Wednesday, October 7, 2026
No Result
View All Result
  • Login
  • Register
Banglatimes360
  • Home
    বুলগেরিয়ার

    বুলগেরিয়ার উপকূলে ড্রোন হামলা; রাশিয়ার হামলার আশঙ্কা বাড়ছে

    পদার্থবিজ্ঞানে

    পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেলেন ফ্রান্সিস হালজেন

    বিশ্ব স্বাস্থ্য

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নেতৃত্বের লড়াইয়ে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা চীনের

    সিলেট

    সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র জাতীয় সম্মেলন সফল করার আহবান

    মাদক

    মাদক নির্মূলের ডোপ টেস্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন ও কিট বিতরণ

    সুপ্রিম

    সুপ্রিম কোর্টের নতুন অধিবেশনের ওপর ট্রাম্পের ছায়া বিরাজ করছে

  • রাজনীতি
    বুলগেরিয়ার

    বুলগেরিয়ার উপকূলে ড্রোন হামলা; রাশিয়ার হামলার আশঙ্কা বাড়ছে

    সুপ্রিম

    সুপ্রিম কোর্টের নতুন অধিবেশনের ওপর ট্রাম্পের ছায়া বিরাজ করছে

    হিস্পানিক

    হিস্পানিক ভোটাররা রিপাবলিকানদের উপর ক্ষিপ্ত

    ইউক্রেনের

    ইউক্রেনের খারকিভে রাশিয়ার হামলায় নিহত ৫, বিধ্বস্ত বহু বাড়িঘর

    কেবল

    কেবল স্ট্রিটের ৯০তম বার্ষিকীতে ফ্যাসিবাদ ও উগ্র ডানপন্থার বিরুদ্ধে প্রতিরোধের অঙ্গীকার

    ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের ওয়েনঝৌতে একটি শিল্প পার্কের অফিসে ‘চায়না ট্রান্সপোর্ট টেলিকমিউনিকেশনস অ্যান্ড ইনফরমেশন সেন্টার’ (CTTIC) এবং লজিস্টিকস ডেটা প্ল্যাটফর্ম ‘লগিনক’ (LOGINK)-এর সাইনবোর্ড দেখা যাচ্ছে। ছবিটি মোবাইল ফোনে তোলা। রয়টার্স।

    চীন একটি বাণিজ্য-সংক্রান্ত ‘সুপার-অস্ত্র’ প্রস্তুত করছে। এখন সেটি উধাও

    • আইন-আদালত
  • অর্থনীতি
    • All
    • বাণিজ্য
    স্কুল

    স্কুল বাস সংকটকে ইরান যুদ্ধ আরও তীব্র করে তুলছে

    মর্টগেজ

    মর্টগেজ বা গৃহঋণের সুদের হার তিন বছরের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে

    বাণিজ্য

    বাণিজ্য বিষয়ে বিশ্বমতের পরিবর্তন ঘটছে

    এআই

    এআই-র দ্রুত প্রসার বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে, গভর্নর ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড

    কানাডায়

    কানাডায় ‘ব্যাপক বেকারত্ব’ রয়েছে ট্রাম্পের দাবি; তথ্য-উপাত্ত কী বলছে?

    মধ্যবর্তী

    মধ্যবর্তী নির্বাচনে আর্থিক সংকট ট্রাম্পকে ভোগাচ্ছে

    • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
    সিলেট

    সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র জাতীয় সম্মেলন সফল করার আহবান

    মাদক

    মাদক নির্মূলের ডোপ টেস্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন ও কিট বিতরণ

    মা ইলিশ

    মা ইলিশ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা, কাগজের অভিযান নাকি কার্যকর ব্যবস্থাপনা

    শেখ হাসিনা

    শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ জনগণের অবাধ সিদ্ধান্তে নির্ধারিত হবে

    সাঁথিয়ায় শিবির সমর্থক ও ছাত্রদল নেতাকর্মী দ্বন্দ্বে তিনজন আহত, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

    সাঁথিয়ায় শিবির সমর্থক ও ছাত্রদল নেতাকর্মী দ্বন্দ্বে তিনজন আহত, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

    সাংবাদিক

    সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে ইউকে বিডি টিভির শোক

  • বিশ্ব
    • All
    • আফ্রিকা
    • ইউরোপ
    • উত্তর- আমেরিকা
    • এশিয়া
    • ওশেনিয়া
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • ফ্লোরিডা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    বুলগেরিয়ার

    বুলগেরিয়ার উপকূলে ড্রোন হামলা; রাশিয়ার হামলার আশঙ্কা বাড়ছে

    পদার্থবিজ্ঞানে

    পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেলেন ফ্রান্সিস হালজেন

    বিশ্ব স্বাস্থ্য

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নেতৃত্বের লড়াইয়ে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা চীনের

    সুপ্রিম

    সুপ্রিম কোর্টের নতুন অধিবেশনের ওপর ট্রাম্পের ছায়া বিরাজ করছে

    স্কুল

    স্কুল বাস সংকটকে ইরান যুদ্ধ আরও তীব্র করে তুলছে

    হিস্পানিক

    হিস্পানিক ভোটাররা রিপাবলিকানদের উপর ক্ষিপ্ত

    • যুদ্ধ
    • উত্তর- আমেরিকা
      • যুক্তরাষ্ট্র
        • নিউইয়ার্ক
        • ফ্লোরিডা
    • এশিয়া
      • মধ্যপ্রাচ্য
    • ইউরোপ
    • অষ্ট্রেলিয়া
      • নিউজিল্যান্ড
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • আফ্রিকা
  • বিনোদন
    • All
    • সংগীত
    গোবিন্দার

    গোবিন্দার সঙ্গে সিঁদুর পরা নিয়ে সমালোচনার জবাব রানী স্বর্ণকারের

    ফ্লোরিডায় প্রথমবার আসছেন অপূর্ব এবং সঞ্জয় টাম্পাতে প্রথম

    ফ্লোরিডায় প্রথমবার আসছেন অপূর্ব এবং সঞ্জয় টাম্পাতে প্রথম

    ওয়ার্ল্ড

    ওয়ার্ল্ড ফেয়ার অ্যান্ড ফেস্ট ২০২৬-এ আসছেন সঞ্জয় ও অপূর্ব

    শাক

    ‘শাক’: পরিণীতি চোপড়ার রহস্য সিরিজ

    অরল্যন্ডোতে

    অরল্যন্ডোতে ১৯ জুন,২০২৭ বসছে ফুড ও কালচারাল ফেস্টিভ্যাল

    কারিনা

    কারিনা কাপুরের ‘দায়রা’-র দ্বিতীয় দিনের আয়: ১ কোটির বেশি

    • সংগীত
  • খেলা
    যুক্তরাজ্যের

    যুক্তরাজ্যের এনফিল্ডে ব্রিটিশ বাংলাদেশি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট

    অস্ট্রেলিয়ার

    অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সাফল্য পেস আক্রমণে, অধিনায়ক শান্ত

    প্রীতি ম্যাচে বিজয়ী বাংলাদেশ প্রেসক্লাব

    প্রীতি ম্যাচে বিজয়ী বাংলাদেশ প্রেসক্লাব

    ইনফান্তিনোর

    ইনফান্তিনোর তীব্র সমালোচনায় উয়েফা, এএফসি ও কনকাকাফ

    ফিফার

    ফিফার ইনফান্তিনো বিশ্বকাপ বিনিয়োগ বাতিল করেছেন

    উয়েফা

    উয়েফা ইনফান্তিনোর ওপর আস্থা হারিয়েছে

  • অনুসন্ধান
    বাস্তবতার

    বাস্তবতার চিত্র

    হিমালয়ের হঠাৎ বন্যা: নেপাল–তিব্বত সীমান্তে ভবিষ্যতের সতর্কবার্তা?

    হিমালয়ের হঠাৎ বন্যা: নেপাল–তিব্বত সীমান্তে ভবিষ্যতের সতর্কবার্তা?

    জাতিসংঘের

    জাতিসংঘের তথ্য-অনুসন্ধান মিশনের পক্ষপাতিত্ব তদন্তে উন্মুক্ত

    ইরানের

    ইরানের অর্থনৈতিক পতন ট্রাম্পের জন্য অনেক দেরি হয়ে যাবে

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ: সংকটময় রাষ্ট্র, গণতন্ত্রের অবসান

    চীন

    চীন মার্কিন আধিপত্য ভাঙতে পারমাণবিক বাহন বানাচ্ছে

  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    এআই

    এআই চশমায় সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে নরওয়ে

    অল্টম্যান

    অল্টম্যান বলেন, মডেলগুলে ধর্ম যুক্ত করা অনৈতিক কাজ হবে

    এআই

    এআই প্রতিযোগিতায় ‘ওপেন মডেল’ বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করবে

    এআই

    এআই এজেন্টরা ইন্টারনেটের ভঙ্গুর ভিত্তিকে উন্মোচিত করছে

    এআই

    এআই (AI) শিল্পের অভ্যন্তরে তৃণমূল পর্যায়ের বিদ্রোহ

    এআই

    এআই-র দ্রুত প্রসার বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে, গভর্নর ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড

  • আবহাওয়া
    ক্যালিফোর্নিয়া

    ক্যালিফোর্নিয়া সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে বাড়িঘর ধ্বংস হচ্ছে!

