Saturday, June 6, 2026
  • Login
  • Register
Banglatimes360
  • Home
    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    রাশিয়ার

    রাশিয়ার ড্রোন হামলা, প্রতিরক্ষা জোরদার করছে ন্যাটো

    সাঁথিয়া

    সাঁথিয়া বিএনপির জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী পালন

    ব্রিটিশ বাংলাদেশি সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ব্রিটিশ বাংলাদেশি সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ইরান

    ইরান যুদ্ধে সংঘাত তীব্র, আলোচনা অচল, তেলের দাম বেড়েছে

    সুইডেনে

    সুইডেনে ১৩ বছর বয়সী গ্যাং হত্যাকারীদের জন্য কারাগার প্রস্তুত

  • রাজনীতি
    ট্রাম্পের

    ট্রাম্পের ‘অস্ত্রায়ন’ তহবিল কংগ্রেসে স্থগিত করা হয়েছে

    তোফায়েল

    তোফায়েল আহমেদ, ৬৯ এ অপরিহার্য নেতা ৭ এর পরে গুরত্বহীন

    চীন

    চীন ও মার্কিন সামরিক বাহিনীর হাওয়াইতে বৈঠক

    তাইওয়ানের

    তাইওয়ানের বিরোধীদলীয় নেতা ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে আগ্রহী

    ট্রাম্পের

    ট্রাম্পের অস্ত্রায়ন তহবিল নিয়ে সিনেট রিপাবলিকানরা উভয়সঙ্কটে

    চীনের

    চীনের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি নিয়ে ‘সতর্কতা’ প্রকাশ করেছেন হেগসেথ

    • আইন-আদালত
  • অর্থনীতি
    • All
    • বাণিজ্য
    রানী

    রানী অ্যান্ড্রুকে বাণিজ্য দূত হিসেবে নিয়োগে চাপ দিয়েছিলেন

    শি

    শি ট্রাম্পের সঙ্গে সম্মেলনে বাণিজ্যের অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প ও শি ৩০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের আমদানি শুল্ক কমাবেন

    জ্বালানি

    জ্বালানি ব্যবহার, ভ্রমণ ও আমদানি সীমিত করার আহ্বান মোদির

    মার্কিন

    মার্কিন আদালত রায় দিয়েছে ট্রাম্পের শুল্কক আংশিক অবৈধ

    ইরানের

    ইরানের অর্থনৈতিক পতন ট্রাম্পের জন্য অনেক দেরি হয়ে যাবে

    • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    সাঁথিয়া

    সাঁথিয়া বিএনপির জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী পালন

    ব্রিটিশ বাংলাদেশি সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ব্রিটিশ বাংলাদেশি সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    তোফায়েল

    তোফায়েল আহমেদ, ৬৯ এ অপরিহার্য নেতা ৭ এর পরে গুরত্বহীন

    বাংলাদেশে

    বাংলাদেশে প্রাণঘাতী হাম ভাইরাস পরিকল্পিত শিশু হত্যার দ্বায়ে ইউনুস সরকারের বিচারের দাবি

    পাবনার ফরিদপুর জমিদারবাড়ি

    পাবনার ফরিদপুর জমিদারবাড়ি

  • বিশ্ব
    • All
    • আফ্রিকা
    • ইউরোপ
    • উত্তর- আমেরিকা
    • এশিয়া
    • ওশেনিয়া
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • ফ্লোরিডা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    রাশিয়ার

    রাশিয়ার ড্রোন হামলা, প্রতিরক্ষা জোরদার করছে ন্যাটো

    ব্রিটিশ বাংলাদেশি সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ব্রিটিশ বাংলাদেশি সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ইরান

    ইরান যুদ্ধে সংঘাত তীব্র, আলোচনা অচল, তেলের দাম বেড়েছে

    সুইডেনে

    সুইডেনে ১৩ বছর বয়সী গ্যাং হত্যাকারীদের জন্য কারাগার প্রস্তুত

    স্কুলে

    স্কুলে ফোন নিষিদ্ধ করে পর্নোগ্রাফি সীমিত করবে পোল্যান্ড

    রাশিয়ার

    রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের বড় হামলায় ইউক্রেনে ১১ জন নিহত

    • যুদ্ধ
    • উত্তর- আমেরিকা
      • যুক্তরাষ্ট্র
        • নিউইয়ার্ক
        • ফ্লোরিডা
    • এশিয়া
      • মধ্যপ্রাচ্য
    • ইউরোপ
    • অষ্ট্রেলিয়া
      • নিউজিল্যান্ড
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • আফ্রিকা
  • বিনোদন
    • All
    • সংগীত
    ভার্জিনিয়ার

    ভার্জিনিয়ার ফলস চার্জে ২৭ জুন বাঙ্গালী কমিউনিটির কন্সার্ট

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে এশিয়ান ফুড এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    ফোর্ট

    ফোর্ট ম্যায়ার্সে বাঙ্গালী কমিউনিটির বৈশাখী উৎসব

    বাংলা

    বাংলা নববর্ষ—ঐতিহ্যের আলোয় সম্প্রীতির শক্তি ও নতুন জীবনের অঙ্গীকার

    আশা ভোঁসলে

    আশা ভোঁসলে ভারতীয় গায়িকা ৯২ বছর বয়সে মারা গেলেন

    • সংগীত
  • খেলা
    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    বিশ্বকাপের

    বিশ্বকাপের টিকিটধারীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে জামানত লাগবে না

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ ১১ রানে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল

    ইফতারের আগেই পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারালো বাংলাদেশ

    ইফতারের আগেই পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারালো বাংলাদেশ

  • অনুসন্ধান
    ইরানের

    ইরানের অর্থনৈতিক পতন ট্রাম্পের জন্য অনেক দেরি হয়ে যাবে

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ: সংকটময় রাষ্ট্র, গণতন্ত্রের অবসান

    চীন

    চীন মার্কিন আধিপত্য ভাঙতে পারমাণবিক বাহন বানাচ্ছে

    পূর্ব

    পূর্ব তার পশ্চিম দোভাষীদের দিকে ফিরে তাকাচ্ছে

    চীনের

    চীনের সকল বিষয়ে ট্রাম্পের অবনতির পেছনে ‘স্কুল চার্ট’ গণিত

    অভিবাসী

    অভিবাসী জার্মানির ভাগ্য বদলের প্রতিষেধক নয়

  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    ইবোলা

    ইবোলা টিকা তৈরির জন্য ৬০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ

    চীনের

    চীনের শেনঝৌ-২১ মহাকাশচারী দল পৃথিবীতে ফিরে এসেছে

    ইউরোপের

    ইউরোপের জিপিএস জ্যাম করার প্রমাণ দিতে হবে, রাশিয়া

    চীন

    চীন ২০৩০ সে চাঁদের লক্ষ্য নিয়ে মহাকাশ অভিযানে যাচ্ছে

    মিশরের

    মিশরের গিজার পিরামিড ভূমিকম্প প্রতিরোধ ব্যবস্থা দিয়ে নির্মিত

    মার্কিন

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভ্রাম্যমাণ রকেট পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে

