বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশী দূতাবাস গুলোর প্রতি বিশেষ করে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নভূক্ত দেশগুলোর দূতাবাস কর্মকর্তাদের প্রতি চট্রগ্রামের আদিবাসীদের আহবান, সরজমিনে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের কর্মকান্ড এবং আমাদের দূরাবস্তা দেখে যান। বিশ্ববাসীর কাছে সত্য তুলে ধরুন।
চট্টগ্রাম হিল ট্র্যাক্টস-এর আদিবাসী জনগণের আন্তর্জাতিক সংগঠন গ্লোবাল এসোসিয়েশন ফর ইন্ডিজিনাস পিপুলস অফ চিটাগাং হিল ট্রাক্টস (জি এ আই পি সি এইচ টি ) সংবাদ মাধ্যমে প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ১৯ জুন ২০২৫ থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তবর্তিকালীন সরকারের নির্দেশে পার্বত্য চট্টগ্রামের ৬৮টি গ্রাম এবং ১০টি উপজেলায় ব্যাপক সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে।
থাইল্যান্ড আদালত প্রধানমন্ত্রীকে দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করেছে
আদিবাসী জনগোষ্টীর অভিযোগ এই অভিযান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সহায়তা করার কৌশলের একটি অংশ। রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ধর্মীয় অনুভুতিকে কাজে লাগিয়ে শরণার্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধি করছে এবং মূলত বান্দরবান জেলার আরাকান সীমান্তবর্তী এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। (জিএআইপিসিএইচটি -) এর সঞ্চয় চাকমা বলেন, “এই সামরিক অভিযানের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করছে, যাতে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। এর ফলে এখানকার আদিবাসীরা জনগোষ্টী নিগৃহীত হচ্ছে। বিভিন্ন ভাবে এর প্রভাব পড়ছে নীরিহ আদিবাসীদের উপর।‘’
সেনাবাহিনীর এই অভিযানে অন্তত ২৩ জন নীরিহ আদিবাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুইটি প্রাথমিক বিদ্যালয়—রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার উত্তর বি ব্লক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং খাগড়াছড়ির জগন্নাথপাড়া ইউনিসেফ স্কুল- বন্ধ করে সেনাবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে, যার ফলে আদিবাসী শিশুরা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এছাড়া সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগও রয়েছে আদিবাসী নারীদের।
২৭ জুন ভোর ৪টায় খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার সাইংগুলিপাড়ায় ৫৮ বছর বয়সী এক বিধবা নারী চুসেই মারমার বাড়িতে সেনাবাহিনী অভিযান চালায়। তারা তাঁর ১৪ বছর বয়সী নাতনি কায়ু মারমাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
জি এ আই পি সি এইচ টি ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনীতিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তারা একটি প্রতিনিধিদল পাঠিয়ে ভুক্তভোগী আদিবাসীদের কথা শোনেন এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এই চিরুনি অভিযান বন্ধ করতে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে এবং রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সমর্থন দেওয়ার মাধ্যমে যেন আদিবাসীদের ক্ষতিগ্রস্ত না করা হয়- সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলেছে। –









































