Friday, June 12, 2026
  • Login
  • Register
Banglatimes360
  • Home
    পোপ

    পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

    এল নিনো

    এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

    খার্গ দ্বীপ

    খার্গ দ্বীপ দখল করা মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত হানবে’

    আদ-দ্বীন

    আদ-দ্বীন হাসপাতাল, নবজাতক মৃত্যুর জন্য লাইসেন্স বাতিল

    বাজেটে

    বাজেটে দাম বাড়া কমার লিষ্টে আছে যেসব পণ্য

  • রাজনীতি
    পোপ

    পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

    খার্গ দ্বীপ

    খার্গ দ্বীপ দখল করা মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত হানবে’

    কংগ্রেসে

    কংগ্রেসে আইসিই ও বর্ডার পেট্রোল অর্থায়নের বিল পাস

    ইরান

    ইরান জর্ডান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা করেছে

    শি

    শি কিমের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্যে পৌঁছেছেন

    • আইন-আদালত
  • অর্থনীতি
    • All
    • বাণিজ্য
    বাজেটে

    বাজেটে দাম বাড়া কমার লিষ্টে আছে যেসব পণ্য

    করমুক্ত

    করমুক্ত আয় পৌনে ৪ লাখ টাকা, সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে

    ব্রাজিলের

    ব্রাজিলের কাঁধে ট্রাম্পের রাজনৈতিক শুল্ক

    এফএও

    এফএও জানিয়েছে মে মাসে বিশ্বজুড়ে খাদ্যের দাম কমেছে

    রানী

    রানী অ্যান্ড্রুকে বাণিজ্য দূত হিসেবে নিয়োগে চাপ দিয়েছিলেন

    শি

    শি ট্রাম্পের সঙ্গে সম্মেলনে বাণিজ্যের অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন

    • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
    আদ-দ্বীন

    আদ-দ্বীন হাসপাতাল, নবজাতক মৃত্যুর জন্য লাইসেন্স বাতিল

    বাজেটে

    বাজেটে দাম বাড়া কমার লিষ্টে আছে যেসব পণ্য

    করমুক্ত

    করমুক্ত আয় পৌনে ৪ লাখ টাকা, সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে

    অবৈধ

    অবৈধ টাকা বৈধ করার সুযোগ, প্রশ্ন করা যাবে না আয় নিয়ে

    মাথায়

    মাথায় ইট ছুঁড়ে মোটরসাইকেল ছিনতাই

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

  • বিশ্ব
    • All
    • আফ্রিকা
    • ইউরোপ
    • উত্তর- আমেরিকা
    • এশিয়া
    • ওশেনিয়া
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • ফ্লোরিডা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    পোপ

    পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

    এল নিনো

    এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

    খার্গ দ্বীপ

    খার্গ দ্বীপ দখল করা মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত হানবে’

    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

    • যুদ্ধ
    • উত্তর- আমেরিকা
      • যুক্তরাষ্ট্র
        • নিউইয়ার্ক
        • ফ্লোরিডা
    • এশিয়া
      • মধ্যপ্রাচ্য
    • ইউরোপ
    • অষ্ট্রেলিয়া
      • নিউজিল্যান্ড
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • আফ্রিকা
  • বিনোদন
    • All
    • সংগীত
    ভার্জিনিয়ার

    ভার্জিনিয়ার ফলস চার্জে ২৭ জুন বাঙ্গালী কমিউনিটির কন্সার্ট

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে এশিয়ান ফুড এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    ফোর্ট

    ফোর্ট ম্যায়ার্সে বাঙ্গালী কমিউনিটির বৈশাখী উৎসব

    বাংলা

    বাংলা নববর্ষ—ঐতিহ্যের আলোয় সম্প্রীতির শক্তি ও নতুন জীবনের অঙ্গীকার

    আশা ভোঁসলে

    আশা ভোঁসলে ভারতীয় গায়িকা ৯২ বছর বয়সে মারা গেলেন

    • সংগীত
  • খেলা
    মেক্সিকোর

    মেক্সিকোর বিশ্বকাপ আয়োজক মন্টেরের রূপান্তর

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    বিশ্বকাপের

    বিশ্বকাপের টিকিটধারীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে জামানত লাগবে না

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ ১১ রানে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল

  • অনুসন্ধান
    ইরানের

    ইরানের অর্থনৈতিক পতন ট্রাম্পের জন্য অনেক দেরি হয়ে যাবে

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ: সংকটময় রাষ্ট্র, গণতন্ত্রের অবসান

    চীন

    চীন মার্কিন আধিপত্য ভাঙতে পারমাণবিক বাহন বানাচ্ছে

    পূর্ব

    পূর্ব তার পশ্চিম দোভাষীদের দিকে ফিরে তাকাচ্ছে

    চীনের

    চীনের সকল বিষয়ে ট্রাম্পের অবনতির পেছনে ‘স্কুল চার্ট’ গণিত

    অভিবাসী

    অভিবাসী জার্মানির ভাগ্য বদলের প্রতিষেধক নয়

  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    শটওয়েল

    শটওয়েল, মাস্কের স্পেসএক্স উচ্চাভিলাষ বাস্তবায়নকারী

    মহাকাশ

    মহাকাশ স্টেশনের নভোচারী সরিয়ে নেওয়ার সতর্কতা প্রত্যাহার

    কৃষ্ণগহ্বর

    কৃষ্ণগহ্বর থেকে আসা বাতাস অবশেষে আবিষ্কৃত হলো

    বিশেষজ্ঞরা

    বিশেষজ্ঞরা ফড়িং জাতীয় নতুন প্রজাতি আবিষ্কার করেছেন

    শি

    শি জিনপিং-এর চিন্তা এগিয়ে নিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বাজি

  • আবহাওয়া
    এল নিনো

    এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

    ফিলিপাইনের

    ফিলিপাইনের ভূমিকম্পে ৩২ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে

    জাপানে

    জাপানে দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছেন

    তুষারপাত

    তুষারপাত ও ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে বহু বাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, ফ্লাইট বাতিল

    হিমশীতল

    হিমশীতল ঠান্ডা ও ভারী তুষারে ঢেকে যাবে আমেরিকা

    মরক্কো

    মরক্কো বৃষ্টিপাতের পর সাত বছরের খরার অবসান ঘোষণা করেছে

  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি
    • All
    • ভ্রমন

    পাঠ প্রতিক্রিয়া: কালের কঙ্কন

    কেন থামছে না দুর্ঘটনা? দৌলতদিয়ার ট্র্যাজেডি ও আমাদের বাস্তবতা

    বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ

    শিক্ষা

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুনঃভর্তি ফি নিতে পারবে না: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    জাতীয়

    জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে পাবনায় বক্তৃতা ও দেয়াল পত্রিকায় প্রথম সাঁথিয়ার অনিকা ও জেসমিন

    নানিয়ারচর

    নানিয়ারচর জোনের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ

    শারীরিক শিক্ষা

    শারীরিক শিক্ষা: সাধারণ শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য ভিত্তি

No Result
View All Result
  • Home
    পোপ

    পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

    এল নিনো

    এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

    খার্গ দ্বীপ

    খার্গ দ্বীপ দখল করা মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত হানবে’

    আদ-দ্বীন

    আদ-দ্বীন হাসপাতাল, নবজাতক মৃত্যুর জন্য লাইসেন্স বাতিল

    বাজেটে

    বাজেটে দাম বাড়া কমার লিষ্টে আছে যেসব পণ্য

  • রাজনীতি
    পোপ

    পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

    খার্গ দ্বীপ

    খার্গ দ্বীপ দখল করা মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত হানবে’

    কংগ্রেসে

    কংগ্রেসে আইসিই ও বর্ডার পেট্রোল অর্থায়নের বিল পাস

    ইরান

    ইরান জর্ডান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা করেছে

    শি

    শি কিমের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্যে পৌঁছেছেন

    • আইন-আদালত
  • অর্থনীতি
    • All
    • বাণিজ্য
    বাজেটে

    বাজেটে দাম বাড়া কমার লিষ্টে আছে যেসব পণ্য

    করমুক্ত

    করমুক্ত আয় পৌনে ৪ লাখ টাকা, সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে

    ব্রাজিলের

    ব্রাজিলের কাঁধে ট্রাম্পের রাজনৈতিক শুল্ক

    এফএও

    এফএও জানিয়েছে মে মাসে বিশ্বজুড়ে খাদ্যের দাম কমেছে

    রানী

    রানী অ্যান্ড্রুকে বাণিজ্য দূত হিসেবে নিয়োগে চাপ দিয়েছিলেন

    শি

    শি ট্রাম্পের সঙ্গে সম্মেলনে বাণিজ্যের অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন

    • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
    আদ-দ্বীন

    আদ-দ্বীন হাসপাতাল, নবজাতক মৃত্যুর জন্য লাইসেন্স বাতিল

    বাজেটে

    বাজেটে দাম বাড়া কমার লিষ্টে আছে যেসব পণ্য

    করমুক্ত

    করমুক্ত আয় পৌনে ৪ লাখ টাকা, সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে

    অবৈধ

    অবৈধ টাকা বৈধ করার সুযোগ, প্রশ্ন করা যাবে না আয় নিয়ে

    মাথায়

    মাথায় ইট ছুঁড়ে মোটরসাইকেল ছিনতাই

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

  • বিশ্ব
    • All
    • আফ্রিকা
    • ইউরোপ
    • উত্তর- আমেরিকা
    • এশিয়া
    • ওশেনিয়া
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • ফ্লোরিডা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    পোপ

    পোপ বলেন ইতিহাস অভিবাসী মৃত্যু উপেক্ষা কারিদের নিন্দা করবে

    এল নিনো

    এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

    খার্গ দ্বীপ

    খার্গ দ্বীপ দখল করা মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে

    ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘কঠোর আঘাত হানবে’

    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

    বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, শিশু ও নারী নির্যাতনের প্রতিবোদে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস এর প্রতিবাদ র‍্যালি

    • যুদ্ধ
    • উত্তর- আমেরিকা
      • যুক্তরাষ্ট্র
        • নিউইয়ার্ক
        • ফ্লোরিডা
    • এশিয়া
      • মধ্যপ্রাচ্য
    • ইউরোপ
    • অষ্ট্রেলিয়া
      • নিউজিল্যান্ড
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • আফ্রিকা
  • বিনোদন
    • All
    • সংগীত
    ভার্জিনিয়ার

    ভার্জিনিয়ার ফলস চার্জে ২৭ জুন বাঙ্গালী কমিউনিটির কন্সার্ট

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে ২দিন ব্যাপি ৭ম এশিয়ান ফুড এবং কালচারাল উৎসব

    ফ্লোরিডার

    ফ্লোরিডার অরল্যন্ডোতে এশিয়ান ফুড এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    ফোর্ট

    ফোর্ট ম্যায়ার্সে বাঙ্গালী কমিউনিটির বৈশাখী উৎসব

    বাংলা

    বাংলা নববর্ষ—ঐতিহ্যের আলোয় সম্প্রীতির শক্তি ও নতুন জীবনের অঙ্গীকার

    আশা ভোঁসলে

    আশা ভোঁসলে ভারতীয় গায়িকা ৯২ বছর বয়সে মারা গেলেন

    • সংগীত
  • খেলা
    মেক্সিকোর

    মেক্সিকোর বিশ্বকাপ আয়োজক মন্টেরের রূপান্তর

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    দলকে তীরে নিয়েছে সেই ঋতুপর্ণা

    বিশ্বকাপের

    বিশ্বকাপের টিকিটধারীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে জামানত লাগবে না

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    দয়ামীর ইউনিয়ন আন্ত ব‍্যাডমিন্টন কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ ১১ রানে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল

  • অনুসন্ধান
    ইরানের

    ইরানের অর্থনৈতিক পতন ট্রাম্পের জন্য অনেক দেরি হয়ে যাবে

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ: সংকটময় রাষ্ট্র, গণতন্ত্রের অবসান

    চীন

    চীন মার্কিন আধিপত্য ভাঙতে পারমাণবিক বাহন বানাচ্ছে

    পূর্ব

    পূর্ব তার পশ্চিম দোভাষীদের দিকে ফিরে তাকাচ্ছে

    চীনের

    চীনের সকল বিষয়ে ট্রাম্পের অবনতির পেছনে ‘স্কুল চার্ট’ গণিত

    অভিবাসী

    অভিবাসী জার্মানির ভাগ্য বদলের প্রতিষেধক নয়

  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    চীনের ভূগর্ভস্থ ডিটেক্টর রহস্যময় নিউট্রিনোর তথ্য লাভ করেছে

    শটওয়েল

    শটওয়েল, মাস্কের স্পেসএক্স উচ্চাভিলাষ বাস্তবায়নকারী

    মহাকাশ

    মহাকাশ স্টেশনের নভোচারী সরিয়ে নেওয়ার সতর্কতা প্রত্যাহার

    কৃষ্ণগহ্বর

    কৃষ্ণগহ্বর থেকে আসা বাতাস অবশেষে আবিষ্কৃত হলো

    বিশেষজ্ঞরা

    বিশেষজ্ঞরা ফড়িং জাতীয় নতুন প্রজাতি আবিষ্কার করেছেন

    শি

    শি জিনপিং-এর চিন্তা এগিয়ে নিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বাজি

  • আবহাওয়া
    এল নিনো

    এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, বলছেন মার্কিন আবহাওয়াবিদ

    ফিলিপাইনের

    ফিলিপাইনের ভূমিকম্পে ৩২ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে

    জাপানে

    জাপানে দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছেন

    তুষারপাত

    তুষারপাত ও ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে বহু বাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, ফ্লাইট বাতিল

    হিমশীতল

    হিমশীতল ঠান্ডা ও ভারী তুষারে ঢেকে যাবে আমেরিকা

    মরক্কো

    মরক্কো বৃষ্টিপাতের পর সাত বছরের খরার অবসান ঘোষণা করেছে

  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি
    • All
    • ভ্রমন

    পাঠ প্রতিক্রিয়া: কালের কঙ্কন

    কেন থামছে না দুর্ঘটনা? দৌলতদিয়ার ট্র্যাজেডি ও আমাদের বাস্তবতা

    বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ

    শিক্ষা

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুনঃভর্তি ফি নিতে পারবে না: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    জাতীয়

    জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে পাবনায় বক্তৃতা ও দেয়াল পত্রিকায় প্রথম সাঁথিয়ার অনিকা ও জেসমিন

    নানিয়ারচর

    নানিয়ারচর জোনের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ

    শারীরিক শিক্ষা

    শারীরিক শিক্ষা: সাধারণ শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য ভিত্তি

No Result
View All Result
Banglatimes360
No Result
View All Result
Home অর্থনীতি

যুক্তরাষ্ট্র পাশে থাকলে পরবর্তী মন্দা আরও খারাপ হতে পারে

স্টিভ শিফেরেস

November 20, 2025
250 3
A A
0
Share on FacebookShare on Twitter
দুই পর্বের সিরিজের এটি দ্বিতীয় পর্ব। প্রথম পর্ব এখানে পড়ুন।

বিশ্বায়নের সবসময়ই সমালোচক ছিল – কিন্তু সম্প্রতি পর্যন্ত, তারা মূলত ডানপন্থীদের চেয়ে বামপন্থীদের কাছ থেকে এসেছেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর আধিপত্যের অধীনে বিশ্ব অর্থনীতি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে, বামপন্থীদের অনেকেই যুক্তি দিয়েছিলেন বিশ্বায়নের লাভগুলি অসমভাবে বিতরণ করা হয়েছে, ধনী দেশগুলিতে বৈষম্য বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দরিদ্র দেশগুলিকে তাদের আর্থিক বাজার উন্মুক্ত করার, তাদের রাষ্ট্রীয় শিল্পগুলিকে বেসরকারীকরণ করার এবং ঋণ পরিশোধের পক্ষে সম্প্রসারণমূলক রাজস্ব নীতি প্রত্যাখ্যান করার মতো মুক্ত-বাজার নীতি বাস্তবায়ন করতে বাধ্য করা হয়েছে – যার সবকটিই মূলত মার্কিন কর্পোরেশন এবং ব্যাংকগুলিকে উপকৃত করেছে।

এটি কোনও নতুন উদ্বেগের বিষয় ছিল না। ১৮৪১ সালে, জার্মান অর্থনীতিবিদ ফ্রিডরিখ লিস্ট যুক্তি দিয়েছিলেন যে মুক্ত বাণিজ্য ব্রিটেনের বিশ্বব্যাপী আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলা থেকে বিরত রাখার জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল, পরামর্শ দিয়েছিলেন:

যখন কেউ মহত্ত্বের শীর্ষে পৌঁছে যায়, তখন সে তার উপরে ওঠার সিঁড়িটি লাথি মেরে ফেলে দেয়, যাতে অন্যদের তার পরে উপরে ওঠার উপায় থেকে বঞ্চিত করা যায়।