  • আবহাওয়া
    জাপানে

    জাপানে দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছেন

    তুষারপাত

    তুষারপাত ও ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে বহু বাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, ফ্লাইট বাতিল

    হিমশীতল

    হিমশীতল ঠান্ডা ও ভারী তুষারে ঢেকে যাবে আমেরিকা

    মরক্কো

    মরক্কো বৃষ্টিপাতের পর সাত বছরের খরার অবসান ঘোষণা করেছে

    অস্ট্রেলিয়ার

    অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিতে তীব্র তাপপ্রবাহ

    শ্রীলঙ্কার

    শ্রীলঙ্কার প্রাণহানির পর মানুষ ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি ও ট্রমায় ভুগছে

  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি
    • All
    • ভ্রমন

    পাঠ প্রতিক্রিয়া: কালের কঙ্কন

    কেন থামছে না দুর্ঘটনা? দৌলতদিয়ার ট্র্যাজেডি ও আমাদের বাস্তবতা

    বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ

    শিক্ষা

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুনঃভর্তি ফি নিতে পারবে না: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    জাতীয়

    জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে পাবনায় বক্তৃতা ও দেয়াল পত্রিকায় প্রথম সাঁথিয়ার অনিকা ও জেসমিন

    নানিয়ারচর

    নানিয়ারচর জোনের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ

    শারীরিক শিক্ষা

    শারীরিক শিক্ষা: সাধারণ শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য ভিত্তি

No Result
View All Result
  • Home
    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    রাশিয়ার

    রাশিয়ার ড্রোন হামলা, প্রতিরক্ষা জোরদার করছে ন্যাটো

    সাঁথিয়া

    সাঁথিয়া বিএনপির জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী পালন

    ব্রিটিশ বাংলাদেশি সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ব্রিটিশ বাংলাদেশি সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ইরান

    ইরান যুদ্ধে সংঘাত তীব্র, আলোচনা অচল, তেলের দাম বেড়েছে

    সুইডেনে

    সুইডেনে ১৩ বছর বয়সী গ্যাং হত্যাকারীদের জন্য কারাগার প্রস্তুত

  • রাজনীতি
    ট্রাম্পের

    ট্রাম্পের ‘অস্ত্রায়ন’ তহবিল কংগ্রেসে স্থগিত করা হয়েছে

    তোফায়েল

    তোফায়েল আহমেদ, ৬৯ এ অপরিহার্য নেতা ৭ এর পরে গুরত্বহীন

    চীন

    চীন ও মার্কিন সামরিক বাহিনীর হাওয়াইতে বৈঠক

    তাইওয়ানের

    তাইওয়ানের বিরোধীদলীয় নেতা ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে আগ্রহী

    ট্রাম্পের

    ট্রাম্পের অস্ত্রায়ন তহবিল নিয়ে সিনেট রিপাবলিকানরা উভয়সঙ্কটে

    চীনের

    চীনের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি নিয়ে ‘সতর্কতা’ প্রকাশ করেছেন হেগসেথ

    • আইন-আদালত
  • অর্থনীতি
    • All
    • বাণিজ্য
    রানী

    রানী অ্যান্ড্রুকে বাণিজ্য দূত হিসেবে নিয়োগে চাপ দিয়েছিলেন

    শি

    শি ট্রাম্পের সঙ্গে সম্মেলনে বাণিজ্যের অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প ও শি ৩০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের আমদানি শুল্ক কমাবেন

    জ্বালানি

    জ্বালানি ব্যবহার, ভ্রমণ ও আমদানি সীমিত করার আহ্বান মোদির

    মার্কিন

    মার্কিন আদালত রায় দিয়েছে ট্রাম্পের শুল্কক আংশিক অবৈধ

    ইরানের

    ইরানের অর্থনৈতিক পতন ট্রাম্পের জন্য অনেক দেরি হয়ে যাবে

    • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    সাঁথিয়া

    সাঁথিয়া বিএনপির জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী পালন

    ব্রিটিশ বাংলাদেশি সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ব্রিটিশ বাংলাদেশি সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    তোফায়েল

    তোফায়েল আহমেদ, ৬৯ এ অপরিহার্য নেতা ৭ এর পরে গুরত্বহীন

    বাংলাদেশে

    বাংলাদেশে প্রাণঘাতী হাম ভাইরাস পরিকল্পিত শিশু হত্যার দ্বায়ে ইউনুস সরকারের বিচারের দাবি

    পাবনার ফরিদপুর জমিদারবাড়ি

    পাবনার ফরিদপুর জমিদারবাড়ি

  • বিশ্ব
    • All
    • আফ্রিকা
    • ইউরোপ
    • উত্তর- আমেরিকা
    • এশিয়া
    • ওশেনিয়া
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • ফ্লোরিডা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    রাশিয়ার

    রাশিয়ার ড্রোন হামলা, প্রতিরক্ষা জোরদার করছে ন্যাটো

    ব্রিটিশ বাংলাদেশি সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ব্রিটিশ বাংলাদেশি সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইউকের বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ইরান

    ইরান যুদ্ধে সংঘাত তীব্র, আলোচনা অচল, তেলের দাম বেড়েছে

    সুইডেনে

    সুইডেনে ১৩ বছর বয়সী গ্যাং হত্যাকারীদের জন্য কারাগার প্রস্তুত

    স্কুলে

    স্কুলে ফোন নিষিদ্ধ করে পর্নোগ্রাফি সীমিত করবে পোল্যান্ড

    রাশিয়ার

    রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের বড় হামলায় ইউক্রেনে ১১ জন নিহত

    • যুদ্ধ
    • উত্তর- আমেরিকা
      • যুক্তরাষ্ট্র
        • নিউইয়ার্ক
        • ফ্লোরিডা
    • এশিয়া
      • মধ্যপ্রাচ্য
    • ইউরোপ
    • অষ্ট্রেলিয়া
      • নিউজিল্যান্ড
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • আফ্রিকা
  • বিনোদন
    • All
    • সংগীত
    ভার্জিনিয়ার

    ভার্জিনিয়ার ফলস চার্জে ২৭ জুন বাঙ্গালী কমিউনিটির কন্সার্ট

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে এশিয়ান ফুড এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    ফোর্ট