    নেপালের

    নেপালের উদ্ধারকারীরা ৯০০ জলবিদ্যুৎ কর্মীর ওপর নজর রাখছে

    চীনের

    চীনের নেপাল সীমান্তের ব্যস্ত বন্দরের কোনো চিহ্ন নেই

    নেপালের

    নেপালের প্রকৌশলীরা টানেলে হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশনা দিচ্ছেন

    নেপালে

    নেপালে ৩৬ নাগরিক খুঁজতে অস্ট্রেলিয়া ড্রোন বিশেষজ্ঞ পাঠিয়েছে

    নেপালের

    নেপালের জলবিদ্যুৎ সুড়ঙ্গ থেকে দুজন জীবিত উদ্ধার

  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি
    • All
    • ভ্রমন
    স্কুল

    স্কুল বাস সংকটকে ইরান যুদ্ধ আরও তীব্র করে তুলছে

    সনাতনী শিশু-কিশোরদের অনুপ্রাণিত করতে শিক্ষামূলক কর্মসূচী বিদ্যাযাত্রা ২০২৬

    সনাতনী শিশু-কিশোরদের অনুপ্রাণিত করতে শিক্ষামূলক কর্মসূচী বিদ্যাযাত্রা ২০২৬

    আমরা

    আমরা পড়াতে চাই

    ইউরোপ

    ইউরোপ সুযোগ দেওয়ায় ভারতীয় ছাত্রছাত্রীরা আমেরিকা যাচ্ছে না

    লন্ডনে অনুষ্ঠিত হলো দু’দিনব্যাপী ১৪তম বাংলাদেশ বইমেলা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক উৎসব ২০২৬

    লন্ডনে অনুষ্ঠিত হলো দু’দিনব্যাপী ১৪তম বাংলাদেশ বইমেলা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক উৎসব ২০২৬

    পাঠ প্রতিক্রিয়া: কালের কঙ্কন

  • Home
    বুলগেরিয়ার

    বুলগেরিয়ার উপকূলে ড্রোন হামলা; রাশিয়ার হামলার আশঙ্কা বাড়ছে

    পদার্থবিজ্ঞানে

    পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেলেন ফ্রান্সিস হালজেন

    বিশ্ব স্বাস্থ্য

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নেতৃত্বের লড়াইয়ে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা চীনের

    সিলেট

    সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র জাতীয় সম্মেলন সফল করার আহবান

    মাদক

    মাদক নির্মূলের ডোপ টেস্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন ও কিট বিতরণ

    সুপ্রিম

    সুপ্রিম কোর্টের নতুন অধিবেশনের ওপর ট্রাম্পের ছায়া বিরাজ করছে

  • রাজনীতি
    বুলগেরিয়ার

    বুলগেরিয়ার উপকূলে ড্রোন হামলা; রাশিয়ার হামলার আশঙ্কা বাড়ছে

    সুপ্রিম

    সুপ্রিম কোর্টের নতুন অধিবেশনের ওপর ট্রাম্পের ছায়া বিরাজ করছে

    হিস্পানিক

    হিস্পানিক ভোটাররা রিপাবলিকানদের উপর ক্ষিপ্ত

    ইউক্রেনের

    ইউক্রেনের খারকিভে রাশিয়ার হামলায় নিহত ৫, বিধ্বস্ত বহু বাড়িঘর

    কেবল

    কেবল স্ট্রিটের ৯০তম বার্ষিকীতে ফ্যাসিবাদ ও উগ্র ডানপন্থার বিরুদ্ধে প্রতিরোধের অঙ্গীকার

    ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের ওয়েনঝৌতে একটি শিল্প পার্কের অফিসে ‘চায়না ট্রান্সপোর্ট টেলিকমিউনিকেশনস অ্যান্ড ইনফরমেশন সেন্টার’ (CTTIC) এবং লজিস্টিকস ডেটা প্ল্যাটফর্ম ‘লগিনক’ (LOGINK)-এর সাইনবোর্ড দেখা যাচ্ছে। ছবিটি মোবাইল ফোনে তোলা। রয়টার্স।

    চীন একটি বাণিজ্য-সংক্রান্ত ‘সুপার-অস্ত্র’ প্রস্তুত করছে। এখন সেটি উধাও

    • আইন-আদালত
  • অর্থনীতি
    • All
    • বাণিজ্য
    স্কুল

    স্কুল বাস সংকটকে ইরান যুদ্ধ আরও তীব্র করে তুলছে

    মর্টগেজ

    মর্টগেজ বা গৃহঋণের সুদের হার তিন বছরের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে

    বাণিজ্য

    বাণিজ্য বিষয়ে বিশ্বমতের পরিবর্তন ঘটছে

    এআই

    এআই-র দ্রুত প্রসার বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে, গভর্নর ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড

    কানাডায়

    কানাডায় ‘ব্যাপক বেকারত্ব’ রয়েছে ট্রাম্পের দাবি; তথ্য-উপাত্ত কী বলছে?

    মধ্যবর্তী

    মধ্যবর্তী নির্বাচনে আর্থিক সংকট ট্রাম্পকে ভোগাচ্ছে

    • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
    সিলেট

    সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র জাতীয় সম্মেলন সফল করার আহবান

    মাদক

    মাদক নির্মূলের ডোপ টেস্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন ও কিট বিতরণ

    মা ইলিশ

    মা ইলিশ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা, কাগজের অভিযান নাকি কার্যকর ব্যবস্থাপনা

    শেখ হাসিনা

    শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ জনগণের অবাধ সিদ্ধান্তে নির্ধারিত হবে

    সাঁথিয়ায় শিবির সমর্থক ও ছাত্রদল নেতাকর্মী দ্বন্দ্বে তিনজন আহত, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

    সাঁথিয়ায় শিবির সমর্থক ও ছাত্রদল নেতাকর্মী দ্বন্দ্বে তিনজন আহত, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

    সাংবাদিক

    সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে ইউকে বিডি টিভির শোক

  • বিশ্ব
    • All
    • আফ্রিকা
    • ইউরোপ
    • উত্তর- আমেরিকা
    • এশিয়া
    • ওশেনিয়া
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • ফ্লোরিডা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    বুলগেরিয়ার

    বুলগেরিয়ার উপকূলে ড্রোন হামলা; রাশিয়ার হামলার আশঙ্কা বাড়ছে

    পদার্থবিজ্ঞানে

    পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেলেন ফ্রান্সিস হালজেন

    বিশ্ব স্বাস্থ্য

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নেতৃত্বের লড়াইয়ে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা চীনের

    সুপ্রিম

    সুপ্রিম কোর্টের নতুন অধিবেশনের ওপর ট্রাম্পের ছায়া বিরাজ করছে

    স্কুল

    স্কুল বাস সংকটকে ইরান যুদ্ধ আরও তীব্র করে তুলছে

    হিস্পানিক

    হিস্পানিক ভোটাররা রিপাবলিকানদের উপর ক্ষিপ্ত

    • যুদ্ধ
    • উত্তর- আমেরিকা
      • যুক্তরাষ্ট্র
        • নিউইয়ার্ক
        • ফ্লোরিডা
    • এশিয়া
      • মধ্যপ্রাচ্য
    • ইউরোপ
    • অষ্ট্রেলিয়া
      • নিউজিল্যান্ড
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • আফ্রিকা
  • বিনোদন
    • All
    • সংগীত
    গোবিন্দার

    গোবিন্দার সঙ্গে সিঁদুর পরা নিয়ে সমালোচনার জবাব রানী স্বর্ণকারের

    ফ্লোরিডায় প্রথমবার আসছেন অপূর্ব এবং সঞ্জয় টাম্পাতে প্রথম

    ফ্লোরিডায় প্রথমবার আসছেন অপূর্ব এবং সঞ্জয় টাম্পাতে প্রথম

    ওয়ার্ল্ড

    ওয়ার্ল্ড ফেয়ার অ্যান্ড ফেস্ট ২০২৬-এ আসছেন সঞ্জয় ও অপূর্ব

    শাক

    ‘শাক’: পরিণীতি চোপড়ার রহস্য সিরিজ

    অরল্যন্ডোতে

    অরল্যন্ডোতে ১৯ জুন,২০২৭ বসছে ফুড ও কালচারাল ফেস্টিভ্যাল

    কারিনা

    কারিনা কাপুরের ‘দায়রা’-র দ্বিতীয় দিনের আয়: ১ কোটির বেশি

    • সংগীত
  • খেলা
    যুক্তরাজ্যের

    যুক্তরাজ্যের এনফিল্ডে ব্রিটিশ বাংলাদেশি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট

    অস্ট্রেলিয়ার

    অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সাফল্য পেস আক্রমণে, অধিনায়ক শান্ত

    প্রীতি ম্যাচে বিজয়ী বাংলাদেশ প্রেসক্লাব

    প্রীতি ম্যাচে বিজয়ী বাংলাদেশ প্রেসক্লাব

    ইনফান্তিনোর

    ইনফান্তিনোর তীব্র সমালোচনায় উয়েফা, এএফসি ও কনকাকাফ

    ফিফার

    ফিফার ইনফান্তিনো বিশ্বকাপ বিনিয়োগ বাতিল করেছেন

    উয়েফা

    উয়েফা ইনফান্তিনোর ওপর আস্থা হারিয়েছে

  • অনুসন্ধান
    বাস্তবতার

    বাস্তবতার চিত্র

    হিমালয়ের হঠাৎ বন্যা: নেপাল–তিব্বত সীমান্তে ভবিষ্যতের সতর্কবার্তা?

    হিমালয়ের হঠাৎ বন্যা: নেপাল–তিব্বত সীমান্তে ভবিষ্যতের সতর্কবার্তা?