১৯৯০-এর দশকের মধ্যে, নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ জোসেফ স্টিগলিৎজের মতো মার্কিন দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচকরা যুক্তি দিয়েছিলেন যে বর্তমান আকারে বিশ্বায়ন উন্নয়নশীল দেশ এবং শ্রমিকদের বিনিময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে উপকৃত করেছে – অন্যদিকে লেখক এবং কর্মী নাওমি ক্লেইন বহুজাতিক কোম্পানিগুলির বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারণের নেতিবাচক পরিবেশগত এবং সাংস্কৃতিক পরিণতির উপর মনোনিবেশ করেছিলেন।

বামপন্থী নেতৃত্বাধীন গণ-বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, যার ফলে ১৯৯৯ সালে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) সহ বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সভাগুলি ব্যাহত হয়েছিল। এই “সিয়াটলের যুদ্ধ” চলাকালীন, বিক্ষোভকারী এবং পুলিশের মধ্যে সহিংস আদান-প্রদান মার্কিন রাষ্ট্রপতি বিল ক্লিনটনের সমর্থিত একটি নতুন বিশ্ব বাণিজ্য রাউন্ডের সূচনাকে বাধাগ্রস্ত করেছিল।

কিছু সময়ের জন্য, ট্রেড ইউনিয়নবাদী, পরিবেশবাদী এবং পুঁজিবাদ-বিরোধী বিক্ষোভকারীদের একটি জোটের গণ-সংহতি আরও বিশ্বায়নের পথে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে প্রস্তুত বলে মনে হয়েছিল – ২০০৮ সালের আর্থিক বিপর্যয়ের পর বিশ্বজুড়ে পুঁজিবাদ-বিরোধী “অকুপাই” বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, বিশ্বায়নের আরও সমালোচনা আমেরিকান শ্রমিকদের উপর এর অভ্যন্তরীণ পরিণতি – যেমন চাকরি হ্রাস এবং নিম্ন বেতন – – এর উপর কেন্দ্রীভূত হয়েছিল এবং বৃহত্তর সুরক্ষাবাদের আহ্বানের দিকে পরিচালিত করেছিল।

যদিও প্রাথমিকভাবে ট্রেড ইউনিয়ন এবং কিছু ডেমোক্র্যাট রাজনীতিবিদদের নেতৃত্বে ছিল, এই সমালোচনা ধীরে ধীরে উগ্র ডানপন্থী মহলগুলিতে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যারা WTO-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলিকে কোনও ভূমিকা দেওয়ার বিরোধিতা করেছিল, কারণ তারা আমেরিকান সার্বভৌমত্বের উপর আঘাত হানে। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে, কেবলমাত্র বিদেশী প্রতিযোগিতা বন্ধ করে, যাদের কম বেতন আমেরিকান শ্রমিকদের কমিয়ে দেয়, সমৃদ্ধি পুনরুদ্ধার করা যেতে পারে। অভিবাসন ছিল আরেকটি লক্ষ্য।

মার্কিন রাষ্ট্রপতি হিসাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদে এই সমালোচনাগুলিকে উগ্র, গভীরভাবে বিঘ্নিতকারী অর্থনৈতিক ও সামাজিক নীতিতে রূপান্তরিত করেছেন – যার মূলে শুল্ক এবং সুরক্ষাবাদ রয়েছে। এটি করার মাধ্যমে, ট্রাম্প – বিশ্ব মঞ্চে তার সমস্ত বিশাল অবস্থান সত্ত্বেও – মার্কিন রাজনীতি এবং ব্যবসার ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষকদের কাছে দীর্ঘকাল ধরে স্পষ্ট যা ছিল তা নিশ্চিত করেছেন: যে আমেরিকান বিশ্বব্যাপী আধিপত্যের শতাব্দী, যার মধ্যে ডলার অপ্রতিদ্বন্দ্বী এক নম্বর মুদ্রা, দ্রুত শেষের দিকে এগিয়ে চলেছে।

২০১৭ সালে ট্রাম্প প্রথম ক্ষমতা গ্রহণের আগেই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র WTO-এর মতো আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলিতে তার নেতৃত্বের ভূমিকা থেকে সরে আসতে শুরু করেছিল। এখন, তার অর্থনীতির সবচেয়ে শক্তিশালী অংশ, উচ্চ-প্রযুক্তি খাত, চীনের তীব্র চাপের মধ্যে রয়েছে, যার অর্থনীতি ইতিমধ্যেই GDP-র একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিমাপের দিক থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বড়। এদিকে, বেশিরভাগ মার্কিন নাগরিকের মুখোমুখি হচ্ছে স্থির আয়, উচ্চ মূল্য এবং আরও অনিরাপদ চাকরি।

বিগত শতাব্দীতে, যখন প্রথমে ফ্রান্স এবং তারপরে গ্রেট ব্রিটেন তাদের বিশ্ব আধিপত্যের যুগের শেষের দিকে পৌঁছেছিল, তখন এই পরিবর্তনগুলি তাদের সীমানা ছাড়িয়ে বেদনাদায়ক প্রভাব ফেলেছিল। এবার, বিশ্ব অর্থনীতি আগের চেয়ে আরও ঘনিষ্ঠভাবে সংহত হওয়ায় এবং কোনও একক প্রভাবশালী শক্তি দায়িত্ব নেওয়ার জন্য অপেক্ষা না করায়, প্রভাবগুলি আরও ব্যাপকভাবে অনুভূত হতে পারে – যার ফলাফল অত্যন্ত ক্ষতিকর, যদি বিপর্যয়কর না হয়, তবে।

কেন কেউ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্থান নিতে প্রস্তুত নয়
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আধিপত্যবাদী শক্তি হিসাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে দায়িত্ব নেওয়ার কথা আসে, তখন যথেষ্ট বড় অর্থনীতির একমাত্র কার্যকর প্রার্থী হল ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং চীন। কিন্তু এই ভূমিকা নিতে পারবে কিনা সন্দেহ করার জোরালো কারণ রয়েছে।

যদিও ২০২২ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে চীনকে “আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা পুনর্গঠনের অভিপ্রায় এবং ক্রমবর্ধমানভাবে অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক, সামরিক এবং প্রযুক্তিগত শক্তির অধিকারী একমাত্র প্রতিযোগী” বলে অভিহিত করা হয়েছিল। বাইডেনের উত্তরসূরী, রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, মাঝে মাঝে চীনের নেতাদের তাদের জাতীয় অর্থনীতির উপর নিয়ন্ত্রণ এবং নির্বাচন এবং তাদের মেয়াদের সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি না হওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রায় ঈর্ষান্বিত বলে মনে হয়েছে।

কিন্তু একদলীয়, কর্তৃত্ববাদী রাজনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে আইনি নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্যের অভাব রয়েছে, তার মূল কারণ হলো চীন গণতান্ত্রিক দেশগুলির মধ্যে সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আধিপত্য অর্জন করতে কঠিন হবে, যা বিশ্বের এক নম্বর মর্যাদা অর্জনের অংশ – যদিও এশিয়া ও আফ্রিকার বিশাল অংশে এর প্রভাব ইতিমধ্যেই রয়েছে।

চীন এখনও বড় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। যদিও এটি ইতিমধ্যেই উৎপাদিত পণ্যের ক্ষেত্রে বিশ্বনেতা (দ্রুত উচ্চ প্রযুক্তির পণ্যে স্থানান্তরিত হচ্ছে) এবং বিশ্বের বৃহত্তম রপ্তানিকারক, তার অর্থনীতি এখনও খুব ভারসাম্যহীন – অনেক ছোট ভোক্তা খাত, একটি দুর্বল সম্পত্তি বাজার, অনেক অদক্ষ রাষ্ট্রীয় শিল্প যা অত্যন্ত ঋণগ্রস্ত এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানা দ্বারা সীমাবদ্ধ একটি অপেক্ষাকৃত ছোট আর্থিক খাত। রেনমিনবিকে সত্যিকার অর্থে আন্তর্জাতিক মুদ্রায় পরিণত করার (সীমিত) প্রচেষ্টা সত্ত্বেও চীনের কোনও বৈশ্বিক মুদ্রাও নেই।