    ফোর্ট ম্যায়ার্সে বাঙ্গালী কমিউনিটির বৈশাখী উৎসব

    বাংলা

    বাংলা নববর্ষ—ঐতিহ্যের আলোয় সম্প্রীতির শক্তি ও নতুন জীবনের অঙ্গীকার

    আশা ভোঁসলে

    আশা ভোঁসলে ভারতীয় গায়িকা ৯২ বছর বয়সে মারা গেলেন

    • সংগীত
  • খেলা
    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    বিশ্বকাপের

    বিশ্বকাপের টিকিটধারীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে জামানত লাগবে না

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ ১১ রানে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল

    ইফতারের আগেই পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারালো বাংলাদেশ

    ইফতারের আগেই পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারালো বাংলাদেশ

  • অনুসন্ধান
    ইরানের

    ইরানের অর্থনৈতিক পতন ট্রাম্পের জন্য অনেক দেরি হয়ে যাবে

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ: সংকটময় রাষ্ট্র, গণতন্ত্রের অবসান

    চীন

    চীন মার্কিন আধিপত্য ভাঙতে পারমাণবিক বাহন বানাচ্ছে

    পূর্ব

    পূর্ব তার পশ্চিম দোভাষীদের দিকে ফিরে তাকাচ্ছে

    চীনের

    চীনের সকল বিষয়ে ট্রাম্পের অবনতির পেছনে ‘স্কুল চার্ট’ গণিত

    অভিবাসী

    অভিবাসী জার্মানির ভাগ্য বদলের প্রতিষেধক নয়

  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    ইবোলা

    ইবোলা টিকা তৈরির জন্য ৬০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ

    চীনের

    চীনের শেনঝৌ-২১ মহাকাশচারী দল পৃথিবীতে ফিরে এসেছে

    ইউরোপের

    ইউরোপের জিপিএস জ্যাম করার প্রমাণ দিতে হবে, রাশিয়া

    চীন

    চীন ২০৩০ সে চাঁদের লক্ষ্য নিয়ে মহাকাশ অভিযানে যাচ্ছে

    মিশরের

    মিশরের গিজার পিরামিড ভূমিকম্প প্রতিরোধ ব্যবস্থা দিয়ে নির্মিত

    মার্কিন

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভ্রাম্যমাণ রকেট পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে

  • আবহাওয়া
    জাপানে

    জাপানে দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছেন

    তুষারপাত

    তুষারপাত ও ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে বহু বাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, ফ্লাইট বাতিল

    হিমশীতল

    হিমশীতল ঠান্ডা ও ভারী তুষারে ঢেকে যাবে আমেরিকা

    মরক্কো

    মরক্কো বৃষ্টিপাতের পর সাত বছরের খরার অবসান ঘোষণা করেছে

    অস্ট্রেলিয়ার

    অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিতে তীব্র তাপপ্রবাহ

    শ্রীলঙ্কার

    শ্রীলঙ্কার প্রাণহানির পর মানুষ ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি ও ট্রমায় ভুগছে

  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি
    • All
    • ভ্রমন

    পাঠ প্রতিক্রিয়া: কালের কঙ্কন

    কেন থামছে না দুর্ঘটনা? দৌলতদিয়ার ট্র্যাজেডি ও আমাদের বাস্তবতা

    বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ

    শিক্ষা

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুনঃভর্তি ফি নিতে পারবে না: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    জাতীয়

    জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে পাবনায় বক্তৃতা ও দেয়াল পত্রিকায় প্রথম সাঁথিয়ার অনিকা ও জেসমিন

    নানিয়ারচর

    নানিয়ারচর জোনের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ

    শারীরিক শিক্ষা

    শারীরিক শিক্ষা: সাধারণ শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য ভিত্তি

No Result
View All Result
Banglatimes360
No Result
View All Result
Home বিশ্ব এশিয়া

ক্যাথলিক চার্চ এবং ভিয়েতনাম সহাবস্থান করতে পারে?

জ্যাকোপো রোমানেল্লি

January 1, 2026
251 3
0
ক্যাথলিক

১৯৪৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর হ্যানয়ের সেন্ট জোসেফ ক্যাথেড্রালে ইয়েতনামের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। Image: X Screengrab

Share on FacebookShare on Twitter

ভিয়েতনামে ক্যাথলিক ধর্মের টিকে থাকা নিঃসন্দেহে আজ এশিয়ায় চার্চের মুখোমুখি হওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জগুলির মধ্যে একটি।

১৬ শতকে পর্তুগিজ, স্প্যানিশ এবং ডোমিনিকান মিশনারিদের দ্বারা প্রবর্তিত ক্যাথলিক চার্চ ১৭ শতকে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি লাভ করে, যার একটি অংশ ছিল জেসুইট মিশনারি কার্যকলাপ, যার মধ্যে আলেকজান্ডার ডি রোডস একজন বিশেষ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভূত হন।

ডি রোডস রোমানাইজড ভিয়েতনামী বর্ণমালা (চু কোক এনগু) তৈরিতে অবদান রেখেছিলেন, যা এই সময়ের আগে ব্যবহৃত ঐতিহ্যবাহী চীনা অক্ষর এবং ভিয়েতনামী-বিকশিত অক্ষরগুলিকে প্রতিস্থাপন করেছিল।

সহনশীলতার সময়কাল সত্ত্বেও, ক্যাথলিক ধর্মবিশ্বাস তীব্র নির্যাতনের শিকার হয়েছিল, বিশেষ করে ১৮শ থেকে ১৯শ শতাব্দীর মধ্যে নগুয়েন রাজবংশের অধীনে, যার ফলে হাজার হাজার বিশ্বাসী শহীদ হন: ১৩০,০০০ থেকে ৩০০,০০০ ক্যাথলিক তাদের প্রাণ হারান এবং তাদের মধ্যে ১১৭ জনকে ১৯৮৮ সালে জন পল দ্বিতীয় ভিয়েতনামী শহীদ হিসেবে সম্মানিত করেন।

বিংশ শতাব্দীতে, ক্যাথলিক সম্প্রদায় ফরাসি উপনিবেশ, ১৯৫৪ সালে দেশ বিভাজন এবং ভিয়েতনাম যুদ্ধের নাটকীয় ঘটনা সহ্য করে। ১৯৭৫ সালে কমিউনিস্ট শাসনামলে পুনর্মিলনের পর, গির্জা উল্লেখযোগ্য বিধিনিষেধ, বাজেয়াপ্তি এবং রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের সম্মুখীন হয়, একই সাথে ক্যাটেচিস্ট এবং প্যারিশ কাঠামোর মাধ্যমে সক্রিয় থাকে।

আজ, প্রায় ৭০ লক্ষ ধর্মপ্রাণ (১০ কোটিরও বেশি জনসংখ্যার প্রায় ৭%) নিয়ে, ভিয়েতনাম এশিয়ার পঞ্চম বৃহত্তম ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের আবাসস্থল এবং সবচেয়ে গতিশীল দেশগুলির মধ্যে একটি, যেখানে প্রচুর সংখ্যক পুরোহিত ও ধর্মীয় পেশা এবং বার্ষিক বাপ্তিস্ম (১০০,০০০ এরও বেশি) রয়েছে।

