বেইজিংয়ে উচ্চ-পর্যায়ের সীমান্ত আলোচনার পর বুধবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চীন ও ভারত ‘ন্যায্য, যুক্তিসঙ্গত এবং পারস্পরিকভাবে গ্রহণযোগ্য সমাধান’ খোঁজার পাশাপাশি সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উভয় পক্ষ আট-দফা একটি ঐকমত্যে সম্মত হয়েছে, যার মধ্যে নতুন সামরিক হটলাইন এবং সীমান্ত নির্ধারণ সংক্রান্ত ওয়ার্কিং গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এটি দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে যোগাযোগের পরিধি সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দেয়, কারণ তারা তাদের দীর্ঘদিনের বিতর্কিত হিমালয় সীমান্ত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে কাজ করছে।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই মঙ্গলবার ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং সীমান্ত বিষয়ক ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে ‘বিস্তৃত, গভীর, বন্ধুত্বপূর্ণ ও খোলামেলা’ আলোচনা করেন।
তারা কমান্ডার-পর্যায়ের আলোচনার জন্য দুটি বৈঠকস্থল যুক্ত করতে এবং সীমান্তের পূর্ব ও মধ্য অংশে দুটি নতুন সামরিক হটলাইন স্থাপন করতে সম্মত হয়েছেন।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সীমানা নির্ধারণ ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দ্রুত অগ্রগতি সাধনের জন্য আলোচনাকে এগিয়ে নিতে দুটি দলকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।
উভয় পক্ষ বাণিজ্য ও তীর্থযাত্রার ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে এবং সীমান্ত বরাবর সংলাপ, শান্তি, আলোচনা ও সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তুলতেও সম্মত হয়েছে।
তারা সেপ্টেম্বরে আন্তঃসীমান্ত নদী বিষয়ে বিশেষজ্ঞ-পর্যায়ের আলোচনার একটি নতুন পর্ব আয়োজন করতে এবং জলবিজ্ঞান সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান ও সংশ্লিষ্ট সমঝোতা স্মারকগুলোর নবায়নের বিষয়ে যোগাযোগ বজায় রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছেন।













































































