিক আন্দোলনকে সমর্থন দেয় যা আর্থিক বিশ্ব ব্যবস্থার নিয়মগুলিকে আরও পুনর্লিখনের চেষ্টা করেছিল। ১৯৮০ এবং ৯০ এর দশকে, এই নীতিগত ব্যবস্থাগুলি ওয়াশিংটন ঐক্যমত্য নামে পরিচিতি পায়: নিয়মের একটি সেট – যার মধ্যে রয়েছে বিদেশী বিনিয়োগের জন্য বাজার উন্মুক্ত করা, নিয়ন্ত্রণমুক্তকরণ এবং বেসরকারীকরণ – যা সংকটে থাকা উন্নয়নশীল অর্থনীতির উপর আরোপ করা হয়েছিল, যার বিনিময়ে বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফের মতো মার্কিন নেতৃত্বাধীন সংস্থাগুলি তাদের সমর্থন পায়।

ইতিমধ্যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, অর্থ ও উচ্চ-প্রযুক্তি খাতের উপর ক্রমবর্ধমান নির্ভরতা বৈষম্যের মাত্রা বৃদ্ধি করে এবং আমেরিকান সমাজের বৃহৎ অংশে ক্ষোভের জন্ম দেয়। রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাট উভয়ই নতুন বিশ্ব ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তাদের উচ্চ-প্রযুক্তি এবং আর্থিক মিত্রদের পক্ষে মার্কিন নীতি গঠন করে। প্রকৃতপক্ষে, ১৯৯০ এর দশকে আর্থিক খাতকে নিয়ন্ত্রণমুক্ত করার ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

ইতিমধ্যে, মার্কিন উৎপাদন শিল্পের পতন ত্বরান্বিত হয়েছে, পাশাপাশি উৎপাদন কেন্দ্রিক অঞ্চলের বাসিন্দাদের এবং বৃহৎ মহানগর শহরগুলির বাসিন্দাদের আয়ের মধ্যে ব্যবধানও বেড়েছে।

২০২৩ সালের মধ্যে, সর্বনিম্ন ৫০% মার্কিন নাগরিক মোট ব্যক্তিগত আয়ের মাত্র ১৩% পেয়েছিলেন, যেখানে শীর্ষ ১০% প্রায় অর্ধেক (৪৭%) পেয়েছিলেন। সম্পদের ব্যবধান আরও বেশি ছিল, নীচের ৫০%-এর মোট সম্পদের মাত্র ৬% ছিল, যেখানে এক তৃতীয়াংশ (৩৬%) ছিল শীর্ষ ১%-এর কাছে। ১৯৮০ সাল থেকে, নীচের ৫০%-এর প্রকৃত আয় চার দশক ধরে খুব একটা বৃদ্ধি পায়নি।

মার্কিন জনসংখ্যার নীচের অর্ধেক “হতাশার মৃত্যু”-এর উত্থানে ভুগছিল – নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অ্যাঙ্গাস ডেটন তরুণ শ্রমিক শ্রেণীর আমেরিকানদের মধ্যে মাদকের অপব্যবহার, আত্মহত্যা এবং হত্যার কারণে উচ্চ মৃত্যুহার বর্ণনা করার জন্য এই শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। আবাসন, চিকিৎসা সেবা এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার ক্রমবর্ধমান ব্যয় ব্যাপক ঋণগ্রস্ততা এবং ক্রমবর্ধমান আর্থিক নিরাপত্তাহীনতায় অবদান রেখেছে। ২০১৯ সালের মধ্যে, একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে দেউলিয়া হওয়ার জন্য আবেদনকারী দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্যাকে একটি প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

২০০১ সালে চীন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর মার্কিন উৎপাদনে পতন দ্রুততর হয়, যার ফলে আমেরিকার ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ও বাজেট ঘাটতি আরও বেড়ে যায়। রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক অভিজাতরা আশা করেছিলেন যে এই পদক্ষেপ মার্কিন পণ্য এবং বিনিয়োগের জন্য বিশাল চীনা বাজার উন্মুক্ত করবে, কিন্তু চীনের দ্রুত আধুনিকীকরণ তার শিল্পকে তার আমেরিকান প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় অনেক ক্ষেত্রে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলেছে।

পরিণামে, বিশ্ব অর্থনীতির এই নিবিড় আর্থিকীকরণের যুগ আঞ্চলিক এবং তারপরে বিশ্বব্যাপী আর্থিক সংকটের একটি সিরিজ তৈরি করে, যা অনেক ল্যাটিন আমেরিকান এবং এশিয়ান অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এর পরিণতি ঘটে ২০০৮ সালের বিশ্বব্যাপী আর্থিক সংকটে, যা মার্কিন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির বেপরোয়া ঋণের ফলে ঘটে। বিশ্ব অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে এক দশকেরও বেশি সময় লেগেছে কারণ দেশগুলি ধীর প্রবৃদ্ধি, নিম্ন উৎপাদনশীলতা এবং সংকটের আগের তুলনায় কম বাণিজ্যের সাথে লড়াই করছে।