তিনটি আর্চডায়োসিস (হ্যানয়, হিউ এবং হো চি মিন সিটি) এবং ২৪টি ডায়োসিসে বিভক্ত, ভিয়েতনামী চার্চ শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং দাতব্য কাজের মাধ্যমে দেশের সামাজিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।

ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং এপিস্কোপাল নিয়োগের বিষয়গুলিতে ঐতিহাসিকভাবে টানাপোড়েনের মধ্যে থাকা ক্যাথলিক চার্চ এবং ভিয়েতনামী রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক সাম্প্রতিক দশকগুলিতে ধীরে ধীরে হ্রাস পেয়েছে।

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে, পোপ ফ্রান্সিস দেশের প্রথম আবাসিক পোপ প্রতিনিধি হিসেবে আর্চবিশপ মারেক জালেউস্কিকে নিযুক্ত করেন। পরবর্তীকালে, ভিয়েতনাম-হোলি সি জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের নিয়মিত সভা বৃদ্ধি পেয়েছে।

ধর্মীয় স্বাধীনতা, ভিয়েতনামের ক্যাথলিক চার্চের পরিস্থিতি এবং পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্কের দিকে সম্ভাব্য পদক্ষেপ সহ দুটি সত্তার মধ্যে সম্পর্ক সম্পর্কিত বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করার জন্য একটি দ্বিপাক্ষিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।

সর্বশেষ সভা, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ভ্যাটিকানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যার সভাপতিত্ব করেছিলেন হলি সি রাজ্যগুলির সাথে সম্পর্ক বিষয়ক আন্ডারসেক্রেটারি মনসিগনর মিরোস্লা ওয়াচোস্কি এবং ভিয়েতনামের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী লে থি থু হ্যাং।

যদিও পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এই উন্নয়নগুলি উন্মুক্ততার একটি পর্যায়ের ইঙ্গিত দেয় যা দ্রুত আধুনিকীকরণকারী ভিয়েতনামের প্রেক্ষাপটে ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের দৃঢ়সংকল্প এবং এর ভূমিকা প্রতিফলিত করে।

এই ঘটনাটি এবং দুটি সত্তার মধ্যে সম্পর্ক আরও ভালভাবে বোঝার জন্য, আমরা সান্তা ক্লারা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেসুইট স্কুল অফ থিওলজির ঐতিহাসিক এবং পদ্ধতিগত ধর্মতত্ত্বের সহযোগী অধ্যাপক ফাদার আনহ কিউ ট্রান, এস.জে.-এর সাথে একটি ইমেল সাক্ষাৎকার পরিচালনা করেছি।

১.) আজও ভিয়েতনামের ক্যাথলিক চার্চকে তার জেসুইট উৎসের সাথে সংযুক্ত করে এমন সবচেয়ে স্থায়ী সম্পর্কগুলি কী বলে আপনি মনে করেন?

যখন লোকেরা ভিয়েতনামের ক্যাথলিক চার্চের জেসুইট শিকড় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, তখন আমি সাধারণত প্রথমেই উল্লেখ করি জেসুইটরা শুরু থেকেই স্থানীয় সম্প্রদায় হিসেবে চার্চ গঠনে কতটা গভীরভাবে সাহায্য করেছিল।

জেসুইট মিশনারিরা ১৬১৫ সালে মধ্য ভিয়েতনামে এবং ১৬২৭ সালে উত্তরে এসেছিলেন। প্রায় ৫০ বছর ধরে, তারা মিশনের বেশিরভাগ দায়িত্ব বহন করে। তারা খ্রিস্টান সম্প্রদায় প্রতিষ্ঠা করেছিল, গির্জা তৈরি করেছিল এবং – গুরুত্বপূর্ণভাবে – স্থানীয় লোকেদের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছিল, ক্যাটেচিস্টদের প্রশিক্ষণ দিয়েছিল যারা পরবর্তীতে প্রথম ভিয়েতনামী পুরোহিত হয়ে ওঠে।

আমার কাছে বিশেষভাবে আকর্ষণীয় মনে হয় যে জেসুইটরা দ্রুত বুঝতে পেরেছিল যে ভিয়েতনামের চার্চ যদি সম্পূর্ণরূপে বিদেশী মিশনারি বা রাজনৈতিক সুরক্ষার উপর নির্ভর করে তবে টিকে থাকতে পারবে না।

এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের মধ্যে একজন হলেন আলেকজান্ডার ডি রোডস – প্রায়শই ভুলভাবে ফরাসি হিসাবে বর্ণনা করা হয়, যদিও তিনি আসলে অ্যাভিগনন থেকে এসেছিলেন এবং ইহুদি বংশোদ্ভূত ছিলেন। তিনি রোমকে মিশনারি বিশপ নিয়োগের জন্য অনুরোধ করেছিলেন যাতে চার্চটি বাইরের শক্তির উপর নির্ভরশীল না হয়ে ভিয়েতনামী পাদ্রী এবং ক্যাটেচিস্টদের দ্বারা পরিচালিত হতে পারে।

স্থানীয়ভাবে মূলোৎপাদিত চার্চের এই দৃষ্টিভঙ্গির দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব রয়েছে। জেসুইটরা নিজেরাই ভিয়েতনামে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত ছিলেন, কারণ বিশ্বব্যাপী যীশুর সমাজ দমন করা হয়েছিল।

১৯৫৭ সালে যখন তারা ফিরে আসেন, তখন স্থানীয় গির্জা এবং দক্ষিণ ভিয়েতনামের সরকার উভয়ের আমন্ত্রণে তাদের ভূমিকা ছিল প্রভাব পুনরুদ্ধার করা নয়, বরং যেখানে প্রয়োজন সেখানে সেবা করা – বিশেষ করে ভবিষ্যতের পুরোহিত এবং গির্জার নেতাদের শিক্ষা এবং গঠনে।

যদি আমাকে ভিয়েতনামে জেসুইটদের স্থায়ী উত্তরাধিকারের সংক্ষিপ্তসার জানাতে হয়, তাহলে আমি চারটি ক্ষেত্র তুলে ধরব।

প্রথমত, জেসুইট মিশনারিরা রোমানাইজড ভিয়েতনামী লেখার পদ্ধতি, যা কোওক নগু নামে পরিচিত, বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন, যা পরে জাতীয় লিপিতে পরিণত হয়।

দ্বিতীয়ত, তারা সাধারণ ক্যাটেচিস্টদের একটি শক্তিশালী ঐতিহ্য প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করেছিল, যা স্থানীয় ধর্মযাজকদের ভিত্তি তৈরি করেছিল।