    জাতিসংঘের

    জাতিসংঘের তথ্য-অনুসন্ধান মিশনের পক্ষপাতিত্ব তদন্তে উন্মুক্ত

    ইরানের

    ইরানের অর্থনৈতিক পতন ট্রাম্পের জন্য অনেক দেরি হয়ে যাবে

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ: সংকটময় রাষ্ট্র, গণতন্ত্রের অবসান

    চীন

    চীন মার্কিন আধিপত্য ভাঙতে পারমাণবিক বাহন বানাচ্ছে

  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    এআই

    এআই চশমায় সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে নরওয়ে

    অল্টম্যান

    অল্টম্যান বলেন, মডেলগুলে ধর্ম যুক্ত করা অনৈতিক কাজ হবে

    এআই

    এআই প্রতিযোগিতায় ‘ওপেন মডেল’ বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করবে

    এআই

    এআই এজেন্টরা ইন্টারনেটের ভঙ্গুর ভিত্তিকে উন্মোচিত করছে

    এআই

    এআই (AI) শিল্পের অভ্যন্তরে তৃণমূল পর্যায়ের বিদ্রোহ

    এআই

    এআই-র দ্রুত প্রসার বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে, গভর্নর ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড

  • আবহাওয়া
    ক্যালিফোর্নিয়া

    ক্যালিফোর্নিয়া সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে বাড়িঘর ধ্বংস হচ্ছে!

    নেপালের

    নেপালের উদ্ধারকারীরা ৯০০ জলবিদ্যুৎ কর্মীর ওপর নজর রাখছে

    চীনের

    চীনের নেপাল সীমান্তের ব্যস্ত বন্দরের কোনো চিহ্ন নেই

    নেপালের

    নেপালের প্রকৌশলীরা টানেলে হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশনা দিচ্ছেন

    নেপালে

    নেপালে ৩৬ নাগরিক খুঁজতে অস্ট্রেলিয়া ড্রোন বিশেষজ্ঞ পাঠিয়েছে

    নেপালের

    নেপালের জলবিদ্যুৎ সুড়ঙ্গ থেকে দুজন জীবিত উদ্ধার

  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি
    • All
    • ভ্রমন
    স্কুল

    স্কুল বাস সংকটকে ইরান যুদ্ধ আরও তীব্র করে তুলছে

    সনাতনী শিশু-কিশোরদের অনুপ্রাণিত করতে শিক্ষামূলক কর্মসূচী বিদ্যাযাত্রা ২০২৬

    সনাতনী শিশু-কিশোরদের অনুপ্রাণিত করতে শিক্ষামূলক কর্মসূচী বিদ্যাযাত্রা ২০২৬

    আমরা

    আমরা পড়াতে চাই

    ইউরোপ

    ইউরোপ সুযোগ দেওয়ায় ভারতীয় ছাত্রছাত্রীরা আমেরিকা যাচ্ছে না

    লন্ডনে অনুষ্ঠিত হলো দু’দিনব্যাপী ১৪তম বাংলাদেশ বইমেলা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক উৎসব ২০২৬

    লন্ডনে অনুষ্ঠিত হলো দু’দিনব্যাপী ১৪তম বাংলাদেশ বইমেলা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক উৎসব ২০২৬

    পাঠ প্রতিক্রিয়া: কালের কঙ্কন

No Result
View All Result
Banglatimes360
No Result
View All Result
  • Home
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • অনুসন্ধান
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • আবহাওয়া
  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি
Home বিশ্ব উত্তর- আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র

ট্রাম্প যা গড়ে তুলেছেন

October 2, 2026
253 2
A A
0
ট্রাম্প
496
SHARES
Share on FacebookShare on Twitter

ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের সাউথ লন বা দক্ষিণ প্রাঙ্গণে অবস্থিত নতুন হেলিপ্যাডে—যা খোদাই করা গ্রানাইট পাথরে তৈরি ৮০,০০০ বর্গফুটের এক বিশাল এলাকা—গর্বভরে হেঁটে এলেন। চারপাশের দৃশ্য এবং দূরে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা ওয়াশিংটন মনুমেন্টের দিকে তাকিয়ে তিনি বললেন, “বিশ্বাস করতে পারছেন?” প্রেসিডেন্ট স্পষ্টতই আনন্দের সাথে এই প্রকল্পের খুঁটিনাটি বিষয়গুলো তুলে ধরলেন; তিনি ইতালি থেকে আনা ধূসর পাথরের কথা উল্লেখ করলেন এবং জানালেন কীভাবে পাঁচটি আলাদা অংশ নিখুঁতভাবে (ইঞ্চির আট ভাগের এক ভাগ পর্যন্ত নির্ভুল মাপে) জোড়া লাগানো হয়েছে।

তাঁর ঠিক পেছনেই দৃশ্যমান হচ্ছে আরও বড় এক সংস্কার প্রকল্প: হোয়াইট হাউসের নতুন বলরুম, যার কংক্রিটের কাঠামোটি পুরনো ‘ইস্ট উইং’-এর জায়গা দখল করে গড়ে উঠছে। এই উদ্যোগকে ঘিরে আইনি জটিলতাও তৈরি হয়েছে; অভিযোগ উঠেছে, কংগ্রেসের অনুমোদন বা প্রয়োজনীয় ফেডারেল পর্যালোচনা ছাড়াই ট্রাম্প ঐতিহাসিক কাঠামোটি ভেঙে ফেলে নতুন স্থাপনা তৈরির কাজ শুরু করেছিলেন। তবে সব বাধা সত্ত্বেও তিনি নির্মাণকাজ চালিয়ে গেছেন। ট্রাম্প দেয়ালগুলোর দিকে ইঙ্গিত করে সেগুলোকে “নিউক্লিয়ার কংক্রিট” (তাঁর মতে, পারমাণবিক স্থাপনায় ব্যবহৃত বিশেষ ধরনের কংক্রিট) বলে অভিহিত করলেন এবং বলরুমের নিচে মাটির ছয় তলা গভীরে বিস্তৃত হতে যাওয়া এক সামরিক স্থাপনার বর্ণনা দিলেন। তিনি জানালেন, সেখানে পাঁচটি আলাদা তলা থাকবে এবং একদিকের দেয়ালটি সম্পূর্ণভাবে ৬ বা ৮ ইঞ্চি পুরু কাঁচ দিয়ে তৈরি হবে। তিনি হাত ছড়িয়ে এর পুরুত্ব বোঝালেন। “আগামী সপ্তাহেই ইস্পাতের কাঠামো বসানোর কাজ শুরু হবে।”

RelatedPosts

ট্রাম্প মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচলিত শব্দভাণ্ডার নতুন করে সাজাতে চান

এআই ল্যাবগুলো উন্মুক্ত মডেলে চীনের শীর্ষস্থানকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে

বুলগেরিয়ার উপকূলে ড্রোন হামলা; রাশিয়ার হামলার আশঙ্কা বাড়ছে

ওভাল অফিসের দিকে হেঁটে যাওয়ার সময় ট্রাম্প বেশ কয়েকবার থামলেন নিজের কাজের অগ্রগতি দেখার জন্য। চোখে পড়ল নতুন রঙ করা দরজা ও সোনালি রঙের নতুন দরজার হাতল; ‘রোজ গার্ডেন’-এর লনটি সরিয়ে সেখানে ‘মার-এ-লাগো’ ধাঁচের একটি প্যাটিও বা চত্বর তৈরি করা হয়েছে, যেখানে তিনি এখন ‘রোজ গার্ডেন ক্লাব’ নামে পরিচিত আয়োজনে নৈশভোজের সভাপতিত্ব করেন। তিনি বললেন, “মানুষ প্রশ্ন তোলে, কেন আমি এসব কাজে এত সময় ব্যয় করি? কিন্তু আমার কাছে এটা বেশ স্বস্তিদায়ক।” পরে তিনি আবারও প্রসঙ্গটি তুললেন। আপনমনেই বললেন, “এটাই আমি সবচেয়ে ভালো পারি। নিজেকেই প্রশ্ন করি—আমি কি একজন ভালো নির্মাতা, নাকি ভালো রাজনীতিবিদ?”

নির্মাণ প্রকল্পের প্রতি ট্রাম্পের এই গভীর আগ্রহ বা আচ্ছন্নতা সহজেই বোঝা যায়। নিজের প্রেসিডেন্সির অন্যতম কঠিন সময়েও তিনি এমন এক জগতের ভৌত বা দৃশ্যমান বিষয়গুলো নিয়ে মগ্ন আছেন, যা তিনি নিজের পছন্দমতো নতুন করে গড়ে তুলতে পারেন। এই বৈপরীত্যের মাঝে এক গভীর তাৎপর্য লুকিয়ে আছে। এখানে তিনি এখনও কোনো দেয়ালের দিকে আঙুল তুলে বলতে পারেন সেটি কতটা পুরু হওয়া উচিত, ঘাসের সীমানা কোথায় শেষ আর পাথরের কাজ কোথায় শুরু হবে তা ঠিক করতে পারেন, এবং নিজের দাবি জানিয়ে তা পূরণ করিয়ে নিতে পারেন। নিজের প্রেসিডেন্সির গতিপথ যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে, তখন ট্রাম্প নিজেকে এমন সব কাজে ব্যস্ত রেখেছেন যা তাঁর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এই সীমানার বাইরে পরিস্থিতি ক্রমশ ট্রাম্পের ইচ্ছার বিরুদ্ধে চলে যাচ্ছে। কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধ—যা শুরুতে ট্রাম্প চার থেকে ছয় সপ্তাহের একটি অভিযান হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন—আমাদের সাক্ষাতের সময় সাত মাস পেরিয়ে গেছে, অথচ এর কোনো সমাপ্তি দেখা যাচ্ছে না। এই যুদ্ধের ফলে তেল ও পেট্রোলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ট্রাম্পের আরোপ করা শুল্কের কারণে সৃষ্ট মুদ্রাস্ফীতির চাপে পড়ে ফেডারেল রিজার্ভ—যার নেতৃত্বে এখন তাঁরই মনোনীত চেয়ারম্যান রয়েছেন—ট্রাম্পের আপত্তি সত্ত্বেও সুদের হার বাড়াতে বাধ্য হয়েছে; এমনকি বছরের শেষ নাগাদ আরও একবার সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। মর্টগেজ বা গৃহঋণের সুদের হার বেড়ে ৭.৫ শতাংশে পৌঁছেছে, যা আবাসন বাজারের আগে থেকেই নাজুক অবস্থাকে আরও শোচনীয় করে তুলেছে।

