জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস মঙ্গলবার বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে সহিংসতার নতুন করে বৃদ্ধিতে তিনি “গভীরভাবে উদ্বিগ্ন” এবং গাজায় প্রবেশের পথগুলো পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, “সকল হামলা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। লেবানন, ইরান ও গাজায় যুদ্ধবিরতি অবশ্যই সম্পূর্ণরূপে মেনে চলতে হবে।”
মধ্যপ্রাচ্যে এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর সোমবার প্রথমবারের মতো ইসরায়েল ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। এর আগে, লেবাননের রাজধানীতে ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরান ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে বলে তেহরান জানায়।
ট্রাম্প গোলাগুলি বন্ধ করতে বলার কিছুক্ষণ পরেই সোমবার ইসরায়েল ও ইরান উভয়ই গোলাগুলি বন্ধের ঘোষণা দেয়, যদিও তারা প্রত্যেকেই পুনরায় গোলাগুলি শুরু হওয়ার সম্ভাবনা খোলা রেখেছে।
এপ্রিলের পর দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে সরাসরি এই সংঘাত, তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর ওয়াশিংটনের প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করার হুমকি দিয়েছিল।
গুটেরেস আরও বলেন, মানবিক সহায়তার প্রবাহ নিশ্চিত করতে ইসরায়েলের উচিত গাজায় প্রবেশের যে ক্রসিংগুলো তারা বন্ধ করে দিয়েছে, সেগুলো খুলে দেওয়া।
তিনি বলেন, “গাজায় প্রবেশের ক্রসিংগুলো বন্ধ করে দেওয়ার ইসরায়েলের সিদ্ধান্তে আমিও গভীরভাবে উদ্বিগ্ন এবং গাজা জুড়ে বৃহৎ পরিসরে মানবিক সহায়তার দ্রুত, নিরাপদ ও অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে অবিলম্বে সমস্ত ক্রসিং পুনরায় খোলার জন্য আমার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করছি।”
২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে একটি মার্কিন মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, যেখানে বর্ধিত সহায়তার নিশ্চয়তা অন্তর্ভুক্ত।
ইসরায়েল ও হামাস বারবার একে অপরকে এই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য অভিযুক্ত করেছে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় ৯৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, অন্যদিকে ইসরায়েল বলছে, একই সময়ে জঙ্গিদের হাতে চারজন সৈন্য নিহত হয়েছে।


























