তৃতীয়ত, তারা ভিয়েতনামী পুরোহিতদের বৌদ্ধিক এবং আধ্যাত্মিক বিকাশে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছিল, বিশেষ করে ১৯৫৭ থেকে ১৯৭৬ সালের মধ্যে সেন্ট পিয়াস এক্স পন্টিফিকাল সেমিনারির মাধ্যমে।

অবশেষে, সাম্প্রতিক দশকগুলিতে, জেসুইটরা রিট্রিট এবং আধ্যাত্মিক অনুশীলনের মাধ্যমে পুরোহিত এবং ধর্মীয়দের আধ্যাত্মিক পুনর্নবীকরণকে সমর্থন করেছে।

আজও, সেই জেসুইট প্রভাব নীরব কিন্তু অর্থপূর্ণ উপায়ে অব্যাহত রয়েছে। জেসুইটরা হ্যানয় এবং উত্তরাঞ্চলীয় ভিন শহর সহ উত্তর ভিয়েতনামের প্রধান প্রধান সেমিনারিতে আধ্যাত্মিক পরিচালক এবং গঠনকারী হিসেবে কাজ করে, ভিয়েতনামী সংস্কৃতিতে গভীরভাবে প্রোথিত নেতাদের গঠনে সহায়তা করে এবং বৃহত্তর ক্যাথলিক ঐতিহ্যের সাথে সংযুক্ত থাকে।

২.)। ১৯ শতকে নগুয়েন রাজবংশের নিপীড়ন থেকে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যন্ত ভিয়েতনামী রাষ্ট্র এবং ক্যাথলিক চার্চের মধ্যে সম্পর্কের বিবর্তনকে আপনি কীভাবে বর্ণনা করবেন?

ভিয়েতনামী রাষ্ট্র এবং ক্যাথলিক চার্চের মধ্যে সম্পর্ক ভুল বোঝাবুঝি, রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব এবং ধীরে ধীরে আপোস করার দীর্ঘ ইতিহাস দ্বারা গঠিত হয়েছে।

শুরু থেকেই, ক্যাথলিকদের প্রায়শই ভিয়েতনামী আদালত সন্দেহের চোখে দেখত, মূলত কারণ খ্রিস্টধর্মকে ভুলভাবে “বিদেশী ঈশ্বর” এবং “বিদেশী শাসক” এর প্রতি আনুগত্য দাবি করার জন্য, পোপের ভূমিকা সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি হিসাবে বিবেচনা করা হত।

এই সন্দেহ ১৯ শতকে আরও গভীর হয়, যখন ক্রমবর্ধমান পশ্চিমা-বিরোধী মনোভাব নগুয়েন রাজবংশের অভ্যন্তরীণ রাজকীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতার সাথে ছেদ করে।

সম্রাট মিন মাং এবং পরবর্তীতে তু দুকের অধীনে, এই উত্তেজনা আরও তীব্র হয়ে ওঠে নিয়মতান্ত্রিক নির্যাতনে। ক্যাথলিক সম্প্রদায়গুলি আদালতের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ে, বিশেষ করে রাজপরিবারের সদস্যদের সাথে জড়িত দ্বন্দ্ব যারা খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়ার প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন বা গুজব ছিল।

প্রায় ১৮৩৩ থেকে ১৮৬২ সালের মধ্যে, এর ফলে নৃশংস দমন-পীড়নের সৃষ্টি হয়, যার ফলে হাজার হাজার ক্যাথলিক – বিশপ, পুরোহিত, ক্যাথেচিস্ট এবং সাধারণ মানুষ – মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় যাদের অনেককেই এখন শহীদ হিসেবে স্মরণ করা হয়।

বিদ্রূপাত্মকভাবে, ফরাসি এবং স্প্যানিশ সামরিক বাহিনীর আগমন, তারপরে দক্ষিণ ভিয়েতনামে উপনিবেশ স্থাপন, ক্যাথলিকদের জন্য পরিস্থিতি আরও খারাপ করে তোলে। অনেক রাজকীয় কর্মকর্তা এবং কনফুসিয়ান পণ্ডিত বিদেশী হস্তক্ষেপ এবং জাতীয় অবমাননার জন্য ক্যাথলিকদের দায়ী করেছিলেন।

এই বিরক্তি হিংসাত্মক ক্যাথলিক-বিরোধী প্রচারণাকে উস্কে দেয়, যার মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত বিন তাই সাত তা (“পশ্চিমাদের শান্ত করুন, ধর্মকে হত্যা করুন”) স্লোগানের অধীনে, যার সময় হাজার হাজার ক্যাথলিক তাদের জীবন হারিয়েছিলেন। ক্যাথলিকরা নিজেদেরকে একটি সাম্রাজ্যবাদী আদালতের মধ্যে আটকে পড়েছিল যারা তাদের অবিশ্বাস করেছিল এবং বিদেশী শক্তি যারা তাদের রক্ষা করার দাবি করেছিল।

১৮৮৫ সালে ফ্রান্স ভিয়েতনামের উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার পরও, উত্তেজনা দূর হয়নি। ঔপনিবেশিক আমলে যদিও প্রকাশ্য নিপীড়ন মূলত বন্ধ হয়ে যায়, তবুও গভীর সামাজিক কুসংস্কার রয়ে যায়। ক্যাথলিকদের প্রায়শই সহযোগী হিসেবে দেখা হত এবং সামাজিক সীমানা বজায় ছিল – উদাহরণস্বরূপ, ক্যাথলিক এবং অ-ক্যাথলিক পরিবারের মধ্যে আন্তঃবিবাহ উভয় পক্ষের ক্ষেত্রেই প্রায়শই নিরুৎসাহিত করা হত।

বিংশ শতাব্দী এই বিভাজনগুলিতে একটি নতুন আদর্শিক স্তর যুক্ত করে। সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং পরবর্তীতে কমিউনিস্ট চীনে ক্যাথলিক চার্চের দমনের পর, হলি সি কমিউনিস্ট শাসনের সাথে সহযোগিতার বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করে। এটি ধারণাটিকে আরও শক্তিশালী করে – বিশেষ করে ভিয়েতনামী বিপ্লবীদের মধ্যে – যে ক্যাথলিক ধর্ম স্বভাবতই কমিউনিস্ট-বিরোধী।

দক্ষিণে, রাষ্ট্রপতি এনগো দিন ডিয়েমের ক্যাথলিক পরিচয় ধর্মকে আরও রাজনীতিকরণ করেছিল, অন্যদিকে উত্তরে, ১৯৫৪ সালের পর, ভিয়েতনামের গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের সাথে চার্চের সীমিত সহযোগিতা পারস্পরিক অবিশ্বাসকে বাড়িয়ে তোলে।