ট্রাম্পকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনা রাজনৈতিক জোটটি এখন দুর্বল হয়ে পড়েছে; রিপাবলিকান পার্টির (GOP) মূল সমর্থক গোষ্ঠী তাঁর প্রতি যথেষ্ট অনুগত থাকলেও স্বতন্ত্র ভোটার, গ্রামীণ ভোটার এবং ল্যাটিনো ভোটারদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। সেপ্টেম্বরে রয়টার্স/ইপসোস-এর এক জনমত জরিপে তাঁর প্রতি জনসমর্থন বা ‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং’ ৩২ শতাংশে নেমে আসে, যা তাঁর রাজনৈতিক জীবনে সর্বনিম্ন; এছাড়া ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, ১৯৯০ সালের পর থেকে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কোনো প্রেসিডেন্টের জন্য এটিই ছিল সর্বনিম্ন রেটিং। রিপাবলিকান প্রার্থীরা তাঁর সামরিক পদক্ষেপ এবং অভিবাসীদের বহিষ্কারের কার্যক্রম থেকে নিজেদের দূরত্ব বজায় রাখছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) শিল্পের বিষয়ে তাঁর নিয়ন্ত্রণহীন বা শিথিল নীতি এবং ক্ষমতায় থাকাকালীন ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন, হাজার হাজার শেয়ার কেনাবেচা ও সৌদি আরব-কাতার থেকে শুরু করে ভারত-ভিয়েতনাম পর্যন্ত বিস্তৃত ‘ট্রাম্প-ব্র্যান্ডেড’ আবাসন সাম্রাজ্যের মাধ্যমে সম্পদ বৃদ্ধির বিষয়টি ভোটারদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।

প্রশাসনের ভেতরেও জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টারা ক্রমশ বুঝতে পারছেন যে, তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদের ক্ষমতার সর্বোচ্চ শিখর বা ‘অ্যাপোজি’ (apogee) ইতিমধ্যে পার হয়ে গেছে। পুরো রিপাবলিকান পার্টি জুড়ে কর্মকর্তারা মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদ (House)—এবং সম্ভবত সিনেট—হারানোর সম্ভাবনার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। টানা দুই বছর প্রায় পুরোপুরি আক্রমণাত্মক অবস্থানে থাকার পর, ট্রাম্পকে হয়তো শীঘ্রই রক্ষণাত্মক অবস্থানে যেতে বাধ্য হতে হবে। কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে গেলে তদন্ত, তলব (subpoena), শুনানি এবং সম্ভবত তৃতীয়বারের মতো অভিশংসন (impeachment) প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হতে পারে। এমনকি মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও কংগ্রেসের সামনে জবাবদিহিতার জন্য তলব করা হতে পারে। ট্রাম্প এই সম্ভাব্য পরিস্থিতিকে তাঁর স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতেই তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “সম্ভবত তারা আমার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবে, আর আমিও তাদের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেব।”

অথচ দেশ ও বিশ্ব, নিজের দল এবং নিজের ক্ষমতার মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো ঝুঁকির মুখে থাকা সত্ত্বেও ট্রাম্পকে অদ্ভুতভাবে অন্য কিছু নিয়ে মগ্ন মনে হতে পারে। ‘টাইম’ (TIME) ম্যাগাজিনের সাথে ওভাল অফিসে ৭৫ মিনিটের এক সাক্ষাৎকারে তিনি নানা প্রসঙ্গ টেনে কথা বলছিলেন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করছিলেন; তাঁর কথায় নিজের রাষ্ট্রপতিত্বকালীন বিভিন্ন সংকট থেকে শুরু করে পুরোনো ও নতুন নানা অসন্তোষের বিষয় উঠে আসছিল। তিনি সুপ্রিম কোর্টে নীল গোরসাচ, ব্রেট ক্যাভানা ও অ্যামি কোনি ব্যারেটকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য আক্ষেপ প্রকাশ করেন; কারণ শুল্ক, ডাকযোগে ভোট (মেইল ব্যালট) এবং জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের মতো বিষয়গুলোতে তাঁরা তাঁর অবস্থানের বিপক্ষে রায় দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “আমিই তাঁদের আজীবন মেয়াদের এই গুরুত্বপূর্ণ পদটি দিয়েছিলাম, অথচ তাঁরাই প্রায়শই আমার বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন।” আনুগত্যের প্রত্যাশার বিষয়ে তিনি ছিলেন অকপট ও অনমনীয়: “হ্যাঁ, আমি আনুগত্য পছন্দ করি।”

 

1 of 3
- +

1. ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সোনালি ও নব্য-ধ্রুপদী শৈলীর কারুকাজ; ২১ মে, ২০২৬।

2. ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত বলরুমের একটি মডেল; ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫।

3. ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে হোয়াইট হাউসের রোজ গার্ডেনে ভাস্কর্যগুলো দেখা যাচ্ছে; শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬। মার্ক শিফেলবাইন—এপি ফটো।

তিনি বারবার হোয়াইট হাউসের বর্তমান অবস্থার প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন; অভিযোগ করেছেন যে তাঁর পূর্বসূরিরা ভবনটিকে জরাজীর্ণ অবস্থায় ফেলে রেখেছিলেন এবং বারাক ওবামাকে এমন একজন ব্যক্তি হিসেবে উপহাস করেছেন যিনি “কোনো কিছু নোংরা নাকি পরিষ্কার—তা বোঝেন না।”

ডেটা সেন্টার বা তথ্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র দ্রুত গড়ে তোলার বিষয়ে ব্যাপক বিরোধিতা—যার মধ্যে তাঁর নিজস্ব সমর্থকগোষ্ঠীর আপত্তিও অন্তর্ভুক্ত—তাকে ট্রাম্প সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন; তাঁর মতে, এটি মেনে নেওয়া মানেই হলো আমেরিকাকে আরও দরিদ্র করে ফেলার পথ বেছে নেওয়া। নিজের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প কৌশলে নিজেকে অনেকটা ছাড় দিয়ে রেখেছেন: মধ্যবর্তী নির্বাচনের সময় জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা বা ‘ইনসারেকশন অ্যাক্ট’ (অভ্যুত্থান-দমন আইন) প্রয়োগের সম্ভাবনা তিনি উড়িয়ে দেননি; আবার কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া কেনেডি সেন্টারে ভাঙচুর বা ধ্বংসযজ্ঞ না চালানোর প্রতিশ্রুতিও তিনি দেননি। তিনি বলেন, “আমি কোনো কিছুর ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি না। দেখা যাক আদালতে বিষয়টি কীভাবে এগোয়।”

ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, তিনি কেবল সেটাই করছেন যা করা প্রয়োজন—এমনকি এর জন্য যদি ভোটারদের দেওয়া মৌলিক প্রতিশ্রুতিগুলোও ভঙ্গ করতে হয়, তবুও। তিনি শান্তির প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচনী প্রচার চালিয়েছিলেন, কিন্তু এখন এমন এক যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন যা তাঁর মতে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন ঠেকানোর জন্য অপরিহার্য ছিল। তিনি ভেনেজুয়েলার উদাহরণ তুলে ধরেন—যেখানে নিকোলাস মাদুরোকে সরিয়ে দেওয়ায় এবং দেলসি রদ্রিগেজকে ক্ষমতায় আনায় দেশটি ওয়াশিংটনের প্রভাব বলয়ে চলে এসেছে—এবং দাবি করেন যে এটিই প্রমাণ করে যে মার্কিন শক্তির যথাযথ প্রয়োগ সুফল বয়ে আনতে পারে। তিনি ওষুধের দাম নির্ধারণে ‘মোস্ট-ফেভারড-নেশন’ (সর্বাধিক সুবিধাপ্রাপ্ত রাষ্ট্র) নীতি অনুসরণ এবং একক-পরিবারের উপযোগী বাড়ি (সিঙ্গেল-ফ্যামিলি হোম) কেনা থেকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বিরত রাখার বিষয়গুলোকে এমন পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরেন যা আমেরিকানদের খরচ কমাবে। জিডিপি ও মুদ্রাস্ফীতির নতুন পরিসংখ্যানগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে অর্থনীতি এখনো শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।