বিশ্বায়নের প্রভাব তদন্ত করার জন্য ২০০৭ সালে সাংহাইয়ের একটি প্রতিবেদন সফরে আমি দেখতে পাই যে চীনের সমৃদ্ধ উপকূলীয় মেগাসিটি – যার প্রধান সড়কগুলি নিউ ইয়র্ক এবং প্যারিসের প্রতিদ্বন্দ্বী – এবং অভ্যন্তরীণ, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় আপেক্ষিক দারিদ্র্যের মধ্যে বিশাল পার্থক্য ছিল। সেই সফরের প্রায় দুই দশক পর, দেশটির প্রবৃদ্ধির হার ধীর হয়ে যাওয়ায়, অনেক বিশ্ববিদ্যালয়-শিক্ষিত তরুণ-তরুণী এখন ভালো বেতনের চাকরি খুঁজে পেতেও কষ্ট পাচ্ছে।

এদিকে, ইউরোপ – বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্থান দখলের একমাত্র প্রতিযোগী – রাজনৈতিকভাবে গভীরভাবে বিভক্ত, পূর্ব ও দক্ষিণে ছোট, দুর্বল অর্থনীতি বিশ্বায়নের সুবিধা সম্পর্কে অনেক বেশি সন্দেহপ্রবণ এবং অভিবাসন এবং ইউক্রেন যুদ্ধের মতো বিষয়গুলিতে ক্রমবর্ধমানভাবে বিভক্ত।

সমস্ত সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে বিস্তৃত নীতিগত চুক্তি অর্জনের চ্যালেঞ্জ এবং ইউরোপের পক্ষে কে কথা বলতে পারে এই সমস্যাটি এটিকে অসম্ভব করে তোলে যে বর্তমানে গঠিত ইইউ নিজেই একটি নতুন বিশ্ব ব্যবস্থা শুরু এবং প্রয়োগ করতে পারে।

ইইউর আর্থিক ব্যবস্থায়ও আমেরিকান মুদ্রার মতো শক্তির অভাব রয়েছে। যদিও ইইউতে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা পরিচালিত একটি সাধারণ মুদ্রা (ইউরো) রয়েছে, তার আর্থিক ব্যবস্থা অনেক বেশি খণ্ডিত। ব্যাংকগুলি জাতীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয় এবং প্রতিটি দেশ নিজস্ব সরকারি বন্ড জারি করে (যদিও এখন কয়েকটি ইউরোবন্ড বিদ্যমান)। এর ফলে ইউরোর পক্ষে ডলারের পরিবর্তে মূল্য সঞ্চয় করা কঠিন হয়ে পড়ে এবং বিদেশীদের বিকল্প রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে ইউরো রাখার উৎসাহ কমে যায়।

এদিকে, মার্কিন বিশ্ব নেতৃত্বের পুনর্নবীকরণের ভবিষ্যতের যেকোনো সম্ভাবনাও একইভাবে আশাব্যঞ্জক বলে মনে হচ্ছে না। ট্রাম্পের কর কমানোর নীতি, একই সাথে মার্কিন সরকারের ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি করা – যা বর্তমানে ৩৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার বা জিডিপির ১২০% – বিশ্ব অর্থনীতির স্থিতিশীলতা এবং এই বিস্ময়কর ঘাটতি মেটাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতা উভয়কেই হুমকির মুখে ফেলেছে।

স্পষ্টতই, ট্রাম্প প্রশাসন অনেক আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পুনরুজ্জীবিত করতে, এমনকি তাদের সাথে জড়িত হতেও আগ্রহী নয়, যেগুলো আমেরিকা একসময় আধিপত্য বিস্তার করেছিল এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গঠনে সহায়তা করেছিল – যেমনটি মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার সম্প্রতি নিউ ইয়র্ক টাইমসে অবজ্ঞার সাথে প্রকাশ করেছেন:

আমাদের বর্তমান, নামহীন বিশ্ব ব্যবস্থা, যা WTO দ্বারা আধিপত্য বিস্তার করে এবং ধারণাগতভাবে অর্থনৈতিক দক্ষতা অর্জন এবং এর 166 সদস্য দেশের বাণিজ্য নীতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য তৈরি, তা অস্থির এবং টেকসই নয়। এই ব্যবস্থার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শিল্প কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তা হারানোর মাধ্যমে মূল্য দিয়েছে এবং সবচেয়ে বড় বিজয়ী হয়েছে চীন।

যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখনও পর্যন্ত IMF থেকে সরে আসছে না, ট্রাম্প প্রশাসন চীনকে এত বড় বাণিজ্য উদ্বৃত্ত পরিচালনার জন্য আহ্বান জানিয়েছে এবং জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে তার উদ্বেগ ত্যাগ করেছে। গ্রিয়ার এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র “আমাদের দেশের অর্থনৈতিক ও জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তাগুলিকে বিশ্বব্যাপী ঐক্যমত্যের সর্বনিম্ন সাধারণ সূচকের অধীনস্থ করেছে”।

বিশ্বে এক নম্বর স্থান নেই
সামনের সম্ভাব্য বিপদগুলি বুঝতে হলে, আমাদের এক শতাব্দীরও বেশি সময় আগে ফিরে যেতে হবে যখন শেষবার কোনও বৈশ্বিক আধিপত্য ছিল না। ১৯১৯ সালের ২৮শে জুন ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হওয়ার পর, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল। পূর্ববর্তী শতাব্দীর বিশ্বনেতা ব্রিটেনের বিশ্বায়নের তার সংস্করণটি কার্যকর করার জন্য আর অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক বা সামরিক প্রভাব ছিল না।

যুদ্ধের প্রচেষ্টার অর্থায়নের জন্য নেওয়া বিশাল ঋণের বোঝায় যুক্তরাজ্য সরকার জনসাধারণের ব্যয়ে বড় ধরনের কাটছাঁট করতে বাধ্য হয়েছিল। ১৯৩১ সালে, এটি স্টার্লিং সংকটের মুখোমুখি হয়েছিল: বেকারদের জন্য অর্থ প্রদান কমানোর জন্য আন্তর্জাতিক ব্যাংকারদের দাবির কাছে নতি স্বীকার করা সত্ত্বেও, যুক্তরাজ্য চিরতরে স্বর্ণমান থেকে বেরিয়ে আসার সাথে সাথে পাউন্ডের অবমূল্যায়ন করতে হয়েছিল। এটি ছিল একটি চূড়ান্ত লক্ষণ যে ব্রিটেন বিশ্ব অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় তার প্রভাবশালী স্থান হারিয়েছে।

১৯৩০ এর দশক ছিল ব্রিটেন এবং অন্যান্য অনেক দেশে গভীর রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং অস্থিরতার সময়।

১৯৩৬ সালে, উত্তর-পূর্ব ইংল্যান্ডের জারো শহর থেকে বেকার শ্রমিকরা লন্ডনে একটি অরাজনৈতিক “ক্ষুধা অভিযান” আয়োজন করে, যা জারো ক্রুসেড নামে পরিচিতি পায়। রবিবারের সেরা পোশাক পরে ২০০ জনেরও বেশি পুরুষ শান্তিপূর্ণভাবে ২০০ মাইলেরও বেশি পথ অতিক্রম করে, পথে তারা ব্যাপক সমর্থন লাভ করে। তবুও যখন তারা লন্ডনে পৌঁছায়, তখন প্রধানমন্ত্রী স্ট্যানলি বাল্ডউইন তাদের আবেদন উপেক্ষা করেন – এবং তাদের জানানো হয় যে তাদের ডোলের অর্থ আটকে দেওয়া হবে কারণ তারা গত দুই সপ্তাহ ধরে কাজের জন্য অনুপলব্ধ ছিল।

যুক্তরাষ্ট্র
১৯৩৬ সালের অক্টোবরে লন্ডনের উদ্দেশ্যে যাত্রারত জ্যারো মার্চাররা। Photo: National Media Museum/Wikimedia

ইউরোপও এক তীব্র অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি হচ্ছিল। ১৯১৯ সালের ভার্সাই চুক্তিতে সম্মত ক্ষতিপূরণ দিতে জার্মানির সরকার অস্বীকৃতি জানানোর পর, তারা বলেছিল যে তারা তাদের অর্থনীতিকে দেউলিয়া করে দেবে, ফরাসি সেনাবাহিনী জার্মান শিল্প কেন্দ্রস্থল রুহর দখল করে নেয় এবং জার্মান শ্রমিকরা তাদের সরকারের সমর্থনে ধর্মঘট শুরু করে।

পরবর্তী সংগ্রাম জার্মানিতে অতি মুদ্রাস্ফীতিকে আরও বাড়িয়ে তোলে। ১৯২৩ সালের নভেম্বরের মধ্যে, জার্মান মধ্যবিত্ত শ্রেণীর সঞ্চয় এবং পেনশন ধ্বংস হয়ে যায়। সেই মাসে, অ্যাডলফ হিটলার মিউনিখে ব্যর্থ “বিয়ার হল অভ্যুত্থানে” ক্ষমতা দখলের প্রথম প্রচেষ্টা করেছিলেন।