১৯৭৫ সালে পুনর্মিলনের পর, ক্যাথলিক চার্চ রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ, গির্জার সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ, সেমিনারির উপর বিধিনিষেধ এবং ধর্মীয় জীবনের উপর কঠোর তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে চিহ্নিত একটি কঠিন সময়ে প্রবেশ করে।

তবে সময়ের সাথে সাথে, বিশেষ করে ১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে দোই মোই সংস্কারের পর, সম্পর্ক পরিবর্তন হতে শুরু করে। ভিয়েতনামী রাষ্ট্র ধীরে ধীরে স্বীকৃতি দেয় যে ক্যাথলিক সম্প্রদায়গুলি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নয় বরং সামাজিক অংশীদার, বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং দাতব্য কাজে।

আজ, যদিও উত্তেজনা এবং বিধিনিষেধ এখনও বিদ্যমান, আধুনিক ভিয়েতনামী ইতিহাসের যেকোনো সময়ের তুলনায় চার্চ এবং রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক আরও স্থিতিশীল এবং বাস্তবসম্মত। সংলাপ প্রকাশ্য শত্রুতা প্রতিস্থাপন করেছে এবং ভিয়েতনাম এবং হলি সি-এর মধ্যে সম্পর্কের ধীরে ধীরে স্বাভাবিকীকরণ এই বৃহত্তর পরিবর্তনকে প্রতিফলিত করে। আমরা এখন যা দেখতে পাচ্ছি তা পূর্ণ আস্থা নয়, বরং একটি সতর্ক সহাবস্থান – ইতিহাস দ্বারা আকৃতির, কিন্তু আর এটি দ্বারা প্রভাবিত নয়।

৩) ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে, ১৯৭৫-পরবর্তী যুগে এবং গত দশকে ভিয়েতনামে ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এবং আশার সবচেয়ে বড় লক্ষণ কী ছিল?

ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে, ১৯৭৫ সালের পরের সময়কাল নিঃসন্দেহে ভিয়েতনামের ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের জন্য উনিশ শতকের নিপীড়নের পর সবচেয়ে কঠিন সময় ছিল।

১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের আগ পর্যন্ত, ভিয়েতনামী রাষ্ট্র সোভিয়েত-ধাঁচের একটি আদর্শকে ঘনিষ্ঠভাবে অনুসরণ করেছিল যা ধর্মকে সমাজতন্ত্রের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে মনে করত। এই দৃষ্টিভঙ্গি কেবল ক্যাথলিকদের লক্ষ্য করেনি; এটি প্রোটেস্ট্যান্ট এবং দক্ষিণ ভিয়েতনামের সংযুক্ত বৌদ্ধ সংঘ সহ সমস্ত ধর্মীয় সম্প্রদায়কে প্রভাবিত করেছিল। তবুও, ক্যাথলিক চার্চের উপর প্রভাব বিশেষভাবে তীব্র ছিল কারণ এর আকার, কাঠামো এবং আন্তর্জাতিক সংযোগ ছিল।

বাস্তবিক অর্থে, এই মতাদর্শ কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মতান্ত্রিক বিধিনিষেধে রূপান্তরিত হয়েছিল। অনেক ধর্মযাজককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল অথবা কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছিল। ধর্মীয় মণ্ডলী ভেঙে দেওয়া হয়েছিল, সেমিনারী বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এবং ক্যাথলিক প্রকাশনা নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। গির্জা পরিচালিত স্কুল, হাসপাতাল এবং দাতব্য প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা হয়েছিল এবং গির্জার জমির একটি বড় অংশ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল।

এমনকি বড়দিন এবং ইস্টারের মতো প্রধান ধর্মীয় উদযাপনগুলিকেও সীমাবদ্ধ করা হয়েছিল, উপস্থিতির উপর সীমা আরোপ করা হয়েছিল। ক্যাথলিক সমাবেশগুলি – এমনকি গির্জার ভিতরেও – নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল।

এই সময়কালে, রাষ্ট্র চার্চকে সরাসরি নির্মূল করার চেষ্টা করেনি। পরিবর্তে, এটি চার্চকে সমাজে ন্যূনতম দৃশ্যমানতা এবং প্রভাবের সাথে অস্তিত্বের অনুমতি দেয়। ধর্মীয় স্বাধীনতাকে আনুষ্ঠানিকভাবে “বিশ্বাস করার বা না করার স্বাধীনতা” হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছিল, তবে প্রকাশ্যে বা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ধর্ম পালনের স্বাধীনতা হিসাবে নয়।

চীনে যা উদ্ভূত হয়েছিল তার অনুরূপ একটি রাষ্ট্র-স্পন্সরিত “দেশপ্রেমিক” ক্যাথলিক কাঠামো প্রতিষ্ঠারও প্রচেষ্টা ছিল। এই প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছিল, মূলত কারণ বেশিরভাগ ভিয়েতনামী বিশপ স্পষ্টভাবে পাদরিদের ভিয়েতনাম ক্যাথলিক সংহতি কমিটির মতো সরকার-স্পন্সরিত সংস্থায় অংশগ্রহণ বা রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানে প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করা থেকে নিরুৎসাহিত করেছিলেন।

১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে এবং ১৯৯০-এর দশকের গোড়ার দিকে, বার্লিন প্রাচীরের পতনের সময়কালে, একটি মোড় ঘুরতে শুরু করে। পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ভিয়েতনাম যখন তার অবস্থান পুনর্মূল্যায়ন করছিল, তখন হলি সি সক্রিয়ভাবে পুনর্মিলনের নীতি অনুসরণ করেছিল। ১৯৯০-এর দশক থেকে, ভ্যাটিকান নীরব কূটনীতির মাধ্যমে ভিয়েতনামী সরকারের সাথে যোগাযোগের জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, কার্ডিনাল পিয়েত্রো প্যারোলিন – প্রথমে ভ্যাটিকানের প্রধান আলোচক এবং এখন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে – নিয়মিত যৌথ কর্মী গোষ্ঠীর বৈঠকের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

গত দশকে, আশার লক্ষণ ক্রমশ দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। ২০০৯ সাল থেকে, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী এবং কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক সহ ভিয়েতনামী নেতাদের ভ্যাটিকানে বেশ কয়েকটি উচ্চ-স্তরের সফরের মাধ্যমে এটি আরও শক্তিশালী হয়েছে। এই উন্নয়নগুলি ২০২৩ সালে ভিয়েতনামে একজন স্থায়ী বাসিন্দা পোপ প্রতিনিধি নিয়োগের মাধ্যমে সমাপ্ত হয় – ১৯৭৫ সালের পর এটিই প্রথম।