দেশের মূল সমস্যা বা উদ্বেগের বিষয়গুলো থেকে অনেক দূরে থাকা নির্মাণ প্রকল্পগুলো নিয়ে কেন তিনি এত বেশি মগ্ন থাকেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প একটি যুক্তি দাঁড় করান: “হোয়াইট হাউস অত্যন্ত বিশেষ একটি প্রতীক। এটি আমেরিকার প্রতীক। এটি আমাদের মহত্ত্বের প্রতীক।” তিনি তাঁর নির্মাণ প্রকল্পগুলোর কথা বলেন ‘উত্তরাধিকার’ বা ‘স্মারক’ হিসেবে—এমন সব স্থাপনা যা তাঁর চলে যাওয়ার অনেক পরেও টিকে থাকবে। কিন্তু ট্রাম্প যখন পাথর-কাঠের কাজ, সাজসজ্জার উপকরণ, সোনা আর কাঁচের কারুকাজ নিয়ে আচ্ছন্ন থাকেন, তখন তাঁর উত্তরাধিকারের আরও গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোও কিন্তু গড়ে উঠছে—হোয়াইট হাউসের দেয়ালের ভেতর থেকে নেওয়া তাঁর সিদ্ধান্তগুলোর মাধ্যমে এবং সেই সিদ্ধান্তের ফলে দেয়ালের বাইরে সুদূরপ্রসারী যে ফলাফলগুলো তৈরি হচ্ছে, তার মধ্য দিয়ে। এপ্রিলের শেষের দিকে, প্রেসিডেন্ট ওভাল অফিসে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং সামরিক ও জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের একটি দলকে তলব করেন। ট্রাম্পের নিজস্ব সময়সূচি অনুযায়ী, ইরানের সাথে যুদ্ধটি এতক্ষণে শেষ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল—যার ফলে সেখানে নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হতো এবং তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি স্তিমিত হয়ে পড়ত। কিন্তু ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান অত্যন্ত দৃঢ়তা ও কৌশলের পরিচয় দেয়; তারা হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহ বন্ধ করে দেয় এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করে।

এরই মধ্যে আরেকটি সমস্যা দেখা দেয়। ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর একটি প্রতিবেদন থেকে ট্রাম্প জানতে পারেন যে, ১,২০০টিরও বেশি ‘প্যাট্রিয়ট’ মিসাইল ইন্টারসেপ্টর ব্যবহারের ফলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হাতে নির্দিষ্ট কিছু গোলাবারুদের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এই ঘাটতি পূরণের জন্য পেন্টাগন এশিয়া ও ইউরোপে মোতায়েন করা সামরিক সম্পদ বা মজুত ব্যবহার করছিল, যার ফলে অন্যান্য অঞ্চলে আমেরিকার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুজন কর্মকর্তার ভাষ্যমতে, ট্রাম্প হেগসেথকে ওই প্রতিবেদনের একটি প্রিন্ট-আউট ধরিয়ে দিয়ে ক্ষুব্ধ স্বরে বলেন, “এসব কী হচ্ছে?”

ওই কর্মকর্তাদের মতে, ট্রাম্পের অত্যন্ত প্রিয় একটি অবজ্ঞাসূচক শব্দ ধার করে হেগসেথ প্রেসিডেন্টকে বলেন যে এটি ছিল “ফেক নিউজ” বা ভুয়া খবর। প্রতিরক্ষামন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, সাংবাদিকরা তথ্যগুলোকে প্রসঙ্গের বাইরে নিয়ে গেছে এবং প্রশাসনকে খারাপভাবে উপস্থাপনের জন্য সেগুলোকে অতিরঞ্জিত করেছে। অথচ এই প্রতিবেদনটি তৈরি হয়েছিল খোদ প্রতিরক্ষা বিভাগের (DOD) ইন্সপেক্টর জেনারেলের একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে। (হেগসেথের একজন মুখপাত্র অবশ্য এমন কথোপকথনের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।)

 

1 of 2
- +

1. ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে একটি অজ্ঞাত স্থানে 'অপারেশন এপিক ফিউরি'-র সমর্থনে 'আর্লি বার্ক'-শ্রেণির গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস স্প্রুয়েন্স একটি টমাহক ল্যান্ড অ্যাটাক মিসাইল নিক্ষেপ করে।

2. ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে ইরানের বন্দর আব্বাসের উপকূলে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ইরানি রেভোলিউশনারি গার্ড কোর নেভির একটি যুদ্ধজাহাজের দৃশ্য। — ফাতেমেহ বাহরামি/আনাতোলু/গেটি ইমেজেস

ট্রাম্পের হতাশা কেবল গোলাবারুদের মজুত বা ঘাটতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। জনমত জরিপেও যুদ্ধটির অবস্থান ছিল অত্যন্ত শোচনীয়। সে সময় পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং প্রায় ৪০০ জন আহত হয়েছিলেন। (সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৯ জন নিহত ও ৮০০-র বেশি আহত)। ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম হামলার পর থেকে পেট্রোলের দাম ৪০ শতাংশেরও বেশি বেড়ে গিয়েছিল। এই সংঘাতে ইতিমধ্যে ২৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি খরচ হয়ে গিয়েছিল এবং এর প্রভাব মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচারণাতেও পড়তে শুরু করেছিল। প্রেসিডেন্ট নিজেকে এমন এক পরিস্থিতিতে আবিষ্কার করেন যেখান থেকে বেরিয়ে আসার কোনো সহজ পথ বা ‘এক্সিট র‍্যাম্প’ ছিল না। পরিস্থিতিটি এখনো তেমনই মনে হচ্ছে: ‘টাইম’ (TIME)-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান যে, যুদ্ধ শেষ করার পরিবর্তে তিনি বরং মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর বোমাবর্ষণ আরও জোরদার করতে পারেন—যদি না তারা কোনো সন্তোষজনক চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেন। “কারণ ইরানকে ধ্বংস করার মধ্য দিয়ে আমরা বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছি,” তিনি বলেন। “ইরানকে নিয়ে কখনোই শান্তি বজায় রাখা সম্ভব বলে আমার মনে হয় না।”

প্রশাসনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মতে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাথে ট্রাম্পের সম্পর্কের তিক্ততা বেড়েছে। একাধিক মার্কিন কর্মকর্তা ‘টাইম’ (TIME) ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন যে, নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে তেহরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন ঠিকই, কিন্তু পরবর্তীতে সেই যুদ্ধ অবসানের ট্রাম্পের প্রচেষ্টাকে জটিল করে তুলেছেন; যেমন—ট্রাম্পের নিষেধ সত্ত্বেও তিনি লেবাননে হিজবুল্লাহর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছেন। ৭ অক্টোবরের হামলার আগে মিশর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত যে নেতানিয়াহুকে সতর্ক করেছিল—এমন খবরের সত্যতা নিয়ে ট্রাম্প সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তবে ইসরায়েলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা ব্যর্থতার পর অক্টোবরের শেষভাগে যখন দেশটির জনগণ ভোট দিতে যাচ্ছে, তখন তিনি নেতানিয়াহুকে পুনর্নির্বাচনের জন্য সমর্থন দেওয়া থেকে বিরত রয়েছেন। নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ও সাবেক সামরিক প্রধান গাডি আইজেনকোটের সাথে কাজ করাটা কি আরও ভালো হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সেই সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেননি। তিনি বলেন, “আসলে, আমি জানি না। তবে তাঁর সম্পর্কে আমি কোনো খারাপ কথা শুনিনি।”

ইরানে হামলার সিদ্ধান্তটি ছিল ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মোড়। ক্ষমতায় ফেরার পর তাঁর প্রথম বছরটি কেটেছিল রাষ্ট্রপতির ইচ্ছাশক্তি প্রয়োগের এক প্রবল কর্মযজ্ঞের মধ্য দিয়ে—যেখানে একের পর এক নির্বাহী আদেশ জারি ও বিদ্যমান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বা ‘গার্ডরেল’ ভেঙে ফেলার কাজগুলো মূলত তাঁর পরিকল্পনা অনুযায়ীই এগিয়েছিল। এরপর দ্বিতীয় বছরের শুরুতেই ঘটে কারাকাসে অভিযান ও মাদুরোকে আটকের ঘটনা; এটি ছিল এক দুঃসাহসী অভিযান যা ট্রাম্পের এই বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছিল যে, যেখানে সতর্কতা ব্যর্থ হয়, সেখানে দুঃসাহস সফল হতে পারে। পরবর্তীকালে তেহরানের ওপর চালানো হামলা সেই বিশ্বাসের সীমাবদ্ধতাকে যেমন পরীক্ষার মুখে ফেলেছিল, তেমনি এটিও দেখিয়েছিল যে সাফল্যের ফলে সৃষ্ট আত্মবিশ্বাস কত দ্রুত অতি-উচ্ছ্বাস বা সীমা লঙ্ঘনের দিকে নিয়ে যেতে পারে।

এরপর একের পর এক সংকট দেখা দেয়। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট জনদুর্ভোগকে ট্রাম্প গুরুত্ব না দিলেও, তিনি স্বীকার করেছেন যে যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের গোলাবারুদের মজুত কিছুটা কমে গেছে। তিনি বলেন, “অন্যান্য ধরনের তুলনায় কিছু নির্দিষ্ট ধরনের গোলাবারুদের মজুত কিছুটা কমেছে।” ট্রাম্প জানান, অস্ত্রভাণ্ডার পুনরায় পূর্ণ করতে এবং উৎপাদন বাড়াতে তিনি রেথিয়ন (Raytheon) ও লকহিড মার্টিন (Lockheed Martin)-এর মতো শীর্ষস্থানীয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি করেছেন। প্যাট্রিয়ট (Patriot) ও থাড (THAAD) অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল স্থাপনাগুলোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তারা চারটি, পাঁচটি বা ছয়টি কারখানা তৈরি করছে। তারা বিশাল সক্ষমতা গড়ে তুলছে।” এর জন্য আমেরিকান করদাতাদের কত খরচ হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প একটি কৌতূহলোদ্দীপক হিসাব তুলে ধরেন: তাঁর মতে, ভেনেজুয়েলার তেল থেকে আমেরিকা এক মাসে যে আয় করে, তার চেয়েও কম খরচ হবে এতে। অথচ এই ব্যবস্থা থেকে আমেরিকানরা এখন পর্যন্ত খুব একটা সুফল পায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় তেল কোম্পানি ভেনেজুয়েলায় ফিরে গেছে এবং বিশ্বের বৃহত্তম প্রমাণিত অপরিশোধিত তেলের মজুদ থেকে তেল উত্তোলন শুরু করেছে; তা সত্ত্বেও সেপ্টেম্বরে জ্বালানির দাম রেকর্ড উচ্চতায় রয়ে গেছে। এদিকে, ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের নীতি আমেরিকার বৈশ্বিক সম্পর্কগুলোতে টানাপড়েন সৃষ্টি করেছে এবং এর প্রভাব পড়েছে পুরো অর্থনীতিতে।