বিপরীতে, আটলান্টিক মহাসাগরের ওপারে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধোত্তর সমৃদ্ধির সময় উপভোগ করছিল, যেখানে একটি ক্রমবর্ধমান স্টক মার্কেট এবং গাড়ি তৈরির মতো নতুন শিল্পের বিস্ফোরক বৃদ্ধি ছিল। কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হওয়া সত্ত্বেও, মিত্রশক্তির যুদ্ধের প্রচেষ্টার বেশিরভাগ অর্থায়ন করার পর, এটি বিশ্ব অর্থনৈতিক নেতৃত্বের লাগাম ধরতে অনিচ্ছুক ছিল।

রিপাবলিকান মার্কিন কংগ্রেস, রাষ্ট্রপতি উড্রো উইলসনের লীগ অফ নেশনস-এর পরিকল্পনাকে বাধাগ্রস্ত করার পর, বিচ্ছিন্নতাবাদকে গ্রহণ করে এবং ইউরোপের সমস্যাগুলি থেকে তাদের হাত ধুয়ে ফেলে। আমেরিকা মিত্র দেশগুলির দ্বারা প্রদত্ত যুদ্ধ ঋণ বাতিল করতে বা এমনকি কমাতেও অস্বীকৃতি জানায়, যা অবশেষে তাদের ঋণ প্রত্যাখ্যান করে। প্রতিশোধ হিসেবে, মার্কিন কংগ্রেস সমস্ত আমেরিকান ব্যাংকগুলিকে সেই তথাকথিত মিত্রদের অর্থ ঋণ দেওয়া থেকে নিষিদ্ধ করে।

এরপর, ১৯২৯ সালে, সমৃদ্ধ আমেরিকান “জ্যাজ যুগ” হঠাৎ করে থেমে যায়, যার ফলে শেয়ার বাজারের পতন ঘটে যার ফলে এর অর্ধেক মূল্য নষ্ট হয়ে যায়। দেশের বৃহত্তম নির্মাতা, ফোর্ড, এক বছরের জন্য তার দরজা বন্ধ করে দেয় এবং তার সমস্ত কর্মীদের ছাঁটাই করে। জাতির এক-চতুর্থাংশ বেকার হয়ে যাওয়ায়, প্রতিটি শহরে স্যুপ কিচেনের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা যায়, যখন উচ্ছেদ করা ব্যক্তিরা যেখানেই সম্ভব সেখানে ক্যাম্প করে – নিউ ইয়র্কের সেন্ট্রাল পার্ক সহ, যার নামকরণ করা হয়েছিল সেই সময়ের হতভাগ্য মার্কিন রাষ্ট্রপতি হারবার্ট হুভারের নামে “হুভারভিল”।

 

যুক্তরাষ্ট্র
মহামন্দার সময় নিউ ইয়র্কের সেন্ট্রাল পার্কের হুভারভিল। Hmalcolm03/Wikimedia, CC BY-NC-ND

গ্রামাঞ্চলে যেখানে কৃষির দাম কমে যাওয়ার ফলে কৃষকরা আর জীবিকা নির্বাহ করতে পারছিলেন না, সেখানে সশস্ত্র কৃষকরা সরবরাহ সীমিত করে দাম বাড়ানোর ব্যর্থ প্রচেষ্টায় খাদ্য ও দুধের ট্রাক থামিয়ে তাদের জিনিসপত্র ধ্বংস করে দেয়। ১৯৩৩ সালের মার্চ নাগাদ, রাষ্ট্রপতি ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট ক্ষমতা গ্রহণের পর, সমগ্র মার্কিন ব্যাংকিং ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়ে, কেউই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলতে পারছিল না।

এই বিধ্বংসী মহামন্দার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ রেখে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রচেষ্টায় জড়িত হতে অস্বীকৃতি জানায়। কোনও নোটিশ ছাড়াই, রুজভেল্ট ১৯৩৩ সালের লন্ডন সম্মেলন থেকে প্রত্যাহার করে নেন যা বিশ্বের মুদ্রা স্থিতিশীল করার জন্য ডাকা হয়েছিল – “তথাকথিত আন্তর্জাতিক ব্যাংকারদের পুরানো প্রতিভা” নিন্দা করে একটি বার্তা পাঠিয়ে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্যকে স্বর্ণমান থেকে বাদ দেওয়ার সাথে সাথে, ফলস্বরূপ মুদ্রা যুদ্ধ সংকটকে আরও বাড়িয়ে তোলে এবং ইউরোপীয় অর্থনীতিকে আরও দুর্বল করে তোলে। দেশগুলি সংরক্ষণবাদ এবং বাণিজ্য যুদ্ধের বাণিজ্যিক নীতিতে ফিরে যাওয়ার সাথে সাথে বিশ্ব বাণিজ্য নাটকীয়ভাবে সঙ্কুচিত হয়।

মধ্য ইউরোপে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে ওঠে, যেখানে ১৯৩১ সালে অস্ট্রিয়ায় বিশাল ক্রেডিট-আনস্টাল্ট ব্যাংকের পতনের পর এই অঞ্চলজুড়ে প্রতিধ্বনিত হয়। জার্মানিতে, ব্যাপক বেকারত্ব বৃদ্ধির সাথে সাথে, মধ্যপন্থী দলগুলি চাপা পড়ে যায় এবং কমিউনিস্ট এবং ফ্যাসিবাদী সমর্থকদের মধ্যে সশস্ত্র দাঙ্গা শুরু হয়। নাৎসিরা ক্ষমতায় আসার পর, তারা স্বৈরাচারী নীতি চালু করে, তাদের সামরিক যন্ত্র গড়ে তোলার জন্য পশ্চিমাদের সাথে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে।

পশ্চিমা অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেওয়া অর্থনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং বৈরিতা জার্মানিতে ফ্যাসিবাদের উত্থানের পথ প্রশস্ত করে। এক অর্থে, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের একজন ভক্ত হিটলার পরবর্তী আধিপত্যবাদী অর্থনৈতিক এবং সামরিক শক্তি হতে চেয়েছিলেন, বাকি ইউরোপের সম্পদ জয় করে এবং নির্মমভাবে শোষণ করে নিজের সাম্রাজ্য তৈরি করেছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্র
১৯২৩ সালে, তীব্র মুদ্রাস্ফীতির কারণে বিপর্যস্ত জার্মানরা বার্লিনের রাইখসব্যাঙ্ক থেকে টাকা তোলার জন্য বড় ব্যাগ নিয়ে লাইনে দাঁড়ায়। Photo: Bundesarchiv/Wikimedia, CC BY-NC-SA

প্রায় এক শতাব্দী পরে, সেই আন্তঃযুদ্ধকালীন সময়ের সাথে কিছু বিরক্তিকর সাদৃশ্য রয়েছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর আমেরিকার মতো, ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন যে যুক্তরাষ্ট্র যেসব দেশকে সামরিকভাবে সমর্থন করেছে, তারা এখন এই সুরক্ষার জন্য অর্থ পাওয়া উচিত। তিনি ডলারের অবমূল্যায়ন করে মুদ্রা যুদ্ধকে উৎসাহিত করতে চান এবং দেশীয় শিল্পকে রক্ষা করার জন্য সুরক্ষাবাদী বাধা তৈরি করতে চান। ১৯২০-এর দশকও এমন একটি সময় ছিল যখন আমেরিকা ইউজেনিক ভিত্তিতে তীব্রভাবে অভিবাসন সীমিত করেছিল, কেবলমাত্র উত্তর ইউরোপীয় দেশগুলি থেকে এটিকে অনুমতি দিয়েছিল যা (ইউজেনিকবাদীরা যুক্তি দিয়েছিলেন) “শ্বেতাঙ্গ জাতিকে দূষিত করবে না”।

স্পষ্টতই, ট্রাম্প আন্তর্জাতিক সহযোগিতার অভাবকে এমন একটি সমস্যা হিসেবে দেখেন না যা স্টক বা বন্ড বাজারের পতনের ক্ষতিকারক অর্থনৈতিক প্রভাবকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। এবং আজকের অস্থিতিশীল বিশ্বে, বিশ্বনেতা হিসেবে আমেরিকার অতীতের সমস্ত ব্যর্থতার পরেও, এটি একটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক প্রস্তাব।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে গত আর্থিক সংকটের প্রতি সাড়া দিয়েছিল
আবারও, আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলার নিয়ম ভেঙে পড়ছে। যদিও এটা সম্ভব যে ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গি হোয়াইট হাউসে তার উত্তরসূরি সম্পূর্ণরূপে গ্রহণ করবেন না, তবুও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের দিকটি বিশ্বায়নের সুবিধা সম্পর্কে প্রায় নিশ্চিতভাবেই সন্দেহপ্রবণ থাকবে, বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক নিয়ম বা উদ্যোগের প্রতি সীমিত সমর্থন থাকবে।