এই পদক্ষেপটি পারস্পরিক স্বীকৃতির প্রতিফলন ঘটায় যে ক্যাথলিক চার্চ জাতীয় জীবনে ইতিবাচক অবদান রাখতে পারে, বিশেষ করে সমাজসেবা, নৈতিক গঠন এবং সম্প্রদায়ের সংহতির মতো ক্ষেত্রে।

চ্যালেঞ্জগুলি অবশ্যই রয়ে গেছে, বিশেষ করে আইনি কাঠামো, সম্পত্তির অধিকার এবং ধর্মীয় স্বায়ত্তশাসনের সীমা সম্পর্কে। তবুও ১৯৭৫-পরবর্তী দশকের তুলনায়, বর্তমান মুহূর্তটি একটি বাস্তব পরিবর্তনের প্রতিনিধিত্ব করে।

আমরা যা প্রত্যক্ষ করছি তা সম্পূর্ণ স্বাধীনতা নয়, বরং নিয়ন্ত্রণ থেকে সংলাপে এবং সন্দেহ থেকে সতর্ক বিশ্বাসে ধীরে ধীরে রূপান্তর। অনেক ভিয়েতনামী ক্যাথলিকদের জন্য, এটিই ইতিমধ্যে আশার একটি গভীর লক্ষণ।

৪) ভিয়েতনামের বাইরের অনেক মানুষ জেনে অবাক হয়েছেন যে ভিয়েতনামের ক্যাথলিক চার্চ এশিয়ার দ্রুততম বর্ধনশীল ক্যাথলিক সম্প্রদায়গুলির মধ্যে একটি। এটা কি সত্য? যদি তাই হয়, তাহলে কয়েক দশকের বিধিনিষেধ সত্ত্বেও এই প্রাণশক্তিকে কোন কারণগুলি ব্যাখ্যা করে?

“বৃদ্ধি” বলতে আমরা কী বোঝাতে চাই তার উপর এটি অনেকটা নির্ভর করে। যদি আমরা সংখ্যার দিকে কঠোরভাবে তাকাই, তাহলে ভিয়েতনামের ক্যাথলিক চার্চ নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পায়নি। গত প্রায় ১৫০ বছর ধরে, ক্যাথলিকরা জনসংখ্যার প্রায় ৬% থেকে ৭%, যা উল্লেখযোগ্যভাবে স্থিতিশীল রয়েছে। সেই অর্থে, ভিয়েতনাম গণ-ধর্মান্তরের মাধ্যমে দ্রুত সম্প্রসারণের গল্প নয়।

তবুও, বৃদ্ধির ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল নয়। এটি একটি ভিন্ন ধরণের বাস্তবতা প্রতিফলিত করে। ঐতিহাসিকভাবে, ১৯৫৪ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যে দক্ষিণে উল্লেখযোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক সম্প্রসারণ ঘটেছিল, যখন ডায়োসিসের সংখ্যা পাঁচ থেকে ১৫-এ বৃদ্ধি পেয়েছিল।

যা সবচেয়ে দৃশ্যমানভাবে পরিবর্তিত হয়েছে তা হল ক্যাথলিক জনসংখ্যার আকার নয়, বরং এর জনসাধারণের উপস্থিতি এবং প্রাণশক্তি।

১৯৭৫ সালের পর বহু বছর ধরে, ক্যাথলিকরা একটি সীমাবদ্ধ রাজনৈতিক পরিবেশে টিকে থাকার জন্য কম প্রোফাইল রাখতে শিখেছে। আজ, তারা আর তাদের ধর্মীয় পরিচয় গোপন করার প্রয়োজন বোধ করে না।

অনেক ভিয়েতনামী ক্যাথলিক এখন তাদের পরিচয় সম্পর্কে খোলাখুলি আত্মবিশ্বাসী, যার মধ্যে রয়েছে বৃহত্তর ক্যাথলিক বিশ্বের সাথে তাদের ঐতিহাসিক এবং বিশ্বব্যাপী সংযোগ – সংযোগ যা একসময় দায় হিসাবে দেখা হত কিন্তু এখন ক্রমবর্ধমানভাবে গর্বের সাথে দেখা হয়।

আরেকটি মূল বিষয় হল ভিয়েতনামী ক্যাথলিক জীবনের শক্তিশালী সাম্প্রদায়িক চরিত্র। প্যারিশগুলি সাধারণত ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত থাকে, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে। পুরোহিতত্ব এবং ধর্মীয় জীবনের প্রতি তাদের আগ্রহ বিশেষভাবে প্রবল।

১৯৯০-এর দশকে যখন ধীরে ধীরে সেমিনারীগুলি পুনরায় চালু করা হয়েছিল এবং ধর্মীয় মণ্ডলীগুলিকে নতুন সদস্য গ্রহণের জন্য আরও বেশি স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছিল, তখন চার্চ দ্রুত আরও গতিশীল হয়ে ওঠে – হঠাৎ করে বড় হওয়ার কারণে নয়, বরং এটিকে আর সুপ্ত অবস্থায় থাকতে বাধ্য করা হয়নি বলে।

ভিয়েতনামী ক্যাথলিক প্রবাসীরাও এই পুনর্নবীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বিদেশে বসবাসকারী ক্যাথলিকরা উল্লেখযোগ্য আর্থিক, শিক্ষাগত এবং যাজকীয় সহায়তা প্রদান করেছেন। ভিয়েতনামের অনেক গির্জা বিদেশী সম্প্রদায়ের সহায়তায় সংস্কার বা নতুনভাবে নির্মিত হয়েছে।

সেমিনারীয়ান, পুরোহিত এবং বোনেরা ফিলিপাইন, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো জায়গায় ধর্মতাত্ত্বিক শিক্ষা পেয়েছেন, প্রায়শই ডায়াস্পোরার অর্থায়নে বৃত্তির মাধ্যমে। তারা যখন ফিরে আসে, তখন তারা কেবল পেশাদার প্রশিক্ষণই নয় বরং চার্চের একটি বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গিও নিয়ে আসে।

একসাথে নেওয়া হলে, এই কারণগুলি ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করে যে কেন ভিয়েতনামের ক্যাথলিক চার্চ আজ এত প্রাণবন্ত দেখাচ্ছে। এর প্রাণশক্তি সংখ্যাগত বৃদ্ধির চেয়ে স্থিতিস্থাপকতা, শক্তিশালী সাম্প্রদায়িক বন্ধন, প্রচুর পেশা এবং কয়েক দশকের সীমাবদ্ধতার পরে আত্মবিশ্বাসের পুনর্নবীকরণের অনুভূতিতে কম। এই সমন্বয় ভিয়েতনামী ক্যাথলিক ধর্মকে বৃহত্তর এশিয়ান প্রেক্ষাপটে আলাদা করে তোলে।

৫) আপনার নিজের ব্যক্তিগত গল্পটি কি আপনি বলতে পারেন? ভিয়েতনামে জন্মগ্রহণকারী একজন যুবক কীভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন এবং যীশুর সমাজের প্রতি আহ্বান বুঝতে পেরেছিলেন? আপনার ভিয়েতনামী শিকড় আজ আপনার পরিচর্যা এবং পাণ্ডিত্যকে কীভাবে রূপ দিচ্ছে?