ট্রাম্প বেকারত্বের নিম্ন হার, ভোক্তাদের জোরালো ব্যয় এবং শেয়ার বাজারের রেকর্ড উচ্চতাকে তাঁর অর্থনৈতিক কর্মসূচির সাফল্যের প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরেন। এসব সূচকের বিচারে অর্থনীতি শক্তিশালীই রয়েছে। কিন্তু এর পাশাপাশি এক কঠোর বাস্তবতাও বিদ্যমান: দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ব্যয় এখনো অত্যন্ত চড়া।

গ্রীষ্মকাল নাগাদ, ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার সহায়তায় এগিয়ে আসতে অস্বীকৃতি জানানো মিত্র দেশগুলোর—ইউরোপীয় শক্তি ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে শুরু করে কানাডা—প্রতি ট্রাম্পের ক্ষোভ বাড়তে থাকে। ট্রাম্পের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগীর মতে, এই ইস্যুতে তিনি তাঁর ক্ষোভের বড় অংশটিই উগরে দিয়েছেন আমেরিকার উত্তরাঞ্চলীয় প্রতিবেশী দেশটির ওপর। ট্রাম্পের একজন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা বলেন, “আমাদের সামরিক শক্তির সান্নিধ্যে থাকার কারণে আমরা কার্যত তাদের সুরক্ষা দিই—বিষয়টি তিনি পছন্দ করেন না; আবার বিনিময়ে তারা আমাদের যথেষ্ট কিছু দেয় বলেও তিনি মনে করেন না।” ২০ জুলাই, ট্রাম্প ১৯৩০ সালের একটি আইন প্রয়োগ করে কানাডিয়ান পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন। আমেরিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের সঙ্গে এই বাণিজ্য যুদ্ধের ফলে ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম ও কাঠ—এই খাতগুলো বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়; এতে সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটে এবং কারখানা থেকে শুরু করে নতুন বাড়ি—সবকিছুর নির্মাণে ব্যবহৃত উপকরণের দাম বেড়ে যায়।

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে ওয়াশিংটন ডি.সি.-র হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ছবি: ড্যান উইন্টার্স (টাইম-এর জন্য)।

ঋণ গ্রহণের খরচ নিজেই একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল। ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টের জন্য বন্ড মার্কেটে ব্যাপক দরপতন বা ‘সেল-অফ’-কে একটি বৃহত্তর সংকটে রূপ নেওয়া থেকে ঠেকানো ক্রমশ জরুরি হয়ে পড়েছিল। ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর একটি জরিপ অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান মনে করতেন যে ট্রাম্পের নীতি অর্থনীতির উন্নতি ঘটিয়েছে; অন্যদিকে ৬০ শতাংশের মতে, এর ফলে পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। সস্তা জ্বালানি, পণ্যের কম দাম এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ট্রাম্প ক্ষমতায় ফিরেছিলেন। কিন্তু ভোটাররা এর ঠিক উল্টো চিত্রই দেখতে পাচ্ছিলেন। ট্রাম্পের একজন উপদেষ্টা ‘টাইম’ (TIME) ম্যাগাজিনকে বলেন, “বিষয়টি আমাদের কারও অজানা নয়—যখন ভোটাররা অর্থনীতি নিয়ে সন্তুষ্ট থাকেন না, তখন তারা সাধারণত ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে ভোট দেন।”

ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই ট্রাম্প কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI)-এর সক্ষমতা দেখে মুগ্ধ হয়ে পড়েছিলেন। তাঁর সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতে সচেষ্ট প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ নির্বাহীদের প্রভাবে তিনি ক্রমশ আচ্ছন্ন হয়ে পড়ছিলেন। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ইলন মাস্ক এক গোপন বৈঠকে অংশ নিতে ওভাল অফিসে আসেন। সেখানে উপস্থিত একজন কর্মকর্তার ভাষ্যমতে, ট্রাম্প দীর্ঘ সময় ধরে মাস্কের এআই চ্যাটবট ‘গ্রক’ (Grok)-কে নিজের প্রেসিডেন্সি ও রাজনৈতিক উত্তরাধিকার বা ‘লিগ্যাসি’ নিয়ে নানা প্রশ্ন করেন। সে সময় ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার কিছু নৌযানের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নির্দেশ দিচ্ছিলেন; তাঁর অভিযোগ ছিল, ওই নৌযানগুলো যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচার করছিল। তিনি গ্রককে জিজ্ঞেস করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি মাদুরোকে আটক করে, তবে ভেনেজুয়েলার জনগণ কেমন প্রতিক্রিয়া দেখাবে। উপস্থিত কর্মকর্তার মতে, চ্যাটবটটি উত্তরে জানায় যে মাদুরো একজন দমন-পীড়নকারী ও অত্যন্ত অজনপ্রিয় স্বৈরশাসক এবং তাঁর পতন ঘটলে সম্ভবত অনেক ভেনেজুয়েলার নাগরিকই তা উদযাপন করবে। মাদুরোকে আটক বা কব্জা করার মিশনে ট্রাম্পের নির্দেশ দেওয়ার পর, ঠিক পরের মাসেই রাস্তায় রাস্তায় উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। কর্মকর্তাদের মতে, এই ঘটনার পর ট্রাম্পের ধারণা জন্মেছিল যে গ্রক সত্যিই এক অসাধারণ উদ্ভাবন।

প্রযুক্তির প্রতি এই মুগ্ধতার পাশাপাশি দুটি সংশ্লিষ্ট উদ্বেগের বিষয়ও সামনে আসে। একটি ছিল অর্থনৈতিক: এআই-এর সম্ভাবনা নিয়ে ব্যাপক উদ্দীপনা শেয়ার বাজারকে চাঙ্গা করে রাখছিল। অন্যটি ছিল ভূ-রাজনৈতিক—যা এনভিডিয়া (Nvidia)-র সিইও জেনসেন হুয়াং-এর মতো শিল্প-দিগ্গজদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে আরও জোরালো হয়ে ওঠে—তা হলো, চীন যদি যুক্তরাষ্ট্রের আগেই আরও শক্তিশালী এআই প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে ফেলে, তবে তারা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ণায়ক সুবিধা (decisive advantage) অর্জন করতে পারে। ট্রাম্প আমেরিকান কোম্পানিগুলোকে তাদের বিদেশি প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে দ্রুতগতিতে প্রযুক্তি গড়ে তোলার স্বাধীনতা দিতে বদ্ধপরিকর ছিলেন। এর অর্থ ছিল, এই শিল্পের কম্পিউটিং বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ সংক্রান্ত চাহিদা মেটানোর জন্য প্রয়োজনীয় অভূতপূর্ব অবকাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগকে স্বাগত জানানো। এই তীব্র প্রতিক্রিয়া বা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া নিয়ে একটি কেবল নিউজ প্রতিবেদন দেখার পর ট্রাম্প ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ একটি পোস্ট দেন। ৩১ আগস্ট তিনি লেখেন, “পুরো যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে কোনো কমিউনিটি যদি ডেটা সেন্টার না চায়, তবে তার একমাত্র কারণ হতে পারে যে তারা পিছিয়ে পড়া ও দরিদ্র থাকতে চায়। আর যদি তারা সফল ও ধনী হতে চায়—যেখানে করের হার অনেক কম হবে এবং সর্বত্র কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে—তবে ডেটা সেন্টারকেই প্রাধান্য দেওয়া উচিত।”

এর কয়েক দিন পর, ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের জনমত জরিপকারী টনি ফ্যাব্রিজিওর করা কিছু জরিপের ফলাফল তাঁর সহযোগীরা তাঁকে দেখান। এসব জরিপে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগের চিত্র ফুটে উঠেছিল—যেমন চাকরি হারানোর ভয়, খরচ বেড়ে যাওয়া এবং প্রযুক্তির ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলার আশঙ্কা। নভেম্বরের নির্বাচনে ভোটারদের মুখোমুখি হতে যাওয়া রিপাবলিকান দলের অন্য নেতারাও এই বিষয়টি থেকে নিজেদের দূরত্ব বজায় রাখতে ক্রমশ আগ্রহী হয়ে উঠছিলেন। একজন সহযোগী বলেন, ট্রাম্পের “এসব নিয়ে আসলে কোনো মাথাব্যথাই ছিল না। তিনি যা করতে চান, সেটাই করেন। তিনি এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে অভ্যস্ত যেখানে প্রথমে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং পরে দেখা যায় সবাই শেষ পর্যন্ত তাঁর কাছেই ফিরে আসছে। এই পর্যায়ে তাঁকে কোনো কিছুতে রাজি করানো কঠিন।”