ইউরোপ এবং দক্ষিণ আমেরিকার বেশিরভাগ অংশে ডানপন্থী জনপ্রিয় দলগুলির উত্থানের মধ্যে, অন্যান্য দেশেও বিশ্বায়নের সুবিধা সম্পর্কে একই রকম সন্দেহ দেখা দিচ্ছে – যাদের অনেকেই ট্রাম্পের সমর্থনে। এই দলগুলির সমর্থনকে আরও বাড়িয়ে তুলছে আয় বৈষম্য, ধীর প্রবৃদ্ধি এবং অভিবাসন সম্পর্কে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ যা বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থা দ্বারা সমাধান করা হচ্ছে না – এবং এই সমস্ত বিষয়গুলি একটি নতুন বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকটের সূত্রপাতের ফলে আরও তীব্র হবে।

বিশ্ব অর্থনীতি এবং আর্থিক ব্যবস্থা আগের চেয়ে অনেক বড় হয়ে ওঠার সাথে সাথে, একটি নতুন সংকট ২০০৮ সালে সংঘটিত সংকটের চেয়েও আরও গুরুতর হতে পারে, যখন ব্যাংকিং ব্যবস্থার ব্যর্থতা বিশ্বকে পতনের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল। সেই সংকটের মাত্রা ছিল অভূতপূর্ব, কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মকর্তারা সাহসিকতার সাথে এবং দ্রুততার সাথে এগিয়ে এসেছিলেন।

লেহম্যান ব্রাদার্স দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার এবং বিশ্বব্যাপী আর্থিক ব্যবস্থাকে অচল করে দেওয়ার তিন দিন পর ওয়াশিংটনে বিবিসির একজন প্রতিবেদক হিসেবে প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া জানার জন্য আমি হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস কমিটির শুনানিতে যোগ দিয়েছিলাম। কমিটির চেয়ারম্যান বার্নি ফ্র্যাঙ্কের মুখের সেই হতবাক ভাব আমার মনে আছে, যখন তিনি মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি হ্যাঙ্ক পলসন এবং মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান বেন বার্নাঙ্ককে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার জন্য তাদের কত টাকা প্রয়োজন হতে পারে:

“আসুন ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার দিয়ে শুরু করি,” বার্নাঙ্ক শান্তভাবে উত্তর দিয়েছিলেন। “কিন্তু আমাদের যদি প্রয়োজন হয় তবে আমাদের ব্যালেন্স শিটে আরও ২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার আছে।”

এর কিছুক্ষণ পরেই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেস ৭০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের উদ্ধার প্যাকেজ অনুমোদন করে। যদিও বিশ্ব অর্থনীতি এখনও এই সংকট থেকে পুরোপুরি সেরে ওঠেনি, তবুও এই ধরনের হস্তক্ষেপ ছাড়া পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারত – সম্ভবত ১৯৩০-এর দশকের মতোই খারাপ।

বিশ্বজুড়ে, সরকারগুলি তাদের ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্বচ্ছলতা নিশ্চিত করার জন্য ১১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, যুক্তরাজ্য সরকার দেশের পুরো বার্ষিক জিডিপির সমতুল্য অর্থ জমা করেছিল। তবে এটি কেবল সরকারগুলির জন্যই ছিল না। ২০০৯ সালের এপ্রিলে লন্ডনে অনুষ্ঠিত জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে, আর্থিক সংকটে পড়া দেশগুলিকে অর্থ প্রদানের জন্য আইএমএফ কর্তৃক ১.১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি নতুন তহবিল গঠন করা হয়েছিল।

জি২০ ব্যাংক এবং অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য কঠোর নিয়ন্ত্রক মান আরোপ করতেও সম্মত হয়েছিল যা বিশ্বব্যাপী প্রযোজ্য হবে, যা সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল ব্যাংকগুলির দুর্বল নিয়ন্ত্রণকে প্রতিস্থাপন করবে। সেই শীর্ষ সম্মেলনে একজন প্রতিবেদক হিসেবে, আমি ব্যাপক উত্তেজনা এবং আশাবাদের কথা মনে করি যে বিশ্ব অবশেষে তার বৈশ্বিক সমস্যাগুলি মোকাবেলায় একসাথে কাজ করছে, আয়োজক প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন সেই শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক হিসেবে কিছুক্ষণের জন্য আলোচনায় এসেছিলেন।

পর্দার আড়ালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ফেডারেল রিজার্ভও বিশ্বের অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলিকে তাদের নিজস্ব ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে জামিন দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ডলার নিশ্চিত করার জন্য প্রায় ৬০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার “মুদ্রা বিনিময়” করে নীরবে সংকট নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছিল।

ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড গোপনে যুক্তরাজ্যের ব্যাংকগুলিকে ১০০ বিলিয়ন পাউন্ড ঋণ দিয়েছিল যাতে তারা ভেঙে না পড়ে, যদিও চারটি প্রধান ব্যাংকের মধ্যে দুটি, রয়েল ব্যাংক অফ স্কটল্যান্ড (এখন ন্যাটওয়েস্ট) এবং লয়েডস, আর্থিক ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখার জন্য শেষ পর্যন্ত (বিভিন্ন পরিমাণে) জাতীয়করণ করতে হয়েছিল।

তবে, ব্যাংকগুলির জন্য এই উদ্ধার প্যাকেজগুলি, যদিও বিশ্ব অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিল, দুর্ঘটনার শিকার অনেকের কাছেই পৌঁছায়নি – যেমন ১ কোটি ২০ লক্ষ মার্কিন পরিবারের, যাদের বাড়ির মূল্য এখন বন্ধক নেওয়ার চেয়ে কম ছিল, অথবা ৪০% পরিবার যারা দুর্ঘটনার পর ১৮ মাস ধরে আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হয়েছিল। এবং উন্নয়নশীল দেশগুলিতে বসবাসকারী ৪০% পরিবারের জন্য সংকটের প্রভাব আরও বেশি ছিল।

২০০৮ সালের আর্থিক সংকট শুরু হওয়ার কয়েক মাস পরে, আমি জাম্বিয়া ভ্রমণ করি, একটি আফ্রিকান দেশ যা বৈদেশিক মুদ্রার জন্য তামার রপ্তানির উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল ছিল। আমি দেশটির তামার বেল্টের এনডোলার কাছে লুয়ানশ্যা তামার খনি পরিদর্শন করি। তামার চাহিদা কমে যাওয়ার কারণে (প্রধানত নির্মাণ এবং গাড়ি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়), সমস্ত তামার খনি বন্ধ হয়ে যায়। জাম্বিয়ার কয়েকটি ভাল বেতনের চাকরির মধ্যে একটিতে তাদের কর্মীরা তাদের আরামদায়ক কোম্পানির বাড়ি ছেড়ে লুসাকায় তাদের আত্মীয়দের সাথে বেতন ছাড়াই ভাগাভাগি করতে বাধ্য হয়।

জাম্বিয়ার সরকার তার পরিকল্পিত দারিদ্র্য হ্রাস পরিকল্পনা বন্ধ করতে বাধ্য হয়, যা খনির লাভ দ্বারা অর্থায়ন করা হয়েছিল। রপ্তানিতে পতন জাম্বিয়ার মুদ্রারও ক্ষতি করে, যা তীব্রভাবে হ্রাস পায়। এর ফলে দেশের দরিদ্রতম মানুষদের উপর মারাত্মক প্রভাব পড়ে কারণ এতে খাদ্যের দাম বেড়ে যায়, যার বেশিরভাগই আমদানি করা হত।

যুক্তরাষ্ট্র
২০০৮ সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের তীব্র প্রভাব শীঘ্রই জাম্বিয়ার লুয়ানশা তামার খনিতে পড়ে। Photo: Nerin Engineering Co., CC BY-SA