যারা এটি পড়তে বেছে নিয়েছেন, তাদের জন্য লেখাটি কয়েক দশক আগে আমেরিকার বিশ্বব্যাপী আধিপত্যের যুগের জন্য দেয়ালে লেখা ছিল। কিন্তু ২০১৬ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ট্রাম্পের জয় – যা মার্কিন “উদারপন্থী প্রতিষ্ঠানের” অনেকের কাছে একটি গভীর ধাক্কা – স্পষ্ট করে দিতে হবে যে আমেরিকা এখন একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে রয়েছে যা বিশ্বকে নাড়া দেবে।

একটি খারাপ পরিস্থিতিকে আরও বিপজ্জনক করে তোলা
আমার মতে, ট্রাম্প হলেন প্রথম আধুনিক মার্কিন রাষ্ট্রপতি যিনি অনেক শ্রমিক শ্রেণীর আমেরিকান ভোটারদের দ্বারা অনুভূত শক্তিশালী বিচ্ছিন্নতা সম্পূর্ণরূপে বুঝতে পেরেছেন, যারা বিশ্বাস করতেন যে যুদ্ধ-পরবর্তী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি থেকে তারা বাদ পড়েছেন, যা মূলত শহুরে আমেরিকান মধ্যবিত্তদের উপকৃত করেছে। তার সবচেয়ে শক্তিশালী সমর্থকরা সর্বদা গ্রামীণ এলাকার নিম্ন-মধ্যবিত্ত ভোটার যারা কলেজ-শিক্ষিত নন।

তবুও ট্রাম্পের মূল নীতিগুলি শেষ পর্যন্ত তাদের জন্য খুব বেশি কিছু করবে না। মার্কিন চাকরি রক্ষায় উচ্চ শুল্ক, লক্ষ লক্ষ অবৈধ অভিবাসীকে বহিষ্কার, DEI (বৈচিত্র্য, সমতা এবং অন্তর্ভুক্তি) কর্মসূচির বিরোধিতা করে সংখ্যালঘুদের জন্য সুরক্ষা ভেঙে ফেলা এবং সরকারের আকার ব্যাপকভাবে হ্রাস করা ভবিষ্যতে ক্রমবর্ধমান নেতিবাচক অর্থনৈতিক পরিণতি বয়ে আনবে এবং মার্কিন অর্থনীতিকে তার পূর্বের প্রভাবশালী অবস্থানে ফিরিয়ে আনার সম্ভাবনা খুব কম।

বিশ্ব

রাষ্ট্রপতি হওয়ার অনেক আগে থেকেই, ট্রাম্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চোখ-ধাঁধানো বাণিজ্য ঘাটতি (যা তিনি একজন ব্যবসায়ী) ঘৃণা করতেন – এবং বিশ্বাস করতেন যে মার্কিন অর্থনৈতিক আধিপত্য বজায় রাখার জন্য শুল্ক একটি মূল অস্ত্র হবে। তার “আমেরিকা ফার্স্ট” মতাদর্শের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলিকে প্রত্যাখ্যান করা, যা বিশ্বায়নের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধোত্তর পদ্ধতির কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল।

তবে, তার প্রথম মেয়াদে, ট্রাম্প (জয়ের আশা না করে) ক্ষমতার জন্য প্রস্তুত ছিলেন না।

দ্বিতীয়বারের মধ্যে, রক্ষণশীল চিন্তাবিদরা বিস্তারিত নীতিমালা তৈরি করতে এবং মার্কিন অর্থনৈতিক নীতিতে আমূল পরিবর্তন বাস্তবায়ন করতে পারে এমন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে বছরের পর বছর ব্যয় করেছিলেন।

ট্রাম্প ২.০ এর অধীনে, আমরা ১৭শ এবং ১৮শ শতাব্দীতে ফ্রান্সের মতো বাণিজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গিতে ফিরে আসতে দেখেছি। তার এই বক্তব্য যে, যেসব দেশ আমেরিকার সাথে বাণিজ্য উদ্বৃত্ত চালাচ্ছে “তারা আমাদের ঠকাচ্ছে”, তা বাণিজ্যবাদীদের বিশ্বাসের প্রতিধ্বনি করে যে বাণিজ্য হল একটি শূন্য-সমষ্টির খেলা – বিংশ শতাব্দীর দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক প্রবর্তিত, যে বিশ্বায়ন সকলের জন্য সুবিধা নিয়ে আসে, সেই বাণিজ্যের সুনির্দিষ্ট ভারসাম্য নির্বিশেষে।

ট্রাম্পের কর-এবং-শুল্ক পরিকল্পনা, যা অত্যন্ত ধনীদের জন্য কর ছাড় প্রসারিত করে এবং সুবিধা হ্রাস এবং শুল্ক-চালিত মুদ্রাস্ফীতির মাধ্যমে দরিদ্রদের জন্য সুবিধা হ্রাস করে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বৈষম্য বৃদ্ধি করবে।