ছোটবেলা থেকেই, আমি স্বাভাবিকভাবেই যীশুর সমাজের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলাম – এর আধ্যাত্মিকতা, এর বৌদ্ধিক জীবন এবং সমাজের প্রান্তিকদের প্রতি এর অঙ্গীকার।

জেসুইটদের সাথে আমার প্রথম সাক্ষাৎ আমার শৈশবে ভিয়েতনামে সাইগনের আলেকজান্দ্রে ডি রোডস সেন্টারে ঘটেছিল। সেই সময়ে, আমি কী অভিজ্ঞতা অর্জন করছিলাম তা বর্ণনা করার ভাষা আমার জানা ছিল না, তবে জেসুইটদের চিন্তাশীল, প্রতিফলিত এবং বিশ্বের সাথে জড়িত থাকার পদ্ধতি সম্পর্কে কিছু গভীর ছাপ ফেলেছিল।

বহু বছর পরে, ভিয়েতনাম ছেড়ে যাওয়ার পর, ইন্দোনেশিয়ার শরণার্থী শিবিরে আমি আবার জেসুইটদের মুখোমুখি হই। বাস্তুচ্যুতির মাঝেও সেই ধারাবাহিকতা আমার মনে রয়ে যায়।

অবশেষে যখন আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আসি, তখন আমি সান্তা ক্লারা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করি, একটি জেসুইট প্রতিষ্ঠান, যেখানে আমি আমার স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি উভয়ই সম্পন্ন করি। তবুও, ইগনাটিয়ান আধ্যাত্মিক অনুশীলনের আরও ইচ্ছাকৃত অভিজ্ঞতার মাধ্যমে, সবকিছু একত্রিত হয়েছিল।

সেই সময়ে, যীশুর সমাজে যোগদানের ফলে নতুন কিছু বেছে নেওয়ার মতো কম মনে হয়েছিল বরং এমন একটি জায়গায় ফিরে আসার মতো মনে হয়েছিল যা আমি ইতিমধ্যেই জানতাম। অনেক দিক দিয়ে, এটি বাড়িতে ফিরে আসার মতো অনুভূত হয়েছিল।

সোসাইটিতে পাঁচ বছর থাকার পর, আমার ভিয়েতনামে ফিরে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। সেখানে, আমি কয়েক দশক ধরে দমন-পীড়ন টিকে থাকা ছোট জেসুইট উপস্থিতির সাথে পুনরায় সংযোগ স্থাপন করেছি। আমি বিভিন্ন পরিচর্যায় সহায়তা করেছি, বিশেষ করে ধর্মতত্ত্ব শেখানো এবং আধ্যাত্মিক অনুশীলন প্রদানের মাধ্যমে।

সেই অভিজ্ঞতা আমাকে আরও স্পষ্টভাবে দেখতে সাহায্য করেছে যে কীভাবে আমার নিজের পেশা ভিয়েতনামের চার্চের বৃহত্তর গল্পের সাথে জড়িত।

ভিয়েতনামে ক্যাথলিক অভিজ্ঞতা সৃজনশীল এবং নীরব স্থিতিস্থাপকতার একটি দীর্ঘ স্কুল হিসাবে আবির্ভূত হয়। পশ্চিমাদের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ থেকে জন্ম নেওয়া, নিপীড়নের শিকার এবং প্রায়শই রাজনৈতিক সন্দেহের চোখে দেখা, ভিয়েতনামী চার্চ কখনও অদৃশ্য হয়নি। পরিবর্তে, এটি শিখেছে কীভাবে শান্তভাবে বেড়ে উঠতে হয়, কাঠামোর চেয়ে সম্পর্কের উপর বেশি নির্ভর করে, ক্ষমতার চেয়ে গঠনের উপর বেশি নির্ভর করে।

ভিয়েতনামী রাষ্ট্র এবং হলি সি যখন সংলাপের নতুন রূপ আবিষ্কার করছে, তখন এই সম্প্রদায়টি সর্বদা যা অবদান রেখেছে তা প্রদান করে চলেছে: গভীর সামাজিক শিকড়, নৈতিক শৃঙ্খলা এবং সাম্প্রদায়িক দায়িত্বের একটি দৃঢ় অনুভূতি।

এটি একটি স্মারক যে আজ এশিয়ায়, খ্রিস্টধর্ম নিজেকে আরোপ করে নয়, বরং স্থানীয় সংস্কৃতির সাথে মিশে গিয়ে টিকে আছে।

Source: Asiatimes
Share198Tweet124
Plugin Install : Subscribe Push Notification need OneSignal plugin to be installed.
BT

BT

Related Posts

মাতৃবিলাপ ??
বাংলাদেশ

মাতৃবিলাপ ??

June 4, 2026

সেই ফ্ল্যাটটির দরজা টানা সাত দিন ধরে বন্ধ ছিল। পাশের...

Read moreDetails
তোফায়েল

তোফায়েল আাহমদকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা যাবে না

June 4, 2026

ইসরায়েল ও লেবানন যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে সম্মত

June 4, 2026

5100 s cleveland ave suite 202 Ft Myers fl33907.

Phone- 239.666.1120.

mail-banglatimes360@gmail.com

সম্পাদক – বখতিয়ার রহমান

প্রকাশক – শাওন ফারহানা

নির্বাহী সম্পাদক – ফরিদ সুমন

  • ৪০ তম ফ্লোরিডা ফোবানার কমিটি সদস্যদের সমাবেশ

    ৪০ তম ফ্লোরিডা ফোবানার কমিটি সদস্যদের সমাবেশ

    526 shares
    Share 210 Tweet 132
  • ফ্লোরিডা ফোবানার কমিটির প্রস্তুতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে

    512 shares
    Share 205 Tweet 128

Copyright © 2021-2026. Banglatimes360

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password? Sign Up

Create New Account!

Fill the forms below to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
No Result
View All Result
  • Home
  • রাজনীতি
    • আইন-আদালত
  • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
    • যুদ্ধ
    • উত্তর- আমেরিকা
      • যুক্তরাষ্ট্র
    • এশিয়া
      • মধ্যপ্রাচ্য
    • ইউরোপ
    • অষ্ট্রেলিয়া
      • নিউজিল্যান্ড
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • আফ্রিকা
  • বিনোদন
    • সংগীত
  • খেলা
  • অনুসন্ধান
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • আবহাওয়া
  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি

Copyright © 2021-2026. Banglatimes360