আমি লুসাকার কাছে একটি ফুলের খামারও পরিদর্শন করেছি, যেখানে ডাচ প্রবাসী অ্যাঞ্জেলিক এবং ওয়াটজে এলসিঙ্গা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে রপ্তানির জন্য গোলাপ চাষ করে আসছিলেন – ২০০ জনেরও বেশি কর্মী নিয়োগ করেছিলেন, যাদের আবাসন এবং শিক্ষার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। ভালোবাসা দিবসের গোলাপের বাজার ভেঙে পড়ার সাথে সাথে, তাদের ব্যাংকার, বার্কলেস সাউথ আফ্রিকা, হঠাৎ তাদের সমস্ত ঋণ অবিলম্বে পরিশোধ করার নির্দেশ দেয়, যার ফলে তারা তাদের খামার বিক্রি করে তাদের কর্মীদের বরখাস্ত করতে বাধ্য হয়। শেষ পর্যন্ত, জাম্বিয়ার অর্থনীতি স্থিতিশীল করতে আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংক থেকে ৩.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ নেওয়া হয়েছিল।

যদি আরেকটি বিশ্বব্যাপী আর্থিক সংকট দেখা দেয়, তাহলে ট্রাম্প প্রশাসন (এবং পরবর্তী অন্যান্যরা) উন্নয়নশীল দেশগুলির দুর্দশার প্রতি সহানুভূতিশীল হবে কিনা, অথবা যুক্তরাষ্ট্র ফেডারেল রিজার্ভকে বিদেশী কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলিকে বড় অঙ্কের ঋণ দেওয়ার অনুমতি দেবে কিনা তা দেখা কঠিন – যদি না ঋণগ্রহীতা রাজনৈতিকভাবে ট্রাম্পের সাথে সংযুক্ত একটি দেশ হয়, যেমন আর্জেন্টিনা। সবচেয়ে কম সম্ভাবনা হল ট্রাম্পের ধারণা যে বিশ্ব অর্থনীতিকে বাঁচাতে সাহায্য করার জন্য একটি বিশ্বব্যাপী ট্রিলিয়ন ডলারের উদ্ধার প্যাকেজ তৈরি করতে অন্যান্য দেশের সাথে কাজ করা।

বরং, ট্রাম্প প্রশাসনের বেপরোয়া পদক্ষেপ – এবং আর্থিক বাজারের দুর্বল বৈশ্বিক নিয়ন্ত্রণ – পরবর্তী বিশ্বব্যাপী আর্থিক সংকটের সূত্রপাত করতে পারে বলে একটি বাস্তব উদ্বেগ রয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বন্ড বাজার ভেঙে পড়লে কী হবে?

অর্থনৈতিক ইতিহাসবিদরা একমত যে বিশ্বব্যাপী পুঁজিবাদের ইতিহাসে আর্থিক সংকটগুলি স্থানীয়, এবং ১৯৭০-এর দশকের “অতি-বিশ্বায়ন”-এর পর থেকে এর ঘন ক্রমবর্ধমানভাবে, অনিয়ন্ত্রিত “ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা” – যা এখন নিয়ন্ত্রিত বিশ্বব্যাপী ব্যাংকগুলির চেয়েও বড় একটি খাত – বন্ড বাজারে গভীরভাবে জড়িত। বেসরকারি ইকুইটি, হেজ ফান্ড, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল এবং পেনশন তহবিলের মতো নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলি মূলত অনিয়ন্ত্রিত এবং ব্যাংকগুলির বিপরীতে, তাদের রিজার্ভ রাখার প্রয়োজন নেই।

বন্ড বাজারের আতঙ্ক ইতিমধ্যেই বিশ্বব্যাপী আর্থিক বাজারগুলিকে অস্থির করে তুলছে, যারা আশঙ্কা করছে যে এর উদ্ঘাটন ২০০৮ সালের মতো একটি ব্যাংকিং সংকটের দিকে নিয়ে যেতে পারে – এই নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির উচ্চ লিভারেজযুক্ত লেনদেনের ফলে তাদের উন্মুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে।

মার্কিন বন্ড ক্রেতারাও ট্রাম্প প্রশাসনের কর কর্তনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ঘাটতি আরও বেশি করে বাড়ানোর পরিকল্পনায় উদ্বিগ্ন – জাতীয় ঋণ এখন ২০৩৫ সালের মধ্যে মার্কিন জিডিপির ১৩৪%-এ উন্নীত হওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, যা ২০২৫ সালে ছিল ১২০%। এর ফলে যদি উদ্বিগ্ন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আরও মার্কিন বন্ড কিনতে ব্যাপক অস্বীকৃতি জানানো হয়, তাহলে তাদের মূল্য হ্রাস পাবে এবং সুদের হার – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বব্যাপী – বেড়ে যাবে।

ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলি সম্প্রতি সতর্ক করে দিয়েছেন যে পরিস্থিতি “২০০৮ সালের আর্থিক সংকটের উদ্বেগজনক প্রতিধ্বনি” তৈরি করেছে, অন্যদিকে আইএমএফের প্রধান ক্রিস্টালিনা জর্জিভা বলেছেন বেসরকারি ঋণ বাজারের পতনের বিষয়ে তার উদ্বেগ কখনও কখনও তাকে রাত জাগায়।

বন্ড বাজারে সমস্যাগুলি যদি ডলারের মূল্যের তীব্র পতন ঘটায় তবে খারাপ পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। বিশ্বের “অ্যাঙ্কর কারেন্সি” আর মূল্যের নিরাপদ ভাণ্ডার হিসেবে দেখা হবে না – যার ফলে মার্কিন ট্রেজারি বন্ড বাজার থেকে তহবিল প্রত্যাহারের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে, যেখানে অনেক বিদেশী সরকার তাদের রিজার্ভ ধরে রাখে।

দুর্বল ডলার যুক্তরাষ্ট্র ভোক্তাদের জন্য আমদানিকৃত পণ্যগুলিকে আরও ব্যয়বহুল করে তুলবে, একই সাথে দেশের রপ্তানি বৃদ্ধির সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পাবে। মার্কিন রাষ্ট্রপতির অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান স্টিফেন মিরান – যাকে ট্রাম্প ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী প্রধান করতে চান বলে মনে হচ্ছে, তার দ্বারা প্রস্তাবিত পদক্ষেপটিই ঠিক।

বন্ড বাজার অস্থিতিশীল হয়ে পড়লে কী ঘটতে পারে তার একটি উদাহরণ ঘটে যখন যুক্তরাজ্যের ইতিহাসের সবচেয়ে কম সময়ের প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস তার ২০২২ সালের বাজেটে বিশাল অ-তহবিলযুক্ত কর কর্তনের ঘোষণা দেন, যার ফলে সুদের হার বৃদ্ধির সাথে সাথে ইউকে গিল্টের (মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের সমতুল্য) মূল্য হ্রাস পায়। কয়েক দিনের মধ্যেই, ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডকে যুক্তরাজ্যের প্রধান পেনশন তহবিল ভেঙে পড়া এড়াতে জরুরি £৬০ বিলিয়ন উদ্ধার তহবিল গঠন করতে বাধ্য করা হয়।

তবে, মার্কিন বন্ড মার্কেটের পতনের ক্ষেত্রে, ক্রমবর্ধমান আশঙ্কা রয়েছে যে মার্কিন সরকার এই ধরনের ক্ষতি কমাতে পদক্ষেপ নিতে অক্ষম হবে – এবং অনিচ্ছুক -।

আর্থিক বিশৃঙ্খলার একটি নতুন যুগ
ঠিক যেমন উদ্বেগজনক হবে যুক্তরাষ্ট্র স্টক মার্কেটের পতন – যা ঐতিহাসিক মান অনুসারে বর্তমানে ব্যাপকভাবে অতিমূল্যায়িত।

যুক্তরাষ্ট্র স্টক মার্কেটের সামগ্রিক মূল্যের বিশাল বৃদ্ধি প্রায় সম্পূর্ণরূপে “মহান সাত” হাই-টেক কোম্পানিগুলির দ্বারা পরিচালিত হয়েছে, যা কেবল তার মোট মূল্যের এক তৃতীয়াংশ। যদি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর তাদের বড় বাজি তাদের দাবির মতো লাভজনক না হয়, অথবা চীনের AI সিস্টেমের সাফল্যের দ্বারা আবৃত থাকে, তাহলে 2000-02 সালের ডটকম ক্র্যাশের মতো একটি তীব্র মন্দা ঘটতে পারে।

বড় প্রযুক্তি নির্বাহীরা এর আগেও অতি আশাবাদী ছিলেন। ২০০১ সালে সিলিকন ভ্যালি থেকে ডটকম বুদবুদ ফেটে যাওয়ার সময় রিপোর্ট করার সময়, ইন্টারনেট স্টার্টআপ সিইওদের অটল বিশ্বাস দেখে আমি হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম যে তাদের শেয়ারের দাম কেবল বাড়তে পারে।