একই সময়ে, ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল পাস হওয়ার ফলে মার্কিন সরকারের ঋণে প্রায় ৩.৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার যোগ হওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে – এমনকি এলন মাস্কের নেতৃত্বাধীন “সরকার দক্ষতা বিভাগ” কর্তনের পরেও যা ওয়াশিংটনের অনেক বিভাগের উপর আরোপ করা হয়েছিল। এটি বিশ্ব আর্থিক ব্যবস্থার কেন্দ্রে মূল মার্কিন ট্রেজারি বন্ড বাজারে চাপ যোগ করে এবং বিশাল মার্কিন ঘাটতি অর্থায়নের খরচ বাড়ায় এবং এর ক্রেডিট রেটিং দুর্বল করে।

এই নীতিগুলি অব্যাহত রাখলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঋণ খেলাপি হওয়ার হুমকি দিতে পারে, যার ফলে সমগ্র বিশ্ব আর্থিক ব্যবস্থার জন্য বিধ্বংসী পরিণতি হবে।

ট্রাম্প এবং তার সমর্থকদের সকল পুরুষতান্ত্রিক অবস্থানের মধ্যেও, তার অর্থনৈতিক নীতিগুলি আমেরিকার শক্তির নয়, দুর্বলতারই প্রকাশ। যদিও আমি বিশ্বাস করি যে মার্কিন অর্থনীতির কিছু খারাপ দিক তুলে ধরার জন্য তিনি দেরি করেছিলেন, রাষ্ট্রপতি দ্রুত যুদ্ধ-পরবর্তী বছরগুলিতে আমেরিকা যে অর্থনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা এবং সদিচ্ছা তৈরি করেছিল, সেইসাথে তার সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আধিপত্যকে নষ্ট করছেন।

তিনি আমেরিকা এবং অন্যান্য স্থানে বসবাসকারী মানুষের জন্য – যার মধ্যে তার অনেক প্রবল সমর্থকও রয়েছে – একটি খারাপ পরিস্থিতিকে আরও বিপজ্জনক করে তুলছেন।

তবে বলা যায়, ট্রাম্পের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ব্যাঘাত না ঘটলেও, মার্কিন আধিপত্যবাদী আধিপত্যের যুগের অবসান ঘটত। বিশ্বায়ন মৃত নয়, বরং এটি মৃতপ্রায়। আমরা সকলেই এখন যে উদ্বেগজনক প্রশ্নের মুখোমুখি হই তা হল: এরপর কী হবে?

বিশ্বায়নের উত্থান-পতনের উপর দুই পর্বের দীর্ঘ পাঠের এটি প্রথম অংশ। দ্বিতীয় অংশে দেখানো হবে কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাশে থাকলে পরবর্তী বিশ্বব্যাপী আর্থিক মন্দা আরও খারাপ হতে পারে।

স্টিভ শিফেরেস লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিটি সেন্ট জর্জেসের সিটি পলিটিক্যাল ইকোনমি রিসার্চ সেন্টারের একজন সম্মানসূচক গবেষণা ফেলো।

Source: এশিয়া টাইমস
Share197Tweet123

Subscribe

Unsubscribe
BT

BT

Related Posts

সীমান্ত
এশিয়া

সীমান্ত গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করবে বাংলাদেশ ও ভারত

June 12, 2026

কথিত অবৈধ অভিবাসন নিয়ে সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যে, উন্নত গোয়েন্দা তথ্য...

Read moreDetails
ট্রাম্প

ট্রাম্প ফেডারেল প্রসিকিউটরকে গোয়েন্দা প্রধান করছেন

June 12, 2026

কর ক্ষেত্রে বেশ কিছু পরিবর্তন আসছে

June 12, 2026

5100 s cleveland ave suite 202 Ft Myers fl33907.

Phone- 239.666.1120.

mail-banglatimes360@gmail.com

সম্পাদক – বখতিয়ার রহমান

প্রকাশক – শাওন ফারহানা

নির্বাহী সম্পাদক – ফরিদ সুমন

  • Tamil journalist Hamshika Krishnamoorthy is the runner-up for the 2026 Immigration Journalism Award

    Tamil journalist Hamshika Krishnamoorthy is the runner-up for the 2026 Immigration Journalism Award

    524 shares
    Share 210 Tweet 131
  • ফ্লোরিডা ফোবানার কমিটির প্রস্তুতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে

    516 shares
    Share 206 Tweet 129

Copyright © 2021-2026. Banglatimes360

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password? Sign Up

Create New Account!

Fill the forms below to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
No Result
View All Result
  • Home
  • রাজনীতি
    • আইন-আদালত
  • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
    • যুদ্ধ
    • উত্তর- আমেরিকা
      • যুক্তরাষ্ট্র
    • এশিয়া
      • মধ্যপ্রাচ্য
    • ইউরোপ
    • অষ্ট্রেলিয়া
      • নিউজিল্যান্ড
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • আফ্রিকা
  • বিনোদন
    • সংগীত
  • খেলা
  • অনুসন্ধান
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • আবহাওয়া
  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি

Copyright © 2021-2026. Banglatimes360