নতুন এআই বিধিনিষেধের দাবিতে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় দলের পক্ষ থেকেই যে জোরালো আহ্বান উঠছিল, তাতে ট্রাম্প বিন্দুমাত্র বিচলিত হননি। তিনি বলেন, “আমাকে তো আর এই শিল্প ধ্বংস করতে হবে না। এই শিল্প থেকে আমরা প্রচুর অর্থ আয় করছি। এই শিল্পটি যেন এক নতুন ‘শিল্প বিপ্লব’, তবে তার চেয়েও বিশাল। এটি যেন ইন্টারনেট, কিন্তু তার চেয়েও অনেক বড় কিছু।” খুঁটিনাটি বিষয়গুলো নিয়ে তাঁকে খুব একটা চিন্তিত মনে হয়নি। ‘টাইম’ (TIME) যখন ফেডারেল সরকারের ওয়েবসাইটগুলোতে ওপেনএআই (OpenAI)-এর এজেন্টদের হস্তক্ষেপের বিষয়ে প্রশ্ন করে, তখন ট্রাম্প পাল্টা প্রশ্ন করেন: “কারা এটা করেছে? তাদের তো এমনটা করার অনুমতি নেই।”

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে ওয়াশিংটন ডি.সি.-র হোয়াইট হাউসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলছেন। কেন্ট নিশিমুরা—এএফপি/গেটি ইমেজেস।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI)-এর সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে চলমান বিতর্কে ট্রাম্পের একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হলো ‘এআই ফোর্স’ গঠনের ঘোষণা দেওয়া। তবে তিনি এখন এর নাম বদলে ‘এসআই ফোর্স’ (SI Force) রাখতে চাইছেন—যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ বা অতি-বুদ্ধিমত্তা হিসেবে নতুনভাবে তুলে ধরারই একটি প্রচেষ্টা। এই দলটি ঠিক কী কাজ করবে—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন: “এটি হবে সুপার ইন্টেলিজেন্ট বা অতি-বুদ্ধিমান।” আরও বিশদ জানতে চাইলে তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, এই দলে থাকবেন বিভিন্ন শিল্পখাতের শীর্ষস্থানীয় নেতারা, যারা সরকারি নীতিমালার বিষয়ে তাঁকে পরামর্শ দেবেন। ২৯ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউসে এআই খাতের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে তিনি বৈঠক করেন। সেখানে প্রেসিডেন্ট এবং ছয়টি শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি কোম্পানির প্রধান নির্বাহীরা নিজেদের কার্যক্রম তদারকির জন্য একটি ‘সংবিধান’ বা স্ব-নিয়ন্ত্রণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন—যার উদ্দেশ্য ছিল সরকারি তদারকির পরিবর্তে নিজেদের ওপর নিজেরাই নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা। বৈঠকে উপস্থিত প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, এর ফলে হোয়াইট হাউস এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পখাতের মধ্যে এমন একটি বোঝাপড়া তৈরি হয়েছে যে, কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে তা আর কোনো ‘অপ্রত্যাশিত চমক’ বা আকস্মিক বিষয় হিসেবে গণ্য হবে না।

ট্রাম্প কীভাবে শিল্পখাতের নেতাদের নিজের বলয়ে রেখেছেন এবং তাঁদের পরামর্শ, আনুকূল্য ও রাজনৈতিক অনুদান পাওয়ার চেষ্টা করছেন—এটি তারই একটি উদাহরণ। সিএনএন-এর সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, ৭৫ শতাংশ আমেরিকান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিষয়টিকে উদ্দীপনার চেয়ে বরং ভয় ও উদ্বেগের দৃষ্টিতে দেখছেন এবং এ বিষয়ে কঠোর ফেডারেল তদারকির পক্ষে উভয় দলের (রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট) ব্যাপক সমর্থন রয়েছে। কিন্তু ট্রাম্প এআই-সংক্রান্ত ভীতিকে গুরুত্ব না দিয়ে উড়িয়ে দেন; তাঁর মতে, এগুলোও সেই সব ‘কৃত্রিম আতঙ্ক’ বা সাজানো ভয়েরই অংশ যা তিনি বরাবরই প্রত্যাখ্যান করে এসেছেন। তিনি বলেন, “তারা বলেছিল বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে আমাদের দেশ পুড়ে ছাই হয়ে যাবে। পরে তারা নাম বদলে ‘জলবায়ু পরিবর্তন’ রাখল, কারণ বৈশ্বিক উষ্ণায়নের বিষয়টি ছিল একটা ধাপ্পাবাজি। ‘রাশিয়া, রাশিয়া, রাশিয়া’—ওই বিষয়টিও ছিল একটা ধাপ্পাবাজি।” এআই নিয়ে উদ্বেগের এই কথিত ধাপ্পাবাজির পেছনে আসলে কারা রয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প হাত নেড়ে বলেন, “পুরো দেশটাই তো ভুয়া সব বিষয়ের ওপর দাঁড়িয়ে আছে; কারণ এসব মানুষের মধ্যে ‘ট্রাম্প ডিরেঞ্জমেন্ট সিনড্রোম’ (ট্রাম্প-বিদ্বেষজনিত মানসিক বিকার) কাজ করছে।”

ওভাল অফিসের ভেতরে ট্রাম্পের করা নতুন সাজসজ্জা বা পরিবর্তনগুলো সহজেই চোখে পড়ে। ঘরের সর্বত্রই সোনার ছোঁয়া—দেয়ালের কারুকাজ করা প্লাস্টার থেকে শুরু করে ছাদের লিপি এবং দেয়ালজুড়ে থাকা সোনালি ফ্রেমের ছবি বা শিল্পকর্ম। ঘরটি এতটাই ঝকঝকে যে চোখ ধাঁধিয়ে যায়, মনে হয় যেন সানগ্লাস পরা প্রয়োজন। এখানে ট্রাম্প-সুলভ নানা শৌখিন সামগ্রী বা স্মারক ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে: ‘রিজলুট ডেস্ক’-এর পাশেই রাখা ফিফা-র ‘বিশ্ব শান্তি পুরস্কার’ (World Peace Prize); আর ডেস্কের ওপর রয়েছে তাঁর চাচার পাওয়া একটি সম্মাননাপত্র, যা তিনি এমআইটি-তে অধ্যাপনা করার সময় পেয়েছিলেন। মাঝে মাঝে ট্রাম্পের চিন্তার গতিপথ অনুসরণ করা কঠিন হয়ে পড়ত; তাঁর কথাবার্তা নানা দিকে ছড়িয়ে পড়ত ও আবর্তিত হতো, তবে শেষ পর্যন্ত তা ঘুরেফিরে তাঁর সেই চিরচেনা ও প্রিয় প্রসঙ্গগুলোর কাছেই ফিরে আসত। তিনি এমন সব কথোপকথনের কথা বলতেন যা অনেক সময় অবিশ্বাস্য মনে হতো। এক পর্যায়ে ট্রাম্প দাবি করেন যে, সিক্রেট সার্ভিস নাকি ওভাল অফিস ভেঙে নতুন করে তৈরি করতে চেয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি তাতে বাধা দেন। তিনি বলেছিলেন, “বাজে কথা! তোমরা নতুন কোনো অফিস বানাতে পারবে না। এটা একটা বিশেষ জায়গা।”

নভেম্বরে যা-ই ঘটুক না কেন, ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠরা মনে করেন যে তাঁর অবশিষ্ট মেয়াদের বড় একটা সময় তিনি বৈদেশিক সম্পর্কের বিষয়গুলোতে ব্যয় করবেন—যেমনটা সাধারণত দ্বিতীয় মেয়াদে থাকা প্রেসিডেন্টরা করে থাকেন। এক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে পশ্চিম গোলার্ধের ওপর, কারণ সেখানকার আদর্শগতভাবে সহানুভূতিশীল সরকারগুলো তাঁকে মার্কিন প্রভাব বিস্তারের সুযোগ করে দিয়েছে। তবে দেশের অভ্যন্তরে পরিস্থিতি হবে ভিন্ন; সেখানে মূল মনোযোগ থাকবে অন্য বিষয়ের ওপর—যেমন ‘ল-ফেয়ার’ (আইনি ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার) বা আইনি লড়াইয়ের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের প্রচারণা এবং তথাকথিত ‘ওক’ (woke) মতাদর্শের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অংশ হিসেবে দেশের জাদুঘরসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানকে নতুন রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে ট্রাম্প তাঁর বিরুদ্ধে যাওয়া জনমত জরিপগুলোকে ‘ভুয়া’ বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন এবং জোর দিয়ে বলছেন রিপাবলিকানরা জয়ী হতে পারবে। তিনি বলেন, “আমি মনে করি আমি যদি প্রচারণায় নামি তবে আমরা ভালো ফল করব, আর আমার তেমনটাই করার ইচ্ছা আছে।” এখন পর্যন্ত তিনি মধ্যবর্তী নির্বাচন বিষয়ক একটি দুই দিনের সম্মেলন এবং কয়েকটি তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠান ছাড়া খুব একটা কিছু করেননি; তবে শীর্ষ উপদেষ্টারা বলছেন, নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বিপর্যয় থেকে বাঁচাতে প্রেসিডেন্ট জোরদার প্রচারণার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এর অংশ হিসেবে তিনি আগামী এক মাসে ৩২টি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনী এলাকায় সফর করবেন এবং তাঁর রাজনৈতিক উত্থানের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত ‘মাগা’ (MAGA) ধাঁচের বিশাল জনসভা করবেন।

 