অধিকন্তু, তাদের কোম্পানিগুলির উচ্চ স্টক মূল্যায়ন তাদের প্রতিযোগীদের দখলে নেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিল, যার ফলে প্রতিযোগিতা সীমিত হয়ে পড়েছিল – ঠিক যেমন গুগল এবং মেটা (ফেসবুক) এর মতো কোম্পানিগুলি তখন থেকে তাদের অত্যন্ত মূল্যবান শেয়ার ব্যবহার করে ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম এবং ডিপমাইন্ড সহ গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ এবং সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের ক্রয় করেছে। ইতিহাস দেখায় যে এটি দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য সর্বদা খারাপ।

ব্যবসা এবং আর্থিক জগৎ এখন আরও ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত হওয়ার সাথে সাথে, গত অর্ধ শতাব্দীতে কেবল আর্থিক সংকটের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে তা নয় বরং প্রতিটি সংকট আরও আন্তঃসংযুক্ত হয়ে উঠেছে। ২০০৮ সালের বিশ্বব্যাপী আর্থিক সংকট দেখিয়েছিল যে এটি কতটা বিপজ্জনক হতে পারে: একটি বিশ্বব্যাপী ব্যাংকিং সংকট স্টক মার্কেটের পতন, দুর্বল মুদ্রার মূল্যের পতন, উন্নয়নশীল দেশগুলিতে ঋণ সংকট – এবং শেষ পর্যন্ত, একটি বিশ্বব্যাপী মন্দা যা থেকে পুনরুদ্ধার করতে বছরের পর বছর সময় লেগেছে।

আইএমএফের সর্বশেষ আর্থিক স্থিতিশীলতা প্রতিবেদনে উদ্বেগজনকভাবে পরিস্থিতির সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে “সম্পদ মূল্যায়নের প্রসার, সার্বভৌম বন্ড বাজারে ক্রমবর্ধমান চাপ এবং নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্রমবর্ধমান ভূমিকার ফলে স্থিতিশীলতার ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে।” এর গভীর তরলতা সত্ত্বেও, বিশ্বব্যাপী বৈদেশিক মুদ্রা বাজার সামষ্টিক আর্থিক অনিশ্চয়তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ রয়ে গেছে।

আমার বিশ্বাস, আমরা হয়তো এক নতুন যুগে প্রবেশ করছি যেখানে বিশ্বায়নের মৃত্যুর ফলে বপন করা বীজ – এবং ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া – শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রতিষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক শৃঙ্খলা ভেঙে দেবে।

ট্রাম্পের উচ্চ এবং অনিয়মিতভাবে প্রয়োগ করা শুল্ক – যা সবচেয়ে বেশি চীনকে লক্ষ্য করে – ইতিমধ্যেই বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল পুনর্গঠন করা কঠিন করে তুলেছে। আরও উদ্বেগজনক হতে পারে হাই-টেক শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় বিরল আর্থ খনিজ পদার্থের মতো গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত কাঁচামালের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই, যেখানে চীন তাদের রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিনিময়ে ১০০% শুল্ক আরোপের হুমকি দিচ্ছে (পাশাপাশি গ্রিনল্যান্ড দখল করার আশা করছে, যার ফলে এই খনিজ পদার্থের কিছু এখনও সরবরাহ করা হয়নি)।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটার চিপের জন্য অত্যাবশ্যক বিরল আর্থ নিয়ে এই দ্বন্দ্ব, এনভিডিয়ার মতো উচ্চ-উড়ন্ত প্রযুক্তিগত স্টকের বাজার মূল্যকেও হুমকির মুখে ফেলতে পারে, যেটি প্রথম কোম্পানি যার মূল্য ৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। [এশিয়া টাইমসের সম্পাদকদের আপডেট: পিটার থিয়েল তৃতীয় প্রান্তিকে তার এনভিডিয়া শেয়ার বিক্রি করেছেন বলে জানা গেছে, যেমনটি সফটব্যাঙ্ক আগে কোম্পানিতে তার বিশাল হোল্ডিং দিয়ে করেছে বলে জানা গেছে।]

গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামালের নিয়ন্ত্রণের জন্য যুদ্ধ আরও তীব্র হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে, বাণিজ্য যুদ্ধগুলি বাস্তব যুদ্ধে পরিণত হতে পারে – ঠিক যেমনটি হয়েছিল বাণিজ্যবাদের পূর্ববর্তী যুগে। কুয়েতের তেলক্ষেত্র জয়ের লক্ষ্যে প্রথম ইরাক যুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের সোনার খনি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুদানের গৃহযুদ্ধ পর্যন্ত অনেক সাম্প্রতিক এবং বর্তমান আঞ্চলিক দ্বন্দ্ব অর্থনৈতিক দ্বন্দ্বের মধ্যেই নিহিত।

বিগত চার শতাব্দী ধরে বিশ্বায়নের ইতিহাস ইঙ্গিত দেয় যে একটি বিশ্বব্যাপী পরাশক্তির উপস্থিতি – তার সমস্ত নেতিবাচক দিক সত্ত্বেও – একটি অনিশ্চিত বিশ্বে কিছুটা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এনেছে।

বিপরীতে, ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হল যে বাণিজ্যবাদের নীতিতে ফিরে আসা – যেখানে দেশগুলি নিজেদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ দখল করতে এবং তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে সেগুলি অস্বীকার করতে লড়াই করছে – সম্ভবত চিরস্থায়ী সংঘাতের একটি রেসিপি। কিন্তু এবার, ১০,০০০ পারমাণবিক অস্ত্রে ভরা বিশ্বে, বিশ্বাস এবং নিশ্চিততা নষ্ট হলে ভুল হিসাব মারাত্মক হতে পারে।

সামনের চ্যালেঞ্জগুলি বিশাল – এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলির দুর্বলতা, বেশিরভাগ সরকারের সীমিত দৃষ্টিভঙ্গি এবং তাদের অনেক নাগরিকের বিচ্ছিন্নতা আশাবাদী লক্ষণ নয়।

এটি দুই পর্বের সিরিজের দ্বিতীয় পর্ব। যদি আপনি এটি মিস করে থাকেন, তাহলে এখানে প্রথম পর্বটি পড়ুন।

স্টিভ শিফেরেস লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিটি পলিটিক্যাল ইকোনমি রিসার্চ সেন্টারের একজন সম্মানসূচক রিসার্চ ফেলো।

Source: এশিয়া টাইমস
Share196Tweet123

Subscribe

Unsubscribe
BT

BT

Related Posts

ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্র

ট্রাম্প ফেডারেল প্রসিকিউটরকে গোয়েন্দা প্রধান করছেন

June 12, 2026

বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ম্যানহাটনের শীর্ষ মার্কিন অ্যাটর্নি জে ক্লেটনকে...

Read moreDetails
কর

কর ক্ষেত্রে বেশ কিছু পরিবর্তন আসছে

June 12, 2026

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের ৩০ বছরের কারাদণ্ড

June 12, 2026

5100 s cleveland ave suite 202 Ft Myers fl33907.

Phone- 239.666.1120.

mail-banglatimes360@gmail.com

সম্পাদক – বখতিয়ার রহমান

প্রকাশক – শাওন ফারহানা

নির্বাহী সম্পাদক – ফরিদ সুমন

  • Tamil journalist Hamshika Krishnamoorthy is the runner-up for the 2026 Immigration Journalism Award

    Tamil journalist Hamshika Krishnamoorthy is the runner-up for the 2026 Immigration Journalism Award

    524 shares
    Share 210 Tweet 131
  • ফ্লোরিডা ফোবানার কমিটির প্রস্তুতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে

    516 shares
    Share 206 Tweet 129

Copyright © 2021-2026. Banglatimes360

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password? Sign Up

Create New Account!

Fill the forms below to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
No Result
View All Result
  • Home
  • রাজনীতি
    • আইন-আদালত
  • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
    • যুদ্ধ
    • উত্তর- আমেরিকা
      • যুক্তরাষ্ট্র
    • এশিয়া
      • মধ্যপ্রাচ্য
    • ইউরোপ
    • অষ্ট্রেলিয়া
      • নিউজিল্যান্ড
    • দক্ষিণ আমেরিকা
    • আফ্রিকা
  • বিনোদন
    • সংগীত
  • খেলা
  • অনুসন্ধান
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • আবহাওয়া
  • শিক্ষা ও সংস্কৃতি

Copyright © 2021-2026. Banglatimes360