1 of 2
- +

1. ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে টেক্সাসের ডালাসে রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটির মধ্যবর্তীকালীন সম্মেলনে—যা ‘ট্রাম্পাপালুজা’ নামে পরিচিত—প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বক্তব্য রাখছেন।

2. রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প 2026 সালের রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেনশনের দ্বিতীয় দিনে 10 সেপ্টেম্বর, 2026-এ ডালাস, টেক্সাস-এ আমেরিকান এয়ারলাইন্স সেন্টারে মঞ্চে উপস্থিত হন৷ কেভিন ডায়েচ—গেটি ইমেজ

হোয়াইট হাউসের ভেতরে উপদেষ্টারা ইতিমধ্যেই ভাবছেন যে ওয়াশিংটনে ক্ষমতার বিভাজন বা বিভক্ত কংগ্রেসের পরিস্থিতি কী অর্থ বহন করতে পারে। একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, “আমার মনে হয় মধ্যবর্তী নির্বাচনে যদি সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিও তৈরি হয়, তবে আমরা উভয় দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে বা দ্বিদলীয় (bipartisan) পদ্ধতিতে কাজ করার কথা ভাবতে বাধ্য হব।” তিনি আরও বলেন, “আমি আশা করি আমরা জিতলেও যেন তেমনটা করতে পারি; কারণ গত দুই বছর ধরে আমরা পুরোপুরি দলীয় স্বার্থকেন্দ্রিক রাজনীতি চালিয়েছি। নিজের সময়ের দিকে ফিরে তাকালে, আমার মনে হয় না যে বিষয়টি নিয়ে গর্ব করা উচিত—তা সে সফলই হোক না কেন।”

ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রচার কার্যক্রমের তহবিলে ৪০ কোটি ডলার জমা থাকলেও, তিনি খুব সম্প্রতিই অর্থ খরচ করা শুরু করেছেন। সহযোগীরা বলছেন তিনি অর্থ ব্যয়ের ব্যাপারে অনিচ্ছুক ছিলেন, কারণ দলের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার হাতিয়ার হিসেবে ভবিষ্যতের নির্বাচনের জন্য তিনি অর্থ জমিয়ে রাখতে চান। এই শরতে ট্রাম্পের এক সহযোগী ‘টাইম’ (TIME) ম্যাগাজিনকে বলেছিলেন, “তিনি তাঁর অ্যাকাউন্টে যতটা সম্ভব বেশি অর্থ জমা রাখতে চান—এমন সময়ের জন্য যখন তিনি আর এখনকার মতো সহজে তহবিল সংগ্রহ করতে পারবেন না।” ওই সহযোগী আরও বলেন, “মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে তাঁর খুব একটা মাথাব্যথা আছে বলে মনে হয় না; তিনি মনে করেন এ নির্বাচনে জয়লাভের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে, তাই তিনি ভবিষ্যতের সম্ভাবনাগুলোকেই সুরক্ষিত রাখতে চাইছেন।”

মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর বড় ধরনের রদবদলের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন সহযোগীরা, কারণ ট্রাম্প এমন অনেক কর্মকর্তাকেই সরিয়ে দিতে পারেন যাঁরা তাঁকে হতাশ করেছেন। প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে যে, তিনি এফবিআই পরিচালক ক্যাশ প্যাটেলকে বরখাস্ত করার বিষয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করেছেন এবং হেগসেথকে নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেছেন। তবে ট্রাম্প বলছেন, যাঁরা টিকে থাকবেন, তিনি তাঁদের সুরক্ষা দিতে চান। ডেমোক্র্যাটরা—বা ভবিষ্যৎ কোনো প্রশাসন—আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আগেই তিনি তাঁর সহযোগী ও ঘনিষ্ঠদের আগাম ক্ষমা (pre-emptive pardons) করার পরিকল্পনা করছেন কি না—‘টাইম’ (TIME) যখন এ বিষয়ে জানতে চায়, তখন তিনি ইতিবাচক ইঙ্গিতই দেন এবং সেই পরিচিত যুক্তিটিই তুলে ধরেন: “ওই ‘স্লিপি জো’ (Sleepy Joe) তো সবাইকে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন।”

যুদ্ধ-শান্তি, নিজের ক্ষমতার ওপর নিয়ন্ত্রণ এবং অভিশংসনের (impeachment) সম্ভাবনার মতো নানা বিষয়ে আলোচনার ফাঁকেও ট্রাম্প বারবার ফিরে আসেন হোয়াইট হাউসের বাহ্যিক ও কাঠামোগত বিষয়গুলোর কথায়। তিনি তাঁর সার্বক্ষণিক সহযোগী নাতালি হার্পকে নির্দেশ দেন হোয়াইট হাউসের পুরোনো নির্মাণকাজের ছবিগুলো নিয়ে আসতে—যার মধ্যে রয়েছে ১৯৩০-এর দশকের সংস্কারকাজ এবং ট্রুম্যান-যুগের পুনর্নির্মাণের ছবি। নিজের অবস্থানের সপক্ষে প্রমাণ হিসেবে তিনি ছবিগুলো খুঁটিয়ে দেখেন এবং আক্ষেপ করেন সেই সব বিচারক ও আদালতের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে, যা বর্তমানে তাঁর নিজস্ব উদ্যোগগুলোকে জটিল করে তুলছে। ১৯৫০ সালে ‘স্টেট ডাইনিং রুম’-এ চলা কাজের একটি ছবি উঁচিয়ে ধরে তিনি এমন এক বিচারকের সমালোচনা করেন, যিনি অভিযোগ করেছিলেন যে ট্রাম্প হোয়াইট হাউস ধ্বংস করছেন। তিনি বলেন, “এসব বাজে পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই আমাকে যেতে হয়।”

সাক্ষাৎকারের একেবারে শেষ পর্যায়ে আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করি, প্রেসিডেন্ট হিসেবে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কোন বিষয়টির অভাব তিনি সবচেয়ে বেশি অনুভব করবেন। এবার আর কোনো প্রসঙ্গান্তর নেই, কোনো অভিযোগ নেই, কোনো গল্পও নেই। ভাবার জন্য এক মুহূর্ত সময়ও নেন না ট্রাম্প; চটজলদি উত্তর দেন: “এই সুন্দর ঘরটা।”

Source: time

Subscribe

Unsubscribe

Related Posts

ট্রাম্প

ট্রাম্প মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচলিত শব্দভাণ্ডার নতুন করে সাজাতে চান

এআই

এআই ল্যাবগুলো উন্মুক্ত মডেলে চীনের শীর্ষস্থানকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT
  • Trending
  • Comments
  • Latest
গ্লোবাল

গ্লোবাল এনআরবি চেম্বারের পরিচালক হলেন আরিফ আহমেদ

খুলনা

খুলনা বিভাগ অব ফ্লোরিডার প্রথম বার্ষিক পিকনিক ২০২৬

খুলনা

খুলনা বিভাগ অব ফ্লোরিডার ‘পিকনিক ডে গেমস’ বাল্ড ঈগল শেল্টারে

সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা স্পোর্টস ক্লাবের বার্ষিক পিকনিক ও মিলনমেলা

সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা স্পোর্টস ক্লাবের বার্ষিক পিকনিক ও মিলনমেলা

কোয়ান্টাম

কোয়ান্টাম মেকানিক্স: দৃশ্যমান জগতের আড়ালের বিজ্ঞান!

বুলগেরিয়ার

বুলগেরিয়ার উপকূলে ড্রোন হামলা; রাশিয়ার হামলার আশঙ্কা বাড়ছে

পদার্থবিজ্ঞানে

পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেলেন ফ্রান্সিস হালজেন

বিশ্ব স্বাস্থ্য

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নেতৃত্বের লড়াইয়ে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা চীনের

শিক্ষা

শিক্ষা ব্যবস্থা ও জাতীয় শিক্ষক দিবস

সিলেট

সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র জাতীয় সম্মেলন সফল করার আহবান

বুলগেরিয়ার

বুলগেরিয়ার উপকূলে ড্রোন হামলা; রাশিয়ার হামলার আশঙ্কা বাড়ছে

পদার্থবিজ্ঞানে

পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেলেন ফ্রান্সিস হালজেন

বিশ্ব স্বাস্থ্য

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নেতৃত্বের লড়াইয়ে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা চীনের

সিলেট

সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র জাতীয় সম্মেলন সফল করার আহবান

মাদক

মাদক নির্মূলের ডোপ টেস্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন ও কিট বিতরণ

5100 s cleveland ave suite 202 Ft Myers fl33907.

Phone- 239.525.9971

mail- banglatimes360@gmail.com

সম্পাদক – বখতিয়ার রহমান

প্রকাশক – শাওন ফারহানা

নির্বাহী সম্পাদক – ফরিদ সুমন

পঠনপঠন

Pathon, October 2026

পঠন (বাংলাটাইমস৩৬০), October 2026
252 3
Share198Tweet124

Copyright © 2019-2026. Banglatimes360

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password? Sign Up

Create New Account!

Fill the forms below to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
No Result
View All Result
  • Home
  • রাজনীতি
    • আইন-আদালত
  • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
    • যুদ্ধ
    • উত্তর- আমেরিকা
      • যুক্তরাষ্ট্র
    • এশিয়া
      • মধ্যপ্রাচ্য
    • ইউরোপ
    • অষ্ট্রেলিয়া
      • নিউজিল্যান্ড
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • আফ্রিকা
  • বিনোদন
    • সংগীত
  • খেলা
  • অনুসন্ধান
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • আবহাওয়া
  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি

Copyright © 2019-2026. Banglatimes360